Le Portrait de Petit Cossette [রিভিউ] — Krista King

Cossette no Shouzou 1

Anime Name– Cossette No Shouzou/ Le Portrait De Petit Cossette
Genre– Drama, Supernatural, Romance, Psychological, Horror
Demographic– Seinen
Type– OVA
Episode– 3
Author– Asuka Katsura
Director– Akiyuki Shinbo
Music– Kajiyuri Yuki
Aired– 2004

সারসংক্ষেপ-
এইরি কুরাহাশি(Eiri Kurahashi) একজন শিল্পী ও একটা প্রত্নতত্ত্বের দোকানের মালিক। সে হঠাৎ-ই একটা সুন্দর রঙিন গ্লাসের প্রতি টান অনুভব করে। গ্লাসটির মধ্যে সে এক পুতুলের মত মিষ্টি মেয়ের আত্মা আবদ্ধ, যে এইরিকে সঙ্গ দেয়, দেখায় তাকে নিজের ভালো-খারাপ অতীত। কোসেটী(cosette), মেয়েটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল এমনই একজন শিল্পী ও তার প্রেমিক। তার আত্মার মুক্তি পাওয়ার এখন একটাই উপায়, হত্যাকারীর সমচরিত্রের কাউকে তার শাস্তিভোগ করতে হবে। অতঃপর এইরিইও সৌন্দর্য পিপাসু ও কোসেটীর প্রেমে পরে যায়, এখন সেই পারে অসহ্য যন্ত্রণাকে অতিক্রম করে কোসেটীকে নরক থেকে মুক্তি দিতে।

Cossette no Shouzou 3

My View-
গল্পটি সাধারণ কিন্তু এতে যেটা দেখানো হয়েছে সেটা হল দৃশ্যমান করার কৌশল। OVAটির প্রতিটি দৃশ্যে শিল্পত্বের ছোঁয়া। যেহেতু এটি একটি শিল্পীর গল্প তার ভাবনা, আবেগ ও অনুভূতিতে অসামান্য সৌন্দর্য, যা চমৎকার রঙিন চিত্রকল্প প্রকাশিত। আলো-আঁধো ভাবছায়ায় কখনো মিশেছে এইরি ও কোসেটীর আবেগ ও প্রেম, কখনোবা আক্রোশ প্রতিশোধ চাঞ্চল্যতা ও ভয়। দৃশ্যের সাথে সুরের উপযুক্ত মিশ্রণ দর্শককে প্রভাবিত করার মত।

Character
Eiri Kurahashi- শিল্প ও সৌন্দর্যের পূজারি এইরি নিজে একজন উৎকৃষ্টমানের শিল্পী। কোসেটীর প্রতি অগাধ প্রেম, তাকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সারা জীবন যন্ত্রণা ও শাস্তি ভোগ করতে পারে। কোসেটীর থেকে বিরহের চেয়ে যন্ত্রণা অনেক ভালো। তার বলিদানের মানসিকতায় কোসেটীও উপলব্ধি করে সে তার পুর্ব প্রেমিকের মত নিষ্ঠুর নয়।

Cossette- আঠারোশো শতাব্দীর সম্ভ্রান্ত পরিবারের কিশোরী। যার রঙ, রূপ ও সৌন্দর্য শিল্পীকে বানিয়েছে উন্মত্ত নেশারু। পরীর মত মিষ্টি কোসেটীর জীবনটাও ছিল রূপকথার মত, হিংসা ভয় প্রতিকূলতা কী সে জানত না। রূপ তার জীবনে এনেছে যেমন অসীম প্রেম তেমনই এনেছে করাল ছায়া। শিল্পীর প্রেমে তার জীবন হয়ে গিয়েছিল মিথ্যে, সে রয়ে গিয়েছিল শুধুই শিল্পীর তুলির টানে জীবন্ত।

Cossette no Shouzou 2

Miyori No Mori [আনিমে ও মাঙ্গা রিভিউ] — Krista King

Name: Miyori No Mori
Genre: fantasy, drama, spiritual (nature).
Demographic: All
Anime Duration: 1hr 47min
Manga: vol2, ch.8
Author: Hideji Oda
Director: Nizo Yamamoto
Aired: 2007

সারসংক্ষেপ–
একদা মিয়োরি নামক একটি মেয়ে শৈশবে খেলতে খেলতে অরণ্যের গভীরে হারিয়ে গিয়েছিল। সেখানে ডিভাইন ট্রী-এর স্পিরিট তাকে অরণ্যের রক্ষী হিসাবে নির্বাচন করে। এখন মা ও বাবার মধ্যে অনবরত কলহের মাঝে ছোট্ট মিয়োরি একা হয়ে যায়। বড় হওয়ার সাথে সাথে সে মানুষের চেয়ে প্রকৃতিকে বেশি আপন করে ফেলত। মা বাবার বিচ্ছেদের দরুন এগারো বছরের মিয়োরি থাকতে শুরু করে ঠাকুমা-ঠাকুরদার সাথে সেই অরণ্য সংলগ্ন গ্রামে। প্রথমে অসুবিধা হলেও পরে গ্রামের মানুষ ও অরণ্যের স্পিরিটদের সাথে মিশে যায়। ইতিমধ্যে গ্রামে একদল মানুষের আবির্ভাব হয় যারা সেখানকার নদীতে বাঁধ বানাতে চায় কিন্তু সেটা হলে গ্রামসহ অরণ্য ডুবে যেতে পারে। সমস্ত অরণ্যের স্পিরিটদের একত্রিত করে তাদের এমন চমকায়, যাতে তারা আর ফেরত না আসে। এইভাবেই ছোট্ট মিয়োরি সকলকে বাঁচিয়ে নেয়।

Miyori No Mori 1

My View-
অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলি। বেশ একটা গিবলি সিনেমাগুলোর মত অনুভব হয়। ক্যারেকটার ডিজাইন বাস্তবিক যেটা সবচেয়ে সুন্দর লেগেছে আমার। মিয়োরির চরিত্রটি সবচেয়ে আকর্ষক। ছিচকাঁদনে অতিমিষ্টি চরম উৎসাহী নয় বরং শান্ত-শিষ্ট, নম্র অথচ দৃঢ়-মনস্কা, বাস্তবিক। শৈশব থেকে মা-বাবা, সহ-পাঠীদের কাছে তিরস্কৃত হওয়ার পরও, সবকিছু ভুলে মানসিকভাবে আরো দৃঢ় হয়ে ওঠার পরিণতিটি দেখার মত। মানুষের চেয়ে প্রকৃতির প্রতি এত টান, কোথায় একটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “বলাই”এর কথা মনে করিয়ে দেয়। সবমিলিয়ে গল্প শেষে বেশ একটা ভালো লাগা থেকে যায়।

(আপনি এর মাঙ্গাটাও পড়ে দেখতে পারেন, মাত্র আটটি চ্যাপ্টারের, সেখানেও চিত্রগুলো খুব সুন্দর ও বাস্তবিক, মাঙ্গাতে আরোকিছু details আছে ঘটনাতে।)

Miyori No Mori 2

Petshop of Horrors [রিভিউ] — Krista King

Petshop of Horrors 1

Anime: Petshop of Horrors
Genre: Mystery, Philosophical, Psychological, Horror
Demographic: Josei
Episode: 4
Author: Matsuri Akino
Aired: 1999

 

 

 

সারসংক্ষেপ-
চায়না টাউন নামক একটি জায়গায় পোষ্য বিক্রয়ের দোকান, যার মালিক কাঊন্ট ডি। ক্রেতা নিজের একান্ত ইচ্ছার পোষ্যকে কিনতে আসে, কিন্তু এই পোষ্যগুলি সাধারণ নয়। কিছু শর্ত পালন করতে হয় পোষ্যগুলির জন্য, এই শর্ত ভঙ্গ করলেই বিপদ, এমনকি ক্রেতার মৃত্যুও সম্ভব। এইভাবেই বিভিন্ন ক্রেতার পোষ্যের সঙ্গে অভিজ্ঞতা, তাদের রাগ, অভিমান, দুঃখ, হতাশা নিয়েই গল্প।

My view-
প্রতি পর্বের ঘটনা ভীষণই মর্মস্পর্শী। ঘটনাগুলোর মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও দার্শনিকতা খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, হিস্পানিক ও ভয়াবহ ভাব পরিবেশের সঙ্গে মানানসই। অনেকটা xxxholicএর ভাব খুঁজে পাবেন, কিন্তু তবুও অনেকটাই ভিন্ন।
তবে, সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপার হলো মাত্র চারটি পর্ব। আপনার মনে যখন রহস্য তুঙ্গে তখনই শেষ।
তবুও আমি বলব, দেখতে অসুবিধা হবে না বরং ভালোই লাগবে কারণ প্রতিটা পর্বে ভিন্ন গল্প। হয়তো এই animationটা বানানোই হয়েছে দর্শকদের mangaটার প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্যই।

Character-
Count D- এমনই এক পুরুষ, যার রুপকে শরবতের মতো পান করতে ইচ্ছে করবে। দার্শনিকতায় উত্তম চরিত্রটির প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে উপায় নেই।
এছাড়া নানান পর্বের নানান গল্পানুযায়ী বিভিন্ন মানসিকতার ভালো মন্দ tragic চরিত্রগুলি লক্ষ্যণীয়।

Petshop of Horrors 2

Kaze to Ki no Uta Sanctus/The Poem of Wind and Trees [রিভিউ] — Krista King

Kaze To Ki No Uta 1

Anime: Kaze to Ki no Uta Sanctus / The Poem of Wind and Trees.
Genre: Drama, Social Life, Psychological, Historical, Romance, Mature, Shounen-Ai.
Demographic: Shoujo, Josei (in my opinion)
Duration: 60 min
Author: Keiko Takemiya
Aired: 1987

সারসংক্ষেপ:
ফ্রান্সের এক অভিজাত ছাত্রাবাসে অনেকদিন বাদে ফিরে আসে এক প্রাক্তন ছাত্র সার্জ বাটর(Serge Battour), আর সে মনে করে যৌবনের কিছু স্মৃতিকথা।

মনে পরে, সে যখন প্রথম এসেছিল এই স্কুলে, তাকে থাকতে দেওয়া হয়েছিল এমন এক কক্ষে যেখানে কেউ থাকতে চায় না। প্রথমে টের না পেলেও সেই রাতেই পরিচিত এক ভয়ানক দৃশ্যের সঙ্গে, এক সিনিয়র ছাত্র তার রুম-মেটকে ধর্ষণ করছে। সরলমনা সার্জ বাধা দিতে গিয়ে জানতে পারে, আসলে তার রুম-মেট গিলবার্ট ককটিউ (Gilbert Cocteau) চেয়েছে তাকে বেধরক মাড়ার জন্য। এত তিরস্কার সত্তেও সার্জ গিলবার্টকে স্বাভাবিক জীবনে জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। বুদ্ধি প্রতিভা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরনে সার্জ সকলের মন জয় করলেও গিলবার্টকে সে বুঝে উঠতে পারেনা কিছুতেই। তবে ক্লাসে সবাই যেভাবে গিলবার্টকে হেনস্থা করে কোথাও একটা লোকানো ব্যাথার আঁচ করে সার্জ গিলবার্টের মনে। যার ফলে স্কুলের সকলের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করে যায় তার জন্য। অবশেষে বাস্তব সমাজ হিংসা মাদক ধর্ষণ আর অসম্ভব মানসিক যন্ত্রণা সহ্য না করতে পেরে গিলবার্ট আঁকড়ে ধরে সার্জের হাত, সার্জও অনুভব করে, হয়ত সেই পারে গিলবার্টকে অন্ধকার জগতে আলোর পথ দেখাতে।

চরিত্র:
প্রথমেই বলে রাখি গল্পের প্রত্যেক চরিত্রই ভীষণ স্বাধীন ও পরিণত।
Serg Battour – সার্জ একজন অভিজাত ও জিপসির পুত্র। সে মায়ের মত কৃষ্ণাঙ্গ হলেও বাবার মত ভীষণ প্রতিভাশালী। কোথাও একটা অসম্ভব জেদী পতিতকে দলিত হতে দেব না –”Even if it kills me, I’ll never allow someone to act violently towards others”–। তার সাথে পরিণত বিচারবুদ্ধি ও বিচক্ষণতা সার্জকে করে তুলেছে আরো আকর্ষণীয়– ”How can you call him dirty? Are you clean yourself!? All men are dirty.”–

Kaze To Ki No Uta 2

Gilbert Cocteau – গল্পের এক বিস্ময়কর অন্যতম প্রধান চরিত্র হল গিলবার্ট। স্বর্ণকেশ নীলাভ নয়ন, গিলবার্ট যেন রুপকথার রাজকুমার। ফুলের মত সুন্দর গিলবার্টের জীবন যেন অভিশাপ। প্রথমে তাকে দেখলে উদ্ভট নোংরা চরিত্রের ভিলেন মনে হলেও, পড়ে বোঝা যায়, সেই সবচেয়ে বেশী জর্জরিত ও সামাজিক নোংরামিতে আক্রান্ত। অগাস্ট বিঊ (Auguste Beau) নামক এক ব্যক্তি এর জন্য দায়ী, যার বিশ্বাস– ”The more he suffers, the more he’ll develop artistically. He will lose his indecency and become nude; his sensitivity will be pure”. সার্জ গিলবার্টকে আলো দেখালেও, অন্ধকার গিলবার্টকে শেষ পর্যন্ত গ্রাস করেই নেয়।

Kaze To Ki No Uta 3

My View:
এটি হল প্রথম সৌজো মাঙ্গা যেখানে দুটি কিশোরের মধ্যে রোমান্টিকতা ও যৌনতা দুটোই দেখানো হয়েছে, যেখানে তিক্ততা ও মাধুর্য দুইই বর্তমান।

এই গল্প সম্পর্কে যতই বলি ততই কম। প্রচুর জটিল বস্তু যেমন- মাদক, ধর্ষণ, গণিকাবৃত্তি, সামাজিক হিংসার শিকার, দ্বন্দ্ব, স্বাধীনতা ও ভালোবাসা এক ভীষণ সুন্দর আর্টিস্টিক ভাবে পরিবেশিত।

চরিত্রগুলির ভাব, ঘটনার পরিণতি আকর্ষণীয় কবিতা, জলরঙা চিত্র ও সুর দ্বারা প্রকাশিত। যেমন শুরুতেই দেখানো হয় এক শুকনো পাতা ঝরা অরণ্যের দৃশ্য আর সাথে একটা কবিতা, চিত্রগুলি যেন এক একটা কথা বলছে। আর কবিতা–
”Can you hear the song of wind and trees?
Can you hear the ruslting of our youth?
Ah, there must be others who remember.
Those who remember the good old days of their youth.”

তাছাড়া ও দেখানো হয়েছে ফরাসি ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সমাজ।

জানেন, আমি এটা আগে দেখিনি কারণ এর প্রধান চরিত্র দুটিকে একটু বেশিই কম বয়সই দেখতে। কিন্তু আমার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল ছিল, এতটা পরিণত চরিত্র আমি আর কোথাও দেখিনি।

আমি বলব মাঙ্গাটা পড়ে দেখুন, ওখানে আরো চরিত্রগুলির detail ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য গুলো আছে। ওটার কাছে এই ovaটা অনেকটা ম্লান বলেই মনে হবে।

[যেমন আপনি শুধুমাত্র Soujo-Ai বলে যদি Revolutionary Girl Utena না দেখেন, তেমনই শুধুমাত্র Shounen-Ai বলে যদি না দেখেন তবে একটি মাস্টারপিস থেকে আপনি অজ্ঞাত থেকে যাবেন, এই যা।]

Kaze To Ki No Uta 6

The Twelve Kingdoms [রিভিউ] — Krista King

Twelve Kingdoms 1

Anime name: JUNNI KOKUKI or JUNI KOKKI or THE TWELVE KINGDOMS
Genre: Wiki অনুযায়ী fantasy drama romance, MAL অনুযায়ী action adventure fantasy. আমার মতে historical fantasy adventure political and action.
Demographic: Shoujo (কোনো দিক দিয়েই মনে হয়নি), mature বস্তুও আছে।
Written by Fuyumi Ono
Illustrated by Akihiro Yamada
Aired: 2002 to 2003
Episode no: 45

এই আনিমেটা আমার ভালো লাগার সর্বমূল কারণ হল- এই আনিমের মহিলা কেন্দ্রীয় চরিত্রটি অন্যান্য shonen ও shoujo seriesএর মহিলা মূল চরিত্রের মত ভ্যাঁ-ভ্যাঁ করে কেঁদে নায়কের বুকে গড়াগড়ি দেয় না। যেখান সেখান থেকে অতিসুন্দর ক্ষমতাশালী কেউ এসে নায়িকাকে কোলে তুলে নেয়না। যেখানেই যায় সবাই তাকে ভালোবেসে ফেলে এমন ভাগ্যবান নায়িকা নয়।

প্রথম থেকেই সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় নায়িকাকে, অসহায় নায়িকা কোনোমতে সকলকে বাঁচালেও কেউ তাকে ভালোবাসে না বরং সকলেই ঠকানোর চেষ্টা করে। সৌরিয়, কেঈকী তাকে সাহায্য করলেও, তাকে উপদেশ দিয়েছে কিন্তু তার হয়ে লড়াইটা কেউ লড়ে দেয়নি। নিজেকেই নিজের অস্ত্র বানিয়ে শক্তিশালী হতে বাধ্য হতে হয়েছে তাকে।

Twelve Kingdoms 2রাজনীতি ও অ্যাকশন দেখানোর জায়গাগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে, এই আনিমে আকৃষ্ট হবার যেটা অন্যতম প্রধান কারণ।

কত ধরনের শাসক হয়ে, কেউ অত্যাচারী, কারোর রাজনীতিতে মন নেই, কেউ অপরাধ মুক্ত দেশ বানাতে গিয়ে নির্দয়ী হয়ে যায় আবার কেউ রাজ্য ও জনগণকে সম্পদের মত আগলে রাখে। রাজ্য চালনা, সাধারণ মানুষের জীবন, দারিদ্র্য, অনাহার। তারই মধ্যে আবার মানুষের স্বার্থপরতা। শাসকের সামান্য ভুলে কীভাবে পুরো দেশকে ভুগতে হয়। শাসকের প্রতি দেশবাসীর প্রতিহিংসা, বিদ্রোহ। সেজেগুজে সিংহাসনে বসলেই যে কেউ রাজা বা রাণী হতে পারে না।
আরেকটি জিনিস যেটা দেখানো হয়েছে সেটা হল একটা বিশ্ব-গঠন। ঠিক কি নিয়মানুসারে এই জগৎ টা চলে। কীভাবে সন্তানের জন্ম হয়। কি করে শাসক নির্ধারণ হয়, মন্ত্রীত্ব, শাসন ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা। সমস্ত তথ্য খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপিত।

রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার কাহিনী, গল্প বলার ধরনে কোনোরকম কথা হবে না, শুধু অসাধারণ। চিত্রাঙ্কন অতীব সুন্দর ও very classic, কোনো অতিরূপসী, overmuscled, অতিমিষ্টি ও লোলি-মুখো নেই…. সাধারণ অথচ আকর্ষক। এতটাই classic যে চোখ সরানো যায় না।

শুধু নায়িকারই অসামান্য লড়াই দেখার জন্য যখন মন উদ্বিগ্ন তখন অন্য চরিত্রদের কাহিনী শুনতে যেন bore লাগছিল, জানি এটা আমার ইচ্ছে মাত্র, আসলে লেখক সব চরিত্রকেই যথাযথ ভূমিকা দিয়েছে- এটা খুবই ভালো জিনিস। যুদ্ধের জায়গাগুলো যতটা দেখানোর ততটাই ঠিক দেখিয়েছে, তবুও আমার আরো যুদ্ধ দেখতে ইচ্ছে করছিল।

আসলে যতটুকু বলেছি কমই The Twelve Kingdom তারচেয়ে আরো অনেক বেশি।

Twelve Kingdoms 3

Devilman Lady [রিভিউ] — Krista King

Devilman Lady 4

Anime Name: The Devil-Lady or Devilman Lady.
Written: Go Nagai (manga), Chiaki J Kanaka (anime)
Illustrator: Go Nagai
Genre: Action, Horror, Psychological, Drama.
Episode: 26
Demographic: Seinen
Original Run: 1998 to 1999
Magazine: weekly morning
Studio: Toei Animation

Character:
জুন ফুডো- নম্র, ভদ্র সুন্দরী ও সাধারণ মহিলা। অন্য devilmanদের ভিন্ন, শক্তি ও যৌনতা দুটোরই লালসা নেই। অমানবিক মানুষ ও devil দুইকেই ঘৃনা করে। মানব রক্ষার্থে চরমতম হিংস্র হতে পারে। বন্ধু ও ভক্ত কাসুমির কাছে দিদির মতো। কোনো devil তাকে মা বললে নিশ্চয়ই সে বুকে টেনে নেবে। প্রথমে লান তাকে জোর করেই কাজ করাচ্ছিল বলে মনে হলেও, পরে বোঝা যায় সে স্বেচ্ছায়ই মানুষ রক্ষার্থে কাজ করেছে।
লান আসুকা- ইনি জুন ফুডোর ঠিক বিপরীত। শক্ত, সামর্থ, কঠিন মানসিকতার। নিজেকে প্রমান করতে যেকোনো অমানবিক কাজ করতে পারে। তবুও তার মতামতকে সম্পূর্ণ ভুল বলা যায় না।

Devilman Lady 2

My View:
Claymore দেখার অনেকদিন বাদে এমন action, horror series দেখলাম। Devilmanর plot প্রায় একই typeর হলেও এটাতে বেশ sensitive একটা গল্প আছে। action, suspense আর জুনকে দেখার মত। আর সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হল- suspense making, charecter design আর musicগুলোতে একটা DCএর মতো Feel আসে। suspense sceneএ musicগুলো কেমন Batman Animationর tune বলেই মনে হয়। এছাড়া হাল্কা yuri ও নগ্নতার দৃশ্য আছে। সবমিলিয়ে DEVIL-LADY বেশ একটা entertaining ও attractive animation series. পারলে mangaটা ও পরতে পারেন সেটা নাকি animeর চেয়ে অনেক বেশি gore.
(Some Info — Devil-ladyর মাঙ্গাকা-ই হল Dvillman(1972) seriesর ও সৃষ্টিকর্তা। শুধু devilman হল shounen series আর devil-lady হল seinen series.)

Devilman Lady 3