Cat Soup-এ মৃত্যু-ভাবনাঃ ভালোবাসা এবং অনিবার্যতা — Fahim Bin Selim

মানুষের জ়ীবনের সবচেয়ে বড় ভয়গুলোর মধ্যে একটা সম্ভবত পরিবর্তন; চেনা-পরিচিত জগৎটার পালটে যাওয়া। তা পরিস্থিতির বদলে হতে পারে, স্থান-কালের বদলে হতে পারে, হতে পারে পাত্রের বদলে; কিংবা অনুপস্থিতিতে। এক্ষেত্রে পরিবারের কথাই কি সবার আগে মাথায় আসে না, যেখানে মোটামুটি পরিবারকে ঘিরেই পরিচিত জগৎ-টার শুরু, এবং বড় একটা সময় জুড়ে সেটাই পুরো জগৎ হয়ে থাকে? শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরো বেশি।

নিয়াত্তার যুদ্ধটা এই পরিবর্তনের বিপক্ষে – পরিণতি আর অনিবার্যতার বিপক্ষে। স্রষ্টা-সর্বপরিচালকের বিপক্ষেও কি না? Cat Soup-এর শুরুটা মাসাকি ইউয়াসার[১]  ট্রেডমার্কড পারস্পেকটিভ শট দিয়ে। ক্যামেরা বাথটাবের ভিতর পরে থাকা, তার উপরে জলের আবরণ – স্থির – আপাত পরিস্থিতির মত। কিন্তু এরপরই নিয়াত্তার আগমন, খেলনা নিয়ে পানির ভেতর হাত ডুবিয়ে খেলতে থাকা, অতঃপর তাতে উপুড় হয়ে পরে যাওয়া, জলের আবরণে আন্দোলন এবং হ্যালুশিনেশনের শুরু। পরাবাস্তবতারও।

vlcsnap-2016-02-21-18h04m26s131

একটা মরা পোকার খোলস দেখা যায়, দেখা যায় বাইরের ঘরে শুয়ে থাকা অসুস্থ নিয়াকোকে। এবারের পারস্পেকটিভ শটটা তার চোখ দিয়ে দেখা – উপরের সিলিং, ক্রমশ জট পাকিয়ে যাওয়া, বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া, ক্রমশ অন্ধকার হয়ে যাওয়া দৃষ্টি। বারান্দায় মৃত্যু দেবতার আগমন। কাছাকাছি দুটি মৃত্যু এবং মহাবৈশ্বিক চিন্তাভাবনায় কোনটাই কোনটার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। নিয়াত্তার যুদ্ধটা এখান থেকেই শুরু। সে মৃত্যু দেবতার হাত থেকে নিজের বোনের আত্নাকে একরকম টানাটানি করেই ফিরিয়ে আনে। তারপর তার মৃতদেহের ভেতর তা পুরে দেয় – আর জাদুর মত তার বোনও মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসে! জাদুবাস্তবতা অথবা শিশুমনের অলীক কামনা। কিন্তু এভাবেই তাদের অভিযাত্রার সূত্রপাট।

তাদের প্রথম বিরতি এক রঙ্গমঞ্চে – দ্য বিগ হোয়াইট সার্কাস। আরো ভালোভাবে বলতে গেলে স্রষ্টা -‘র সার্কাসে। সবার সামনে একটা মেয়েকে কেটে টুকরো টুকরো করা হয় এবং তার হাতের ছোঁয়ায় তারপর ভোঁজ়বাজির মত তা আবার জুড়েও দেওয়া হয়! দর্শকদের মধ্য থেকে এবার অনুরোধ নেওয়া পালা, প্রথমে চেয়ার, তারপর মাছ, এবং সবশেষে এক হাতি – এবং আর্শ্চর্যজনকভাবে এবারও জাদুর মত সে শুধু বলে – এবং তা হয়ে যায়! তবে দর্শকদের মনোরঞ্জনের পর্ব শেষ হলে স্রষ্টা-‘রটা শুরু। এক প্রবল স্রোতের বন্যায় সবার ভেসে যাওয়া, “নোয়া’হ ফ্লাড” যেন। চারিদিক যতদুর চোখ যায় কেবল পানি আর পানি, কিন্তু নিয়াত্তা আর নিয়াকোর “আর্ক”-এ প্রাণীকূলের প্রতিনিধি হিসেবে কেবল তারা ভাইবোন দুজন বিড়াল আর তাদের “প্রিয়” পোষ্য শুকর(Cat Soup Original দ্রষ্টব্য)। লৌহ-পাখার এক প্রজাপতি উড়ে যায়। নিয়াত্তা আবারো বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হতে থাকায় তার বোনের পরিচর্যা করা শুরু করে, তাকে খাইয়ে দেয়, এমনকি পোষ্য শুকরের ক্ষতি করে হলেও – নৈতিকতা আর ভাবাদর্শ চুলোয় যাক(আক্ষরিকভাবেই!), পরিবারই সবার আগে অবশ্যই!

Screenshot_2016-02-21-11-00-12

এই নৌকায়ই নিয়াত্তার দেখা পানিতে ভাসতে থাকা মৃত পশুর জীবনচক্র – তার মৃতদেহের পাখিদের পেটে যাওয়া, শিশুপাখির মল হিসেবে পানি-বাতাস পেরিয়ে আবার ভুপৃষ্ঠে ফিরে আসা, অতঃপর পুষ্টি হিসেবে কাজ করে গাছের ডালে ফুল হিসেবে ফোটা। “Adventure Time” কার্টুন সিরিজের মাসাকি ইউয়াসা পরিচালিত পর্ব Foodchain-এ এই থিম পরবর্তীতে আরো বিশেষভাবে ব্যক্ত হয়েছে।

Screenshot_2016-02-21-11-02-09

অনেক তো সুখের সময় গেল – এপর্যায়ে স্রষ্টা-‘র পুনরাগমন। এবং তার খাওয়ার দৃশ্য। এবং অনেকটা তার খামখেয়ালীপনার কারণেই চারিদিক পানিতে ভেসে যাওয়া জায়গাগুলোরই এখন ধুঁ ধুঁ মরুভূমি হওয়ার পালা। “নোয়া’স ফ্লাড” হয়েছে আর “জোসেফ’স ফেমাইন” হবে না? প্রথমে পোষ্য-শুকর এবং পরে মরুভুমির নিচ থেকে বের করা জল-হস্তীর মৃত্যুর পর জলের অভাবে ধুঁকতে থাকা দুই ভাইবোনের এবার আশ্রয় হয় এক স্যাডো-ম্যাসোকিস্ট বুড়োর দূর্গে। আর এখানেই মুভির অন্যতম সেরা দৃশ্যের অবতারনা। খাবার টেবিলে বুড়ো নিয়াত্তা আর নিয়াকোর জন্য আয়োজন করে রাজকীয় ভোজ়ন আর তার পূর্বের রন্ধনদৃশ্যও! মৃত্যু নিয়ে Cat Soup-এর গাঢ়-রসিকতার চূড়ান্ত প্রদর্শনী। নিশ্চিতভাবেই নিয়াত্তার জন্য তা বেশ উপভোগ্যও ছিলো। যতক্ষন পর্যন্ত না তারা নিজেই আবার এর অংশ হয়ে যায় – ক্যাটস্যুপ-এর উপকরণ হিসেবে বিড়ালই তো লাগবে সবার আগে! নিয়াত্তা আর নিয়াকো কোনমতে বেঁচে ফিরে। তবে এবার স্রষ্টা-‘র খামখেয়ালীপনার দ্বিতীয় পর্বের শুরু।
Screenshot_2016-02-21-11-10-34

গড-এর হাত থেকে পরে যাওয়া খাবারের টুকরো ঘড়ির কল-কব্জা আটকে দেয়। আটকে যায় সময়ও। নিয়াত্তার নিজের বোনকে ফিরিয়ে আনার যুদ্ধটা যতটাই স্রষ্টা-‘র বিপক্ষে হোক না কেন, এক্ষেত্রে তাঁর ভ্রুক্ষেপ নেই বললেই চলে – পুরোটাই তার উপভোগের বিষয়, এখানে কেউ তাঁর সহযোগী নয়, কেউ তার শত্রু নয়। আটকে থাকা সময়ে নিয়াত্তা ঘুরে বেড়ায় পৃথিবীর বুকে। তার দেখা হয় আপাতত সময়ে আটকে থাকা, শীঘ্রই ট্রেনের নিচে চাপা পরে মরতে যাওয়া এক নারীর সাথে। নিয়াত্তা তার চোখে লেগে থাকা শক্ত হয়ে যাওয়া দুঃখ মুঁচড়ে খুলে নেয় এবং নিচে আছড়ে ফেলে। তা ভেঙ্গে চুরমার হয়। জীবনের সব সৌন্দর্য আর ভালোলাগার দেখা পাওয়ার জন্য কষ্টগুলো পার হওয়া খুবই তুচ্ছ। যাত্রাটা দুর্গম কিন্তু অসম্ভব নয়। লজ্জা, অপমান, ব্যর্থতা – সবকিছুর কষ্ট সহ্য করে হলেও কি বেঁচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ না?

Screenshot_2016-02-21-11-12-19

ঘড়ির কাঁটা সামনে এবং তারপর পিছে আগায়। এবার একগাদা অসংযুক্ত ভিনিয়েট পর্দায় খেলা করে। Mind Game[৩]-এর অনুরূপ! বিড়াল-সহোদর সময়ের চক্রে বুড়ো হয়ে যায়, আবার ফিরে আসে। মানুষেরা পেছনে দুপায়ে হাঁটতে হাঁটতে আদি-বানরের চারপায়ে নেমে আসে, সরীসৃপেরা ডাঙ্গা ছেড়ে নেমে যায় প্রাগৈতিহাসিক জলে। ডাইনোসরদের নির্বংশ করা উল্কাপিন্ড তার অধিবৃত্ত পথে অভিকর্ষ ত্যাগ করে ফিরে যায় মহাকাশে। “উন্নত” মানুষের হিংস্রতার খন্ডচিত্র দেখা যায় – মানুষ মারা যায়; যুদ্ধের মিসাইলে, বন্দুকের গুলিতে, দালানের ধ্বসে, গাড়ি দূর্ঘটনায়। আর এ সবকিছুই হয় নিস্পৃহ স্রষ্টা-‘র ভোজনামোদের অংশ। বিড়াল-সহোদর আবার তাদের নৌকায় ফিরে আসে। কর্দমাক্ত নোংরা জলে যান্ত্রিক মানুষের দেখা মেলে। পুনরাগমন ঘটে লৌহ-ডানার প্রজাপতির। ভাইবোনকে সে পথ দেখায়। আর দেখা মেলে সেই ফুলের, চক্রশেষে যার জন্ম হয়েছিল তাদের থেকেই। নিয়াকো তার প্রাণ ফিরে পায়। সুখী সমাপ্তী!

Screenshot_2016-02-21-11-18-05

অথবা শিশুমনের অলীক কামনা। নিয়াত্তার জীবনের সুখের স্মৃতিগুলো হারাতে থাকে একেক করে – তার বাবা, তার মা, সব শেষে তার বোন। এমনকি সে নিজেও হারিয়ে যায়। মৃত্যুর পর সবই সমান। অন্ধকার।

তাই প্রতিটি মূহুর্তই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে টিকে থাকা, তা যত কষ্ট সহ্য করেই হোক, সবসময়ই তা বিলিয়ে দেওয়ার চেয়ে সুন্দর। কারণ জীবনের প্রতিটি স্মৃতিই, প্রতিটি মূহুর্তই গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের অংশ হও। তা এমনকি ছোটবেলায় পরিবারসহ সৈকতে গিয়ে তোলা কোন ছবিতে হলেও

vlcsnap-2016-02-21-17h47m20s104

 

 

[১] – [https://en.wikipedia.org/wiki/Masaaki_Yuasa]

[২] – [http://kisscartoon.me/Cartoon/Adventure-Time-with-Finn-Jake-Season-06/Episode-007-008?id=3768]

[৩] – [https://en.wikipedia.org/wiki/Mind_Game_(film)]

Mind Game review by Fahim Bin Selim

মাইন্ড গেম[Mind Game](২০০৪)
অ্যানিমে ফিল্ম
১ ঘন্টা ৪৪ মিনিট
জনরাঃ অ্যাডভেঞ্চার, কমেডি, রোমান্স, সাইকোলজিক্যাল, দেমেন্তিয়া
মূল(মাঙ্গা): রবিন নিশিকি
প্রযোজকঃ স্টুডিও ফোর সি
পরিচালকঃ মাসাকি ইউয়াসা

ছোটবেলা থেকেই নিশি মিয়নকে পছন্দ করে। আর এখন এই ২০ বছরের জীবনে তার স্বপ্ন দুটো – নামকরা মাঙ্গাকা হওয়া আর মিয়নের ভালোবাসা পাওয়া করা।
কিন্তু সমস্যাও দুটো – বড়, নামকরা মাঙ্গাকা হওয়ার পথটা অনেক বন্ধুর; পদে পদে মুখ থুবড়ে পরা। আর এক বর্ষাস্নাত সন্ধ্যায় ছোটবেলার ভালোবাসা মিয়নের সাথে দেখা হওয়ার পর যখন সে অবশেষে তার অস্ফুট ভালো লাগার কথা ব্যক্ত করল, তখন জানতে পারল যে মিয়ন ইতিমধ্যেই আরেকজনের বাগদত্তা! ব্যার্থতা আর গ্লানিতে অভিভূত নিশির রাতটা এখানে শেষ হলেও চলত।
মিয়নদের ইয়াকিতোরি রেস্টুরেন্টে যাওয়ার পর ঘটনাচক্রে সে মুখোমুখি হয়ে গেল দুই ইয়াকুজার সাথে।
তারপর “কামিসামা”-র সাথে।
আর এক বৃদ্ধ লোকের সাথে। এমন এক জায়গায় যেখানে সাধারনত বৃদ্ধ লোকেরা থাকে না। কোন মানুষই থাকে না…

“হার মেনো না; বাঁচো!” – এটা হল মাইন্ড গেমের উপজীব্য। খুবই পরিচিত লাগছে? পরিচিত লাগারই কথা। সেই আশির দশকের ফ্রিজার সামনে দাঁড়ানো গোকু আর হালের পেইনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নারুতো; আর মাঝখানে শ’খানেক গতানুগতিক অ্যানিমে হার না মানার জয়গান গেয়ে গেছে; আর জীবলীর ফিল্মগুলো জীবনের সৌন্দর্য দেখিয়েছে বারবার। কিন্তু মাইন্ড গেম আর যাই হোক গতানুগতিক না। ধারেকাছেও না। বরং যদি আপনি “এঞ্জেল’স এগ” বা “তেক্কোন কিনক্রেট” দেখে না থাকেন, তাহলে বলতে হবে এর মত অ-গতানুগতিক, ভিন্নধারার ফিচার লেংথ অ্যানিমে ফিল্ম হয়তো আপনি দেখেননি।

মাইন্ড গেম হয়তো জীবন পাঠ শেখাবে;সূক্ষ্ণভাবে। আর তার মূল কাহিনীর আবহ ডার্ক। কিন্তু এটা আর যাই হোক কোন গুরু-গম্ভীর ফিল্ম না। বরং ইতিমধ্যেই যদি তাতামি গ্যালাক্সিতে ইউয়াসার ডার্ক হিউমারের সাথে পরিচিত হয়ে থাকেন, তবে জানুন এক দশক আগেও তার রসাত্ববোধ কোন অংশে কম ছিল না। এই মুভিতে মানুষ মারা যাবে, ইয়াকুজাদের তাড়া খাবে আর নিগির্ণ হবে বড় এক তিমি দ্বারা – কিন্তু আগাগোড়া এর কৌতুকাবহ বজায় থাকবে। সবসময়।

আর এই উদ্ভট, অ-সাধারন অ্যানিমের সাথে ইউয়াসার উদ্ভট, অ-সা্ধারন আর্টস্টাইল যেন নিঁখুত সামঞ্জস্যতাপূর্ণ। ইউয়াসার পরিচালনার প্রথম অ্যানিমে। আর সময়ে সময়ে সেই আর্টস্টাইলও বদলাবে; নন-অ্যান্থোলজিক্যাল অ্যানিমে বা স্পেস ড্যান্ডির মত ব্যতীক্রম বাদে যা কল্পনাও করা যায় না; তাও আবার একটি নির্দিষ্ট কাহিনী নিয়ে গড়ে ওঠা ফিচার লেংথ ফিল্মে! স্টূডিও ফোর ডিগ্রি সেলসিয়াসের জগতে স্বাগতম!

মাইন্ড গেম শুরু হবে জমকালো ভাবে আর শেষ হবে – সম্ভবত অ্যানিমে ফিল্মের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তগরম আর অ্যাড্রেনালিন তুঙ্গস্পর্শী করা – এক ফিনালে দিয়ে। আর এর মাঝখান সময়টা জুড়ে এক ভূতূড়ে জগৎ। হয়তো কিছুটা ধীর গতির। আর লাইভ-অ্যাকশন ছাড়িয়ে অ্যানিমেশনে সিনেমাটোগ্রাফির অসাধারনত্ব আর বাক্স ভরা সৃজনশীলতায় পূর্ণ।
এড আর অ্যালের ট্রুথের সাথে দেখা হওয়ার দৃশ্য দেখেছেন – এখানে দেখবেন খুব আলাদা, কৌতুকপ্রদ আর চিন্তাদ্দীপক এক সাক্ষাত, ‘দ্য ওয়ান’-এর সাথে। অনেক “ভালোবাসা”-‘র দৃশ্য দেখেছেন, আদিমতার – আর এখানে তার উপস্থাপনা সৌন্দর্য, শৌল্পিকতার।

মাইন্ড গেম সবার ভালো লাগার মত জিনিস না। ইউয়াসা সবার ভালো লাগার মত জিনিস না। আর তাই তার অন্যান্য সব কাজের মতই মুক্তির ১০ বছর পরও এটার কোন ডাব বের হয়নি। বিগত দশকের অন্যতম প্রভাব রাখা অ্যানিমে ফিল্ম হওয়ার পরও, অন্যতম শ্রেষ্ট ডেব্যু ফিল্ম হওয়ার পরও। মাইন্ড গেম – তার নামের যথার্থতা পুরণে অবশ্য আপনার মাথার সাথে কোন জটিল দাবা খেলায় নেমে পরবে না; মাইন্ড গেমের কাহিনী জটিলতা নিয়ে না। বরং মাইন্ড গেম জীবন নামক খেলার গল্প, বেঁচে থাকার গল্প – স্বপ্ন ভাঙা, ভালোবাসা হারানো, ইয়াকুজাদের হাতে পরা…মরে যাওয়া এবং তারপরও বেঁচে থাকার গল্প।

সম্মাননাঃ
* ওফুজি নোবুরো অ্যাওয়ার্ড – মানচিনি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড
* গ্র্যান্ড প্রাইজ – জাপান মিডিয়া আর্টস ফেস্টিভাল (হাউল’স মুভিং ক্যাসলকে হারিয়ে)
* সেরা ফিল্ম, সেরা পরিচালক, সেরা স্ক্রিপ্ট (জ্জুরি) – ফ্যান্টাসিয়া ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০০৫, কানাডা
* সেরা ফিল্ম, সেরা গ্রাউন্ডব্রেকিং ফিল্ম (অডিয়েন্স) – ফ্যান্টাসিয়া ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০০৫, কানাডা

রেটিংঃ
মাইঅ্যানিমেলিস্টঃ ৭.৯৫
রটেন টমেটোসঃ ৯৪% ফ্রেশ
আমার রেটিংঃ ৮২/১০০

‪#‎ইউয়াসা‬