Working! এনিম রিয়েকশন — মোঃ আসিফুল হক

প্রথমেই দুইটা জোক্সঃ

১) There are two types of people in this world:… Those who can extrapolate from incomplete data.
২) A Roman walks into a bar, holds up two fingers, and says: “Five beers, please.”

কি বললেন? একটুও হাসি আসে নাই? জানেন, আমারও না। কিন্তু আমার এক বন্ধু আছে; সে এই জোকসগুলায় হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাইসে। :/
কথা হইল; সেই আজাইরা প্যাচাল এইখানে ক্যান? কারণ হইল কমেডি ট্যাগওয়ালা একখান সিরিজ দেখসি। আর হাসি জিনিসটা বড়ই অদ্ভুত; কার যে কিসে হাসি আসবে বোঝা বড় মুশকিল !! যেই যেই এলিমেন্টে হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসার কথা; বেশিরভাগ জায়গায় উলটা ক্যান জানি বরং মেজাজ খারাপ হইসে। চোখ মুখ কুচকায়ে স্ক্রিনের দিকে তাকায় মনে মনে ভাবসি, “huai man, huai?” -_-

সিরিজটার নাম ওয়ার্কিং। উপরের বর্ণনা শুইনা মনে হইতে পারে আমি বুঝি সিরিজটায় মহা বিরক্ত; ব্যাপারটা আসলে তেমন না। ঘটনা ভাইঙ্গা বলি তাইলে। নায়ক তাকানাশি আর নায়িকা ইনামি। সমস্যা হইল এই ইনামিরে নিয়া। এতো বৈচিত্র্যহীন আর মনোটোনাস ক্যারেকটার !! অথচ স্ক্রিনটাইম পাইসে সে-ই সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে সাতৌ বা ইয়ামাদার মতন ইন্টারেস্টিং ক্যারেকটার অর্ধেক জায়গাও পায় নাই।

সিরিজের সেটিং একটা ফ্যামিলি রেস্টুরেন্টে কাজ করা কিছু মানুষ এর ডে-টু-ডে লাইফ নিয়া। এদের একেকজনের একেক রকম উদ্ভট সমস্যা আছে; ভাললাগা আছে। সেইগুলা নিয়াই কমেডি দিয়া চালানো সিরিজ। কোন এনিমেরই কাহিনী সংক্ষেপ বলতেও ভাল লাগে না; শুনতেও মনে হয় না কারো ভাল লাগার কথা। দেখলেই কাহিনী বুইঝা যাবেন; অথবা না-ও যাইতে পারেন; কারণ কাহিনী থাকলে তো বুঝবেন !!

এইবার চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রথম রিয়েকশনঃ নায়িকাডা এতো এনয়িং না হইলেই হইত। ওভারঅল – মজাই আছে। হাল্কা ধরণের জিনিস। মাঝখানে রোমান্টিক কিছু পার্ট ঢুকানোর চেষ্টা করসে; বেহুদা। কিছুই হয় নাই। ১৩ পর্ব শেষ কইরা সেই রোমান্স ঘুইরা ফিরা সেইম জায়গাতেই ফেরত আসছে। -_-
ক্যারেকটার ডিজাইন ভাল; এটলিস্ট একজন থেইকা আরকজনরে আলাদা করতে পেইন হয় না।
এনিমেশন ভাল; সাউন্ডট্র্যাক চলে।
ক্যারেকটার এর ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি মোর ওর লেস ব্যাখ্যা করার ট্রাই করসে; সো ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টে ভাল মার্ক্স।
কিছু কিছু জোকস মাঝে মাঝেই ওভারইউজড; ভ্যারিয়েশন কম। এক টপিকস নিয়ে চাইলে অনেক রকম জোকসই করা যাইত, সেইদিকে কিছু মার্ক্স কাটা। :/
ভয়েস এক্টিং এর ব্যাপারে আমার আইডিয়া খুবই কম; তবে শুনে মনে হইল ভাল পাবলিকরাই ভয়েস দিসে। শুইনা ভাল লাগে।

তো ইন শর্ট; ইনামির পেইনগুলা বাদ দিলে এঞ্জয়েবল। স্লাইস অফ লাইফ কমেডি ঘরানার সিরিজ পছন্দ করা লোকজনের জন্য অবশ্যই রিকমেন্ডেড; আর বাকিদের জন্য “দেখতে ইচ্ছে হইলে দেখেন, না হইলে থাকুক।”

Comments

comments