এফ এ সি ৩১

রান্ডম টপিক

 জাপানী নববর্ষ

 

 

১৮৭৩ সাল থেকে উদযাপন শুরু হয়, দিনের মূল কর্মকান্ড হলো মন্দিরে গিয়ে ঘণ্টা বাজানো, এরপর পরিবারের সাথে মচি, সোবা ইত্যাদি খাওয়া। বড়রা ছোটদেরকে খামে ভরে টাকা দেন, অনেকটা সালামির মত, একে বলে ওতশিদামা। ১০০ ডলার পাওয়াও বিচিত্র কিছু না.

 

 

আনিমে সাজেশন

ফুশিগি ইয়ুগি[Fushigi Yuugi]

 

 

জাদুর বলে অতীতের এক জগতে পা রাখল মিয়াকা। জড়িয়ে পড়ল সে সেখানকার ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িত দুই গোষ্ঠীর সাথে। একই সাথে সে খুঁজে পেল তার ভালবাসা। এর পরিণতি কি হতে যাচ্ছে?

 

কেন দেখবেনঃ খুব ভালো অ্যাকশান শউজো, কাহিনী মসৃণভাবে এগিয়েছে, কাহিনী দেখে যারা ইনু ইয়াশার সাথে খানিকটা মিল পাচ্ছেন, তাদেরকে বলি, কাহিনিবিন্যাসের ক্ষেত্রে এটা ইনু ইয়াশার চেয়েও ভালো। ওপেনিং আর এন্ডিঙ থিম দারুন, বিশেষ করে কোন পর্ব শেষ হবার ১-২ মিনিট আগেই এন্ডিঙ থিম এর মিউজিক প্লে করত, সাথে সাথে রোম দাঁড়িয়ে যেতো। এবং, অবশ্যই, এর ফিনিশিং যেভাবে হয়, আমার কাছে সবচেয়ে স্যাটিস্ফাইং আর শকিং ফিনিশিং গুলোর একটা।

কেন দেখবেন নাঃ বলা উচিত, কি দেখবেন না। অভিয়েগুলো দেখার কোনই কারণ নেই।

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭৯

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 মাই হার্ট ইজ বিটিং[My Heart is Beating]

 

 

অভিভাবকরা সাধারণত ছেলেমেয়েদের উপর একটু বেশিই চাপ দেন। বায় সুগুর অবস্থা হল আরও খারাপ, কারণ তাঁর বাবা স্কুলের ভাইস-প্রিন্সিপাল। আন্ডারএচিভার সুগুএকদিন মেয়েদের সাঁতারের ছবি তুলতে গিয়ে পড়ে গেলো গাড্ডায়, তাকে জোর করে স্কুলের প্রমীলা সুইমিং টিমের অংশ করে নেয়া হল। এরপর?

 

কেন পড়বেনঃ মেইন ক্যারেক্টার এর সাথে অনেকেই হয়তো রিলেট করতে পারবেন। সম্পূর্ণ রঙিন মানহুয়া, পড়তে বেশ মজা। ভালো রোমান্টিক কন্টেন্ট আছে। আর এটা আন্নারাসুমানারার মান্গাকার আঁকা।

কেন পড়বেন নাঃ পুরো স্কুল লাইফ বেইসড, খানিকটা কামিং অব এইজ কন্টেন্ট আছে। যারা উত্তেজনাবিহীন মাঙ্গা পড়তে পছন্দ করেন না, তারা এটা স্কিপ করে যেতে পারেন।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.২১

আমার রেটিং ৮

 

 

এফেসির অন্য সংখ্যাগুলো পাবেন এই লিঙ্কে।

http://www.animeloversbd.com/tag/%E0%A6%8F%E0%A6%AB-%E0%A6%8F-%E0%A6%B8%E0%A6%BF/

Comments