সংখ্যার কানজি আর ন্যাচারের কানজি দেয়া শেষ (আমার পারার মধ্যে আর কি 😛 )
আজ শরীরের অঙ্গপতঙ্গ রিলেটেড কানজি দেয়া শুরু করুম…
চোখের কানজি “মে”, কোন কোন জায়গায় “মোকু”ও উচ্চারণ হয়।

“মে” মানে হল চোখ, মোকুতেকি মানে হল purpose/goal, এখানে মোকুর জায়গায় এই কানজি বসে।
নারুতোর মধ্যে নিদাইমে হোকাগে,সানদাইমে হোকাগে এইগুলার “মে” জায়গায় চোখের কানজি বসে।
তারপর নিকাইমে মানে হল 2nd time, সানকাইমে মানে 3rd time, এ ইসব ক্ষেত্রে “মে” র জায়গায় চোখের কানজি বসে।
এরপরের কানজি “কান” এর কানজি, উচ্চারণ হল “মিমি” মাঝে মাঝে “জি” ও ইউজ হয়।
কান ছাড়াও “hearing” এর কানজি হিসেবেও ইউজ হয়।

নরমালি “মিমি” মানে “কান”। তারপর “হাতসুমিমি” মানে হল ১ম বার কোন কিছু শুনা, to hear something for the 1st time.
“মিমি গা তোওই” মানে হল “poor hearing/hard of hearing”। এক খান সেন্টেন্স এর উদাহরন দেই, “ওয়াতাশি ওয়া মিমি গা তোওই” মানে হইল “i dont hear very well”.
মনে রাখার এবং লিখার সুবিধার্তে আরেক খান ছবি দিলাম:

এখন মুখের কানজি। Mouth(মুখ) এর কানজি হল কুচি/কোউ/গুচি।

কুচি মানে হল মুখ, কুচি/গুচি মানে opening ও বুঝায়।
ইরিগুচি মানে হল entrance, এইটা লিখার সময় enter আর mouth এর কানজি পাশাপাশি লিখে। দেগুচি মানে হল exit, এইটা লিখার সময় leave আর mouth এর কানজি পাশাপাশি লিখে।
জিনকোউ মানে হল population, এইটা লিখার সময় মানুষ আর মুখের কানজি পাশাপাশি বসে।
এরপরের কানজি হল জিহ্বার কানজি, এটার উচ্চারণ হল শিতা/জেতসু।

“শিতা” মানে হল “tongue”, “শিতাসাকি” মানে “tip of the tongue” তারপর “শিতা ও কামু” মানে “bite the tongue”.
“জেতসুসেন” মানে “war of words”
এবার আসছে “মাথা”র কানজি, উচ্চারণ “আতামা/জু/তোউ”।

“আতামা” মানে হইল “মাথা”। লুফি অবশ্য “বাকা সং” এর মধ্যে “আতামা” রে “আত্তামা” বানায়ে দিছিল।
আত্তামা পকা পকা আহো বাআআআআ~কাআআআআআআ~ :3
“আতামা গা ওয়ারুই” মানে হল মাথায় বুদ্ধি কম, “stupid” বুঝাই আর কি 😛
“hood” এর জাপানিজ হইল “জুকিন”, এখানে “জু” এর জায়গায় মাথার কানজি বসে। তারপর “জুতসুউ” মানে হইল “headache”, এখানে “জু” এর জায়গায় এই কানজি বসে। তারপর “ইশি আতামা” মানে হইল “hard headed person (stone head)”, এখানে stone আর head এর কানজি পাশাপাশি বসে। তারপর আনিমে মধ্যে অনেক সময় দেখা যায় মাথায় ব্যথা পাইলেই বলে “আতামা ইতাই”
এইটার কানজি টা লিখা একটু কঠিন

এরপরের কানজি “হাত” এর কানজি, উচ্চারণ হল “তে/শু/জু”।

“তে” মানে “hand/arm”
“কারাতে”র কানজি লিখার সময় ২ টা কানজি পাশাপাশি লিখে একটা “কারা” এর কানজি আরেকটা “তে”র কানজি। “কারাতে” মানে এখানে “empty hand” বুঝায়। “কারাতে” খালি হাতে আত্মরক্ষার একটা কৌশল বলে এই ২ টা কানজি দিয়ে “কারাতে” বুঝায় (“কারাতে”র কথা “sky” এর কানজি শিখানোর সময় বলছিলাম)।
“আকুশু” মানে “handshake”, এখানে “শু”এর জায়গায় হাতের কানজি বসে।
“তেগামি” মানে “চিঠি”, এখানে “তে” র জায়গায় এই কানজি টা বসে।
“Surgery”র জাপানিজ হইল “শুজুতসু”, এখানে “শু”র জায়াগায় এই কানজি টা বসে।
তারপর “procedure” এর জাপানিজ “তেজুন”…এখানে “তে”র জায়াগায় এই কানজি টা বসে….
আর লেখার কৌশল নিচের ছবিতে দেখানো আছে:

আজকের শেষ কানজি “পা” এর কানজি, উচ্চারণ আশি/সোকু।

আশি মানে leg/foot
তে-আশি = হাত-পা
মিগি আশি – ডান পা
হিদারি আশি – বাম পা
মানজোকু মানে satisfaction, এখানে জোকুর জায়গায় এই কনজি টা বসে।
এই কানজি টার আরও একটা মিনিং আছে “enough”, তখন উচ্চারণ হয় “তারেরু”। একটা উদাহরণ দেই:
মিজু গা তারিনাই = not enough water
