
মাত্র ১২ এপিসোড দেখেছি , কিন্তু এনিমেটা নিয়ে লিখতে প্রচণ্ড ইচ্ছা করল, তাই লিখতে বসে গেলাম
খুব কম এনিমের ১ম এপিসোড দেখেই মনে ধরে যায়, ‘স্পেস ব্রাদার্স’ সেই বিরল লিস্টের ১ম দিকে থাকবে কোন সন্দেহ নেই। এনিমেটার মধ্যে কেমন যেন একটু আলাদা স্বাদ আছে, প্রতি এপিসোড দেখলেই একই রকম একটা তৃপ্তি পাওয়া যায়, আর কেন যেন মন ছুঁয়ে যায়।
এনিমেটা মুলত ২ভাই ‘নানবা মুত্তা’ আর ‘নানবা হিমিত’কে নিয়ে। ছোট থেকেই ২জনের মন জুড়ে ছিল, আমাদের মাথার উপর বিস্তর এই রহস্যময়ই মহাশুন্য। কখনও মহাশূন্য নিয়ে কিছু দেখলেই কে পায় তাদের, এর মধেই হারিয়ে যেত ২জন!!! যে ছোট্ট মনের মধ্যে খেলনা ,খেলাধুলা নিয়ে মেতে উঠার মজার স্মৃতি ভরপুর থাকার কথা, সেই মনের মধ্যে শুধু ভিড় করছে মহাশূন্য নিয়ে খুঁটি নাটি কত তথ্য,কত রহস্য। একদিন রাতে আকাশের মধ্যে গোলাকার কি যেন একটা দেখতে পেল ২জন, ধরেই নিল কোন ‘UFO’ দেখেছে ওরা। সে দিন পন করেই বসলো, ২জনকেই নভোচারী হতেই হবে।
ছোটবেলায় থেকে মুত্তা মেধার জ্যোতি ছড়ালেও, ছোট ভাই হিমিত,বড় ভাই মুত্তার চেয়ে একটু পিছিয়ে ছিল। একটু কম মেধাবী থাকলেও, প্রতি পদক্ষেপে হিমিতর ছায়ার মত হয়ে থাকতো মুত্তা। পড়ালেখার খুঁটিনাটি ধড়িয়ে দেওয়া, মেথে সাহায্য সবই করতো মুত্তা। আস্তে আস্তে ভালো করতে শুরু করল হিমিত। কিন্তু বড় ভাই মুত্তারও একটা আদর্শ ছিল, ‘বড় ভাই হিসেবে কখনও পিছিয়ে থাকা যাবে না ছোট ভাইয়ের থেকে, অবশ্যই এগিয়ে থাকতে হবে।’ কিন্তু সময়ের সাথে হিমিত নভোচারী হয়ে গেলেও, পিছিয়ে পরে মুত্তা। পিছিয়ে থাকলেও অনেক বছর পর আবার নভোচারী হওয়ার এক সুযোগ পায় মুত্তা। কিন্তু এতো দিন পর, এতো প্রতিযোগিতার মধ্যে, কঠিন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে নভোচারী হওয়ার ছোট বেলার সেই পন কি রক্ষা করতে পারবে মুত্তা??
এনিমেটার এপ্রোচটা খুবই উনিক লেগেছে আমার কাছে, সাথে মুত্তা চরিত্রের ভয়েস এক্ত্যরও প্রশংসা না করে পারলাম না। ইমসনটা এমন ভাবে ফুটিয়ে তুলে ভয়েস শুনেই হাসতে বাধ্য হবেন!! সাথে এনিমেজুড়ে রহস্যময়ই মহাকাশ, ‘NASA’,’JAXA’ আরও কত কিছু জানতে পারবেন। নতুন এক ভুবনের সাথে জড়িয়ে ফেলে এনিমেটা।
