কিমি তো বকু by Torsha Fariha

1511888_721449834533830_348125133_o

 

জানরাঃ কমেডি, স্লাইস অফ লাইফ।
সিজনঃ ২ (প্রতি সিজনে ১৩ টা করে মোট ২৬ টা এপিসোড)

কিমি তো বকু অ্যানিমেটা আবর্তিত হতে থাকে পাঁচ জন হাইস্কুল পড়ুয়া ছেলেকে কেন্দ্র করে। স্লাইস অফ লাইফ দেখে বোঝাই যাচ্ছে দৈনন্দিন হাই স্কুল জীবন নিয়েই এর কাহিনী।
এই পাঁচ ছেলে হচ্ছে- শুন, কানামে, চিজুরু আর ইউতা-ইউকি টুইন। পাঁচ জন পাঁচ রকম পার্সোনালিটির।

শুন হচ্ছে খুব ভালো একটা ছেলে। ভদ্র, বিনয়ী। যার প্রেমে ২-১ টা এপিসোড পরেই পড়ে মাসাকি নামের একটা সুনদেরে মেয়ে। কানামে হচ্ছে ক্লাস রিপ্রেসেন্টেটিভ। সিরিয়াস টাইপের এক ছেলে।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হচ্ছে ইউকি- ইউতা টুইন। হ্যান্ডসাম, কুল। তাদের সেন্স অফ হিউমার সেইরকম। গম্ভীর মুখে তারা এমন সব পচানি কানামেকে দেয় যে পুরাই হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসে।

একমাত্র চিজুরু বাদে সবাই সেই এলিমেন্টারি স্কুল থেকে একজন আরেকজনকে চিনত। চিজুরু হচ্ছে খুব হাসিখুশি একটু ইডিয়ট টাইপের ছেলে। হাফ জাপানিজ ট্রান্সফার স্টুডেন্ট।
পাঁচ জন পাঁচ রকম ক্যারেক্টারের পরও তারা খুব চমৎকার একটা সার্কেল হয়ে যায়।এক সাথে হ্যাং আউট কিংবা বাসায় একসাথে আড্ডা দেয়া, মেলায় একসাথে যাওয়া, প্রেম-বিরহ, ছোট্ট বেলার ক্রাশ- সব মিলিয়ে হাইস্কুল ছেলেদের যা থাকে সবই এদের আছে।

আমাদের জীবণ স্লো পেসে চলে তেমনি এদের গল্পও খুব স্লো পেসে স্বচ্ছন্দে চলে। তাই বলে একদমই বিরক্তিকর না। এক এপিসোড দেখলে পরেরটা অবশ্যই দেখতে মন চাইবে। যারা অনেক দিন ধরে অ্যাকশন, হরর, সাইকো থ্রিলার দেখছেন তাদের জন্য এটা হতে পারে চমৎকার একটা রিফ্রেশমেন্ট।

খুব সাধারণ কিন্তু কেন যেন মনে খুব অসাধারণ একটা ইম্প্রেশন রেখে যায় অ্যানিমেটা। হতে পারে কারণটা চিজিরুর ওয়ান সাইডেড ক্রাশ কিংবা খুব ছোট ছোট অনুভূতির জন্য যেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না…

সবচেয়ে সুন্দর যে জিনসটা যেটা হল এই অ্যানিমেতে খুব নরমাল একটা দৃশ্য অথবা কনভার্সেশন -এর মাঝেই হুট করে অন্য রকম স্বপ্নের মত সুন্দর কিছু দৃশ্য দেখায়। আমি এরকমটা কখনো দেখি নি তাই প্রথমবারের মত দেখে খুব চমকে গিয়েছিলাম। বলা যায় এই ছোট্ট একটা কারণেই খুব স্পেশাল হয়ে আছে অ্যানিমেটা আমার কাছে।

হাইস্কুল লাইফের কথা শুনলেই আমাদের মনে কিছু জেনারালাইজড চিন্তা মাথায়

আসে। অনেকে বলেই দিতে পারে কি কি থাকতে পারে এইসব অ্যানিমেতে। মানছি সেগুলর সবই আছে এখানে কিন্তু তারপরেও এটা অসাধারণ। একবার দেখে ফেললে সেটা আপনিও বুঝতে পারবেন।

 

1498972_721450547867092_450171162_o

Yuusha ni Narenakatta Ore wa Shibushibu Shuushoku wo Ketsui Shimashita. (Yuushibu) – Review By Tahsin Faruque Aninda

এপিসোড: ১২
জনরা: কমেডি, ইচ্চি, ফ্যানটাসি, রোম্যান্স

রাউল চেজার, সে এক হিরো একাডেমির স্টুডেন্ট ছিল আর স্বপ্ন ছিল একদিন হিরো হয়ে উঠবে আর ডিমন লর্ডকে হারিয়ে দিবে। কিন্তু এরই মধ্যে কেউ একজন ডিমন লর্ডকে যুদ্ধে পরাজিত করে, আর সমগ্র হিরো বনাম ডিমন সিস্টেম ভেঙ্গে পরে। এখন সে একজন সাধারণ মানুষ, আর লিওন নামক ম্যাজিক শপে সে এখন একজন সেলসম্যানের কাজ করে।
এমন সময়ে একজন দোকানে আসে চাকরির জন্যে, তার রেজ্যুমে-তে লিখা:

নাম – ফিনো
পূর্বের পেশা – ডিমন লর্ডের উত্তরাধিকারী
চাকরির আবেদনের কারণ – আমার বাবা হেরে গিয়েছে তাই

এখান থেকেই শুরু হয় হিরো হতে হতেও না হতে পেরে অবশেষে বিরক্ত হয়ে সেলসম্যানের কাজ নেওয়া রাউল এবং অতিরিক্ত পজিটিভ মানসিকতার ডিমনলর্ড-কন্যা ফিনোর কাহিনি।

পুরো আনিমের সারমর্ম এভাবে বলে দেওয়া যায়-
১/ রাউল ফিনোকে শিখায় যে এভাবে এভাবে কাজ করতে হবে, আর ফিনো সেগুলা ধীরে ধীরে শিখতে থাকে
২/ ইচ্চি
৩/ ফিনো অনেক বেশি পজিটিভ
৪/ ইচ্চি
৫/ ইচ্চি
৬/ অন্য একটা সুপারশপের সাথে লিওন শপের কর্মীদের পাট্টাপাট্টি, কারা বেশি বিক্রয় করতে পারে
৭/ ইচ্চি
৮/ মাঝে মাঝে ঝাপসা করে দেওয়া ন্যুড শট [যা হয়তো পরে আনসেন্সর্ড প্রিন্টে ঝাপসা নাও থাকতে পারে ]
৯/ সবশেষে, ইচ্চি

এত্তগুলা ইচ্চি দেখে হয়তো বুঝাই যাচ্ছে যারা ইচ্চি দেখতে পছন্দ করেন তারা এইটা দেখে মজা পাবেন। ঘটনা সেরকমই!
আমার সাজেশন, ইচ্চি আনিমে ভাল লাগলে ট্রাই দিতে পারেন, ভাল টাইম পাস হবে। আর ইচ্চি ভাল না লাগলে এইটা দেখে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।

সব মিলিয়ে, একটি “OK” সিরিজ।

MyAnimeList রেটিং – ৭.১৬/১০ [এই মুহুর্তে]
আমার রেটিং – ৬.৫/১০

ক্যাটাগরি: “টাইমপাস”

 

এফ এ সি ১৪ – Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

হাচিকো

 

 

হিদেসাবুরো উয়েনো ছিলেন টোকিও ভার্সিটির এগ্রিকালচারাল ডিপার্টমেন্টএর প্রফেসর। প্রতিদিন উনি যখন বাড়ির পথে রওনা হয়ে শিবুইয়া স্টেশনে নামতেন, তখন তার প্রিয় কুকুর হাচিকো তাঁর জন্য অপেক্ষা করে থাকত। কিন্তু ১৯২৫ সালের মে মাসে প্রফেসর উয়েনো আর বাড়ি ফিরতে পারলেন না, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন। কিন্তু তাঁর প্রিয় কুকুর এর পরের নয় বছরের প্রতি দিন ঠিক ট্রেন আসার মুহুর্তে স্টেশনে গিয়ে অপেক্ষা করত। বিশ্বস্ততার এই পরম নিদর্শন দেখানোর জন্য হাচিকো পরিনত হলো জাপানের অন্যতম জাতীয় প্রতীকে। তাকে নিয়ে বাঁধা হলো গান, আঁকা হলো ছবি, সে স্থান পেল পাঠ্যপুস্তকে। হাচিকো পরবর্তীতে ক্যান্সার আর ফাইলেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

 

হাচিকো শিবুইয়া স্টেশনের যে জায়গাতে দাঁড়াত, সেই জায়গাটা স্থায়ীভাবে চিন্হিত করা আছে, এখনো কেউ চাইলে দেখে আসতে পারেন।

 

 

 

আনিমে সাজেশন

আরাকাওয়া আন্ডার দ্য ব্রিজ(Arakawa Under The Bridge) 

 

 

ইচিনোমিয়া পরিবারের নীতি হলো ”কখনোই ঋণগ্রস্ত থাকবে না”। কিন্তু এই পরিবারের বর্তমান উত্তরাধিকারী ইচিনোমিয়া কো-কে যখন নিনো নামের এক মেয়ে আরাকাওয়া নদীতে হাবুডুবু খাওয়া থেকে বাঁচালো, তখন কো ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে ফেঁসে গেল। নিনো তার কাছ থেকে একটাই জিনিস চায়, আর তা হচ্ছে ভালবাসা কি, সেটা বোঝা। কাজেই কো আরাকাওয়া নদীর ব্রিজের নিচে নিনোর সাথে থাকতে শুরু করলো। কিন্তু এই জীবনযাপনে তার সঙ্গী শুধু ”ভেনাস গ্রহের অধিবাসী” নিনোই নয়, তার প্রতিবেশী হিসেবে আছে সবসময় মুখোশ পরে থাকা হোশি, কাকাতুয়া বিলি,  লাস্ট সামুরাই, ”সিস্টার”, আর এই সমাজের মোড়ল হিসেবে আছে রহস্যময় এক ”কাপ্পা”। কো এর জীবন কিভাবে বদলে যাচ্ছে? আর সে-ই বা কিভাবে বদলে দিচ্ছে আরাকাওয়ার অধিবাসীদের জীবন?

 

কেন দেখবেনঃ চমত্কার স্লাইস অব লাইফ আনিমে, সেই সাথে এটা সেরা হিউমারাস আনিমেগুলোর একটা। তেমন দুর্দান্ত কোনো প্লট নেই, কিন্তু  রীতিমত অদ্ভুত সেটিং, আর পিকুলিয়ার ক্যারেক্টারাইজেশন চেখে দেখার জন্য হলেও এই আনিমেটা দেখতে হবে।

 

কেন দেখবেন না: যদিও এটা খুব ভালো কমেডি আনিমে, কিন্তু সেই গ্যাগ এলিমেন্টগুলোতে ভাড়ামি  নেই, কাতুকুতু দিয়ে হাসানোর চেষ্টা নেই, কাজেই স্রেফ প্রানখুলে হাসার মত আনিমে, এটা ভেবে দেখতে বসবেন না। ক্যারেক্টারগুলোর সাথে একাত্ত হয়ে গেলেই এখানের মজাগুলো পুরোপুরি বোঝা যাবে।

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮০+৭.৯৪

আমার রেটিং ৯+৯

 

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

লায়ার গেম(Liar Game)

 

কানজাকি নাও প্রচন্ড রকম সৎ একটা মেয়ে। এতই সৎ যে তাকে বর্তমান সমাজের মূল্যবোধের যে অবস্থা তাতে প্রশংসা না করে বোকাই বলা যায়। তো এমন সৎ ভালোমানুষ এক মেয়েকে যদি লায়ার গেইম নামের এমন একটা খেলায় অংশ নিতে হয়, যে খেলার মূল কথায় হচ্ছে অন্য প্রতিযোগীদের ধোঁকা দেয়া, তাহলে কেমন হবে? যা হবার, তাই হলো।  নাও প্রথম রাউন্ডেই তার প্রাথমিক পুঁজি একশ মিলিয়ন ইয়েন হারালো। পেনাল্টি হিসেবে দুইশ মিলিয়ন ইয়েনের খাঁড়া যখন ঝুলছে তার উপর, সেই অবস্থায় অসহায় নাও খোঁজ পেল এক জিনিয়াস প্রতারকের, নাম তার আকিয়ামা শিনিচি। এই দুই সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর মানুষ যখন জুটি বাঁধলো, তার পরিনতি কি হবে? তারা কি পারবে লোভ আর প্রতারণা যার পরতে পরতে মেশানো, সেই লায়ার গেমের ভয়াবহ জগতকে জয় করতে?

 

কেন পড়বেনঃঅসাধারণ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, যারা ওয়ান আউটস বা আকাগি এর মত ওয়ান ম্যান শো গুলো উপভোগ করেছেন, তাদের জন্য মাস্ট রিড।

 

কেন পড়বেন নাঃতেমন কোনো কারণ নেই।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৪

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সংখ্যার কানজির দ্বিতীয় পাঠ

এবার একসাথে বেশ কয়েকটা কানজি দেই। প্রথমে ৩ আর ৪ এর কানজি।

সান মানে তিন আর ইওন/শি মানে চার। মিততসু মানেও ৩ আবার ইওততসু মানেও ৪।
মার্চ হইল সানগাতসু, তাহলে এপ্রিল হয় শিগাতসু।


সানজি মানে 3 O’clock ইওজি মানে 4 O’clock, এইসব জায়গায়ও ৩ আর ৪ এর কানজি ইউজ হয়।
উপরে ৩ টানের ঐটা দিয়ে ৩ বুঝায় আর অন্যটা ৪ বুঝায়।

 

 

এরপরের কানজি, পাঁচের কানজি  গো/ইতসুতসু।

রকিং চেয়ারের মত দেখতে (বাকন্তী ওরফে অবন্তীর থেকে মারা কথা)
আগের মতই একই প্যাঁচাল। গোগাতসু – মে(May), গোনিন – ৫ জন, ইতসুকা – ৫ দিন। উপরের সব জায়গায়ই এই কানজি ইউজ হয়। 

– অরিন শারমিন

 

Tokyo Godfathers review by Torsha Fariha

অবশেষে দেখলাম Tokyo Godfathers. 

নাম শুইন্যা মনে হইসিলো এটা কোন ফাইটিং বেইজড মুভি। (আমি সম্প্রতি Godfather পড়সি কিনা  )

যাই হোক… নামাইতে দিসিলাম এই কারণেই। পরে দেখলাম এক রত্ন খুঁজতে এসে আরেক রত্ন পাইলাম  

tokyo_godfathers

রাস্তার তিন হোমলেস মানুষ গিন, হানা আর মিয়ুকি। গিন হল ফ্যামিলি ছেড়ে আসা মধ্যবয়সী লোক, হানা হল ট্রান্সউইমেন আর মিয়ুকি বাসা থেকে পালানোর টিনএজ মেয়ে। 
এক ক্রিসমাসের আগে তারা জঞ্জালের ভেতর থেকে আবিষ্কার করে একটা বাচ্চাকে। যার বয়স বড়জোর ১-২ মাস। গিন আর মিয়ুকি সাথে সাথেই পুলিশের কাছে বাচ্চাকে দেয়ার চিন্তা করে। কিন্তু হানার জোড়াজুড়িতেই তাকে নিয়ে তাদের বাসায় আসতে হল। 

আসলে হানা চাচ্ছিলো না বাবা মার নাম পরিচয়হীন একটা মেয়ে ফোস্টার প্যারেন্টসের কাছে বড় হোক। তাই তারা তিনজন মিলে বাচ্চাটার বাবা মা খুঁজতে বের হয়। 

এভাবে যাত্রা শুরু হয় তাদের। মুভিটা শুধু কিন্তু বাচ্চাটাকে ঘিরেই আবর্তিত হয় না বরং এখানে উঠে আসে তিন হোমলেসের প্রত্যেকের নিজস্ব কাহিনী। 

এমন একটা কাহিনী নিয়েই টোকয়ো গডফাদার চলতে থাকে। এখানে হিউমার যেমন আছে তেমনি মন ভারী করে তোলার উপকরণও আছে। শেষের দিকে আছে চমৎকার টুইস্টও।

যেহেতু মুভিটা সাতোশি কোনের ডিরেকশনে তৈরি তাই না দেখার কোন কারণই নেই।  

আমি জানি প্রায় সবাই এই মুভিটা দেখে ফেলেছেন। তবু আশা করছি কেউ হয়তো দেখেননি এখনো কিন্তু এটা পড়ার পর দেখার আগ্রহটা তৈরি হবে।

 

ট্রেলার:

http://www.youtube.com/watch?v=7Q6mcx2qF4Q

এফ এ সি ১৩ by Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

হানাকো-সান

hanako

জাপানের স্কুলে থার্ড ফ্লোরে মেয়েদের টয়লেটের থার্ড স্টলে যদি তিন বার নক করে বলেন, ”হানাকো-সান, তুমি কি ওখানে আছ?” জবাব পাওয়া যাবে, ”হ্যা।” স্টলে ঢুকলে আপনি দেখতে পাবেন লাল স্কার্ট পরা এক ছোটো মেয়েকে, যে কিনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মারা গেছে।

জাপানের সবচেয়ে সেলিব্রেটেড ভূতগুলোর মধ্যে একটা হলো হানাকো সান। একে নিয়ে মাঙ্গা হয়েছে, আনিমে হয়েছে, মুভিও হয়েছে। ফ্র্যান্কলি, সবচেয়ে পিকুলিয়ার ভূতের গুজব আছে সম্ভবত মালয়েশিয়াতে, এরপরে জাপানে। জাপানের ভুত্গুলোকে নিয়ে আরো জানতে চলে যান এই লিঙ্কে।http://www.cracked.com/funny-7186-8-scary-japanese-urban-legends/

 

 

 

আনিমে সাজেশন

শিনসেকাই ইওরী(Shinsekai Yori)

shinsekai yori

বর্তমান সময়  থেকে এক মিলেনিয়াম পরে জাপানে এক সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থায় শাসক শ্রেণী হলো কান্তাস(এক ধরনের সাইকিক পাওয়ার) ব্যবহার করতে পারদর্শী মানুষ, আর শাসিত শ্রেণী হচ্ছে বাকেনেজুমি(ইঁদুরমুখো দু-পেয়ে এক প্রজাতি )। কাহিনীর নায়িকা সাকি তার কান্তাসকে আরো ভালোভাবে ব্যবহার করতে শেখার জন্য ট্রেনিং স্কুলে গেল তার বন্ধুদের সাথে। এই অবস্থায় তারা এক যন্ত্রের কাছ থেকে আবিষ্কার করলো, তাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হচ্ছে ১০০০ বছরের রহস্যময় ইতিহাস, যা প্রকাশ পেলে পাল্টে ফেলতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকেই। সাকির দুই বন্ধু নৃশংসভাবে খুন হলো, আরেক বন্ধু রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেল। কি করবে এখন সাকি?

কেন দেখবেনঃ সাইকোলজিক্যাল-হরর ঘরানার এই আনিমের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট হলো এর প্লট, এটা বলে দেয়া যায়, এরকম ইউনিক প্লট খুব কম পাবেন। অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক সঠিক সব জায়গায়, সেই সাথে ভয়াবহ শকিং লাস্ট এপিসোড, এক কথায় ২০১৩ এর টপ ১০ এ থাকার মত এই আনিমে। এর প্রশংসা একটু বেশিই করছি, কারণ আনিমেটা বাংলাদেশে রীতিমত আন্ডার এপ্রিশিয়েটেড।

কেন দেখবেন না: বিল্ডিং আপ একটু স্লো, আর খানিকটা ইয়াওই এবং ইউরি এলিমেন্ট আছে, তবে সবই কাহিনীর প্রয়োজনে, এবং কখনোই মাত্রাতিরিক্ত নয়।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

নব্লেস(Noblesse)

노블레스2-1표지.indd

হান শিনউর হঠাত দেখা হয়ে গেল বোকাসোকা রাইয়ের সাথে। তার স্কুলের হেডমাস্টার ফ্র্যান্কেনস্টাইনের কথামত রাইকে সে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলো, চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। কিন্তু শিনউ কি জানত, রাই আসলে ৮২০ বছরের দীর্ঘ নিদ্রাভঙ্গ করে কফিন থেকে উঠে আসা এক ভয়াবহ অতিপ্রাকৃত ক্ষমতাশালী নোবেল, কাদিস এত্রামা ডি রাইজেল? আর সে হচ্ছে সব নোবেলদের রক্ষক, সবচেয়ে শক্তিশালী নোবেল, ”নব্লেস”?

 

কেন পড়বেনঃদারুন কাহিনী, কোথাও ঠেকে যাবার জো নেই, চমত্কার সব ফাইটিং সিন, প্রয়োজনে জায়গামত কোয়ালিটি গ্যাগ এলিমেন্ট আছে। ওয়েবটুন্, তাই পুরোটাই রঙিন, আনিমে দেখার স্বাদ মাঙ্গা পড়ে পাওয়া যায়। এছাড়া টিপিক্যাল সৌনেন মাঙ্গাতে যেমন নায়ককে যথেষ্ঠ স্ট্রাগল আর ট্রেনিং করে শক্তিশালী হতে হয়, এখানে নায়ক অলরেডি সবচেয়ে শক্তিশালী, কাজেই অন্য রকম একটা টেস্ট পাওয়া যাবে।

 

কেন পড়বেন নাঃনা পড়ার কোনো কারণ নেই। 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৯

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সংখ্যার কানজির প্রথম পাঠ

কানজি শিক্ষা কার্যক্রম আবার ১ম থেকে শুরু করলাম তাইলে।

 

ইচির কানজি দিয়াই শুরু করি। ইচি মানে তো এক, সবাই জানে।

হিরাগানায় ইচি লিখে হইল এমনে “いち”, এইখানে “ই”র হিরাগানা হইল “い” এইটা আর “চি”র হিরাগানা হইল এইটা “ち”
এই সুযোগে ২ টা হিরাগানাও শিখা হইয়া গেল।
একটানে ইচি বুঝাই, এই কানজি দিয়া কোন কোন জায়গায় হিতোতসুও বুঝাই। হিতোতসু মানেও one ।
তারপর হিতোরি লিখার সময় যে দুই টা কানজি ইউজ করে তার মধ্যে একটা হইল ইচির কানজি। হিতোরি মানে alone/একা, এই জন্য হিতোরি লিখার সময় হিরাগানায় না লিখে ২ টা কানজি ইউজ করে একটা হল ইচির কানজি আরেকটা হল হিতোর কানজি। হিতো মানে person ।
আবার জানুয়ারির কানজি লিখার সময়ও যে ২ টা কানজি ইউজ করে তার মধ্যে একটা এটা। ইচিগাতসু মানে জানুয়ারি, জানুয়ারি যেহেতু ১ নাম্বার মাস।

এইরকম যত জায়গায় ১ জাতীয় জিনিসপত্র আছে, যেমন ইচিবান(best/most), ইচিনেনসেই(fresher), ইক্কাই(once) ইত্যাদি ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই কানজি টা ইউজ করে।

 

এরপরের কানজি: ২ এর কানজি।
দুই টানে ২ বুঝাই,এটাও সোজা। “নি” মানে ২, আবার এই কানজি দিয়ে ফুতাতসুও বুঝাই। ফুতাতসু মানেও ২, জানুয়ারী যেমন “ইচিগাতসু” ছিল তেমনি “নিগাতসু” মানে ফেব্রুয়ারী। ফেব্রুয়ারীর কানজি লিখার সময়ও “নি” এর কানজি ইউজ করা হয়।
এরকম ২ জাতীয় যতকিছু আছে সব জায়গায় এই কানজি ইউজ হয়। যেমন ফুতারি,নিবাই। “ফুতারি” মানে “two people”, “নিবাই” মানে “double”।
আর “নি” হিরাগানায় এমনে লিখে “に”

আর আমি আসলে তেমন কিছু জানিনা, ভুল হইলে সরি।

– অরিন শারমিন

Coffee With Asif (CWA): লিজেন্ড অফ কোরা – দ্বিতীয় সিজন সমাপ্তি পর্যালোচনা

(This review contains spoiler about avatar: Legend of Korra: Season 2)

মুভি; ইংলিশ টিভি সিরিজ কিংবা এনিম সিরিজ – সবজায়গাতেই মাঝে মাঝেই একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়; প্রথম সিজনের প্রবল সাফল্যের পিছু পিছু যখন দ্বিতীয় সিজন বাজারে আসে; প্রথমটার সাথে মিলিয়ে তুলনায় প্রায়শই সেটা হতাশায় পরিণত হয়। Avatar – legend of korra কমবেশি সেই দলেরই নতুন সংযোজন। আলাদাভাবে সিরিজটা যতই উপভোগ্য হোক না কেন; avatar ang এর সাথে মিলিয়ে প্রায় অনেকেই avatar korra কে “হতাশাজনক” বলেই মনে করেন। তবে আমি অন্য কারো সাথে তুলনায় না গিয়ে যদি আলাদাভাবে এই সিরিজটাকে মূল্যায়ন করি তাহলে আমার কাছে legend of korra A+ মার্কসই পাবে। I have at least enjoyed the show; to say the list. 

(এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা দেখে প্রতি মুহূর্তে যেটা মনে হয়, এং এর মধ্যে যে অস্থির স্মার্টনেসটা ছিল কোরা তার ধারে কাছেও নাই, এভাটারের ফানটা খুবই ক্লাস ছিল যেখানে কোরার ক্ষেত্রে পুরা মাঠে মারা গেছে, সবচেয়ে বেশি গায়ে লাগে যেটা, এং প্রথমে শুধু এয়ারবেন্ডার ছিল দেন আস্তে আস্তে সব শিখছে, কিন্তু তারপর ও কোন ফাইটেই তার খুব একটা আউটক্লাসড হতে হয় নি, সব সময় ই সে কিছু না কিছু করে চালিয়ে নিত, আর কোরা এত্তগুলা এলিমেন্ট পেরেও শুধু মাইর খায়। – পাব্লিক রিএকশন) 

এই রিভিউ মুলত korra এর দ্বিতীয় সিজনের মতামত নিয়ে লেখা; সুতরাং সেদিকেই দৃষ্টি ফেরানো যাক। আগের সিজনের বেশ কিছু হতাশাজনক দিক – যেমন স্পিরিট জগতের সাথে korraর যোগাযোগ দৃশ্যত বর্জিত ছিল প্রথম সিজনে (একজন এভাটারের বড় একটা দিকই যেখানে স্পিরিট জগতের সাথে যোগাযোগ রাখা); কিন্তু পুরো সিরিজের মাঝে এবং শেষে বেশ কিছু প্রশ্ন এবং বেশ কিছু হতাশাজনক ক্লিশে দৃশ্য পুরো সিরিজটিকে “শতভাগ সফল” হতে দেয় নি। একে একে সবগুলো ইস্যুই দেখা যাক।

(এং-এর সাথে কারও তুলনা চলেই না! সে অন্যান্য এভাটারদের তুলনাতে আগে থেকেই স্পেশাল।
আর কোরা পুরাই আনকোরা টাইপ এভাটার। দুইজন পুরাই দুই মেরুর ক্যারেক্টার। এং যেখানে মঙ্ক, সেখানে কোরা হলো পিচ্চিকাল থেকেই খেপাটে আর শো-অফ পছন্দ করে!
এই দুই টাইপ এভাটারের আচরণ, কৌশল, সাফল্য অবশ্যই এক হবে না।
তারউপর এং এর কাহিনি যখন শুরু হয় তখন ১০০ বছর ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব যুদ্ধ ছিল, অস্থিরতা ছিল। কোরা যখন আসে, তখন অলরেডি এং একটা সুন্দর আর এডভান্সড দুনিয়া রেখে যায়
তাই এং এর কাহিনির মত কিছু পাব না এইটা জেনেই কোরা দেখি। সব কিছু মিলিয়ে আমার এইটা বেশ ভালই লাগে !!! 
– পাব্লিক রিএকশন) 

## প্রথম সিজনের মতই এই সিজনেও শেষটা কেমন যেন জোর করে এবং তাড়াহুড়া করে হয়েছে বলেই মনে হয়েছে। স্পিরিট জগতের সাথে দৃশ্যত যোগাযোগবিচ্ছিন্ন কোরা হটাত করেই এতো অল্প সময়ের মাঝে এতো বিচরন এবং এতো শক্তি কিভাবে পেল যে রাভার সাহায্য ছাড়া নিজের শক্তিতে ভাতুর মতন স্পিরিট এবং উনালকের যৌথ শক্তির সাথেও সে ফাইট করে জিতে গেল? আর সময় বৃক্ষের মাঝে বসে কসমিক লাইট খুজে পাওয়ার দৃশ্য দেখে একটা কথাই মনে পড়ে গেসে – “There is a magical solution of every problem of the hero”.

(জিনোরার রোলটা ক্লিয়ার হলো না। এরা পার সিজন কাহিনী শেষ করে, লেজেন্ড অব আং এর মত না, কাজেই ব্যাখ্যা দরকার ছিল।
বুমির ক্যারেক্টারটা একদম শেষদিকে গিয়ে সোক্কার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, ওয়ান আর বুমিই আসলে এই সিরিজের পাওয়া।
আর ১০০০০ বছরের ডার্কনেসকে এত সহজে হারানো, কিভাবে কি। ডার্ক অবতারকে আরো কয়েক পর্ব ধরে দেখানো দরকার ছিল, কিভাবে সে ত্রাস ছড়ায়। পরের সিজনে ব্যাপারটা নিয়ে যেতে পারত। তারপর ভালো একটা সৌনেন ভাইব আনা যেত। ডার্ক অবতারের চেহারাও খুব একটা সুবিধার না, টিপিক্যাল পাওয়ার রেঞ্জার এর ভিলেনগুলোর মত দেখতে। এপিসোড ৭ থেকে বিল্ডাপ বেশ ভালো ছিল, কিন্তু শেষমেষ তো ব্যাপারটা খুব বেশি ক্লিশে হয়ে গেল। – পাবলিক রিএকশন) 

## জেনোরা কে; তার শক্তির রহস্য কি; প্রকৃতি কি; কোরাকে যখন সে হেল্প করেছে সেটার প্রকৃতি কি ছিল – এইরকম হাজারো প্রশ্ন অমীমাংসিত রেখেই সিরিজ শেষ হয়ে গেসে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়েছে; আলাদা সিগ্নিফিক্যান্ট কোন চরিত্র নয়; বরং কোরার দুর্বলতা কাটানোর জন্য আরেকটা “magical solution” এই জেনোরা। 

## উনালক শুধু একজন ওয়াটার বেন্ডার। সে কিভাবে “এভাটার” হতে চেয়েছিল বা হয়েছিল তারও মীমাংসা হয় নি সিরিজে (যদিও এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু না; আর “রাভা তাকে সব বেন্ডিং পাওয়ার দিয়েছে” ব্যাখ্যার মাধ্যমে এইটা উৎরে যাওয়া যায়। 

## কোন রকম ইন্টারেকশন; কথাবার্তা ছাড়াই দুটো জায়ান্ট মারামারি করে যাচ্ছে – এই জায়গাটা আমার তেমন একটা পছন্দ হয় নি। পুর ফাইটের দৃশ্য যথেষ্ট ভাল হলেও অনেক ক্ষেত্রেই বোরিং লেগেছে। 

## জেনারেল আয়রোর স্পিরিট ওয়ার্ল্ডে ঘুরাফেরার প্রক্রিয়াটা আমার কাছে ঠিক পরিষ্কার না। এইটা আরেকবার সিরিজটা রিভিশন দেওয়ার সময় বুঝতে পারব বলে আশা করতেসি। 

## কিছু কিছু চরিত্রের উপর থেকে গুরুত্ব একেবারেই তুলে দেওয়া; যেমন – asami. এছাড়া মাকো – কোরা; মাকো – আসামি; বোলেন – এস্কা – এই সম্পর্কগুলোও মোটামুটি unresolved অবস্থায় শেষ হয়েছে। সেটা অবশ্য “সাম্নের সিজনে পরিষ্কার হবে” যুক্তিতে মেনে নেওয়া যায়। 

(সিজানটা শুরুতেই, তুলনামূলক ভাবে আগের সিজান থেকে মোটামুটি ভালোই শুরু করে। আভাটার wan আসার পর তো Avatar the legend of korra এর মোরটাই ঘুরে গেল। অস্থির হওয়া শুরু করল অল থেঙ্কস তো আভাটার ওয়ান! এরপরের এপিগুলার ফাইট,স্টোরি সব বেশ ভালো ছিল। কিন্তু ‘কররা’ থেকে ‘জিনরা’ যেন বেশী অস্থির ছিল এই সিজানে, এমনকি শেষ এপিতে তো মনে হল যেন ‘জেনরাই’ পৃথিবীকে সেইভ করল। কিন্তু কোন ক্রেডিট দিলো না!! অদ্ভুত লাগলো আর একটা ব্যাপার ক্লিয়ার না, ‘জিনোরা’ যে লাইট নিয়ে নামলো সেটা কি ভাবে সেটা দেখাল না হয়তো পরের সিজানে দেখাব!! আর আশা করি নেক্সট সিজানে আভাটার আরও মেচিউর হবে । – পাবলিক রিএকশন) 

## এই সিরিজের সবচেয়ে বড় পাওয়া বোধহয় টেনজেনের টেনযেন হয়ে ওঠা। তার “I am Tenzin. I am Tenzin!” মন্ত্র যেন আমার জন্যই বলা; আমাকেই বলা!!! Avatar Ang এর ছায়া থেকে বেড়িয়ে টেনজেনের নিজেকে খুজে পাওয়া তাই এই সিরিজে আমার সবচেয়ে প্রিয় দিক। 

## পুরো সিরিজের সবচেয়ে পাওয়ারফুল চরিত্র আমার দৃষ্টিতে প্রথম এভাতার wan. চরিত্রটি বেশ ভালভাবে তৈরি করা এবং যথেষ্ট likeable. 

## বুমির এককভাবে সম্পূর্ণ একটা ইউনিট শেষ করে ফেলার দৃশ্যটা বেশ চমকপ্রদ ছিল। at least we came to know spirit likes music !!! Well; at least most of them!!! :P 

দিনশেষে ang এর সাথে তুলনা না করে এবং পুরো সিরিজের সাথে emotional attachment এর কথা মাথায় না নিয়ে শুধু এন্টারটেনমেন্ট এর ভিউ থেকে দেখলে korra অবশ্যই সফল। তবে প্রোডাকশন হাউজ অল্প কিছু পর্বে অনেক কিছু দেখানোর চেষ্টা করার ভুলের মাশুল দ্বিতীয়বার গুণতেছে বলেই মনে হচ্ছে আমার !!!