চিহায়াফুরু by নুসরাত ইয়াসমিন

স্ট্রাকচার পড়তে যায়ে মাথার উপড় দিয়ে বিশাল পেইন যাচ্ছিল তাই শুরু করেছিলাম চিহায়াফুরু। ভাবতেও পারি নাই এমনে আটকায়ে যাব। কারুতা নামের জাপানিজ কার্ড গেমের উপড় এই এনিমে। আই রিয়েলি এনজয়েড ইট, সিজন ২ তে পয়েম গুলোর ব্যাখ্যা আসলেই বেশি জোস ছিল। কম বন্ধের ৪ ক্রেডিটের পরীক্ষার মাঝে বসে সিজন ১ শেষ করে ফেললাম, আর পরীক্ষা দিয়ে এসে একদিনে সিজন ২। এখন পড়ছি মাঙ্গা, আশা করি এর সিজন ৩ ও বের হবে এর 
স্ট্রাকচার পড়তে যায়ে মাথার উপড় দিয়ে বিশাল পেইন যাচ্ছিল তাই শুরু করেছিলাম চিহায়াফুরু। ভাবতেও পারি নাই এমনে আটকায়ে যাব। কারুতা নামের জাপানিজ কার্ড গেমের উপড় এই এনিমে। আই রিয়েলি এনজয়েড ইট, সিজন ২ তে পয়েম গুলোর ব্যাখ্যা আসলেই বেশি জোস ছিল। কম বন্ধের ৪ ক্রেডিটের পরীক্ষার মাঝে বসে সিজন ১ শেষ করে ফেললাম, আর পরীক্ষা দিয়ে এসে একদিনে সিজন ২। এখন পড়ছি মাঙ্গা, আশা করি এর সিজন ৩ ও বের হবে এর :)

Emotional moments of anime from Animekhor BD group

Saiful Islam's photo.

Ekjon Rafat O Holud ব্লিচের ১৪৭ এপি যেইটাতে ওরিহিমে হুয়েকো মুন্দোতে যাওয়ার আগে ইচিগোরে শেষ দেখতে আসে,নারুতোর চুনিন এক্সামে গারার অতীত,জিরাইয়্যা,ইতাচি,ইয়াহিকো,নাগাতো,ওবিতো, ওয়ান পিসের নামির বেলমের সান এর মরার অংশটা,এইস,গোয়িং মেরির শেষ মুহূর্তটা,কোড গিয়াসে লিলুশ যহন কাদতে কাদতে ইউফিরে মারতে কয় ঐ অংশটা
আরো বহুত বহুত বহুত,বিলযবাবে ওগারে হিলদা যহন ড্রাগনটা থেইকা ফালায় দেয় ওই অংশটা…………..
আরো বহু উ উ উ উ উ উ উ ত
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।

Farhad Mohsin আমি ডেথের বাইরে থাকি। ওগুলো নিয়ে বলতে গেলে তো কখনই শেষ হবে না।
নারুতোতে একটা ছিল পেইনের ইনভেশনের সময় যখন পেইন সবাইকে জিজ্ঞেস করে “নারুতো কোথায়”, তখন ইরুকা’র মনে নারুতো সম্বন্ধে ফ্ল্যাশব্যাক দেখায়, মানে ছোট থেকে কিভাবে স্ট্রাগল করে ঐ অবস্থায় আসছে আর শেষে সে বলে “নারুতো ইজ আওয়ার ফেলো নিনজা, অ্যান্ড উই উইল নেভার বিট্রে হিম”।
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।
ফুলমেটাল আলকেমিস্ট, আলফন্সো যখন বলে “অ্যাম আই জাস্ট অ্যান আর্মর ডল?”, আর তারপর ওর সাথে উইনরির আর এডের কনভার্সেশনটুকু।

Wafa Tonny ফুল মেটাল আল্কেমিস্টঃব্রাদারহুডে যখন এডয়ারড গেটের ওপার থেকে আবার বের হয়ে এসে আলফন্সকে বলে’আই উইল কাম ব্যাক ফর ইউ……’ এপিক,ব্লিচ-এ ইচিগো সব পাওয়ার হারানোর পর ওর সামনে থেকে রুকিয়ার আস্তে আস্তে অদ্রশ্য হয়ে যাওয়া-আমারো খুব পছন্দের এবং ইমোসনাল একটা মোমেন্ট,আর কাউবয় বিবপ-র ফ্যান হিসেবে স্পাইকের কথা না বললেই না

Tasnim M Hasan যদিও আনিমে না,কিন্তু আভাটার এর টেল অব বাসিং সে এর আইরোহ এর সেগ্মেন্টে খুব কষ্ট লাগসিলো।লিলিউচের মারা যাওয়ার সময় আমার মনে হইসিলো যেন গলায় কিছু বিধে আছে।
তবে হা,সবাই রোলোর কথা বলে না,শারলি কে মারার জন্য তার ওপর সবাই খ্যাপা,কিন্তু ওর ডেথ সিন এ আমার খুব কষ্ট হইসে।বেচারা মনে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেসে।
স্টেইন গেটস এ যখন অকাবে কিছুতেই বাচাইতে পারতেসিলনা,স্ক্রিনের সামনে আমার নিজেরই সেই রকম অসহায় লাগতেসিলো।আর মাকিসে কে যখন ও ফেলে চলে আসে,সারন এর বিরুদ্ধে নিজের বিজয় ঘোষনা দেয়,তখন আমি পুরো শেষ।
তবে রিসেন্ট সবচেয়ে কষ্ট লাগসে,পেত্রার বাবা আর লেভির সিনের কথা ডিটেইলস এ না গেলাম।আমি ক্লানড দুটোই দেখসি।কিন্তু আমার কখনো খারাপ লাগে নাই,সবাই যেমন বলসে।কিন্তু এইসব সিন গুলোতে লাগসে।

Itmam Hasan Dipro কাঁদি নাই কিন্তু বুক টা খালি করে দিসে এমন কিছু সিন আছে যেমন ১ ফেই্ট জিরো ১৬ থেকে শেষ এপিসোড পর্যন্ত ।
২ নানা দেইখা পুরাই পাগল হইয়া গেসিলাম ।
৩ এঞ্জেল বিটস ৩য় এপিসোড। 
৪ গিলটি ক্রাওন হারে আর ইনরি এর মৃত্যু ।
৫ zetsuen no tempest.

সৈয়দা হাসান প্রথমেই বলে নিচ্ছি, স্পয়লার থাকবে। যে বিষয়, স্পয়লার থাকার সম্ভাবনাই বেশি!  “প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট”….হুম্‌ম, ভাবছি। কোনটা দিয়ে শুরু করব।
১। অ্যাভাটার। এপিসোড ৫৮-২য় পর্ব-“দ্য ওল্ড মাস্টারস”
যুকো আর আইরো-এর পুনর্মিলন। এ নিয়ে আমি আগেও বিশাল একখানা কমেন্ট দিয়েছিলাম আমারই এক পোস্টে। ঠিক কোন্‌ ক্ষণটা ভাল লেগেছে জানেন? যুকোর কান্নামিশ্রিত ও অনুতাপপূর্ণ ক্ষমাপ্রার্থনা শেষ হবার পূর্বেই আঙ্কেল আইরো যেভাবে আচমকা ঘুরে ওকে টেনে জড়িয়ে ধরে! এমনতর পুনর্মিলন আমি আশা করিনি…অনেক ভুলে যাওয়া অনুভূতি একসাথে এসে আমায় নাড়া দিয়ে গিয়েছিল! কতবার যে এ দৃশ্যটা টেনে টেনে দেখেছি!
২। গেট-ব্যাকারস্‌। এপিসোড ২২-“অ্যাওয়েকেনিং! দ্য অ্যাডভেন্ট অফ দ্য লাইটনিং এম্পেরর”
গিনজি প্রায় লাইটনিং এম্পেরর-এ পরিণত হতে চলেছে। আকাবানে ওর সাথে লড়াই করে ওকে আরো উসকে দিচ্ছে, গুনছে–৬,৫,৪, দুজনই এবার মরণ আঘাত হানবে….ঠিক এ সময় বান দুজনের মাঝামাঝি এসে পড়ে, গিনজির মুঠো করা হাত ঠেকিয়ে দেয়, আর বান-এর ডান কাঁধ ফুঁড়ে বের হয়ে আসে আকাবান-এর লম্বা লাল তরবারি। এক মুহূর্তের জন্য সব স্তব্ধ হয়ে যায়…গিনজি বিস্ফোরিত চোখে বান-এর দিকে তাকিয়ে। “না-নিয়া আত্তেনদায়ো গিনজি? তুমি… আমার নিষেধ …শুনলে না…” বলতে বলতে বান মাটিতে পড়ে যায়। দু হাতে মাথা চেপে ধরে গিনজি বসে পড়ে আর চাপা আর্তনাদ করে আকাশ-বাতাস কাঁপানো চিৎকার দিয়ে ওঠে! 
৩। সাকামিচি নো অ্যাপোলোন। (কিড্‌স অন দ্য স্লোপ)
—–এপিসোড ১১-“লেফ্‌ট অ্যালোন”
সেনতারো ওর ছোটবোন কে বাইকে করে রাতে বাইরে গিয়েছিল, মাঝপথে অ্যাক্‌সিডেন্ট করে। ওর ছোটবোনটা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
কাওরু ওকে ছাঁদে একটা বেঞ্চিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় পায়। সেন বলছে: “আমি যাদেরকে প্রটেক্ট করতে চাই, তাদেরকেই হার্ট করে বসি। আমি কেন যে জন্মালাম!” কাওরু(বন)-এর গাল বেয়ে অশ্রু ঝরছে, ফ্রেন্ডের অসহায়ত্ব, দু্ঃখ দূর করার কোন উপায়ই তার জানা নেই! কাওরু কে কাঁদতে দেখে সেন ঝট করে উঠে বসে…”ওয়! বন! কী হয়েছে? কীসের জন্য কাঁদছ?” বলে হাতটা ধরে আশ্বস্ত করতে যাবে…কাওরু হাতটা টেনে সেনকে নিজের কাছে এনে ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে ধরে, “দ্যিস ওয়ে, উই ডোন্ট হ্যাভ টু সি ইচ আদার ক্রাই।”…সেন হাসার চেষ্টা করে বলে, ” “আমরা”? আমি তো মোটেও….” কাওরু ওকে কথা শেষ করতে দেয় না, বলে, “ইট্‌স ওকে টু ক্রাই, সেন। তুমি এতদিন ধরে সব কষ্ট নিজের ভেতর জমিয়ে রেখেছ।” তখন সেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে! ওর গলার কাছে দলা পাঁকিয়ে, আটকে থাকা কান্নাটা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে।
এটা এমনিতেই ইমোশনাল, আরো বেশি একারণে যে, আমি কোন ছেলেকে এভাবে আরেক ছেলে বন্ধুর সামনে কাঁদতে আর কখনই দেখিনি! অন্য কোন বই, মাঙ্গা, এনিমি, সিরিয়াল, মুভি তেও না!

—–এপিসোড ১২-“অল ব্লুজ”
অনেক বছর পর কাওরু আর সেন এর পুনর্মিলন। দূরে চার্চ থেকে পিয়ানোর পরিচিত সুর সেন-এর কানে ভেসে আসে….মুচকি এক হাসি দেয়, অবশেষে তার অদ্ভূত, ছিঁচ্‌কাঁদুনে, অতি মাত্রায় সেনসিটিভ আর কেয়ারিং বন্ধুটা তাকে খুঁজে পেয়েছে! আর সেন কে ডাকছে ওদের বন্ধুত্বের শিকড় “মিউজিক” দিয়ে!

৪। রুরোনি কেনশিন।
—–এপিসোড ৪৩/৪৪/৪৫ হবে।
ওকিনা কেনশিন কে অনুরোধ করে আওশিকে মেরে ফেলতে। মিসাও নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে। কেনশিন মিসাও-র কষ্ট বুঝতে পারে, তাই বলে যে ও আওশিকে মারবে না, বরং ওর মনুষ্যত্ব ফিরিয়ে আনবে। একথা শোনার পর মিসাও-র চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে।
—–এপিসোড ৫৪ থেকে ৫৬।
সোজিরো(যে বালক টার রাগ, ক্ষোভ কোন অনুভূতি-ইই হত না)আর কেনশিন এর ২য় ডুয়েল, সাথে সোজিরোর ফ্লাশব্যাক।
—–এপিসোড ৬০,৬১,৬২।
মাকোতো শিশিও (কী জটিল একটা চরিত্র!) আর কেনশিন এর শেষ লড়াই। ইউমি যখন নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে, যাতে শিশিও জিততে পারে, তা দেখে কেনশিন-এর নিজের প্রথম স্ত্রীর প্রায় একইভাবে স্যাক্রিফাইস করার কথা মনে পড়ে যাওয়া; সানোসকে যখন উপলব্ধি করে সাইটোর বেঁচে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সিগারেটে ফুঁ দিতে দিতে সাইটোর ধ্বংসস্তূপে আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে মিলিয়ে যাওয়া; পরবর্তী তে দর্শকদের(মানে আমার  )জানতে পারা যে সে আসলে বেঁচে গিয়েছিল!

——-আর “ট্রাস্ট অ্যান্ড বিট্রেয়াল” ও.ভি.এ. টার কথা না বললেই না। কেনশিন-এর ছোটবেলা, সেনসেই “সেইজুরো হিকো”র অধীনে শিক্ষা লাভ, হিটোকিরি বাটোসাই হিসেবে জীবন, প্রথম স্ত্রী “টোমোয়ে”র সাথে দেখা, তাকে পাও্য়ার আর হারাবার কাহিনী…..সব মিলিয়ে প্রচণ্ড রকমের ইমোশনাল। এত ইমোশনযুক্ত জিনিস সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই, তবু এটাকে ভুলতে পারি না……।

৫। ব্লিচ।
ব্লিচের কথা আর কী বলব! প্রতি কাহিনীতে, প্রত্যেক চরিত্রে…এত ইমোশনাল ব্যাকস্টোরি!
সবচে’ বেশি মনে পড়ে এপিসোড ১৬ “এনকাউন্টার, রেনজি আবারাই” —তে রুকিয়া ইচিগো-কে যেভাবে আঘাত দিয়ে কথা বলে(ওকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে), ওর দিকে শেষ যে চাহনি দিয়ে দরজার ওপাশে অদৃশ্য হয়ে যায়….ওফ্‌ফ্‌ফ!

এপিসোড ৩২ “স্টার্‌স অ্যান্ড দ্য স্ট্রে”—(ফ্ল্যাশব্যাক)রেনজি ও রুকিয়ার ছোটবেলা, কীভাবে ওরা আলাদা হয়ে যায়, রেনজির বর্তমান রিজল্ভ…আমার এ কাহিনী তে রেনজির জন্য ভীষণ মায়া হয়েছিল…

এরূপ আরো বেশ কিছু (আসলে অসংখ্য)”প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট” আছে, যা বলতে বলতে রাত পার হয়ে যাবে! তাই এখানেই শেষ করছি আজকের মত।

তাকেমোতো by Torsha Fariha

Torsha Fariha's photo.
তাকেমোতো। ও আমাকে কিভাবে ইনস্পায়ার করসে বলতে গেলে আসলে বিশাল কাহিনী লিখতে হবে। তাই সংক্ষেপে বলি 

আমি তাকেমোতোর মধ্যে নিজেকে দেখতে পেয়েছিলাম, আমার স্বপ্নগুলো দেখতে পেয়েছিলাম। আমি এতদিন ধরে কি খুঁজছি সেটা খুঁজে পেয়েছি। আসলে তাকেমোতো অন্য অ্যাকশন অথবা রোমান্টিক মুভির সুপার কুল নায়ক না। ও আমার মতই সাধারন। পর্দায় একজন সাধারন মানুষকে দেখতে ভালো লাগে। যদিও আমি ক্রাশ খাই মোরিতার সুপার কুলদের উপর  

খুব সাধারন হয়ে, খুব সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অনুভূতি গুলো মনের ভেতর লালন করে কিভাবে খুব সুন্দর জীবন যাপন করা যায় সেটা আমি তাকেমোতোর কাছে শিখেছি।

আমার জীবনের বড় একটা ব্লেসিং হানি অ্যান্ড ক্লোভার

Torsha Fariha's photo.

“free!” – a review by Asiful Haque

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)
“free!” – সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ “স্পোর্টস” আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে “স্পোর্টস” ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; “fan service for girls” – period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে “স্লাইস অফ লাইফ” এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল “yaoi” এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে “passionate” বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং – আমার কাছে “ওকে”।   
আর্টঅয়ার্ক – বেশ ভাল।  
কমেডি – ভালর দিকে। 
সাউন্ড – এভারেজ। 

এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব – এক্টাই কারণ – স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।

রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড।  

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)

Out of Sight [ONA] Review by Tahsin Faruque Aninda

11

ছোট্ট একটি শর্ট ফিল্ম আনিমে, যা মনে সুন্দর ছাপ রেখে যাবে কোন সন্দেহ নাই!
কালারফুল দৃশ্য আর চমৎকার মিউজিকের এই শর্ট ফিল্ম দেখার কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝা যাবে সেন্টিমেন্টাল জিনিস নিয়ে কাহিনি হলেও আসলে ঘটনাটা খুবই heartwarming!
ছোট্ট একটা মেয়ের সাথে থাকা ব্যাগ ছিন্তাই হয়ে যায়, তার সাথে থাকা কুকুরটি সেই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করতে দৌড় দেয়, আর শুরু হয় মেয়েটির আশেপাশের পরিবেশকে নতুন করে দেখা!

৫ মিনিটের শর্ট ফিল্মের কাহিনির একটু কিছু বলতে গেলেও সেটা স্পয়লার হয়ে যাবে। তাই আর বেশি দেরি না করে ঝটপট এই শর্ট ফিল্মটি দেখি নেই আমরা যারা দেখি নি এখনও! 

আমার রেটিং: 9/10

লিংক:

https://www.youtube.com/watch?v=4qCbiCxBd2M

Discussion: The Legend of Korra

এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা দেখে প্রতি মুহূর্তে যেটা মনে হয়, এং এর মধ্যে যে অস্থির স্মার্টনেসটা ছিল কোরা তার ধারে কাছেও নাই, এভাটারের ফানটা খুবই ক্লাস ছিল যেখানে কোরার ক্ষেত্রে পুরা মাঠে মারা গেছে, সবচেয়ে বেশি গায়ে লাগে যেটা, এং প্রথমে শুধু এয়ারবেন্ডার ছিল দেন আস্তে আস্তে সব শিখছে, কিন্তু তারপর ও কোন ফাইটেই তার খুব একটা আউটক্লাসড হতে হয় নি, সব সময় ই সে কিছু না কিছু করে চালিয়ে নিত, আর কোরা এত্তগুলা এলিমেন্ট পেরেও শুধু মাইর খায়।
সবকিছু বলার পর, স্টিল এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা অবশ্যই দেখার মত একটা জিনিস, আফটার অল এইটা এভাটারের সিক্যুয়েল বলে কথা।

Tahsin Faruque Aninda এং-এর সাথে কারও তুলনা চলেই না! সে অন্যান্য এভাটারদের তুলনাতে আগে থেকেই স্পেশাল।
আর কোরা পুরাই আনকোরা টাইপ এভাটার। দুইজন পুরাই দুই মেরুর ক্যারেক্টার। এং যেখানে মঙ্ক, সেখানে কোরা হলো পিচ্চিকাল থেকেই খেপাটে আর শো-অফ পছন্দ করে!
এই দুই টাইপ এভাটারের আচরণ, কৌশল, সাফল্য অবশ্যই এক হবে না।
তারউপর এং এর কাহিনি যখন শুরু হয় তখন ১০০ বছর ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব যুদ্ধ ছিল, অস্থিরতা ছিল। কোরা যখন আসে, তখন অলরেডি এং একটা সুন্দর আর এডভান্সড দুনিয়া রেখে যায় 
তাই এং এর কাহিনির মত কিছু পাব না এইটা জেনেই কোরা দেখি। সব কিছু মিলিয়ে আমার এইটা বেশ ভালই লাগে

Muhib Khan আমার মনে হয় এং আর কোরার ক্যারেক্টার ২ মেরুর করা টা কিছু টা লজিকাল কারন নাহলে কোরা যে ডিফারেন্ট এং এর চেয়ে তা বোঝা যাবে না। কিন্তু যাই হোক এং বেশি বস আর কোরা বেশি না হোক কিছুটা bitchy. তবে এই বুক আগেরটার চেয়ে প্রমিজিং মনে হইতেছে। আর জিনোরার কোন বড় না হলেউ মাঝারি ভূমিকা থাকতে পারে বলে মনে হইল।

 

এভাটার লিজেন্ড অফ কোরার তৃতীয় এপি এখন বাজারে। অনেকেই এপি সিরিজ নিয়া আগের সিরিজের সাথে তুলনা করে “failure” বা এই জাতীয় কথা বল্লেও আমি কিন্তু ভালই এঞ্জয় করতেসি সিরিজটা। শুধু একটা সাকার অভাব প্রচন্ড অনুভুত হইতেসে; এই যা !!! আমি আলাদা করেই এঞ্জয় করতেসি; এই এভাতার সম্পূর্ণ আলাদা; তাকে তার মতন করেই বিচার করতে হবে; শুধু সাকার ওই কমেডি এলিমেন্টটা মিস করতেসি; ওইরকম কমেডি এবং উইটি পার্টের কাউকে দরকার ছিল !!!

Asif Ul Shafi

 ফার্স্ট সিজনের মত এইটাও এনজয় করছি। অনেকেই এভাটার এর সাথে তুলনা করে এপিক ফেইলিউর, ফালতু এইসব কথা বলছে। এই সিরিজটার প্লটটা কিন্তু এভাটার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, তাই কম্পেয়ারেবল না। এভাটার এর মিশন শেষ হয়ে যাবার অনেক পরের ঘটনা এইটা, এই ব্যাপারটা মনে হয় অনেকে ধরতে চাচ্ছে না,  আগের এভাটার বিশেষ ভাবে ফিরে আসে, যখন ফায়ার ট্রাইব সব দখল করে নিছে। আর কোরার জন্ম হইছে স্বাভাবিক পরিবেশে একটা নোবেল ফ্যামিলিতে। কমপ্লীটলি ডিফেরেন্ট সিনারিও।

Phantom: Requiem for Phantom review by Farhad Mohsin

phantom_requiem_for_the_phantom-1390073
বছর দুয়েক আগে দেখা একটা এনিমে নিয়ে লিখছি, মেমোরি থেকে, একবার শুধু উইকি থেকে ঢুঁ মেরেছিলাম ক্যারেক্টারের নাম ঠিক মনে আছে কিনা দেখার জন্য। যাইহোক,
এনিমের নাম: Phantom: Requiem for Phantom
কাহিনীর শুরুতেই হিরো জেগে উঠে বুঝতে পারে যে তার কিছু মনে নাই, শুধু এটুকু মনে আছে যে তাকে কেউ খুন করার চেষ্টা করছিল। এবং কিছুক্ষণের মাঝেই সে আবার আগের আক্রমনকারীর কাছেই আক্রমণের শিকার হয়। তাকে জানানো হয় নিজের জীবন বাঁচাতে হলে লড়াই করতে হবে এবং সে তা করে, এবং মৃত্যু থেকে আপাত রক্ষা পায় আর কি।
এরপর তাকে জানানো হয় তার সামনে দুইটা অপশন, এক: মৃত্যু অথবা দুই: অ্যাসাসিন হিসেবে ট্রেনিং নেওয়া। কেন তাকে ঠিক করা হয়, সে কে এসব সম্বন্ধে কিছু তাকে বলা হয় না। তার ট্রেনার হবে তার আক্রমনকারী, যে হচ্ছে Ein(one) এবং তার নিজের নাম হবে এখন থেকে Zwei(two).
মূলত Zwei এবং তার আগে Ein হচ্ছে একটা অর্গানাইজেশনের পারফেক্ট অ্যাসাসিন ট্রেন করার একটা এক্সপেরিমেন্টের অংশ। যার প্রথম অংশ হিসেবে দুজনেরই পাস্ট মেমোরি বলতে কিছু নাই, এবং এরপর রিগোরাস ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।
একই সাথে অ্যাসাসিন হয়ে উঠার গল্প, নিজেদের অরিজিন খুঁজে ফেরার গল্প, এবং তাদের জন্য অন্যরা যে ডেস্টিনি ঠিক করে দিয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করার গল্প।
পুরো সিরিজে সে অর্থে হিউমার নাই বললেই চলে, তবে যথেষ্ট সাস্পেন্সফুল, অ্যাকশন সিকুয়েন্স খুবই ভালো, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টও বেশ ভালো। যাদের অনেক ‘কেন?’ ‘কেন’ জিজ্ঞাসা, তাদের খারাপ লাগার সম্ভাবনা আছে, কারণ যদ্দুর মনে পড়ে মূল ক্যারেক্টারদের কারও পাস্ট, বা তাদের কিভাবে কেন বাছাই করা হল এসব খুব একটা ব্যাখ্যা করা হয় নাই।
1346156687_snapshot20090807000047

সব মিলিয়ে যথেষ্ট ভালো একটা এনিমে। আমার সেইসময় খুবই ভালো লেগেছিল। আজকে ডার্কার দ্যান ব্ল্যাকের হেই’র মুখোশ দেখে হঠাত আমার Zwei এর কথা মনে পড়ল আর তারপর বিকালে দেখি একজন তার ছবিও পোস্ট করেছে। তবে মনে হয় খুব বেশি মানুষ দেখে নাই। একটাই সিজন, বেশি সময় লাগবে না, যাদের action, thriller ইত্যাদি genre ভালো লাগে, তাদের দেখে ফেলার সাজেশন দিচ্ছি।

513697464

MAL link: http://myanimelist.net/anime/5682/Phantom:_Requiem_for_the_Phantom

Homunculus – FMA trivia by Md Monowarul Islam

Homunculus (“সামান্য মানুষ”, বহুবচন জন্য ল্যাটিন, পুংলিঙ্গ: “Homunculi”; হোমো এর Diminutive থেকে) একটি ছোট মানুষের কোনো উপস্থাপনা পড়ুন অধ্যয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ সাধারণত, হয়. ষোড়শ শতকে রসায়ন ও উনবিংশ শতাব্দীর কথাশিল্পে জনপ্রিয়, এটা ঐতিহাসিকভাবে, একটি ক্ষুদ্র সৃষ্টি বলা সম্পূর্ণরূপে মানুষের গঠিত হয়েছে. ধারণা Preformationism মধ্যে শিকড় সেইসাথে আগে Folklore এবং Alchemic ঐতিহ্য আছে. বর্তমানে, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে, একটি Homunculus কিছু উপায়ে, শারীরিক মানসিক, বা অন্যান্য বিমূর্ত মানুষের বৈশিষ্ট্য বা ফাংশন ব্যাখ্যা যে, মানব দেহের কোনো স্কেল মডেল উল্লেখ করতে পারে.
Homunculus ("সামান্য মানুষ", বহুবচন জন্য ল্যাটিন, পুংলিঙ্গ: "Homunculi"; হোমো এর Diminutive থেকে) একটি ছোট মানুষের কোনো উপস্থাপনা পড়ুন অধ্যয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ সাধারণত, হয়. ষোড়শ শতকে রসায়ন ও উনবিংশ শতাব্দীর কথাশিল্পে জনপ্রিয়, এটা ঐতিহাসিকভাবে, একটি ক্ষুদ্র সৃষ্টি বলা সম্পূর্ণরূপে মানুষের গঠিত হয়েছে. ধারণা Preformationism মধ্যে শিকড় সেইসাথে আগে Folklore এবং Alchemic ঐতিহ্য আছে. বর্তমানে, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে, একটি Homunculus কিছু উপায়ে, শারীরিক মানসিক, বা অন্যান্য বিমূর্ত মানুষের বৈশিষ্ট্য বা ফাংশন ব্যাখ্যা যে, মানব দেহের কোনো স্কেল মডেল উল্লেখ করতে পারে.

কিছু অসাধা্রন শর্ট অ্যানিমে ফিল্ম by Fahim Bin Selim

কিছু অসাধা্রন শর্ট অ্যানিমে ফিল্ম

Memory(ONA) : ৭ মিনিট
আমার রেটিং: ৭
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং: ৬.৮৩
লিঙ্কঃ http://myanimelist.net/anime/8743/Memory_%28ONA%29
ডাউনলোড লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/watch?v=_Si5-Xjf8xE

পোস্টঅ্যাপোক্যালিপ্টিক এক জগতে ধ্বংসপ্রাপ্ত এক রোবটের মেমরী চিপে পাওয়া কিছু স্মৃতির সমাবেশ। তার চোখে মানুষদের দেখা, বিশেষ করে ছোট্টে একটা মেয়েকে। থ্রিডি অ্যানিমেশনে তৈরী, সাত মিনিটের বেশ সুন্দর একটা অ্যানিমে।


Tsumiki no Ie(The House of Small Cubes) : ১২ মিনিট
আমার রেটিং: ৯
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং: ৮.৪৬ (#১০৬)
লিঙ্কঃ http://myanimelist.net/anime/5365/Tsumiki_no_Ie
ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.youtube.com/watch?v=zywbxDMG8OE

এইটা সম্ভবত অনেকেই দেখসেন। এমএএল-এ বেশ ভালো রেটিং। ২০০৯-এ একাডেমি এওয়ার্ড পাওয়া শ্রেষ্ঠ শর্টফিল্ম। বন্যাপ্লাবিত এক এলাকা, যেখানে সকল বাড়িঘড় পানির নিচে, সেখানেই একা এক বৃদ্ধ যে কিনা পানি থেকে বাঁচতে বারাবার একটার উপর এক কক্ষ বানাতে থাকে। একদিন সেই ঘরের ফুটো দিয়ে নিচে পানির মধ্যে তার প্রিয় পাইপ পরে যাওয়া আর “a dive down the memory rooms!” অসাধারণ অ্যানিমে, অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক!

Furiko(Pendulam) : ৩ মিনিট
আমার রেটিং: ১০
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং: ৭.৭৯
লিঙ্কঃ http://myanimelist.net/anime/13629/Furiko
ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.youtube.com/watch?v=tJBt2V5-Q-E

৩ মিনিটের জিনিস। কাহিনী কিছু বললাম না তাই। ৩ মিনিটে একটা কাহিনী সম্ভবত এর চেয়ে ভালোভাবে আর বলা সম্ভব না। বেসিক আর্ট কিন্তু পেন্ডুলামের মাঝে ভিসুয়ালাইজেশণ আর সাথের সাউন্ডট্র্যাক্টার কারণে সেকেন্ডে সেকেন্ডে আপনার অনুভুতি পাল্টাবে। ৩ মিনিটে হাসানো আবার কাদানোর মত অ্যানিমে।

Change 123 a manga review by Farhad Mohsin

আমি মাঝে মাঝে মাঙ্গারিডারে Surprise Me দিয়ে বিভিন্ন মাঙ্গা পড়ি যা হয়তো সাধারণত আমার সামনে আসত না। ম্যাক্সিমামই চার-পাঁচ চ্যাপ্টার পড়ে আর পড়া হয় না। এর মধ্যে যেগুলো কমপ্লিটেড এবং চ্যাপ্টারের সঙ্খ্যা কম এ ধরণের গুলোর ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট কিছুটা বেশি থাকে। এরকম একটা মাঙ্গা ছিল Change 123.


Genre -> Action, Romantic, Ecchi
কাহিনীর শুরুটা অনেকটা এরকম: মোকোতো নামে এক মেয়ের তিন অ্যাডপ্টিভ বাবা। তারা তিনজন তিন ধরণের লড়াইয়ের স্টাইলে স্পেশালিস্ট, একজন হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কম্ব্যাট, একজন ওয়েপন বেইসড অ্যাটাকে, আরেকজন মনে হয় স্ট্রাটেজিকাল অ্যাটাকে। তারা তিনজন আলাদা করে ছোট থেকেই মেয়েকে ট্রেইন করে। মেয়ের কিন্তু তার অরিজিন নিয়ে কোন আইডিয়া নাই। তো এই ট্রেইনিং এর পাল্লায় পড়ে মেয়ের মাল্টিপল পার্সোনালিটি ফর্ম হয়, তিন মারামারির স্টাইল বিশিষ্ট তিনজন, যেই পার্সোনালিটিগুলো তার বিপদের সময়ে আগিয়ে আসে। আর তার কারণে তার অরিজিনাল পার্সোনালিটি হয়ে যায় নিতান্তই ভীতু, ভাজা মাছ উলটে খেতে জানে না ধরণের। তার সাথে একসময় পরিচয় হয় হিরোর(হিরো শুধু নামেই হিরো, বারকয়েক মার খাওয়া ছাড়া আর কিছু করে না), আর এরপর বিভিন্ন সময়ে তার সাথে মারামারি করতে আসে বিভিন্ন লড়াকু, তার অরিজিন সম্বন্ধে কিছু আইডিয়া পাওয়া যায়, ধারণা করা হয় তার অলরেডি স্প্লিট পার্সোনালিটি হয়তো আরও এক ভাগ হয়ে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এসবের মাঝে স্টোরি আগিয়ে চলে।

মূল কথা হচ্ছে এমন আহামরি কিছু না, বাট হাতে টাইম থাকলে আর হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কমব্যাট বেসড একটা ফানি-ইচি মাঙ্গা পড়তে চাইলে এটা পড়ে ফেলা যেতে পারে।