Sakamichi no Apollon ( Kids on the slope) by Tahsin kamal

Action, twist, fantasy, সব অবাস্তব জিনিসপাতির বাইরে অন্যান্য এনিমে গুলার থেকে একটু আলাদা কিন্তু খুব সাধারণ একটা এনিমে। এই এনিমে দেখার প্রতি আমার আকর্ষণের একমাত্র কারণ হল genre এর মধ্যে music আসে। দেখা শেষ করে মনে হইসে এন্ডিং এ কঠিন একটা বাস্তব জীবনের সত্য message এর মত করে দেখাতে চাইসে। Character development বেশ ভাল্লাগসে। Friendship, romance, story সব কিছুই অসাধারণ করসে। দেখে ফেলতে পারেন। মাত্র ১২ টা পর্ব। এক বসাই দেখে শেষ করার মত। Beautiful, simple and heart warming. 

Rating- 7.9/10

Download link– http://hi10ani.me/sakamichi-no-apollon/sakamichi-no-apollon-bd

!!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!! by Kazi rafi

দেড় বছর আগেও আমি অনেককে দেখসিলাম, একেকটা নারুতর নতুন নতুন চ্যাপ্টার বাইর হয় আর মানুষের সে কি সমালোচনা আর মুন্ডুপাত কিশিমোটোর; কিশিমোটো গাজা খায়ে নারুটো লিখতেছে, নারুটো আর আগের মতন নাই, পুরা লেম হয়ে গেছে, এই ওয়ার আর্ক আর কতদিন ধরে টানবে, আর তো ভালো লাগে নাহ, কিশিমোটোর উচিত নারুটো বন্ধ করে দেয়া, হ্যান ত্যান হাবিজাবি ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ !!!!!!!!!!!!!!!!!! দেড় বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সেই একি মানুষরা সেই একি প্যাঁনপ্যানানি এখনও করে যাইতেছে। আচ্ছা ওরা জানল কিভাবে যে নারুটো তে এখনও কি হইতেছে ??? এদের নাহ আরও দেড় বছর আগেই নারুটো পরা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ??? তাদের ভাষ্যমতে নারুটো তো এখন গাঁজাখুরি থেকে গাঁজাখুরিতোমো পর্যায়ে পৌঁছায়ে গেছে, তাইলে তারা কেন এখনও নারুটো পরা বন্ধ করে নাই ?????? কারন তারা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে নাহ ! কেন ? কারন এরপরের কাহিনী জানার অদম্য কৌতহল তাদেরকে নারুটো পরা থেকে বিরত রাখতে পারে নি !!!!! আচ্ছা এইবার আমাকে বলেন একটা সিরিয়ালাইযড মাঙ্গার মূল উদ্দেশ্য কি ??? নিজদের বিক্রি বাড়ানো ?? হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের বিক্রি বাড়াতে না পারলে তো পাবলিকেশন কোম্পানির ব্যাবসা লাটে উঠবে সেই সাথে মাঙ্গাকার ভাত মারা হবে, কিন্তু সেই বিক্রি বারানো হবে কিভাবে ?? কিভাবে আবার, নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে !! এখন সেটা করার জন্য পাবলিকেশন কোম্পানির হাজাররকমের ব্যাবস্থা নিয়ে রাখা আছে, so ওইদিক দিয়ে লাভের একটা অংশ ঠিকঠাক ! এখন আসি আসল কোথায়, পুরা মাঙ্গা বিক্রির লাভ কিন্তু এই নতুন পাঠকদের থেকেই আসে নাহ, এর মূল লাভটা আসে EXISITNG পাঠকদের থেকে ! এখন এই গ্রুপটি আবার দুটি ভাগে বিভক্ত, এক অংশ এখনও নারুটোকে তাদের আস্থার মাধ্যমে পরে যাচ্ছে, দেখে যাচ্ছে এবং ভালবেসে যাচ্ছে আর আরেক গ্রুপের কথা তো উপরেই বললাম ! এই দ্বিতীয় গ্রুপটির সুন্দর একটা নাম আছে আর সেটা হচ্ছে HYPOCRITES !!!!!! এই হিপোক্রেটদের এতো এতো হিপোক্রেসির পরও কিন্তু তারা ব্যর্থ, কারন তাদের এতো বোলচালের পরেও তারা নারুটো পরা থামাতে পারেনি যেভাবে ঠেকাতে পারেনি এর সাফল্য, এর বিক্রি, এর Profit !!!!
আমার এখনও মনে আছে, যখন ব্লিচে আরাঙ্কার সাগা চলতেছে, এবং ফেক কারাকুরা টাউন আর্ক শুরু হইছে, মানুষের সে কি হতাশা, রাগ, hatred !! ফ্যানরা তো টিটে কুবো রে খেতাবই দিয়ে দিলো একটা “Troll King” নামে !!! তাদের অভিযোগ কি ??? ব্লিচ গোল্লায় গেছে, কুবো ভিয়েতনাম থেকে গাজা আনায় গাজা সেবন করে ব্লিচ লিখতেছে !!!! এরপরে আররাঙ্কার সাগা যখন শেষ হইল, আইযেন যখন পরাজিত হল এবং তারপরে যখন নতুন ফুলব্রিং আর্ক শুরু হইল তখন পাঠক/ তথাকথিত ফ্যানরা যা করল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মতন নাহ!! কেও কুবো রে জীবনে যত গালি গালাজ শিখছিল তা আর বলতে বাকি রাখে নাই, ফ্যানরা এতটাই ‘অপমানিত’ হইছিল ওর এই কাজে !!!! তাদের ভাষ্যমতে আইযেন্রে আটক করার পরেই ব্লিচ ‘শেষ’ করা দেওয়া উচিত ছিল কারন ব্লিচ বলে তাদের জীবন তা নষ্ট করে দিছে, ব্লিচ বলে এতটাই ‘ফাউল’ একটা মাঙ্গায় পরিণত হইছিল যে তা একদম পড়ার অযোগ্য হয়ে পরছিল !!!! এবং এখানেই সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয়টা আপনারা খেয়াল করবেন, তাদের অনুযায়ী ফেক কারাকুরা টাউন আর্কের আগ থেকেই বলে ব্লিচের পতন শুরু হইছিল AND YET এই হিপক্রেটরা কিন্তু ফুলব্রিং আর্ক পরা থেকে নিজেদেরকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হইছিল তানাহলে তারা কিভাবে জানল যে এই আর্ক হচ্ছে ব্লিচের সবচেয়ে তাদের ভাষ্যমতে জঘন্নতম আর্ক ????? এখানেই শেষ নয় !! ফুলব্রিং আর্কের পরে যখন Thousand Year Blood War আর্ক শুরু হইল এইসব হিপক্রেটদের মধ্যে বেশীরভাগেরই সুর পালটায় গেলো ব্লিচের ব্যাপারে ! এখন এই আর্ক হচ্ছে Soul Society আর্কের পরে তাদের সবচেয়ে প্রিয় আর্ক !!!!!!! হিপক্রেটদের এই হচ্ছে অবস্থা !!!!!!!!!!
আর ফেইরি টেইল, এই মাঙ্গা তো হিপক্রেটদের কাছে অন্যভাবে পরিচিত। শুরু থেকেই এদের ঘৃণার স্বীকার এই মাঙ্গা তাদের ভাষ্যমতে হচ্ছে ‘ Total Rip-off/Copy Of One Piece with Fan Service’ !!!!!!!!! এইটা বলার কারন কি ?? এইটা বলার কারন হচ্ছে হিরো মাশিমা আর ইচিরো ওওডার আর্টের মধ্যে রয়েছে ‘অবিশ্বাস্য’ মিল ! এইরকম মিল বলে জমজ ভাই বঁদের মধ্যেও বলে দেখা যায়না, এবং সেইকারণে তারা মাশিমা কে আড়ালে আবদালে ‘চোর’, ‘কপিকেট’ ডাকা শুরু করলো !!!!!!!
এই হিপক্রেটদের দলটা, তারা থাকবে সবজায়গায়, সমসময়, করে যাবে থাদের অর্থহীন প্যানপ্যাঁনানি, ঘ্যানঘ্যা্নানি, কিন্তু এদেরকে টেক্কা দিতে একইসঙ্গে থাকবে সেইসব আসল পাঠক/ ফ্যানরা যারা প্রথম থেকে আজ অব্দি পর্যন্ত তাদের পছন্দের মাঙ্গাকে, মাঙ্গাকাকে দেখিয়ে গেছে তাদের অবিচল আস্থার, ভালবাসার নিদর্শন, এবং দেখিয়ে যাবে শেষ অব্দি পর্যন্ত !!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!!

Fullmetal Alchemist – my most favorite entertainment by Farhad Hossain Masum

Edward Elric, The Fullmetal Alchemist

Edward Elric, The Fullmetal Alchemist

 

 

Alchemy, পদার্থের গঠন বোঝার, ভেঙ্গে ফেলার এবং নতুন করে ভিন্ন কিছু গড়ার বিজ্ঞান। বেশ ছোটবেলা থেকেই এই রহস্যময় বিজ্ঞানে পারদর্শী হয়ে উঠেছিলো দুই ভাই, এডওয়ার্ড এলরিক (বয়স-১১) এবং এলফনস এলরিক (বয়স-১০). ছোটবেলায় বাবা তাদেরকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো, আর এখন জটিল কোন এক রোগে ভুগে মা মারা গেলো……

 

দুই ক্ষুদে বিজ্ঞানী প্রতিজ্ঞা করলো, যে কোনভাবেই হোক, মা-কে মৃত্যুর ওপার থেকে হলেও ফিরিয়ে আনতে হবে। শুরু হলো আলকেমির মাধ্যমে তাদের কঠিন সাধনা। কিন্তু বিধি বাম, বিক্রিয়া শুরু করার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। মা ফিরে আসা তো দূরের কথা, বড় ভাইয়ের বাম পা আর ছোট ভাইয়ের পুরো শরীরটাই চলে গেলো ওপারে। নিজের ডান হাত বিসর্জন দিয়ে হলেও ছোটা ভাইয়ের আত্মাটা একটা বর্মের সাথে এটাচ করে ধরে রাখলো এডওয়ার্ড……

 

Alphonse Elric

Alphonse Elric

 

 

বিধ্বস্ত, পরাজিত, মেটাল হাত-পা লাগানো এডওয়ার্ড; কিন্তু চোখে আগুন। রক্ত-মাংসের শরীরবিহীন ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে শপথ নিলো সে- যে করেই হোক, নিজেদের আসল শরীর ফেরত পেতে হবে। এই প্রতিজ্ঞায় যাত্রা শুরু করলো দুই ভাই……

 

The Elric Brothers

The Elric Brothers

 

 

শরীর হারানোর কয়েক দিন পর Roy Mustang নামে এক স্টেট আলকেমিস্ট ওদের বাড়িতে আসে এবং এডওয়ার্ড-কে স্টেট আলকেমিস্ট হিসেবে মিলিটারিতে জয়েন করতে পরামর্শ দেয়, যেন সে নিজের এবং এল-এর আসল শরীর ফিরে পাবার উপায় খুঁজে পায়। স্টেট আলকেমিস্ট হচ্ছে Military Certified Alchemist, যারা দেশের বিভিন্ন মিলিটারি ইমার্জেন্সিতে তাদের আলকেমি-কে কাজে লাগাতে বাধ্য। বিনিময়ে তারা রাষ্ট্রের সকল লাইব্রেরি, গবেষণাগারে যাওয়ার অনুমতি পেয়ে যায়। কঠিন পরীক্ষায় উতরে যায় এডওয়ার্ড, রাষ্ট্রের সবচাইতে কমবয়সী স্টেট আলকেমিস্ট হিসেবে মিলিটারিতে যোগ দেয় সে, এবং ধারণ করে তার নতুন উপাধি, ফুলমেটাল আলকেমিস্ট !!

 

দুই ভাই জানতো, থিওরেটিক্যালি একটা উপায় আছে যার মাধ্যমে ওরা নিজেদের শরীর ফেরত পেতে পারে, ফিলোসফার স্টোন। কিন্তু এটা কি আসলেই বাস্তবে আছে কোথাও? নাকি এটা কেবলই একটা কিংবদন্তী? যাত্রার শুরু এখানে…………… কোথায় যে গিয়ে ঠেকবে, নিঃসন্দেহে কল্পনার বাইরে !!

 

About the Second Season : FULLMETAL ALCHEMIST BROTHERHOOD

দুটো সিজন আছে এটার। প্রথমটা Fullmetal Alchemist (৫১ পর্ব), দ্বিতীয়টা Fullmetal Alchemist Brotherhood (৬৪ পর্ব). দুটোই একই জায়গা থেকে শুরু হয়, তাই সেকেন্ড সিজনের প্রথম দিকে একটু হোঁচট খেতে পারেন। কিন্তু এগিয়ে যান, ১৪তম পর্বেই কাহিনীর মোড় ঘুরে যাবে, একেবারে ভিন্নভাবে শেষ হবে কাহিনী।

 

BROTHERHOOD

BROTHERHOOD

 

 

ব্যাপারটা হচ্ছে এমন- এই এনিমে বানানো হয়েছে manga (comics) থেকে। অরিজিনাল লেখিকা Hiromu arakwa যখন চল্লিশটি চ্যাপ্টার লিখেছে, তখন এক এনিমে কোম্পানি ওকে অফার করলো এটা থেকে এনিমে বানানো যায় কিনা। তখন আরাকাওয়া বললো যা তার লেখা এখনো অনেক বাকি, অবশ্য ইচ্ছা করলে ওরা এই চল্লিশ চ্যাপ্টার নিয়ে বাকিটা নিজেরা লিখে বানাতে পারে, কিন্তু সে তার নিজস্ব লেখা চালিয়ে যাবে। এভাবেই প্রথমটা বানানো হলো।

 

কিন্তু অরিজিনাল রাইটার এর মাথায় যা ছিলো, সেটা যখন বের হলো, তখন দেখা গেলো যে এটা আরো বেশি ভালো এবং এটা নিয়ে আরেকটা এনিমে বানানো যায়। আরাকাওয়া মোট ১০৮ চ্যাপ্টার লিখেছিলো, তার সময় লেগেছিলো সর্বমোট নয় বছর, প্রতিমাসে একটা চ্যাপ্টার। ফার্স্ট সিজনে যদি ৫১টা পর্ব থাকে, তাহলে ব্রাদারহুডে ৫১টা নতুন পর্ব আছে (প্রথম ১৩ টার পর)……

 

আমার কাছে (এবং এ পর্যন্ত যাকেই দেখিয়েছি, তাদের সবার কাছেই) “ব্রাদারহুড” মাত্রাতিরিক্ত রকম জোস লেগেছে। সেকেন্ড সিজনটা আমার জীবনের দেখা ONE OF THE BEST THINGS. ফ্যামিলিয়ার হওয়ার কারণে প্রথম ১৩টা পর্ব দেখতে দেখতে একটু দ্বিধা লাগলেও ১৪তম পর্ব থেকেই মাথার চুল ছিঁড়বেন উত্তেজনায়।

 

প্রতিটা চরিত্রের একটা আলাদা tone আছে। সেকেন্ড সিজনের সব কয়টা চরিত্রই মূল্যবান (জাস্ট আসলো আর গেলো, এমনটা নয়), তবে আমার পার্সোনাল ফেভারিট হচ্ছে ROY MUSTANG. He has the most powerful Alchemy (Flame Alchemy), and oh my god, WHAT A BRAIN !! Brainy is definitely the new sexy. আক্ষরিক অর্থেই তুড়ি মেরে সমস্যা সমাধান করার সামর্থ্য আর কার আছে, শুনি?

 

Roy Mustang, The Flame Alchemist, in his famous snapping fingers gesture....

Roy Mustang, The Flame Alchemist, in his famous snapping fingers gesture….

 

 

অসাধারণ গল্প, অতিরিক্ত ভালো screenplay, amazing background music (মিউজিক এর জন্য আমি আকিরা সেনজু-এর ভক্ত হয়ে গেছি)- প্রশংসা করতে গেলে শেষ হবেনা……… সব মিলিয়ে এক কথায় বলতে গেলে, এটাই আমার দেখা সবচেয়ে বেস্ট এন্টারটেইনমেন্ট। কোনো সিনেমা, কোনো গান, কোনো বই পড়ে এখন পর্যন্ত এতো নিখুঁত এন্টারটেইনমেন্ট আমি পাইনি। If you are not entertained, it’s a money and time back guarantee.

মূল লেখার লিঙ্ক 

éX-Driver, éX-Driver The Movie, éX-Driver: Nina & Rei Danger Zone by Tahsin Faruque Aninda


ছোটকালে প্রথম দিকে যেসব আনিমে দেখতাম, তার মধ্যে ছিল Dragonball Z, Pokemon, Beyblade, Rurouni Kenshi etc etc., এরকমই সে যুগের এক আনিমে হল éX-Driver 
তখন পুরোটা দেখা হয়ে উঠে নি, এখন এই বয়সে এসে দেখা হল সবটুকু। আর দেখেই সেইইইই ছোটকালে ফিরে গেলাম!!! তখনকার আনিমের আর্টওয়ার্কে একটা অন্যরকম ঠান্ডা ভাব ছিল, সেই ২০০০ সালের আগে/পরের আনিমে এটা।

মূল আনিমে আসলে OVA, ৬ পর্বের। সেই সাথে একটি মুভি ও একটি প্রিকুয়েল এপিসোড আছে।
আনিমেটির থিম হল, ভবিষ্যতে মানুষের যানবাহন চলাচল সব AI ভিত্তিক, অর্থাৎ মানুষকে গাড়ি চালাতে হয় না, গাড়িতে উঠে শুধু ডেস্টিনেশনের নাম বললেই চলবে।
AI নির্ভর গাড়ি বলে মাঝে মাঝে এদের কন্ট্রোল নষ্ট হয়ে যায় আর তখন এসব গাড়িকে কন্ট্রোল করে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য জান বাজি রেখে কাজ করে যায় éX-Driver নামের একদল তুখড় গাড়িচালক!

Features:
# স্পোর্টস কারের দুর্দান্ত একশন! 
# এপিসোড ভিত্তিক কাহিনি, তাই ঠান্ডা মাথায় একেকটা এপিসোড এঞ্জয় করা যায় 
# 90’s আনিমের আর্টস্টাইলের যারা ভক্ত, তারা আসলেই খুব এঞ্জয় করতে পারবে 
# প্রিকুয়েল এপিসোডটা standalone episode হিসাবে বেশ চমৎকার!
# ৬ এপিসোডের সিরিজের সিকোয়েল হিসেবে ধরা মুভিটাও একইরকম উত্তেজনা টেনে আনে 

শেষে বলতে চাই, MyAnimeList-এর রেটিং দেখে এটা দেখতে পিছপা হওয়ার দরকার নাই। ছোট্ট একটা আনিমে সুন্দরভাবেই উপভোগ করা যাবে 

আমার রেটিং: 8.5/10

 

Slam Dunk vs Kuroko no Basuke by Kazi rafi


,স্লাম ডাঙ্ক আমার খুবই প্রিয় একটা এনিমে। ছোটবেলায়, ডিবিযেট, পকিমন আর রুরউনি কেনশিন এর পাশে স্লাম ডাঙ্ক দেখেই বড় হইছি যে জন্য এটিও আমার মনের একটি স্থান দখল করে আছে ! সেই সঙ্গে এতাও স্বীকার করি যে কুরোকো নো বাস্কেটেও বেশিরভাগ গেমপ্লে বলেন আর টেখনিখ ই বলেন কিছুটা অবাস্তব। কিন্তু তাই বলে যে স্লাম ডাঙ্কেও অবাস্তব কিছু নেই এইটা একটা ভুল ধারণা। এর অনেক উদাহরণ দেওয়া যায়, কিন্তু আমি খালি একটাই দিবো, যেমন এই ভিডিওর ১৪ সেকেন্ডে হানামিচির ব্লক

http://www.youtube.com/watch?v=ybYRP0Xgqzk

কুরোকো নো বাস্কেটের স্কুল লাইফ আর কমেডির অনেক উদাহরণ দেওয়া যায় কিন্তু সেটাও আমি দিবো নাহ, শুধু বলব এনিমেটা আবার ভালো করে দেখতে যারা দেখেও বলতেছে যে KnB তে স্কুল জীবন আর কমেডি নাই। আর তাছাড়া আমার যদুর মনে পরে KnB মূল থিম হচ্ছে বাস্কেটবল, এরপরে আসে ড্রামা, স্কুল লাইফ আর কমেডি জেনার ! এটাও মনে রাখতে হবে যে KnB তে সেইরিন হাই ছাড়াও আরও অনেক মেজর ক্যাড়েক্টার আছে যাদেরকে স্ক্রিন টাইম দিতে হবে, তাইনাহ, নাহলে তো মানুষ আবার পরে নালিশ করবে যে শুধু সেইরিন হাই এর প্লেয়ার রাই ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্ট হয়, পার্শ্ব চরিত্রদের কিছু হয়না, তারা শুধু আসে আর জায়গা !
http://www.youtube.com/watch?v=Qsn3V9IVyHc
http://www.youtube.com/watch?v=zv1uhU2VqDw

The BIG three Anime Hero – Asiful Haque


এনিম দেখার শুরু অনেক অনেক পরে হওয়াতে DBZ দেখা হয় নি; তাই গকুর প্রতি ভালবাসা টান কোনটাই সৃষ্টি হয় নাই; তবে উপরের সবার কমেন্ট পরে আর আগের অনেক আলাপ আলোচনায় মনে হয় এক জেনারেশন; অসামনেসের একটা জেনারেশন পিছায় গেসি। তবে এতে তেমন আফসোস নাই; সময় সুযোগ থাকলেও DBZ মে বি দেখা হবে না (নিজের স্বভাব জানি বলেই বলা; সুতরাং গকু পার্ট না হয় বাদ থাকুক  )

নারুতো আমার দ্বিতীয় এনিম ( ডেথ নোট এর পর); এর প্রতি ভালবাসাটা অন্যরকম; ফিলার শিপ্পুডেন যতটাই মেজাজ খারাপ করে দিক না কেন। তবে নারুতো পছন্দ হইলেও নারুতোকে পছন্দ – ব্যাপারটা এমন না; কারণ নারুতোতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার শিকামারুর; মাঝে মাঝে আমি চিন্তায় পড়লে শিকামারুর ওই কায়দায় হাত ভাজ করে চিন্তা করি   তবে নারুতোর প্রতি টানটা মে বি সবসময়ই থেকে যাবে; নারুতোই প্রথম হিরো যে আমাকে একসাথে হাসাইছে; কাদাইছে; নারুতো না থাকলে শুধু ডেথ নোটের অসাম্নেস দিয়ে মে বি আমার এনিম দেখা এতদুর আসতো না !!!! 

ব্লিচ ভাল লাগে; খালি কোপানি মাইর ধইর ফাইটের এর জন্য; ফাইটের জন্য ব্লিচের চেয়ে বেস্ট বা এর কাছাকাছিও কোনটা আসতে পারবে না; যদিও পেথেটিক হিটম্যান রিবর্ন এর ফাইটগুলাও আমার প্রিয়। কিন্তু হিরো হিসেবে ইচিগো আমার লিস্টে অনেক অনেক অনেক পিছনে !!! 

কিন্তু ৩ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্রিয় সিলেক্ট করতে হলে লুফি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভোট পাবে আমার; এই জায়গায় জোরো হইলেও পাইত। সেই আর্লং আর্কে “আত্তারিমায়দা” চিৎকার থেকে শুরু করে ম্যারিনফোর্ডে লুফির সাথে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি – একটা ক্যারেক্টার এত্তবার গুজবাম্প আর এত্ত এত্ত আবেগে আর কেউই ভাসাতে পারে নাই; ইন ফ্যাক্ট আমার এখন প্লে লিস্টে ১২ টা গানের ৩ টাই one piece এর AMV; এবং প্রত্যেকটা গান আসে আর আমি সব থামায় ভিডিও সহ দেখি  

সো; at the end of the day; লুফি ইজ মাই ইজিএস্ট চয়েস

“Shingeki no kyojin” – Debate from Animekhor BD group

 

Asiful Haque:
“মাঙ্গা পড়ি নাই; আর এনিম ২১ এপি পর্যন্ত দেখসি; সুতরাং স্পয়লারের ভয় নেই বললেই চলে”
“এনিম – Shingeki no kyojin”
এই সম্প্রতি শেষ দুইটা পর্ব দেখলাম। এর মধ্যেই গ্রুপে এবং গ্রুপের বাইরে এই এনিমটাকে নিয়ে প্রচুর আলাপ আলোচনা হয়েছে; হচ্ছে। এই পোস্টটা মুলত এখন পর্যন্ত SnK কে নিয়ে আমার ইম্প্রেশনের।

সত্যি বলতে SnK আমাকে ততটা আকর্ষণ করতে পারে নি যতটা ভেবেছিলাম। হ্যাঁ; এটা সত্য যে প্রথম দুই তিনটে এপি আমার অতীতের এনিম দেখার অনেক ধ্যান ধারণাকেই নাড়িয়ে দিয়েছিলো; প্লট কিংবা ঘটনা – সব কিছুই খানিকটা অন্যরকম ছিল। তারপর একের পর এক লিড ক্যারেক্টারের মৃত্যু খানিক বিরক্ত করলেও ভেবেছিলাম এবার একেবারেই “out of the box” কিছু দেখতে পারব। কিন্তু এর পর কেন যেন চমকগুলোও খানিক একঘেয়ে লাগা শুরু হইল। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা মে বি ক্যারেক্টারগুলোর প্রতি কোন টান সৃষ্টি না হওয়া; এতটাই কাঠখোট্টা ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্ট মনে হয়েছে আমার কাছে। হয়ত বলবেন; বেশি পর্ব এয়ার হয় নি; ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট হবে কি করে? ওয়েল; কিছু কিছু কম পর্বের এনিমও; যেমন ওভার ড্রাইভের মিকতো বা এই ধরণের কিছু ক্যারেক্টার কিন্তু বহুদিন মনে রাখার মত ছিল। তা হলে এখন একটা প্রশ্ন? আমার কাছে কি SnK কে ওভাররেটেড মনে হয়? মোটেও না। কেউ একজন বলেছিলেন; “যারা এনিম দেখে না তাদের জন্য এটা বিরাট এডভারটাইজমেন্ট।” আমি একমত। ইন্টারেস্টিং প্লট; বিগ বাজেট – বাট দিনশেষে খুব একটা দাগ ফেলতে পারে নি – অনেকটা বিগ বাজেট কমেডি বলিউডি মুভির মত; দেখলাম; খুব ভাল লাগলো; মজা করলাম; তারপর ভুলে গেলাম। SnK তাই কোন দিক দিয়েই আমার ফেভারিট এনিমগুলোর লিস্টে নাই এবং এই লিস্টে ঢুকতে একে পাড়ি দিতে হবে আরও অনেকটা পথ।

Gourab Roy SNK এল্রডি আমার ফেভারিট লিস্টে ঢুকে পড়ছে।আউট অফ দ্যা বক্স তেমন কিছু হয়ত না ও লাগতে পারে,কিন্তু,এনিমের মেকিং,সাউন্ডট্রাক,রিসেন্টলি বের হওউয়া যে কোন এনিমের থেকে ফার বেটার,আর কাহিনির প্রয়জনেই চরিত্র গুলা এমন কাট খোট্ট।তার মদ্ধে দিয়ে যখন এক এক জনের সামান্য দুরবলতা প্রকাশ পায় তখন অনেক ভাল্লাগে।আর snk তে মনে রাখার মত বহু কেরা আছে,বলএ সময় নস্ট।আর যারা এনিম দেখে না ,তাদের শুরু তে এই এনিম দেখলে কত টুকু ভালো লাগবে তা নিয়ে যথেস্ট সন্দেহ আছে. ওভার রেটিং এর কোন প্রশ্নি আসেনা।যত টুকু পথ পাড়ি দিছে,তা বিজয় গর্বে পাড়ি দিছে,পরে কি হবে জানিনা।আর এইটারে অনপিস নারুতো এগুলার সাথে তুলনা করা নিতান্ত ছেলেমানুশি, এই মেইন্সট্রিম এনিম গুলা বছরের পর বছর চলে আসছে,আরো কত বছ্র চলবে জানিনা,বাট এগুলি হল এনিম খোর দের বেসিক নিড. we cant live without these…….আর অনেক সময় ভাল লাগার জন্য এত কিছু লাগেনা,জাস্ট ভালো লাগে…….বাট দুই এপিসোডের মদ্ধে যেসব কেরা মারা যায়, স্বিকার করতে হবে তাদের জন্য অন্নেক খ্রাপ লাগে….সো কেরা গুলা হ্রিদয়স্প্ররশি দো ইটস ফর আ শর্ট টাইম..

Md Asiful Haque নাম্বার ১ – এনিম ভাল হইলে আমার কোন লস নাই; পুরাটাই লাভ  

নাম্বার ২ – আমি কখনই এক এনিমের সাথে আরেক এনিমের তুলনা করা পছন্দ করি না; আর SnK এর মত নতুন বাজারে আসা এনিমের সাথে ব্লিচ নারুতোর তো না-ই। অইগুলা একেকটা ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট এ যেই এপি ইউজ করসে; এইটা পুরা এনিম মিলাইয়াও তার অর্ধেকও হয় নাই; সেই জন্যই হয়ত ইতাচি বা এইসের মৃত্যু আমাদের কাঁদাইয়াই ছাড়ে; বাট SnKতে এক পর্বে ৬-৭ জন মরে গেলেও আমি বিরক্ত হই; দুঃখ পাই না। এবং সেইটাই বলতে চাইসি; আরেকটু সময় নিয়ে কাহিনীটা আরেকটু আস্তে আস্তে জমাইলে মে বি বেটার হইত।

নাম্বার ৩ – আমি কিন্তু একবারও ওভাররেটেড বলি নাই; বরং এইরকম জনপ্রিয়তা পাওয়ার সকল উপাদানই এর মধ্যে আছে; যেমন চেন্নাই এক্সপ্রেস সেরা ব্যাবসা সফল মুভি হয়; নাচ গান কমেডি (SnK এর ক্ষেত্রে এর কাহিনীর চমক) – সবই আছে; কিন্তু দিনশেষে এইটা একটা ক্ষণিক এন্টারটেইনমেন্ট; স্থায়ী হয় না যেইটা। তবে অবশ্যই আশা করি সামনে এইটা আরও ভাল এবং স্থায়ী ইম্প্রেশন ফেলবে আমার উপর

Tahsin Faruque Aninda 
এইটা ডেফিনিটলি আমার মনে দাগ কাটা না, একদম পার্মানেন্ট ঘা বানায় দেওয়া আনিমেগুলার একটা। শুরুর মুহুর্ত থেকেই একটা জিনিসই এই আনিমের মেইন জিনিস – survival of the fittest
এই থিমটা এত বেশিই মেনে চলেছে যে সচরাচর অন্য আনিমেতে যা দেখানোর দুঃসাহস করে না, এখানে সেই ধুমধাম মেইন ক্যারেক্টারদের মেরে ফেলে।
প্রশ্ন আসে, এত কম স্ক্রিনটাইম নিয়ে মরে যাওয়া একেকজনকে মেইন ক্যারেক্টার কেমনে বলি? বলি এই কারণে যে মৃত্যুর আগ মুহুর্তে ঐ সময়ে কাহিনির মেইন ক্যারেক্টার সে/তারা ছিল।
এটা ডেফিনিটিলি একটা অন্যরকম আনিমে। আর আমার দেখা সেরাগুলার একটা অবশ্যই

সবার মধ্যে শুরু থেকে “এতগুলা প্রশ্ন জেগেছে যার উত্তর পাই নাই” এরকম দেখা যাচ্ছে। সব প্রশ্নের উত্তর যদি আনিমের মাঝ পথে দিয়েই দেয় তাইলে বাকি পর্বগুলাতে আর পরের সিজনে/সিজনগুলাতে কি দেখাবে!??!
আমরা যারা এপিক টাইপ আনিমে [death note, code geass, fma, fmab] দেখেছি বা দেখছি, অলমোস্ট সবাই একবারেই সব সিজন আর সব এপিসোড কালেক্ট করে দেখেছি। তাই একবারে দেখে শেষ করে উঠতে পেরেছি বলে ক্লিফহ্যাঙ্গারগুলা টের পাই নাই। জেগে উঠা প্রশ্নগুলার উত্তর একবারেই পেয়ে গিয়েছি।
– এইভাবে আনিমে দেখে দেখে অভ্যাস হওয়াতেই এখন ক্লিফহ্যাঙ্গার সহ্য হয় না অনেকের, মনে জমা প্রশ্নের উত্তর ১-২-৩ বছর পর পাব কি না এই সন্দেহে অনেকেরই আনিমেটার দেখার ইচ্ছা কমে যায়।
দুঃখজনক

Farsim Ahmed প্রবল বিরোধিতা করছি।
কোনো আনিমেতে ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টের জন্য ৩০০ পর্ব লাগে না, ৫০ পর্বের মধ্যে যথেষ্ঠ ভালো কারুকাজ দেখানো যায়। এ জন্য দরকার হচ্ছে সদিচ্ছা, আর এক্সট্রা ফ্যান্সার্ভিস না দেয়া। উদাহরণ: ক্ল্যানাদ, শিকি, আরাকাওয়া অন্দর দ্য ব্রিজ, স্টাইনসগেট, কোড গিস, সাইকো পাস, আই ক্যান গো অন এন্ড অন।
এসেন্কের ব্যাপারে, আসলে কোনো কিছু জনপ্রিয় হয়ে গেলেই তাকে নিয়ে বিরোধিতা করাটা একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা যদি এভাবে চিন্তা করি, এসেনকে সম্পর্কে কিছুই জানি না, প্রতিদিন ফবে ঢুকি না, এসেনকে সংক্রান্ত কোনো পোস্ট দেখি না, আর পুরো আনিমেটা দেখে শেষ করি টেলিকাস্ট শেষ হবার পরে, তাহলে কি একে ১০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৯ না দিয়ে পারা যায়? সেটা কি অভার্রেতিং হবে?

এসেনকে এত সহজে ভুলে যাবার মত আনিমে না, কিছু কিছু আনিমে ল্যান্ডমার্ক হয়ে থাকে, ফেইট/জিরো, শিকি, স্ল্যাম ডানক, গিন্তামা, যেগুলো সব সময়ই টিকে থাকে, আমার ধারণা এসেন্কেও প্রবলভাবেই টপ আনিমের লড়াইয়ে টিকে থাকবে।

http://www.youtube.com/watch?v=PfzTtJvIpoI

Kuroko No Basket 2 by Kazi Rafi

KnB
ক্যালেন্ডারে সবাই দাগ দিয়া রাখেন- অক্টোবারের ৫, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মিনিটে মিনিটে চমক আর সেকেন্ডে সেকেন্ডে দম বন্ধ করা উত্তেজনা আর সাসপেন্সে ভরা…..Kuroko No Basket 2: Winter Cup !!!! This Winter Will Be War !!! এই প্রথমবারে মতো জেনারেশন অফ মিরাকেলস এর সব প্লেয়ার একিসঙ্গে জড়ো হতে যাচ্ছে, একি ছাদের নিচে, একে অন্যের বিপরীতে এবং সাথে আরো নতুন নতুন সব পরাক্রমশালী দল, সঙ্গে আমাদের সবার প্রিয় সেইরিন হাই ! সবার লক্ষ্য একটাইঃ উইন্টার কাপ !! কিন্তু কিভাবে ??? উপাই একটাইঃ Defeat Japan’s Best, The Legendary Rakuzan High !!!!!!! কিন্তু তা কি আউদো কারুর পক্ষে সম্ভব ??? জানতে হলে অপেক্ষায় থাকুন ৫ই অক্টবারের জন্য এবং চোখ রাখুন আপনার এনিমে ডাউনলোডের পাতায় !!!!!!  

[ KNOW.YOUR.PLACE- Akashi Seijuro; Former Capt. Teiko Junior; Current Capt. Rakuzan High ]

Kotonoha No Niwa – অসম ভালবাসার নান্দনিক প্রকাশ [মোঃ আসিফুল হক]

A faint clap of thunder
Clouded skies, perhaps rain comes
Will you stay here with me?

KNN

আমার পূর্বের কোন এক লেখায় একজন আমার লেখার ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে গিয়ে বলেছিলেন; আমি কোন কিছু দেখার সাথে সাথে সেটা নিয়ে লেখতে বসে যাই; এবং সেই কারণে অধিক আবেগে অনেক কিছুকেই অভাররেটেড করে ফেলি। উনার কথাকে গুরুত্তের সাথে নিয়েই দেখার বেশ অনেক দিন পর kotonoha no niwa নিয়ে লিখতে বসলাম।

মাকোতো শিনকাই নামটা জাপানের এনিম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ জোরেসোরেই উচ্চারিত হয় তার ভিজুয়ালি সাউন্ড মুভিগুলোর জন্য। ২০০৭ এ তার প্রথম কাজ 5 centimeter per second দিয়ে আমারও এনিম মুভি দেখার যাত্রা শুরু। তার মুভিতে অসম্ভব সুন্দর এবং ডিটেইলড ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে ইমোশনাল এবং খানিকটা ট্রাজিক কিন্তু রোমান্টিক গল্পের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়।

Kotonoha no niwa কি এই ক্যাটাগরিতে পড়ে? হুম; অবশ্যই। বরং অন্য মুভিগুলোর চেয়ে খানিকটা বেশিই। তবে আপনি যদি একটা খুব সুন্দর গল্প আশা করে থাকেন; তবে আপনাকে হয়ত খানিকটা হতাশই হতে হবে। এই মুভি তার ভিজুয়াল এফেক্ট বা আর্ট এর প্রতি যতটা গুরুত্ব দিয়েছে; একটা অসাধারণ গল্পের অসাধারণ সমাপ্তির কথাটাকে ততটাই অবহেলা করেছে।

KNN 2

১৫ বছর বয়সী এক হাই স্কুল ছাত্র তাকাও এবং ২৭ বছর বয়সী ইউকিনোর ভালবাসাই গল্পের মুল উপজীব্য । তাকাও; যার জীবনের লক্ষ এবং উদ্দেশ্য জুতো বানানোর কারিগর হওয়া; সুন্দর সুন্দর জুতার ডিজাইন করা; নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই অনিশ্চিত। ইউকিনো নিজের সমাজে; নিজের পরিবেশে খাপ খাওয়াতে পারে না এবং নিজেকে খুজে ফেরার তাগিদে পার্কে বসে সময় কাটায়। তাদের জীবনের এই অনিশ্চয়তা; একাকীত্ব; অসহায়তা-ই তাদেরকে পরস্পরের কাছে এনে দেয়।

KNN 3

চিরাচরিত ৮-১০টা মুভি প্লট থেকে একদমই আলাদা এবং বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া এই গল্পের শেষটা হয় খানিকটা হিন্দি সিনেমার মেলোড্রামাটিক স্টাইলে। গল্পে মুল চরিত্র দুজনের আবেগ অনুভুতির জগতে খুব কমই প্রবেশ করা হয়েছে। একজন নিরপেক্ষ দর্শকের দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে; তাদের দেখা হল; তারা কথা বলল; একে অপরকে ভালবেসে ফেলল !!! কিন্তু কেন? সেই সম্পর্কের ভিত্তিটাই বা কি আর গভীরতাটাই বা কতটুকু? ঠিক কি কি ফ্যাক্টর গল্পের শেষ দিকে তাদের সম্পর্ককে এতটা তীব্র করে তুলেছে? এইরকম অনেকগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দেয় না এই মুভিটি।

KNN 4

এখন তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে; এই মুভিটার সফলতাটা তাহলে কোথায়? প্রথম যেই জিনিসটা মাথায় আসে সেটা হল; সংলাপ। এক কথায় অসাধারণ। সংলাপে কি বলা হচ্ছে তার চেয়ে চমকপ্রদ বিষয় কি বলা হচ্ছে না সেটা। এর সংলাপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুব সহজ; সীমিত এবং চরিত্রগুলোর দৈনন্দিন স্বাভাবিক একঘেয়ে আলাপচারিতায় সীমাবদ্ধ। কিন্তু এই মুভি কোন কিছু বলার চেয়ে তা দেখানোতেই বেশি বিশ্বাস রেখেছে। তাকাওর খাতায় একের পর এক স্কেচ দেখে আমরা বুঝতে পারি; তার প্যাশন কি। অল্প দু’চারটে কথায় আমরা তাকাওর ফ্যামিলির পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া খুব সহজেই বুঝে যাই। একান্তই যখন সংলাপের প্রয়োজন তখন খুব সহজ এবং স্নিগ্ধ সংলাপ এবং সেই সাথে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক; ঝি ঝি পোকার ডাক; সংলাপের মাঝে খানিক নিরবতা; বৃষ্টি – আমাদেরকে পুরো পরিবেশটার সাথে একাত্ম করে ফেলে।

ভিজুয়াল পারস্পেক্টিভ থেকে “kotonoha no niwa” একটা মাস্টারপিস। যারা 5 centimeter per second দেখেছেন তারা এর সাথে অনেকটাই পরিচিত থাকার কথা। মুভির অন্যতম মুল থিম হচ্ছে বৃষ্টি। সাধারণত গল্পে বৃষ্টি একাকীত্ব প্রকাশ করে। কিন্তু এখানে বৃষ্টিকে সুখ এবং মানসিক প্রশান্তির প্রতীক হিসেবে অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সাথে ব্যাবহার করা হয়েছে।

 KNN 5

মুলত পিয়ানোর সাথে প্রাকৃতিক শব্দ; বৃষ্টি আর ঝি ঝি পোকা – এক মাতাল করা অনুভুতির সাথে পরিচয় করে দেবে এই মুভিটি।

 

সুতরাং; এক বাক্যে যদি সাম আপ করতে হয়; তবে বলা যায় – অসম্ভব সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া কিন্তু শেষ দিকে খানিক ব্যর্থ গল্পের এই মুভিটি চোখ এবং কানের জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা !!!

 

শুরু করেছিলাম; তিনটে লাইন দিয়ে; তাকাওকে ইউকিনোর জিজ্ঞেস করা তিনটে লাইন। শেষ করি প্রশ্নের জবাবে তাকাওর উত্তর দিয়ে –

 

A faint clap of thunder
Even if the rain comes not,
I will stay here, together with you

KNN 6