Character Review – Makunouchi Ippo from Hajime no Ippo [মোঃ আসিফুল হক]

“Hard work doesn’t always pay off.
But the ones who succeed are the ones who worked hard!!“

জেনারের মধ্যে স্পোর্টস জেনার আমার সবচেয়ে প্রিয়; সেটা যত পেথেটিক এনিমই হোক না কেন – এটা অবশ্য এতদিনে সবার জানা হয়ে যাবার কথা !!! এর পেছনে একটা কারণও অবশ্য আমি দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছি – বাইরে থেকে আমি যতটা আশাবাদী ভিতরে হয়ত ততটা নই; হয়ত আমি কিছুটা হলেও নৈরাশ্যবাদি। সেক্ষেত্রে “লুজার”, “পেথেটিক” ট্রাজিক হিরো যারা প্রবল সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেষমেশ বিজয়ী হয় – এই থিমের হিরোরাই হয়ত আমার বেশি পছন্দ। কিছু ফাইটিং এনিম হিরো যেমন নারুতো বা অন্যরা হয়ত এই ক্যাটাগরিতে পড়ে; কিন্তু আমি তাদেরকে বাস্তব জীবনের সাথে তেমন রিলেট করতে পারি না। ঠিক সেই কারণেই শিনোজাকি মিকোতো এবং মাকুনৌচি ইপ্পোরা আমার ফেভারিট ক্যারেকটারের বা ফেভারিট এনিমের স্থান দখল করে রাখে; যেখানে প্রিন্স অফ টেনিস বা “বিশেষ কিছু রোমান্টিক এনিম” বা তাদের হিরোরা আমাকে তেমন আকৃষ্ট করে না।

যাই হোক; ভুমিকাতেই বিশাল জায়গা নিয়ে নিচ্ছি। এই রিভিউ লেখার সময়েও টানাপোড়েনে ছিলাম; মিকোতোকে নিয়ে লিখব না ইপ্পোকে নিয়ে। মিকোতোই মনে হয় একমাত্র ক্যারেক্টার যে আমাকে আনন্দে কাদাতে পেরেছে; কিন্তু সেটা খুব অল্প সময়ের জন্য। বড় ইমপ্যাক্ট চিন্তা করলে আমার প্রথম পছন্দ মাকুনৌচি ইপ্পোই।

 

হাজিমে নো ইপ্পো এর কেন্দ্রীয় চরিত্র মাকুনৌচি ইপ্পো; যে কি না বর্তমানে জাপানের ফেদারওয়েট ক্লাসের চ্যাম্পিয়ন। পিতার মৃত্যুর পর শাই; ভদ্র এবং বিনয়ী এই চরিত্রটি তার মায়ের সাথে তাদের পারিবারিক ফিশিং বোট বিজনেসে দিন রাত খেটে সাহায্য করে। চিরদিন বুলির শিকার ইপ্পো বক্সিং সমন্ধে জানতে পারে তাকামুরা মামোরু এর মাধ্যমে। সেই সময়েই সে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয় সে তার জীবনকে বক্সিং এর দিকে নিয়ে যাবে এবং শত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সে শেষ পর্যন্ত জাপান চ্যাম্পিওন হয়।

 

ইপ্পোর যেই দিকগুলো আমার অত্যন্ত প্রিয় সেগুলা হল – সে খানিকটা ইন্ট্রোভার্ট এবং চুপচাপ স্বভাবের হলেও সে যেটা স্থির করে সেটার শেষ দেখেই তবে তার শান্তি। যার প্রমাণ মোটামুটি প্রথম দিকের পর্বেই পাওয়া যায় যখন সে তাকামুরার শর্ত মেনে নিয়ে ৭ দিন একা একা পরিশ্রম করে হাত দিয়ে ১০ টা পাতা ধরতে সক্ষম হয়।

 

ইপ্পো বুদ্ধিমান; সে তার মাথাকে ব্যাবহার করতে ইচ্ছুক; সে ভেবে চিনতে ডেম্পসি রোলের মতন জটিল মুভ আবিষ্কার করে এবং অত্যন্ত সাহসের সাথে কোন প্র্যাকটিস ছাড়াই রিয়েল ম্যাচে তার প্রয়োগ ঘটায় এবং সেটা খুব সফলভাবেই ( এই পর্বটা আমার অল টাইম ফেভারিট এনিম এপিসোডগুলার একটা J )। কামোগাওয়া কোচকে যখন ইপ্পো জিজ্ঞেস করে “what does it means to be strong?” এবং এর জবাবে যখন কামোগাওয়া রিপ্লাই দেয় “go and find it out finding” আমি সেখানে অনুপ্রেরণা পাই; এইজির কাছে ম্যাচ হারার পর দুই মাস অসম্ভব মনঃকষ্টের পর ফিরতি ম্যাচেই যখন সে পুরো ক্রাউডকে স্তব্দ করে দিয়ে “ডেম্পসি রোল” ইউজ করে আমি সেখানেও অনুপ্রেরণা খুজে বেড়াই; প্রবল লড়াই শেষে জয়ী হবার পরেও যখন ইপ্পোর মাঝে কোন ঔদ্ধত্য দেখা যায় না; বরং দর্শকদের মাথা নিচু করে সে অভিবাদন জানায় তখনও আমি শিক্ষা নিতে চেষ্টা করি।

 

শুরুতে যেই কোটটা করা সেটা কামোগাওয়ার; শেষ করি সেনডো তাকেশির একটা কোট দিয়ে –

Hit, and get hit by a strong man. And win! Only then, can I truly believe that I’m strong. I….love that moment!

“আমার গকু সব পারে” by Orin Sharmin

গকু খুব খুব খুবই স্পেশাল একটা ক্যারেক্টার আমার জন্য নট ইভেন লুফি ক্যান টেক হিজ প্লেস  …গকু এমন একটা ক্যারেক্টার যার মধ্যে সবই আছে …গকু কি পারে আর কি পারে না সেটা বলতে গেলে আসলে অ্যাপ্রপিয়েট কোন শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় না…”আমার গকু সব পারে”  …গকু একটা গাধা…গকু একটা ছাগল …আমার শুধু মনে হয় গকুর মত সিম্পল মাইন্ডেড নাইভ যদি হতে পারতাম…গকুর মত মেন্টালি ফিজিকালি স্ট্রং হইতে পারতাম তাইলে কতই না ভালো হত…গকুর মত এমন সব দিক দিয়া স্ট্রং +এন্টারটেইনিং ক্যারেক্টার খুব কমই আছে…গকু পারফেক্ট টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি…আনিমে কি জিনিস এটা আমারে গকুই মেইনলি চিনাইছে…ড্রাগন বল জি আমারে মেইনলি আনিমের প্রতি অ্যাডিক্ট করছে …এর মেইন কারণ হইল গকু…গকুরে নিয়ে লিখতে গেলে সারা দিন চলে যাবে তাও লিখা শেষ হবেনা…গকু যেমন সব মানুষের মন জয় করার ক্ষমতা রাখে তেমনি সব থেকে স্ট্রং ভিলেনের ১২ টা বাজানোর ক্ষমতাও রাখে…গকুর মত নিম্বাস ক্লাউডে চরে যদি সারা দুনিয়া ঘুরতে পারতাম তাইলে কতই না মজা হত…গকুর কামেহামেহা গকুর সুপার সাইয়ান ৩ হওয়া…গকুর স্পিরিট বোম এই অ্যাটাক গুলা এত্ত কাক্কোই (cool) *_*…গকুর মেয়ে না চিনা… বিয়েরে খাবার মনে করার মত ছাগলামি………এগুলা দেখলে যে কোন মানুষের হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হয়ে যাবে…গকু টু মাচ অসাম এক খান ক্যারেক্টার…গকু ইজ দা বস অফ অল বস…এত কথা বলতে গেলে মেলা বড় হয়ে যাবে এক কথায় বলি…

“গকু ইজ দা মোস্ট স্ট্রং অ্যান্ড ডমিনেটিং আনিমে ক্যারেক্টার অফ অল টাইম অ্যান্ড হি উইল বি”

Goku

HIMURA KENSHIN FOREVER by Sazid Hasan Khan

আমার সর্ব প্রথম দেখা অ্যানিমে হইল সামুরাই এক্স। অনেক অনেক আগে দেখা … এবং পরবর্তীতে ভার্সিটি অ্যাডমিশন এর সময় পুনরায় দেখা। প্রথম প্রেম আর তাই ভুলতে পারি নাই। এবং এখন পর্যন্ত আমার সর্বাধিক প্রিয় চরিত্র (এবং আমি নিশ্চিত এইটা পুরাপুরি অপরিবর্তনশীল থাকবে) হল হিমুরা কেনশিন। হিতেন মিতসুরুগি র‌্যু এর সর্বশেষ উত্তরাধিকার… বাকুমাতসু এর রক্তহিমকরা কিংবদন্তীর আততায়ী হিত্তোকিরি বাত্তুসাই। 
কেনশিন সর্বপ্রথম আমাকে আকৃষ্ট করে ওর মুদ্রাদোষ “ওরো” দ্বারা। এততাই যে আমি এখনো মাঝেমধ্যে অবাক হলে বলি, “ওরো”!! যাই হোক, কেনশিন এর জীবন মর্মান্তক ঘটনায় ভরা। শিশুকালে বাবা-মা হারানো, দাস হিসেবে বিক্রি হউয়া এবং নিজের চোখের সামনে ওর সহযাত্রিদের খুন হতে দেখা। এবং সবচাইতে মর্মান্তিক হল নিজ হাতে নিজের ভালোবাসা, যেই নারী তাকে রক্তস্নাত বর্তমান এর মধ্যে থেকেও ভবিষ্যত দেখাতে শিখিয়েছিল, তাকে দ্বিখন্ডিত করা … একজন মানুষের জীবন থেকে পালাতে আর কি লাগে … কিন্তু কেনশিন তার আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হয়নি। “I Wield my sword for the sake of the weak, who in spite of the violence and bloodshed, trying to live peacefully” শত প্রতিকুলতার মাঝেও হাসিমুখ, আর কারো জীবন ছিনিয়ে না নেয়াতে বদ্ধপরিকর, এমনকি তার সবচাইতে ভয়ংকর শত্রু হাজিমে সাইতোও কেনশিনকে টলাতে পারে নাই। সবচাইতে মজার বেপার ছিল ওর character development. কেনশিন কিন্তু পারফেক্ট ছিল না। এমনকি সিরিজ এর মাঝপথ পর্যন্তও কেনশিন ছিল বিভ্রান্ত। নিজের খুনী সত্তা এবং প্রায়শ্চিত্তকারী সত্তার মধ্যে তার লড়াই ছিল একটা গুরুত্বপূর্ন অংশ আমার কাছে। নিজের স্ত্রীকে হত্যা করার বেদনা এত প্রকট ছিল ওর মাঝে যে নিজের জীবনকে তুচ্ছজ্ঞ্যান করে লড়াই করত যা শিশিও এর সাথে যুদ্ধের আগ পর্যন্ত দেখা গেছে। নিজের সত্তার সাথে তুমুল লড়াই এর পর মৃত্যুমুখে দাঁড়িয়ে কেনশিন নিজের জীবন এর গুরুত্ব বুঝতে পারে। “Live on kenshin, that way you can use amakekaru ryu no hirameki as u like and you will never be defeated by the hittokiri that’s inside you” কাউরু এর জন্য, ইয়াহিকো এর জন্য, জাপান এর জন্য, নিজের প্রায়শ্চিত্ত এর জন্য… কেনশিন বেঁচে থাকার প্রতিজ্ঞা করে। প্রায়শ্চিত্ত এর পথ কন্টকময়, পদে পদে প্রতিপক্ষের আনাগোনা, নিজের উপর সংশয়, নিজের পূর্ব জীবন এর কৃতক্রর্মের ক্ষমা না পাওয়ার নিশ্চয়তা …এসব কিছু মাথায় নিয়েও কেনশিন এর হাসতে পারার ক্ষমতা, সানো/এনিশি এর সমস্তা ঘৃণাকে নিজের উপর নিয়ে তাদের মানসিকতা পরিবর্তন করার ক্ষমতা … কেনশিন আমার কাছে এইটাই প্রমাণ করছে যে, If you fight with all your heart and soul, if you stand firm to your resolve, the end result doesn not matter…..
HIMURA KENSHIN FOREVER :’)

H Kenshin

উসুই তাকুমি by Zahura Chowdhury Abonti

উসুই তাকুমি। Shoujo hero দের মাঝে আমার সবচেয়ে পছন্দের character গুলোর একটি। ও হচ্ছে যাকে বলে পুরো perfect. আমার সাধারনত perfect চরিত্র ভাল লাগে না। উসুই exception. তার কারণ হল উসুই অনেক মজার। ওর কাজকর্ম আমার অনেক মজা লাগে। মিসাকির মত iron lady কে ঝামেলাতে ফেলে দিতে পারে শুধু উসুই একাই। নিজে মিসাকিকে জ্বালাতে খুব পছন্দ করলেও, অন্য কেউ মিসাকির সাথে ঝামেলা করতে আসলে খবর আছে। স্কুলের সবচেয়ে popular boy হয়েও সর্বদা একজনের প্রতিই loyal. সবসময় মিসাকির খেয়াল রাখে। মিসাকিকে support দেয়। মিসাকির জন্য তিন তলার ছাদ থেকেও লাফ দিয়েছিল। এই outer space alien আবার violin ও বাজায়, রান্নাও করে। violin এর প্রতি আমার আকর্ষন অনেক পুরানো। সেই সাথে table manner এর ব্যাপার গুলোর প্রতি interest আছে। স্বাভাবিকভাবেই উসুই এর এসব জিনিসের জ্ঞান আমাকে impress করেছিল। তবে আসল জিনিস ওটাই –মিসাকির পাশে থাকা। নিজের আপন মা এর থেকে দূরে, বন্দী ঘরে বড় হয়ে উঠা একজন ছেলে finally কারো কাছে affection পেয়ে কিভাবে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দেয় সে একজনের জন্য সেটা সত্যিই দেখার মত। যারা আনিমে টা দেখেছেন তারা হয়ত এই comment এর সাথে একমত হবেন না, কিন্তু মাঙ্গা টা পড়ে দেখলে অনেকটাই একমত হওয়ার কথা।

PS: মিসাকিও কম যায় না। আমার খুব বেশি পছন্দের একটা মেয়ে।

Takumi

Kurosaki Ichigo by Monirul Islam Munna

আসলে আগে ছোট থাকতে টিভিতে অনেক এনিম দেখাই হত,কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটা গ্যাপ পরে গেছিলো। আমার প্রিয় সেই জগতে আমাকে ফিরায় আনসে এই ব্লিচ আর খুবই প্রিয় একজন character, Kurosaki ichigo 

ইচিগোর সব চেয়ে বেস্ট পার্ট হচ্ছে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডদের জন্য সে কিনা করতে পারে!! সাধারণ স্কুলের একটা ছেলে soul reaper হয়ে যায়, কিন্তু সেখান থেকে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডসের জন্য নিজের লিমিটটুকু ক্রস করে যেতেও দিধা করে নি কোন দিন।তাদের সেইফটির জন্য নিজেকে নিজের hollowএর কাছে বিলিয়ে দিসে সে!!! এক একটা battle এ Opponent এর সাথে নিজের লেভেলটা যেন অন্য উচ্চতায় উঠে ইচিগো!!!! 

আরেকটা বেশ ভাল লাগা জিনিস হল, battle এর সময়, opponentকে মেরে না ফেলে or ভয়ানক ভাবে আহত না করে, লিমিটে রেখে যুক্তিযুক্ত battle জিততে পছন্দ করে ইচিগো  
আর যখনই ইচিগো বাঙ্কাই বলে,সাথে ব্লিচের সেই এপিক লেভেলের মিউজিক!!! গায়ে একদম কাঁটা দিয়ে উঠে *_* 

ইচিগো কুরসাকি, “আই ডোন্ট ফাইট টু উইন ,আই ফাইট বিকজ আই হেভ টু উইন” !!!!

Ichigo

My Kakashi by Zahura Chowdhury Abonti

আমি নারুতো প্রথম দেখেছিলাম Cartoon Network এ। সেখানে কাকাশির যে জিনিসটা প্রথম আমাকে curious বানায় সেটা হল ওর চুল আর মুখোশ। আমি খালি ভাবতাম—-“এই লোক মুখোশ পরে কেন?!” প্রথম প্রথম ওর আসল চেহারা দেখার খুব ইচ্ছে ছিল। এখন আর সেটা নেই। থাকুক একটু রহস্য। 

আমার সবসময় একটু carefree, laid back কিন্তু intelligent type এর চরিত্র পছন্দ হয়। সাথে একটু funny আর mysterious type. Kakashi ও ঠিক তাই। ওর যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে ভাল লাগে তা হল অন্যের perspective থেকে চিন্তা করতে পারার ক্ষমতা, দূরদর্শীতা, আর অন্যকে বুঝতে পারার capability. Sasuke এর ভিতরে ক্রমশ বাড়তে থাকা ক্রোধ ও ঠিকই আঁচ করতে পেরেছিল এবং অনেকে অনেক কথা বল্লেও আমি মনে করি ও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল Sasuke কে বিপথে যেতে না দিতে। 
“Don’t worry. I won’t let my comrades die.” হাসি দিয়ে এই কথা বলেই কাকাশি আমার মন জয় করে নিয়েছিল। কারণ নিজের কাছের মানুষদের জন্য যে কোন extent পর্যন্ত যেতে পারা আমার মতে অনেক বড় একটা ব্যাপার। আরেকটা যে জিনিস মজা লাগে তা হল ওর funny দিক। ক্ষেত্রবিশেষে খুবই serious হলেও সে মজা করতে জানে। অনেক রকম বাজে জিনিস সহ্য করেও হাসতে ভুলে যায়নি। Chouji কে পালিয়ে যেতে দেয়ার জন্য নিশ্চিত মৃত্যুও মেনে নিয়েছিল। সেই সাথে নারুতোর বড় এক সহায় হয়ে ও ছিল এবং আছে ।
“As long as you don’t give up, you can still be saved.”— এই quote টা আমাকে সত্যিই inspire করে।

কাকাশি কে নিয়ে লিখতে গেলে আমি মনে হয় পুরো বই লিখে ফেলতে পারব। সুতরাং, দ্রুত ইতি টানাটাই ভাল হবে।
আমার দেখা সবচেয়ে cool character দের একজন কাকাশি। He is unique in his own way and he is the only character who looks cool even while reading porns in front of his students or while playing rock-paper-scissors with Guy 

[যদিও বলা হয়েছে বাংলায় পুরোটা লিখতে, আমি একটু ইংরেজী নিয়ে আসলাম দেখে দুঃখিত।]

Kakashi

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস। – by Fahim Bin Selim

ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কাকাশি, লাইট, হৌতারো, কিওন – আমি নিজে বুদ্ধিমান না বলেই হয়ত এদের প্রতি আকর্ষন বেশি। কাকে রাইখা কারে বলি?

প্রথম নারুতো দেখসিলাম মোটামুটি ছোট থাকতে, ৫-৬ বছর আগে, কার্টুন নেটওয়ার্কে ফার্স্ট সিজনের শেষের ১০-১৫ টা পর্ব। চুনিন এক্সাম, গারা ভি লী এর লেজেন্ডারি সীস’ ম্যাচটা দেইখাই ফ্যান হয়ে গেলাম। এরপর অপেক্ষা; ২০১০-এর দিকে ভালোভাবে অ্যানিমে দেখা শুরু করলাম, আর প্রথম শৌনেন নারুতো। মোটামুটি সবার মত নারুতোই প্রথম দিকে ফেভারিট ছিল। আবার চুনিন এক্সাম, থার্ড রাউন্ড প্রিলিমিনারী, তখন পর্যন্ত প্রায় অগুরুত্বপুর্ণ ক্যারেক্টার শিকামারু, কিন সুচিকে যেভাবে হারালো; আমি তো মুগ্ধ – wait, this guy – some genius, he is. তখনই ভালো লাগা শুরু। তারপর আবার সেমিফাইনালে তেমারির সাথে জয় এবং একমাত্র চুনিন নিবার্চিত। এবার পুরাপুরি ভাবে ফ্যান হয়ে গেলাম।
অলস, প্রতিভাবান, লেভেলহেডেড, পরিপক্ব, আবেগকে আটকে রাখা – এই শিকামারু। কিন্তু শীপুডেন-এর ৮০~ পর্বে এসে শিকামারুর সেই নাজানা দিকটাও দেখা হল। আসুমা মারা যাওয়ার সময়ের সেই তীব্র আবেগময় মুহুর্ত, অতঃপর হিদানকে মারার(আটকানোর) মুহুর্তগুলি।
ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কিন্তু শিকামারু অন্য লেভেলের প্রিয়। 

নিনজা ওয়ারের প্রক্সি কমান্ডার, আর্গুয়েবলি কোনোহার সবচেয়ে বিচক্ষন শিনোবি, হোকাগে হওয়ার যোগ্য – কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ত নারুতোই হোকাগে হবে। ভাল। শিকামারুদের আলোতে আসতে হয়না, কোনোহার “শ্যাডো নাইট” আড়াল থেকেই তার “কিং”-দের বাচিয়ে যাক, তাই ভাল।

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস।

Shikamaru

BTOOOM! – [সেমি রিভিউ] লেখক তাহসিন ফারুক অনিন্দ্য

এই আনিমেটা নিয়ে এত বেশি রিভিউ বা এত মিশ্র প্রতিক্রিয়া কেন, দেখার পর বুঝলাম।
আর সাথে এইটাও বুঝলাম যে আরেকটা “রিভিউ” লিখলে সবাই ধৈর্য নিয়ে পড়বেও না, পাত্তাও দিবে না। তারচেয়ে কয়েকটা পয়েন্ট অভ ভিউ থেকে হাল্কা পাতলা আলোচনা টাইপ এই সেমি রিভিউ 🙂

6 Btooom

# SAO বা Mirai Nikki এর কম্বিনেশন টাইপ একটা আনিমে মনে হবে, Massively Multiplayer Online gaming এর Online বাদ দিন, আরে Mirai Nikki এর survivor is the winner – ব্যাস, পেয়ে গেলেন BTOOOM! এর আইডিয়া! নিজের জীবন বাজি রেখে এই ভার্চুয়াল নয়, বাস্তব গেমে নিজেকেই অংশগ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত বেঁচে থেকে জিততে হবে।

# The +’s

– টান টান উত্তেজনা
– সার্ভাইনিং এর একশন
– এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন, এক কথায় অসাধারণ!!!
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভস (:P )

# The -‘s

– নায়ক-নায়িকাকে বাঁচিয়ে দেওয়ার ধরণ + কিছু হাস্যকর লজিক
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভিসগুলি কাহিনিতে আনার ধরণ 🙁

# The “Should have these”s

– আরও বেশি এপিসোড
– আরও বেশি একশন
– শুনতে খারাপ শুনালেও, আরও বেশি ভায়োলেন্স [প্লটটি ভয়ংকর সব ভায়োলেন্সের জন্য আদর্শ]
– অবশ্যই একটা Season 2!!! 😀

আমার মতামত:

FMA/FMAB, Death Note, Code Geass এগুলির মতন এক্যুরেট [কিছুক্ষেত্রে প্রায় এক্যুরেট] কাহিনি/লজিকের আনিমে দেখার পর সব আনিমেকে এদের সাথে তুলনা দিতে যাওয়া ঠিক না, একদমই না। সবার আগে একটা আনিমের মূল লক্ষ দর্শকদের বিনোদন দেওয়া, সেটা করতে গিয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই আনিমে সফল 😀

অবশেষে আমার রেটিং: 7.5/10

[কয়েকজনের একটা বিষয় নিয়ে বিরক্তি দেখে লিখতে গেলাম:

[[Contains Spoilers]]

# বোম্ব বাস্ট হল, মানুষ মারা গেল, অথচ সাথে থাকা বোম্বের বক্স আর তার ভিতর থাকা বোম্ব অক্ষত, এমনকি খাবারের স্যুটকেজটাও অক্ষত
~ যারা এই গেমের অর্গানাইজ করেছে, তারা অবশ্যই এইটা মাথায় রেখেছে যেন তাদের কন্টেস্ট্যান্টদের জিনিসপত্র অক্ষত থাকে, কারণ গেমের নিয়ম যে মারা গিয়েছে তার বোম্ব + জিনিসপত্র বিজয়ী দখল করবে। এখন সেই জিনিসপত্র কিভাবে BIM-proof করেছে, সেই science দেখতে চাইতে গেলে আরেকটা আনিমে করা উচিৎ, এই ১২ এপিসোডের ছোট্ট আনিমেতে এত কিছু দেখানো যাবে না এইটা বুঝাই যায় 😀 ]

Hyouka – The Curious Case of Chitanda Eru~~ লেখক রেড এলার্ট

[Writer’s Note: With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]

 ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ হলেও, বহুবার বহু আনিমেকে রিভিউর স্বার্থে কম রেটিং দিতে হয়েছে। আমি মনে করি একটি রিভিউ লিখার সময় ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কথা না ভেবে আনিমেটির প্রাপ্য মূল্যায়ন করা উচিত। আমি নিজেও যে সব সময় তা মেনে চলতে পারি সেটা নয় তবে চেষ্টা করি। শুরুতেই এসব বলার কারণ হল এই Hyouka রিভিউ দেখে অনেকে আমায় মনে মনে গালমন্দ করতে পারেন। তবুও আপনার যদি মনে হয় আমি Hyouka অপছন্দ করি, দেন ইউর আর্গুমেন্ট ইজ ইনভেলিড। ¯(ツ)/¯

 Hyouka_2What do you think they are looking at?

২০১০ সালের দিকে একটা আজিব SUBGENRE গজিয়ে উঠে যেটাকে এর আগে কেউ তেমন একটা পাত্তা দেয়নি, কিন্তু হঠাৎই এই SUBGENRE এর আনিমে তৈরিতে প্রোডাকশন হাউসগুলোর মাঝে একরকম হুলুস্থুল বেধে যায়। ললি (Loli) গোয়েন্দার দল আর তাদের খাঁজুরে রহস্য গল্প, এই হল সেই SUBGENRE এর মূল কনসেপ্ট। খুবই অল্প সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো চারদিকে ভরে যাওয়া এই আনিমেগুলোর মধ্যে কয়েকটা উল্লেখ্যযোগ্য হলঃ

        Un-Go by BONES STUDIO

        Loups=Garous by IG PRODUCTION

        Dusk Maiden of Amnesia by SILVER LINK

        Heaven’s Memo Pad by JC STAFF

        Dantalian by GAINAX (I love you but, fuck this shit GAINAX!)

        Tantei Opera Milky Holmes by JC STAFF

        Gosick by BONES STUDIO

উল্লেখ করা দরকার যে এগুলো আমি নিজে দেখেছি, এসব ছাড়াও আরও কত এই টাইপের আনিমে আছে কে জানে। এই আনিমেগুলোর কোনটাই আর দশটা গড় মানের আনিমে থেকে ভাল নয় এবং দর্শকদের জন্য নতুন কিছু নিয়ে আসতে পারেনি। এ ধরনের একেকটা আনিমে বের হয়, হইরই হয়, এবং যথারীতি কয়েক মাস পর ফ্যানদের হইচই স্তিমিত হয়ে আসে। তারপর আবার অন্য কোন প্রোডাকশন স্টুডিও আরেকটা আনিমে বের করে, এভাবেই চলতে থাকে এই অশুভ চক্র। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যে স্টুডিওগুলো একত্র হয়ে বাজি ধরেছে কে কত নিকৃষ্ট ললি গোয়েন্দা আনিমে তৈরি করতে পারে। এবং সেই বাজির খেলায় সর্বশেষ সংযোজন কিওটো এনিমেশন (Kyoto Animation) এবং তাদের Hyouka। এবার দেখা যাক খেলায় তারা জেতে নাকি হারে।

 Hyouka_1

প্রথমত, যদি আপনি K-ON প্রসূত MOE স্টাইলের ফ্যান হয়ে থাকেন তবে এই আনিমে আপনার পছন্দ হবে। আনিমেটির বাজেট আকাশ ছোঁওয়া এবং দেখতেও অত্যন্ত ডিটেইল্ড, জীবন্ত, পরিষ্কার এবং কাওয়াই দেসু~। ভয়েস অ্যাক্টিং আর মিউজিকও তাদের কাজ সফল ভাবে করতে সক্ষম হয়েছে। তবে আপনি যদি নতুন কিছু চান তবে তা এখানে খুজে পাবেন না। হাইস্কুল MOE জিনিষটার শুরু হারুহি সুজুমিয়ার দ্বারা। আর খামখেয়ালি MOE এর উদ্ভব K-ON থেকে। এবং এই দুটোর মিশ্রণ হল Hyouka। Hyouka-র সেই একই স্কুল গ্রাউন্ড আর MOE স্টাইল আর্টওয়ার্ক যেটা ২০০৬ সালে হারুহি সুজুমিয়া থেকে শুরু করে গত প্রায় এক দশক ধরে বহু আনিমেতে আমরা দেখে আসছি, তাই আমার মাঝে মাঝে মনে হয়েছে এই আনিমেগুলোর কোন একটাতে না আবার হারুহি এসে হাজির হয়। যেহেতু আর্ট তো আছেই, এমনকি দৃশ্যপটগুলোও হুবহু প্রায় একরকম, তো কেন নয়? এবং অবশ্যই আমি বলছিনা যে এই স্টাইল কুৎসিত কিংবা বিরক্তিকর; একই স্টুডিও KyoAni-র অন্যান্য টাইটেলগুলোর সাথে Hyouka-র এত মিল যে মাঝে মাঝে মনে হয়েছে আগের আনিমেগুলোকেই ঘসে-মেজে আবার দেখাচ্ছে, এই আর কি। তাই KyoAni-র এবার প্রয়োজন নতুন ধাঁচের কিছু করা।

তবে লাখ টাকার হাতি কিনা। বিক্রি করবে কে।

আনিমেটির কাহিনী হচ্ছে চার কাওয়াই টিনএজার, তাদের দৈনিক জীবন ও কিছু “নেই কাজ তো খই ভাজ” জাতিও রহস্য ঘিরে যেগুলো নিয়ে কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি ২ মিনিটের বেশী ভাববে না। রহস্যগুলো কেমন তা এক কথায় বর্ণনা করতে গেলে বলতে হয় সেগুলো অনেকটা এরকম, “Why did the chicken cross the road?” এবং সমাধান হল “Because it saw a worm on the other side”।

তো সর্বকালের সবেচেয়ে বোরিং রহস্যগল্প অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী… Hyouka!!

 Hyouka_3

আর বাকি নন-মিস্টরি সময়টায় এর চরিত্রসমূহ আর তাদের পারসোনালিটি সম্পর্কে আমাদের জানার সুযোগ হয়। আনিমেটির মূল চরিত্র ওরেকির কাছে সবকিছু একঘেয়ে মনে হয় তবুও নতুন কিছু করতে সে আগ্রহী নয়। জীবন সম্পর্কে সে উদাসীন ও অলস। হঠাৎই এক কিউট মেয়ে চিতান্দার উদয় হয় এবং তাকে ক্লাব কর্মকাণ্ডে যোগদান আর নানারকম রহস্য সমাধান করতে উৎসাহিত করতে চেষ্টা করে। যদিও ওরেকি তাকে সবসময় এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে কিন্তু চিতান্দা তার “কেন মুরগী রাস্তা পাড় হয়” জাতিও রহস্য দ্রুততার সাথে সমাধান করবার অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা দেখে যারপরনাই মুগ্ধ। বিধায় ওরেকি কে চিতান্দা সর্বদা জ্বালাতন করে।

আপনি কি একজন অ্যান্টি-সোসিয়াল, যার জীবন সুখী কিন্তু একঘেয়ে? আপনি কি মনে করেন আপনি খুবই ক্যারিশম্যাটিক এবং বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের উচিত আপনার প্রতি আরও আগ্রহী হওয়া, যদিও আপনি ভাব ধরে রাখেন যে আপনি কারও ব্যাপারে কেয়ার করেন না এবং অন্য সবাই এ কারণে আপনাকে নিয়ে পরিশ্রান্ত? তাহলে Hyouka আপনার জন্যই! টা-ডা!

জী না। ওটা কোনও কমার্শিয়াল বিজ্ঞাপন ছিল না।

 Hyouka_4

আমি বলবোনা যে পুরো জিনিষটাই আমার অপছন্দ হয়েছে, যেহেতু আনিমেটি শুধুই কমেডি আর গল্পহীন কিউটনেস নয়। প্রত্যেকটা পর্বেই কাহিনীর খানিকটা হলেও অগ্রগতি হয় এবং চরিত্রদের সম্পর্কেও কিছুটা জানা যায়। ব্যাপারটা হল, অগ্রগতিটা বেশ অপ্রতুল এবং যতটুকু হয় তার বেশীর ভাগই খামখেয়ালী আর MOE-MOE। যখনি চিতান্দা তার উজ্জ্বল চোখ জোড়া নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকাবে আপনার মন চাইবে তাকে জড়িয়ে ধরতে। এই অনুভূতি থেকে রক্ষা পাবার কোন উপায় নেই। তাই এই আনিমেটা দেখতে হলে একটা নির্দিষ্ট অ্যাঙ্গেল থেকে এগোনো গুরুত্বপূর্ণ; একদল MOE চরিত্র টানটান উত্তেজনাময় রহস্যের সমাধান করছে এই হিসেবে নয়, বরঞ্চ খাঁজুরে সব রহস্যগল্প আর কিছু কিউট খেয়ালী চরিত্র নিয়ে একটা MOE আনিমে হিসেবে দেখতে হবে।

প্লট তেমন একটা নেই আগেই বলেছি, এন্ডিংটাও নিরেট হয়েছে বলে আমার মনে হয়নি। আবার প্রত্যেকের ব্যক্তিত্ব আর পটভূমি তিন লাইনে বর্ণনা করে দেয়া সম্ভব। তো Hyouka হল সেই আনিমেগুলোর মতো, যেগুলো আয়েশ করে বসে দেখা যায়, দেখতে দেখতে মাথায় নানারকম উদ্ভট চিন্তা খেলে যায়না এবং দু’ মিনিট পরপর চিতান্দা-র নানান কাওয়াই মুখভঙ্গি দেখে মোহাবিষ্ট হয়ে ওঠা যায়। আর অন্যসব ললি গোয়েন্দা আনিমে থেকে এ কারণেই Hyouka শতগুণে উত্তম। এখানে কোন ম্যাজিকাল কিংবা টেকনোলজিক্যাল নন্সেন্স নেই, অথবা কেউ কোন মার্ডার রহস্য ১০ মিনিটে সমাধান করে বসে থাকে না। রহস্য যা আছে তা আসলে চরিত্রগুলোকে কিছু একটা করতে দেবার জন্য হালকা একটা অজুহাত মাত্র, ফলে তারা যাতে স্কুলে লেখাপড়া করা ও একঘেয়ে জীবন থেকে রক্ষা পাওয়ার একটা সুযোগ ও লক্ষ্য পায়। তবে সেটাও Hyouka খুবই সুক্ষ ও সুন্দর ভাবে করেছে। তাই কোন NEET ললি গোয়েন্দা গোপন ক্যামেরা দিয়ে লোকের উপর গুপ্তচরগিরি করে বেড়াচ্ছে কিংবা কোন ছেলে মেয়ে সেজে  অভিযুক্ত আসামীকে ব্রেইনওয়াশ করে তার মুখ থেকে স্বীকারোক্তি বের করছে এই ধরণের আবর্জনা থেকে Hyouka হাজারোগুনে ভাল নয় কি? আর হ্যাঁ, ওই দুই ধরণের আনিমে দেখবার দুর্ভাগ্য আমার আসলেই হয়েছে।

Hyouka_5

তো KyoAni সবচেয়ে বাজে ললি গোয়েন্দা আনিমে তৈরির প্রতিযোগিতায় শেষ স্থান লাভ করেছে। দ্যাটস রাইট, এই SUBGENRE এর অন্যসব আনিমে থেকে Hyouka তার মূল কনসেপ্ট সঠিক ভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে, সুতরাং সব কিছু লেজগোবরে না করে ফেলবার জন্য Hyouka পাশ মার্ক পেয়ে যাবে। তবে যেহেতু রহস্যগল্প হিসেবে আনিমেটায় সত্যিকারের উত্তেজনা, বিপদ কিংবা কোন বৃহৎ লক্ষ্য নেই তাই লেজগোবরে করে ফেলবারও আসলে কোন সুযোগ নেই। এটাই MOE-র অসম শক্তি, MOE কখনই ভুল হতে পারেনা। শুধু মাত্র অত্যন্ত একঘেয়ে, যা মিলিওন মিলিওন মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। প্রতিটি দিন নানান এক্সাম, বোরিং ক্লাস, ক্লাসের মস্তান টাইপ ছেলে, ডিমান্ডিং টিচার, বসের ঝাড়ি, কাজের চাপ আর ফেরার সময় রাস্তার হইহুল্লোর ইত্যাদি সামলে বাসায় এসে কম্পিউটারের সামনে আয়েশি ভঙ্গিতে বসে কেন মুরগীটা রাস্তা পাড় হল এই চিন্তা করা ছাড়া আর তেমন মাথা খাটাতে হয়না এমন একটা রিলাক্সিং আনিমে দেখতে নেহাতই মন্দ লাগেনা। আর হ্যা, যতবার চিতান্দা স্ক্রিনের দিকে চেয়ে মুচকি হাসবে ততবার গলে পানি হয়ে যাবার কথা বাদ দিব কেন।

যদি আপনি কোন টানটান উত্তেজনাপূর্ণ আনিমে দেখতে চান যেটা দেখতে দেখতে আপনার মাথায় শত রকমের চিন্তা খেলে যাবে তাহলে Hyouka থেকে দূরে থাকুন। তবে Slice of Life ফ্যানদের জন্য আনিমেটি উপভোগ্য হবে।

Hyouka_6

আমি চিতান্দাকে অত্যন্ত পছন্দ করি, তাই নিম্নের রেটিং দেখে আপনার যদি মনে হয় আমি অবিচার করছি, দেন কুল স্টোরি ব্রো, আই এম জাস্ট বিইং ফেয়ার অ্যান্ড স্কয়ার।

  • ART SECTION: 9/10

General Artwork 2/2 (well made, looks awesome)

Character Figures 1/2 (generic but ok)

Backgrounds 2/2 (basic but fitting with the feeling of the series)

Animation 2/2 (very smooth)

Visual Effects 2/2 (nice cinematic)

  • SOUND SECTION: 9/10

Voice Acting 3/3 (fitting perfectly with the feeling of the series)

Music Themes 3/4 (not great but fitting with the feeling of the series)

Sound Effects 3/3 (not great but good, fine support in cinematic)

  • STORY SECTION: 2/10

Premise 0/2 (boring as fuck)

Pacing 1/2 (slow as shit)

Complexity 1/2 (what?)

Plausibility 0/2 (who?)

Conclusion/Ending 0/2 (where?)

  • CHARACTER SECTION: 6/10

Presence 2/2 (super cute)

Personality 2/2 (cheesy but well founded)

Backdrop 1/2 (generic and simplistic but it’s there)

Development 1/2 (subtle but it’s there)

Catharsis 0/2 (doesn’t exist)

  • VALUE SECTION: 3/10

Historical Value 0/3 (none)

Rewatchability 1/3 (low because of too little plot)

Memorability 2/4 (a well made slice of life show but nothing worthy to remember it past that)

  • ENJOYMENT SECTION: 4/10

Art 1/1 (looks great)

Sound 1/2 (sounds ok)

Story 0/3 (what story?)

Characters 2/4 (sweet but that is all)

  • TOTAL: 6/10 [DECENT]

Full Metal Alchemist & Full Metal Alchemist Brotherhood by Monirul Islam Munna

এই বুড়া বয়সে এসে, এতো দিনে Full Metal Alchemist & Full Metal Alchemist Brotherhood দেখলাম, বড়ই লজ্জার ব্যাপার 
1

এই ২টা এনিম নিয়ে এতো মাতামাতি কেন, তার ১০০% উত্তর পেলাম। নিঃসন্দেহে সেরা এনিমগুলার মধ্যে অন্যতম এই ২টা।  Action, Drama, Comedy এর কোনটার
কমতি ছিল না এই ২টা এনিমে! সাথে suspense আর twist মিলে তো ১৫০% জটিল! 

Edward(the short tempered short guy :p) , Winry (the beauty) , Al, Roy( FMAB তে এর পাওয়ার যা দেখাইসে!!! ), Riza(Roy’s soul mate ), Major Armstrong (the muscular beauty!!:v), General armstrong ( *_* )
Izumi ( only a house wife, passing by  )অসাধারণ character একটার চেয়ে অন্যটা।

One of the best part of FMAB: ‘যখন Edward, Winry কে প্রোপোজ করে, প্রোপোজ করার কি স্টাইল!!!! 

2টা এনিমের মধ্যে FMAB better কোন সন্দেহ নাই।সাথে FMAB এর ending বেশ দুঃখের কিন্তু সত্যি বলতে FMA এর ending দেখে আমার বেশী খারাপ লাগসে 

Feeling Great *_* এখন আর কোন এনিম ভালো লাগবে কিনা বুঝতেসি না