Owari no Chronicle/The Ending Chronicle [লাইট নোভেল রিভিউ] — তৌফিক সরকার

owari-no-chronicle-1

Owari no Chronicle বা The Ending Chronicle
লেখকঃ Minoru Kawakami
জনরাঃ সাইন্স ফিকশ, ফ্যান্টাসী, একশন,রোমান্স

এই সিরিজ নিয়ে লেখার আগে এর ইউনিভার্স নিয়ে কথা বলি। Owari no Chronicle এর লেখক মিনোরু কাওয়াকামি নিজস্ব একটা ইউনিভার্স তৈরী করেছেন। সেই ইউনিভার্স ছয়টা এরা (era) ভাগে ভাগ করেছেন। সেই ছয়টা এর নিচে দেয়া হলঃ

১) FORTH- সিরিজ নামঃ Rapid-fire King – এর দুটো বই বের হয়েছে (ইংরেজী অনুবাদ হয়নি)।

২) AHEAD- সিরিজ নামঃ Owari no Chronicle – মোট ১৪টা বই বের হয়েছে এবং সম্পূর্ন হয়েছে (সম্পূর্ন ইংরেজী অনুবাদ হয়েছে।)

৩) EDGE- এখনো কোনো বই বের হয়নি।

৪) GENESIS- সিরিজ নামঃ Kyoukai Senjou no Horizon- ২৩ টা বই এবং এখনো চলমান (ইংরেজী অনুবাদ চলছে।) [Owari no Chronicle এর সিক্যুয়েল এটা।]

৫) OBSTACLE- সিরিজ নামঃ Clash of Hexennacht- ৩ টা বই বের হয়েছে এবং চলমান (ইংরেজী অনুবাদ চলছে।)

৬) CITY- CITY সিরিজ নামে পরিচিতি ৭টা ভাগে মোট ১৭ টা বই বের হয়েছে এবং সম্পূর্ন (ইংরেজী অনুবাদ চলছে।)

Owari no Chronicle সিরিজটা AHEAD- era এর মধ্যে অন্তর্গত। এটাকে জাপানের সেরা সাইন্স ফিকশন সিরিজের কাতারে ফেলা হয়, এবং এই সিরিজ বেশ কয়েকটা পুরষ্কারও পেয়েছে।

কাহিনী শুরু একসম ১৯৪৫ সালের দিকে। তখন ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলছে, কিন্তু এই বিশ্ব যুদ্ধের আড়ালে আরেকটা যুদ্ধ হয়েছে সেটাকে বলা হয় কনসেপ্ট ওয়ার ( Concept War), যেটা কিনা ইতিহাসের পাতায় লেখায় হয়নি।

এরপর ষাট বছর পর, গল্পের নায়ক সায়ামো মিকোটোর দাদা মারা গিয়েছে। মারা যাওয়ার আগে তার জন্যে একটা উইল রেখে গিয়েছেন তিনি। সে উইল জানার জন্যে একটা বিশাল কম্পানী ও রিসার্চ সেন্টার আইএআই( IAI) তে যায় জানতে পারে, পৃথিবী ধ্বংসে কাছাকাছি, কারণ নেগেটিভ কনসেপ্ট এর পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে, তার কাজ হচ্ছে এখন অন্যন্যা প্যারালাল ওয়ার্ল্ড থেকে তাদের কনসেপ্ট নিয়ে আসতে হবে, তবে সেটা নেগোসিয়েশন বা সন্ধি করে।

এখন সে কিভাবে অন্যান্য প্যারালাল ওয়ার্ল্ডের সাথে সন্ধি করবে যেখানে তার পূর্বসূরীরা সেই ওয়ার্ল্ডকে ধ্বংস করেছে বলা বাহুল্য সেই পূর্বসূরীদের মধ্যে তারা দাদাও ছিল।

আর এভাবেই Owari no Chronicle এর কাহিনী শুরু।

কাহিনী সংক্ষেপ গুরুগম্ভীর দিয়ে শুরু হলে পুরো কাহিনীতে একশন, রোমান্স আর কমেডিতে ভরপুর। আর প্রতিটা চরিত্রই ইউনিক একেক দিক দিয়ে। তবে সিরিজের মেইন নায়ক সায়ামা মিকোটো ইউনিকের দিক দিয়ে রাজা। তার হ্যালিরিয়াস যুক্তি এবং সেটা দিয়ে যেকোনো বিপদ কাটানোতে তার জুড়ি নেই।

তাছাড়া এই সিরিজের আসলে যে ব্যাপারটা হচ্ছে সম্পূর্ন নায়ক কেন্দ্রিক না হওয়াটা। জাপানিজ লাইট নভেলের বেলায় দেখা যায় যে নায়কই সব করে দিচ্ছে, A-Z সব। কিন্তু এই সিরিজে তা নয়, নায়কের সাথে সাথে আরো বেশ কয়েকটা ডিপেন্ডেবল চরিত্র আছে যারা নায়কের সন্ধি স্থাপনায় সাহায্য করেছে, যেখানে সায়ামা একটা সন্ধিতে ব্যস্ত সেখানে তার সঙ্গীরা এই সন্ধিতে যাতে ব্যাঘাত না ঘতে সেটা নিয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আর লেখক সবার চরিত্র একদম সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাদের আচার আচরণ, রোমান্স, স্ট্রাগল, সুখ-দুঃখ সব ।উদাহরণ দেয়া যায় তৃতীয় আর্কের বেলায়, মেইন ক্যারেক্টার বাদের, দুই সাইড ক্যারেক্টার (অবশ্য তারা পরের দিকের বেশ ভালো ভূমিকা রাখে) এর রোমান্স ছিল আমার ফেভারিট। খুব কম সময়ের মধ্যে তাদের রোমান্সটা লেখক খুব দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন।

আর রোমান্স যখন আসলোই, তখন নায়ক সায়মা ও নায়িকা শিনজৌ সাদাগিরি রোমান্সটুকু খুব সুন্দরভাবে ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, এমনকি সাদাগিরির সিক্রেট (নভেলের খুব ক্রুশিয়াল পয়েন্ট এটা।) জানার পরেও সায়ামা সাদাগিরিকে গ্রহণ করেছে এবং নভেলের শেষে অফিশিয়ালি কাপোল হয়েছে।

এই সিরিজটা সাইন্স ফিকশন হলেও, এর মধ্যে ফ্যান্টাসীর মিশ্রণ ছিল। এবং লেখক ফ্যান্টাসী ও সাইন্সের মধ্যে জগাখিচুড়ী লাগিয়ে দেয়নি বরং একে অপরের সাথে এত সুন্দরভাবে যোগ করেছে যে সহজে ভ্রু কুঁচকে উঠবে না।

আর কাহিনীর শেষের দিকে টুইস্টটা ছিল মারাত্মক, একদম কল্পনার করা যায়নি এমন কিছু একটা হবে।

তাই যারা সাইন্স ফিকশন পড়তে পছন্দ করেন তারা নির্দ্বিধায় পড়ে ফেলতে পারেন এই সিরিজ।

ছবিতে Owari no Chronicle বইয়ের এক অংশ দেখানো হলো, ডান পাশেরটা Owari no Chronicle এর সব বই আর Kyoukai Senjou no Horizon এর প্রথম ৮ টা বই।

owari-no-chronicle-2

The King of Pigs [মুভি রিভিউ] — Nudrat Mehraj Sadab

মাঝে মাঝে MAL এ হাবিজাবি ঘাঁটতে গিয়ে এমনকিছু চোখে পড়ে যেগুলো হয়ত নিজে কখনও খুঁজব না। দুইদিন আগে The King of Pigs এর কথা জানলাম এভাবে। MAL rating এ ৭ যেখানে তা ৮ এর উপরে হওয়া উচিৎ এবং হওয়াটাই যুক্তিযুক্ত। আর একেকজনের রেটিং এও আকাশপাতাল ফারাক। মুভিটা শুরু থেকেই ডিপ্রেসিং ছিল। হয়ত অনেকে সহজভাবে নিতে পারেনি।

the-king-of-pigs
Yeon Sang-ho’র নাম হয়ত অনেকের কাছেই এখন পরিচিত এই বছরের Train to Busan নামের চলচ্চিত্রটির কারণে। তবে তিনি বিখ্যাত তাঁর কোরিয়ান এনিমেটেড মুভিগুলোর জন্যে। মূলত সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ধাঁচের এই মুভিগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল চরম বাস্তবতা। মানুষের জীবনের স্ট্রাগলকে কোন রকম অতিরঞ্জিত করা হয়নি। মানুষের ইম্পালসিভ ন্যাচার সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে তার মুভিগুলোতে। Satoshi Kon এর কাজগুলো দ্বারা তিনি বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত। তাঁর The King of Pigs মুভিটি Busan International Film Festival এ ৩টি এওয়ার্ড জিতেছে। তাছাড়া এটি Cannes Film Festival এ প্রদর্শিত প্রথম কোরিয়ান এনিমেটেড ফিল্ম। কোরিয়ান থ্রিলার মুভিগুলোর সাথে যারা মোটামুটি পরিচিত তারা নিশ্চয়ই ভায়োলেন্সের পরিমাণ অনুমান করতে পারছেন। ফিজিকাল এ্যাবিউজ থেকে শুরু করে এনিম্যাল এ্যাবিউজ কিছুই বাদ যায়নি এখানে।
নিজের স্ত্রীকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে শুরু হয় Kyung Min এর কাহিনী। ব্যবসায় ব্যর্থতার দরুণ সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সে রাতে সে কল দেয় তার একসময়ের বেস্ট ফ্রেন্ড Jung Jong-suk কে। Jung একজন জার্নালিস্ট। তবে তার লেখক হবার স্বপ্ন। কিন্তু তার বই পাব্লিশ করতে কোন প্রকাশকই রাজি হচ্ছেনা। ঐদিন রাতে বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে বেরিয়ে পড়ে। এই সময়ে Kyung min এর কল পায়। দুজন একটা রেস্টুরেন্টে বসে। ১৫ বছর পর তাদের দেখা। এরপর ফ্ল্যাশব্যাকে কাহিনী আগাতে থাকে।
১৫ বছর আগে হাইস্কুলে থাকার সময় এই দুই বন্ধু বুলির শিকার হত প্রতিদিন। তখনকার সময়ে গরীব বা অসহায়দের Pigs আর ধনী বা শোষণকারীদের Dogs বলে অভিহিত করা হত। তাদের ক্লাসের ২ জন ছিল এলিট সোসাইটির। তাদের কারণে সবাই আতংকে থাকত। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কেউ ছিল না। ভুল করে যদি একবার তর্ক করে ফেলে তখন সিনিয়রদের নিয়ে এসে একসাথে পেটায় তাকে। প্রতিদিনের মত Kyung min কে হেনস্তা করছিল তারা। হঠাৎ একটা ছেলে পেছন থেকে উঠে দাঁড়ায় এবং এসে ঐ ছেলেগুলোকে পেটায়। ছেলেটার নাম Chul Kim। হিংস্র হলেও এক পর্যায়ে Kyung min আর Jung এর ভাল ফ্রেন্ড হয়ে যায় সে। সবার কাছে সে হয়ে ওঠে King of pigs. একদিন ঐ ছেলেগুলোকে মারার সময় টিচার দেখে ফেলে। তাই কিছুদিনের জন্য তাকে সাস্পেন্ড করা হয়। দুই বন্ধু একটা পরিত্যক্ত গোডাউনে আসত Chul এর সাথে দেখা করার জন্য। সেখানেই তারা তাদের প্রথম ক্রাইমটি করে। আর এই ঘটনা আজও Jung কে কুড়ে কুড়ে খায়। যাই হোক ঘটনার এক পর্যায়ে স্পাইনলেস Kyung min বিট্রে করে। কিন্তু Chul তাকে কিছু বলেনা। বরং ফন্দি করে ঐ বুলিগুলোকে শিক্ষা দেয়ার। সে ঠিক করে একদিন এসেম্বলির সময় স্কুল ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সে আত্মহত্যা করবে। আর এই সিদ্ধান্ত সে নিয়েছিল এই ভেবে যে এই ঘটনা সবার মনে দাগ কাটবে। যারা আজ তাদেরকে টর্চার করছে, পরবর্তীতে এই দিনের কথা মনে করে তাদের মুখের হাসি যাতে চলে যায়। সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু ঘটনার একটু আগে Chul তার সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলে। কেন? কারণ একদিন তার মাকে সে কাঁদতে দেখে, নির্যাতিত হতে দেখে। সে ঠিক করেছিল নিজেকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দিবে। নতুন করে সব শুরু করবে। তার মায়ের পাশে থাকবে। কিন্তু তারপরও সে ছাদ থেকে লাফ দেয়। কেন? এটা কি শুধুই সুইসাইড ছিল? আর কেউ যদি তাকে হত্যাও করে কারণ টা কী?
মুভির লাস্ট ১৫ মিনিট খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ টুইস্ট টা থাকে এই মুহূর্তে। মুভির শেষটাও খুব ডিপ্রেসিং।
এই তিনজনের ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড দেখানো হয় কাহিনীর বিভিন্ন সময়ে যাতে করে দর্শকেরা তাদের পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে চিন্তা করতে পারে। এবং তাদের ভাগ্যটাও যে পরস্পর সাথে সম্পর্কিত তা অনুধাবন করতে পারে। তাদের প্রত্যেকের স্ট্রাগল দেখানো হয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হবে সে এটা না করলেও পারত। কিন্তু একজন হাইস্কুলের ছাত্র হিসেবে তার মানসিক পরিপক্কতা আর কতটুকুই বা থাকবে? এছাড়া তাদের ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্ট ছিল চোখে পড়ার মত। একসময়ের স্পাইনলেস ছাত্রের খুনী হয়ে ওঠা বা Jung এর মত একটা ছেলের হিংস্রতার কাছে হার মানা সবকিছু আপনাকে অভিভূত করবে, আপনাকে ভাবাবে।
এই মুভি নাকি Yeon San-ho’র জীবন থেকেই নেয়া। হয়ত এ কারণেই প্রতিটি চরিত্রের আবেগ-অনুভূতি আলাদা এবং সুচারুভাবে ফুটে উঠেছে।
গ্রুপে এটা নিয়ে অনেক আগে একজন পোস্ট দিয়েছিল যদিও। A must watch.

Lion Book series [রিভিউ] — Nudrat Mehraj Sadab

হাল আমলের ফ্ল্যাশি এনিমে থেকে একটু ব্রেক নিতে চাইলে দেখে আসতে পারেন Lion Book series টি। Astro Boy, Kimba the Lion, Black Jack এর স্রষ্টা Osamu Tezuka’র কিছু মাংগার কালেকশন নিয়ে এই সিরিজ। এ ব্যাপারে অবশ্য একটু কনফিউজন আছে। যদিও বলা হয় এই সিরিজ মূলত ১৯৫৬ এবং পরবর্তীতে ‘৭০ এর কিছু মাংগার কালেকশন, তবে এর মধ্য থেকে শুধুমাত্র ৬টির এনিমে এডাপটেশন হয়েছিল যেগুলো Osama Tezuka’র রচনা এবং ডিরেক্ট করা। ৬টি ইউনিক গল্প দিয়ে সাজানো এই এনিমে কালেকশন খুব একটা মন্দ না। কিছু পরিচিতি দেই-

*1.The Green Cat:
গল্পের মূল চরিত্র বলতে গেলে ৪টে, বিড়ালটা সহ। একটি দূর্ঘটনার কারণে সাংগো ছোটবেলাতেই একা হয়ে পড়ে। ঐসময় ত্রাণকর্তা হিসেবে তার কাছে আসে এক সবুজ বিড়াল। তার জীবন পাল্টে দেয় এই বিড়াল। একসময় আন্ডারওয়ার্ল্ডের বড় নাম হয়ে যায় সাংগোর। অন্যদিকে দেখা যায় শুনসাকু-বান নামের একজন ডিটেক্টিভ তার বন্ধুর খুনের রহস্য ভেদ করায় জান-প্রাণ দিয়ে খাটছে। ঘটনাক্রমে সাংগো এবং তার বিড়াল ও শুনসাকু-বানের মধ্যে কাকতালীয় সম্পর্ক বিরাজ করে। প্রকাশ পায় সবুজ বিড়ালের রহস্য।

lion-book-1

*2.Rain Boy:
পুরো কালেকশনে এই গল্পটিই সবচাইতে সুন্দর। বন্ধুত্ব এবং বন্ধুত্বের মর্যাদা দেয়ার বিষয়টি ফুটে উঠেছে এই গল্পে। ছোট্ট মোউতা’র কোন বন্ধু নেই। এই ছোট্ট জীবনে তার হতাশার শেষ নেই। হঠাৎ একদিন সে দেখে তারই সমান একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে ঘিরে আছে একটি পুরান ছাতা এবং মাথার উপরে এক টুকরো মেঘ। এক পর্যায়ে বন্ধুত্ব হয় তাদের। ছাতাবন্ধু মোউতার নতুন জুতা দেখে খুব করে বলে তাকে ঐ জুতোজোড়া দিয়ে দিতে বিনিময়ে তার ৩টা ইচ্ছা পূরণ করবে। মোউতার ৩টা ইচ্ছা পূরণ ও হয়ে যায়। কিন্তু সে ছাতাবন্ধুর কথা ভুলে যায়, ভুলে যায় তাদের প্রতিজ্ঞার কথা। ৪০ বছর পর হঠাৎ মোউতার মনে পড়ে। তখন সে শহরের এক ব্যবসায়ী। তাড়াতাড়ি সে গ্রামে ছুটে যায়। এবং ব্রিজের নীচে গিয়ে দেখে তার সেই ছাতাবন্ধু দাঁড়িয়ে আছে একা।

lion-book-3

*3. Lunn Flies into the Wind:
হাইস্কুলের স্টুডেন্ট আকিরা প্রতিদিন তার ক্লাসমেট এবং টিচারদের দ্বারা বুলিড হয়। একদিন বাসায় ফেরার পথে একটি কফির বিজ্ঞাপনের পোস্টার দেখে থমকে যায় সে। এক দেখাতেই ভালবেসে ফেলে পোস্টারের মেয়েটাকে। সে পোস্টারটা খুলে তার পড়ার টেবিলের সামনে টাঙিয়ে রাখে। মেয়েটাকে নাম দেয় লুন। সারাদিনের কাহিনী এবং জীবনধর্মী আলোচনা ছিল প্রতিদিনের বিষয়। একসময় সে খুঁজে বের করে পোস্টারের মেয়েটিকে। কিন্তু সে জানতে পারে এই কফির বিজ্ঞাপন অনেক পুরোনো। পোস্টারের মেয়েটির বিয়ে হয়ে এখন সে বুড়িয়েও গেছে। একটা মেয়েও আছে তার। যখন সে হাল ছাড়তে যাবে তখন সে ঐ মেয়েটিকে দেখল। আর পোস্টার টা? সেটা নাহয় দেখেই জানুন।

lion-book-4

*4. Yamataro Comes Back:
ভাল্লুকছানা ইয়ামাতারো ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারায়। বন্ধুত্ব পাতায় এক স্টিম ইঞ্জিনের সাথে নাম যার C64। এভাবে দিন কেটে যাচ্ছিল। সময়ের সাথে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়। টাউনের মানুষেরা ইয়ামাতারো কে মারতে আসে। কিন্তু C64 তার হুইসেল দিয়ে তাকে সতর্ক করে দেয়। এভাবে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল ইয়ামাতারো। একসময় সভ্যতার ছোঁয়ায় স্টিম ইঞ্জিনকে রিপ্লেস করে হাইস্পীড রেইল। তো টাউনের মানুষরা ফন্দি আঁটে সেই স্টিম ইঞ্জিনের হুইসেল দিয়ে ইয়ামাতারো কে ফাঁদে ফেলবে। কিন্তু C64 যখন এ কথা জানে তখন সে নিজে ক্র্যাশ করে, নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে বন্ধুত্বের টানে। এভাবে শেষবারের মত সতর্ক করে ইয়ামাতারো কে।

lion-book-5

*5. Adachi-ga Hara:
যদিও এটাকে সাই-ফাই তকমা দেয়া হয়েছে কিন্তু এটাকে সাই-ফাই বললে অপমান হবে। কাহিনী শুরু হয় একজন বৃদ্ধা মহিলাকে দিয়ে যাকে ডাইনী হিসেবে সন্দেহ করা হয়। জেস একজন তরুণ এস্ট্রোনাট। পৃথাবীতে থাকাকালীন সময়ে তৎকালীন স্বৈর সরকার কে উৎখাত করতে বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দেয় জেস এবং তার স্ত্রী। ঘটনাক্রমে তারা আলাদা হয়ে যায়। বছরের পর বছর কেটে যায়। জেস কে মিশনে পাঠানো হয় এই গ্রহে যেখানে গুজব রয়েছে এক ডাইনী এবং তার কুকীর্তির। একসময় ডাইনীর রহস্য ফাঁস হয়। কিন্তু ততক্ষনে দেরী হয়ে যায় অনেক।

lion-book-2

*6.Akuemon:
হিদারি তাইশো গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। একদিন এক জোতিষী তাকে বলে, যদি সে ১০০০ টা শেয়াল শিকার করতে পারে তবে সে দেশের শাসক হতে পারবে। এদিকে আকুয়েমন ছিল রগচটা ও হিংস্র একজন শিকারি। কেউ তাকে পছন্দ করত না। স্ত্রী এবং এক ছেলেকে নিয়ে থাকত। হিদারি তাকে বাছাই করে, নির্দেশ দেয় ১০০০ শেয়াল হত্যা করার। বিনিময়ে এটা-সেটা দিয়ে তার পরিবারকে সচ্ছল রাখত। ওদিকে শেয়ালবাহিনীর তরফ থেকে এক নারী শেয়ালকে পাঠাল আকুয়েমন কে শায়েস্তা করার জন্য। তো সেই নারী-শেয়াল আকুয়েমনের স্ত্রীর রূপ নেয়। এবং তার সাথে থাকতে শুরু করে। যখন আকুয়েমন শিকার করতে যায় তখন সে বাকিদের সতর্ক করে দেয়। একসময় আকুয়েমনকে ভালবেসে ফেলে সে। আর তাদের বাচ্চার সাথে অন্যরকম বন্ধন তৈরি হয়। একসময় ধরা পড়ে যায় সে। একদিকে তার শেয়ালবাহিনী আরেকদিকে আকুয়েমন ও তার বাচ্চাকে ছেড়ে যাবার শোক তার হৃদয়কে বিদীর্ণ করে দেয়।

lion-book-6

এই গল্পগুলো হয়ত অনেকেরই চেনা-জানা। কিন্তু এগুলোর এনিমে এডাপটেশনে অনেক কিছুই আপনি উপলদ্ধি করতে পারবেন যেটা হয়ত এমনি গল্পটি পড়ে আপনার মনে হয়নি। আবার অনেক কিছু আপনার কাছে ক্লিশে মনে হতে পারে। তবে ৬টা না দেখলেও Rain Boy, Lunn flies into the wind এবং Yamataro comes back, Akuemon -এই ৪টি পার্সোনালি রিকমেন্ড করব। যেহেতু এটা ‘৮০র এনিমে তাই এক্সপেকটেশন কম রাখাই ভাল। এখনকার ঝলমলে গ্রাফিক্সের সাথে তুলনা না করে দেখলেই মজা পাবেন। No one would watch this anyway.

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৪৪তম পাঠ

 

***কানজি কানজি কানজি***

kanji-21

আজকের কানজি “開”

কুনইয়োমি ( জাপানিজ রিডিং): “আকু,হিরাকু”(あく,ひらく)…অনইয়োমি (চাইনিজ রিডিং):”কাই”(かい)..

“আকু/হিরাকু” (開く)মানে “to open”.. এই কানজি টা লিখে “কু” হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয়…এটা একটা ভার্ব… (যে কোন verb/adjective এর রুট টা কানজি দিয়ে লিখতে হয় আর শেষে যাইই থাকুক হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয় যেমনঃ এখানে “কু” আছে)

“কাইকাইসুরু” (開会する) মানে to open a meeting ….

“কাইতেনসুরু” (開店する) মানে to open a shop….

“কাইকাইশিকি”( 開会式 ) মানে opening ceremony….

এখানে “কাই” এর জায়গায় এই কানজি বসে..

kanji-22

কানজির ছবি স্ট্রোক অর্ডারসহ দেয়া হল:

kanji-23

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৪৩তম পাঠ

 

***কানজি কানজি কানজি***

kanji-19

 

আজকের কানজি “建”

কুনইয়োমি ( জাপানিজ রিডিং): “তাতেরু” (たてる) অনইয়োমি (চাইনিজ রিডিং):”কেন”(けん)

“তাতেরু”(建てる) মানে to build…এই কানজি টা লিখে “তেরু” হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয়…এটা একটা ভার্ব… (যে কোন verb/adjective এর রুট টা কানজি দিয়ে লিখতে হয় আর শেষে যাইই থাকুক হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয় যেমনঃ এখানে “তেরু” আছে)

“তাতেমোনো” (建物) মানে “building” …. এখানে “তাতে”র জায়গায় এই কানজি বসে…

“কেনসেতসু” (建設) মানে “construction” এখানে “কেন” এর জায়গায় এই কানজি বসে..

kanji-18

কানজির ছবি স্ট্রোক অর্ডারসহ দেয়া হলঃ

kanji-20

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৪২তম পাঠ

 

***কানজি কানজি কানজি***

kanji-15

আজকের কানজি “所”…

কুনইয়োমি ( জাপানিজ রিডিং): “তোকোরো”(ところ)..অনইয়োমি(চাইনিজ রিডিং): “জো” (じょ), শো (しょ)…

“তোকোরো” (所) মানে place…

“দাইতোকোরো”(台所) মানে “kitchen”…

এসব জায়গায় “তোকোরো” এর জায়গায় এই কানজি বসে….

“বাশো” (場所) মানে place…”জুউশো” (住所) মানে address…. এখানে “শো” এর জায়গায় এই কানজি বসে…

“কিনজো” (近所) মানে Neighborhood…..এখানে “জো” এর জায়গায় এই কানজি বসে…

kanji-16

স্ট্রোক অর্ডারসহ ছবি নিচে দেয়া হল:

kanji-17

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৪১তম পাঠ

 

***কানজি কানজি কানজি***

kanji-12

আজকের কানজি “場”…

কুনইয়োমি ( জাপানিজ রিডিং):”বা” (ば )..অনইয়োমি(চাইনিজ রিডিং): “জৌ” (じょう)…

বাশো(場所) মানে place…

বাআই (場合) মানে situation….

বাআন(場案) মানে scene….

এসব ক্ষেত্রে “বা” এর জায়গায় এই কানজি বসে…..

উনদৌজৌ(運動場) মানে playground….

কাইজৌ ( 会場) মানে meeting place…

এখানে “জৌ” এর জায়গায় এই কানজি বসে…..

kanji-13

stroke order সহ ছবি নিচে দেয়া হল:

kanji-14

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৪০তম পাঠ

 

***কানজি কানজি কানজি***

kanji-9

আজকের কানজি ”運” …

কুনইয়োমি ( জাপানিজ রিডিং):”হাকোবু” ( はこぶ)…. অনইয়োমি(চাইনিজ রিডিং): “উন” (うん)…

“হাকোবু” ( 運ぶ) মানে হল to carry,to transport….”হাকোবু” একটা ভার্ব …এই কানজি টা লিখে “বু” হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয়..(যে কোন verb/adjective এর রুট টা কানজি দিয়ে লিখতে হয় আর শেষে যাইই থাকুক হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয় যেমনঃ এখানে “বু” আছে)

“উন” (運) মানে luck,fortune….

“উনদৌ” (運動) মানে sports,exercise,motion….

“উনতেনসুরু” (運転する) মানে to drive…..

এসব ক্ষেত্রে “উন” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…..

kanji-10

কানজির ছবি স্ট্রোক অর্ডারসহ দেয়া হল:

kanji-11

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩৯তম পাঠ

 

***কানজি কানজি কানজি***

kanji-7

আজকের দিনের ২য় কানজি “ভাল” এর কানজি “良”

অনইয়োমি ( চাইনিজ রিডিং): রিয়ৌ (りょう)…. কুনইয়োমি(জাপানিজ রিডিং): ইয়োই.. (よい)

“ইয়োই” (良い) অর্থ ভাল..

“ইয়োই ইচিনিচি ও” (良い一日を) -have a nice day….

“ইয়োই তাবি ও” 良い旅を- have a nice trip……

এসব ক্ষেত্রে “ইয়ো” এর জায়াগায় এই কানজি টা বসে আর সাথে হিরাগানা দিয়ে “ই” (い) লিখতে হয় …ইয়োই একটা adjective…(যে কোন verb/adjective এর রুট টা কানজি দিয়ে লিখতে হয় আর শেষে যাইই থাকুক হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয় যেমনঃ এখানে “ই” আছে)

“রিয়ৌ শিন” (良心) অর্থ conscience …

এখানে “রিয়ৌ” এর জায়গায় এই কানজি বসে…

স্ট্রোক অর্ডার সহ ছবি দেয়া হল..

kanji-8

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩৮তম পাঠ

 

***কানজি কানজি কানজি***

kanji-5

আজকের দিনের ১ম কানজি “খারাপ” এর কানজি  “悪”

অনইয়োমি ( চাইনিজ রিডিং): আকু (あく)…. কুনইয়োমি(জাপানিজ রিডিং): ওয়ারুই.. (わるい)

“ওয়ারুই” (悪い) অর্থ খারাপ…

“কিবুন গা ওয়ারুই” (気分が悪い) এর অর্থ “feeling bad”

“কুচি গা ওয়ারুই” ( 口が悪い) এর অর্থ ” having a sharp tongue”

এসব ক্ষেত্রে “ওয়ারু” এর জায়াগায় এই কানজি টা বসে আর সাথে হিরাগানা দিয়ে “ই” (い) লিখতে হয় … ওয়ারুই একটা adjective…(যে কোন verb/adjective এর রুট টা কানজি দিয়ে লিখতে হয় আর শেষে যাইই থাকুক হিরাগানা দিয়ে লিখতে হয় যেমনঃ এখানে “ই” আছে)

“আকুনিন” (悪人) অর্থ খারাপ মানুষ … এখানে “আকু” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে….(ওয়ারুই হিতো মানেও সেম)

স্ট্রোক অর্ডার সহ ছবি দেয়া হল..

kanji-6