Anime Suggestion: Joshiraku — Imamul Kabir Rivu

শৌয়া গেনরোকু রাকুগো দেখে অনেকেরই হয়তো রাকুগো নিয়ে আগ্রহ জেগেছে । রাকুগো নিয়ে আরেকটি আনিমে আছে কিন্তু, তা জোশিরাকু । তবে এটা নামে মাত্র রাকুগো নিয়ে যদিও, কেননা রাকুগো নিয়ে বলার চেয়ে ৫ জন রাকুগো পারফর্মারের দৈনন্দিন জীবনের কাহিনী বলাটা বেশি মানানসই । পুরা আনিমেতে রাকুগোর দেখা পাবেন সুধু প্রতি পর্বের শুরুর দিকে । এরপর থেকে মারি, তেতোরা, কিগু, গান-চান এবং কুকুরুরা মিলে কি করে সেটাই পুরা পর্ব জুড়ে দেখানো হয় ।

Joshiraku

দেখতে মনে হয় কিউট গার্ল্স ডুইং কিউট থিংস তবে ঔ কাতারের আনিমের তুলনায় এই আনিমেটির কমেডিক এলিমেন্ট বেশ ম্যাচিউর । এছাড়া নানা বিষয় নিয়ে প্যারোডিও করা হয়েছে আনিমেটির মধ্যে । এই প্যারোডিগুলা ঠিক আনিমের চেয়ে বাস্তব জিনিশের পরিমান বেশি ।

ওপেনিং-এন্ডিং দুটা দেখেই বেশ মজা পাবেন । এটার এন্ডিংটা নিয়ে বহু প্যারোডিও আছে, যা ইউটিউবে গেলেই পাবেন ।

৫ জনের সেইয়ূও এখন বেশ পরিচিত নাম হলেও এই আনিমের রোলগুলা দিয়েই উঠে আসার পথ চলা, যদিও গান-চানের কণ্ঠ অভিনেত্রী নানজৌ ইয়োশিনো এর আগেই কাতেকিয়ো হিটম্যান রিবর্নের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ইউনির কণ্ঠ দিয়েছেন এবং এখন হয়তো লাভ লাইভ আর এর সাথে ফ্রিপসাইডের জন্যই বেশি পরিচিত । ওহ্ আর বাকি ৪ জন হল গোতৌ সাওরি, কোয়াই কোতোরি, সাকুরা আয়ানে এবং ইয়ামামোতো নোযোমি ।

১২ পর্বের হালকা ধাঁচের স্লাইস অফ লাইফ-কমেডি আনিমে । সময় নিয়ে দেখে ফেলতে পারুন । ওহ্, আর এই আনিমে এবং সায়োনারা যেৎসুবৌ সেনসেই-এর অথর কিন্তু একই ব্যক্তি ।

দেনপা তেকি না কানোজো [রিভিউ] — Imamul Kabir Rivu

—রিভিউ—

আনিমে – দেনপা তেকি না কানোজো
পর্ব – ২
জনরা – মিস্টেরি, থ্রিলার

দেনপা তেকি না কানোজো মূলত একটি ২ পর্বের এক এক্সেপশনাল ওভিয়ে । এবং এর কাহিনী এক বাক্যে, দুই প্রধান চরিত্র জুযাওয়া জূ এবং ওচিবানা আমের ২ পর্ব ধরে ২ টি কেস সল্ভ করার কাহিনী । তবে এর কিন্তু কোন ডিটেক্টিভ ডুয়ো না বরং বুঝতে উঠে পারার আগেই তারা কেসটির সাথে জড়িয়ে যায় ।

কাহিনীর শুরু হয় ঠিক কিভাবে জুযাওয়া জূ-এর সঙ্গে ওচিবানা আমের মিল হয় ও থেকে । ওচিবানা আমে হঠাৎ এসে হাজির হয় জূ-এর সামনে এবং সে বলে সে জূ-এর সাথে তার পূর্ব জন্মে পরিচিত ছিল তাই তাকে এখন থেকে সার্ভেন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে । প্রথমে জূ বিষয় এটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাক্রমে মেনে নেয় ।

এবার আসি মূল কাহিনীতে । আগেই বলেছি, ২ পর্বে ২ টি ভিন্ন কেস । প্রথমটা বেশ টিপিকাল, দ্বিতীয় বেশ এক্সেপশনাল । প্রথমটার কাহিনী ঠিক এক সিরিয়াল কিলারকে নিয়ে । এই সিরিয়াল কিলার জ-এর নজরে আসে তার এক ঘনিষ্ট বন্ধের খুনের পর । প্রথমে ওচিবানা আমেকে সন্দেহ করলেও ঘটনাক্রমে বের হয়ে আসে আসল দোষী কে, তবে তা দেখে নেওয়ার কাজ আপনার । দ্বিতীয় পর্বটির কাহিনী ঠিক একটি মেয়ের ট্রমাকে ঘিরে । তার ট্রমার সাথে খানিকটা ওয়ারিমোনোগাতারির দ্বিতীয় আর্কে ঔকুরা সোদাচির ট্রমার সাথে কিছুটা মিল আছে, যাদের ওয়ারিমোনোগাতারি দেখা আছে তারা হয়তো কিছুটা ধরতে পেরেছেন । এ কাহিনীটা আমার বেশ ভালো লেগেছিল । কাহিনীটির মাঝে এক বড় টুয়িস্ট আছে । এবং সুধু তাই নয় ঠিক শেষের দিকে আরেকটি টুইস্ট । আগেই বলে দেই ওভিয়েটির এন্ডিংটা বেশ শকিং ।

আর্টটা বেশ ভালো ছিল । তবে এখানে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ব্যাকগ্রাউন্ড ডিটেইলিং-এর উপর । ক্যারেক্টার ডিজাইনটা মোটামোটি তবে ব্যাকগ্রাউন্ড এবং চারপাশে পরিবেশ বেশ অসাধারণ ছিল । এর কোন ওপেনিং তবে ২ পর্বে ২ টি ভিন্ন এন্ডিং । ২ টি এন্ডিংই বেশ সুন্দর ছিল, বিশেষ করে দ্বিতীয় এন্ডিংটা বেশ সুন্দর এবং ইমোশোনাল ছিল ।

চরিত্রগুলোকেও বেশ ভালো লাগবে । কোন এক্সেপশনাল চরিত্র নেই । আর বাকি সাধারণ আনিমেগুলোর চরিত্রের ব্যক্তিত্বই এই আনিমের চরিত্রেগুলোর মাঝে বিদ্যমান । ২ পর্বে চারিত্রিক উন্নতি দেখানো প্রায় অসম্ভব, তাই তেমন কোন চারিত্রিক উন্নতি ২ টা পর্বে নজরে পরবে না ।

এবার আসি সেইয়ূদের কথায় । হিকারু এবং ফুজিশিমা কানাকো বাদে বাকি সবার সেইয়ূই ছিল অভিজ্ঞ এবং খ্যাতিমান । আমার কার কোন সেইয়ূ তা বের করতে নেটের কোন সাহাজ্যই লাগে নাই । না দেথেই বলে দেওয়া যায় যে জুযাওয়া জূর কণ্ঠ দিয়েছেন হোসোয়া ইয়োশিমাসা এবং ওচিবানা আমের কণ্ঠ দিয়েছেন হিরোহাশি রিয়ৌ । এছাড়া কাস্টে আরও ছিল কোশিমিযু আমি, উয়েদা কানা, সাইগা মিৎসুকি, কোবায়াশি ইয়ূ, নাকাহারা মাই এবং কিতামুরা এরিদের মত অসাধারণ কণ্ঠ অভিনেত্রীরা । মাত্র ২ পর্বের জিনিশে এরকম নামি-দামিদের দিয়ে কাজ করানো বেশ ভালো জিনিশ । শেষমেশ, সাইগা মিৎসকি বাদে বাকি সবায়ই আমার প্রিয় সেইয়ূ ।

৪ পর্বের সমান মাত্র ২ পর্বের ওভিয়ে, কেননা প্রতি পর্ব ৪০ মিনিট করে । অল্প সময়ের মধ্যে কোন ভালো মিস্টেরি আনিমে দেখতে চাইলে দেখে ফেলুন দেনপা তেকি না কানোজো ।

denpa teki no kanojo

Behind the Voices – 14

হোসোয়া ইয়োশিমাসা

হোসোয়া ইয়োশিমাসা সাধারণত তার এক্সেপশনালি ম্যানলি কণ্ঠের জন্য পরিচিত । সে সুধু মাত্র তার কণ্ঠ দিয়েই তার চরিত্রগুলার মধ্যে এক ইউনিক ভাইব তুলে ধরে । বেশির ভাগ সময়ে তার চরিত্রগুলো একটা ম্যানলি ইম্প্রেশন ফেলে যায় ফ্যানদের মাঝে, মূলত তার এই ম্যানলি কণ্ঠের জন্যেই । এমনে তিনি আমার সবচেয়ে প্রিয় সেইয়ূগুলার মাঝে তিনি একজন ।

২০০৪ থেকে ভয়েস অ্যাক্টিং-এর সাথে জরিত থাকলেও, তার স্ক্রিনটাইম পাওয়া কোন ভালো রোল পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২০১০ পর্যন্ত । তার প্রথম মেজর রোল হল কাতানাগাতারির ইয়াসুরি শিচিকা । ঠিক তারপর থেকেই প্রতি বছর কোন না কোন অসাধারণ রোল পেয়েই যাচ্ছেন তিনি ।

আমি প্রথমে তার ভক্ত হই চিহায়াফুরুর ওয়াতায়া আরাতা, কুরোকো নো বাস্কেটের হিয়ূগা জুনপেই এবং স্ট্রাইক দি ব্লাডের আকাৎসুকি কোজৌ এই তিনটি রোলের জন্য । এরপর তার আরও যত রোল দেখি প্রায় সবই ভালো লাগা শুরু করে, সাধারণত কোন কণ্ঠ-অভিনেতার কাজ দেখে আমি এতটা ইম্প্রেস্ড হই নাই । যাই হোক তার আরও কিছু পছন্দের রোলগুলো হল কাতানাগাতারির ইয়াসুরি শিচিকা, আকামে গা কিলের ওয়েইভ, এস অফ ডায়ামন্ডের ইয়ুকি তেৎসুয়া, ডেথ প্যারেডের গিনটি, হাইস্কুল DXD-এর মিকাইল, ম্যাজাইয়ের মাস্রুর, ফ্রি-এর ইয়ামাযাকি সৌস্কে এবং হাইকিউয়ের আসাহি ।

1

তার গানের কণ্ঠও বেশ প্রখর । ইনু এক্স বকু, ফ্রি, কিমি নো ইরু মাচি, প্রিন্স অফ টেনিস এবং আরও কিছু আনিমের ওপেনিং অথবা এন্ডিং-এ অবদান আছে তার ।

তার কণ্ঠ অভিনয় বরাবরই বেশ ভাল্লাগে এবং তিনি তার কণ্ঠ অভিনয়ের মাঝে কেমন জানি এক ইউনিক ফিল আনতে পারে, যা অনেক নামকরা কণ্ঠ অভিনেতারাও পারে না । এছাড়া বছরের পর বছরের তার রোলের পরিমান বেড়েই চলছে । এই বছরেও আজিন, বুঙ্গৌ স্ট্রে ডগ্স, বকু নো হিরো অ্যাকাডেমিয়ার মত আনিমেতে কণ্ঠ দিবেন তিনি । সামনে যে ভালো ভালো রোল পাবেন তিনি তা একেবারে স্বচ্ছ । ওহ্, আর আজকে কিন্তু তার ৩৪ তম জন্মদিন 😉 ।

2

 

কানায়ে ইতৌ

কানায়ে ইতৌর কণ্ঠ নিয়ে যদি কোন মন্তব্য করতেই হয় তবে ‘অধিক কিউট’ বাদে আর কিছু মাথায় আসে না । এই পর্যন্ত তার যত রোল দেখেছি সবগুলা চরিত্রতেই তার কাজ এত সূক্ষ ছিল যে চরিত্রটির কিউটনেস হয়তো তার কণ্ঠের জন্যেই বেশ বেড়ে গিয়েছে । তার কণ্ঠে বেশ ফেমিনিন ভাব আছে এবং শুনতেও বেশ ভাল্লাগে ।

তার বেশ ভালো পরিমানেরই রোল আছে, যদিও আমি মনে করি তার আরও বেশি রোল থাকা উচিৎ । তার যে রোলগুলো বেশ ভালো লেগেছে তা হল বকু ওয়া তোমোদাচি গা সুকুনাই-এর নিকু ইয়ে মানে কাশিওয়াযাকি সেনা ( আমার মতে তার সেরা রোল এবং জনগণের মতেও ), কামি নোমি যো শিরু সেকাই-এর এলশি, ওদা নোবুনা নো ইয়াবৌ-এর ওদা নোবুনা, হাতারাকু মাও সামার সুযুনো, রেইলগান-এর সাতেন রুইকো, ওকামি-সান তো শিচিনিন নো নাকামাতাচি-এর আকাই রিঙ্গো, টু-লাভ রু-এর নানা ডেভিলিউক ।

3

তার গানগুলার সংখ্যাও বেশ বড় । আসোবি নি ইকু ইয়ো, বকু ওয়া তোমোদাচি গা সুকুনাই, কামি নোমি যো শিরু সেকাই, মায়োই নেকো, কুইন্স ব্লেড, শিনরিয়াকু ইকা মুসুমে, তাইশৌ ইয়াকিউ মুসুমে এবং আরও কিছু আনিমের ওপেনিং অথবা এন্ডিং অথবা ইনসার্ট সং হিসেবে তার গান ব্যবহার করা হয়েছে । ইচ্ছা থাকলে ইউটিউব ঘেটে শুনে নিতে পারেন, তার গানের গলাও বেশ সুন্দর ।

তার জন্ম নভেম্বর ২৬, ১৯৮৬ । ব্যক্তিগত জীবনে তিনি আকি তোয়োসাকির বেশ ভালো বন্ধু যেহেতু তারা একসাথে বেশ অনেকগুলো আনিমেতেই কাজ করেছে ( আকি তোয়োসাকিকে অনেকেই চিনেন হিরাসাওয়া ইয়ুইর জন্য এছাড়া তাকে নিয়ে সেগমেন্টে না লিখলেও কোন একদিন পোস্ট দিসিলাম, সার্চ করে নিতে পারেন না দেখে থাকলে ) । কানায়ে ইতৌ সামনে আরও রোল পাবে এই আশা রইলো ।

4

Behind the Voices – 13

কাজি ইয়ূকি

কাজি ইয়ুকির কণ্ঠটা তার বয়সের তুলনায় বেশ ইম্মেচিউর । তবে সব কণ্ঠ অভিনেতারই যে সবসময় অধিক ম্যানলি চরিত্র করতে হবে তা তো আর নয় । সে তার এই কণ্ঠটাই নিজের সুভিধায় লাগিয়ে, নিজের ধাঁচের চরিত্রকেই কণ্ঠ দেওয়ায় নিজের দক্ষতা বারিয়েছে । এবং এখন আর বলা লাগে না যে আনিমে ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সফল কণ্ঠ অভিনেতাদের মধ্যে তিনি একজন ।

কাজি ইয়ুকি বরাবরই কিশোর চরিত্রগুলোর কণ্ঠ দেওয়ার জন্য বেশ নামকরা, তবে কিছু কিছু অন্য রকম চরিত্রেরও কণ্ঠ দেওয়ার নমুনা আছে তার । সে আমার পছন্দের সেইয়ূর তালিকায় না থাকলেও তার বেশ কিছু রোল খুব ভালো লেগেছে তা মানতে রাজি । তার পছন্দের রোলগুলো হল ম্যাজাই-এর আলিবাবা, শিঙ্গেকি নো কিয়োজিনের এরেন ইয়েগার, হাইস্কুল DXD ইস্সেই, এস অফ ডায়ামন্ডের নারুমিয়া মেই, ব্ল্যাক বুলেটের রেনতারো, গিল্টি ক্রাউনের ঔমা শূ, নিসেকোই-এর মাইকো শূ, দুরারারার ওয়াকার, নোরাগামির ইউকিনে, হেন্তাই ঔজির হেন্তাই ঔজি, হাইকিউ-এর কেনমা, বাকুমানের তাৎসুরৌ এবং কুরোশিৎসুজির ফিনিয়ান । এছাড়া একজন গায়ক হিসেবেও তার ক্ষ্যতি আছে ।

1

তার জন্ম ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ । একজন সেইয়ূ হিসেবে তিনি ২০০৬ থেকে অ্যাক্টিভ । তার সামনে আরও আরও ভালো রোল আসবে এ আশা করি ।

2

সাকুরা আয়ানে

কণ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে অধিক পটেনশিয়ালের অধিকারীদের একজন সাকুরা আয়ানে । তার গলায় এক ইউনিক টান থাকলেও প্রায় সব ধাঁচের চরিত্র করাতেই দক্ষ তিনি ।

মাত্র ২০১০-এ অভিষেক হয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই বেশ নাম করে ফেলেছেন তিনি । এবং গত বছর থেকে যদি কোন হটশট কণ্ঠ অভিনেত্রীর নাম বলতে হয় তাহলে তার নাম নিঃসন্দেহে বলা হবে । ২০১১ থেকেই কম পক্ষে প্রতি বছর ১০ টা রোল আছে তার, তবে ২০১৩-এর আগ পর্যন্ত তার বেশির ভাগই ছিল গুরুত্বহীন সাইড ক্যারেক্টার । ২০১৪ থেকে হঠাৎ একাধিক ভালো ভালো রোল পাওয়া শুরু তার এবং তা ২০১৫ তেও বিদ্যমান ছিল ।

তার যে রোলগুলো আমার বেশ পছন্দ তা হল গোচিউসার কোকোয়া, ট্রিনিটি সেভেনের লেভি, সাইকো পাসের শিমোৎসুকি, ওরেগাইরুর ইশ্শিকি ইরোহা, ভিভিডরেড ওপেরেশনের আকানে, শিগাৎসুর সুবাকি এবং সাথে একটা পচা গেমের সেন্দাই, নাগাতো, মুৎসু এবং শিমাকাযে । এছাড়া তার হাইস্কুল DXD-এর গ্যাস্পার রোলটাও বেশ ভালো ছিল :v ।

3

তার কাজ করা বেশ কিছু আনিমেগুলার ওপেনিং-এন্ডিং এও তার অবদান রয়েছে যেমন হিদান নো আরিয়া, জোশিরাকু, নন নন বিয়োরি ইত্যাদি ।

কয়েকদিন আগেই তার জন্মদিন ছিল ২৯ জানুয়ারি । তার বয়স মাত্র ২২ এবং সামনে যে তার এক উজ্জ্বল ক্যারিয়ার আছে, তা তার পারফর্মেন্সই বলে দেয় ।

4

Behind the Voices – 12

উচিয়ামা কৌকি

উচিয়ামা কৌকির কণ্ঠটায় ঠিক অচঁচল এবং ‘ Don’t know, Don’t care’ ভাব আসে তার কণ্ঠের মাঝে । তাই সে সাধারণত এই ধাঁচের চরিত্রেরই কণ্ঠ দিয়ে থাকে এবং ৯০% কিশোর অথবা তরুণ চরিত্র । সে বেশির ভাগ সময়ই কণ্ঠ অভিনয় ছাড়া মিডিয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখেন ।

তার রোলগুলা বেশ ইউনিক হয় । আমার তার অনেক রোলই বেশ প্রিয় সেগুলো হচ্ছে সৌল ইটারের সৌল, হান্টার হান্টারের মেরেউয়েম, আমাগি ব্রিলিয়ান্ট পার্কের কানিয়ে সেইয়া, নিসেকোই-এর ইচিজৌ রাকু, বারাকামনের হিরোশি, হোতারুবি নো মোরি য়ে-এর গিন, হাইকিউর সুকিশিমা, বিনবৌগামি গা-এর কেইতা, সি-এর কিমিমারো, ডেথ প্যারেডের ক্লাভিস এবং যেতসুয়েন নো টেম্পেস্টের ইয়োশিনো । মজার ব্যাপার হল, নিসেকোই-এর ইচিজৌ রাকু এবং ইনফিনিট স্ট্রাটোসের ওরিমুরা ইচিকাকে চরিত্রের ক্ষেত্রে এক কাতারেই ফেলানো হয়, তাদের দুজনেরই সেইয়ূও কিন্তু এই লোক । কিংডম হার্টসের রক্সাস এবং রিবর্নের অ্যাডাপ্ট না হওয়া চ্যপ্টারগুলোতে কোযাতো এন্মার কণ্ঠও কিন্তু তিনি দিসেন ( কোন স্টুডিও অ্যাডাপ্ট করে না কেন >_< ) ।

1

তার জন্ম ১৬ আগস্ট, ১৯৯০ । কণ্ঠ অভিনয়ে তার অভিষেক ২০০৭-এ হলেও তিনি তার আগে টেলেভিশন ড্রামায় অভিনয় করতেন । ২০১১ সালের 5th Annual Seiyuu Awards-এ ‘Best New Actor’ পদক তিনি জিতেছেন । সামনে আরও ভালো ভালো রোল করবেন তিনি, সেটা তার দক্ষতা দেখেই বুঝা যায় ।

2

 

তৌয়ামা নাও

জাপানের কণ্ঠ অভিনয়ের ইন্ডাস্ট্রিতে যদি কেউকে সেরা ইংরেজি বলার খেতাব দেওয়া হয়ে থাকে, তবে আমি বিশ্বাস করি তার অধিকারি হবেন তৌয়ামা নাও । একজন কণ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনি প্রখর, ঠিক তার ইংরেজি বলার দক্ষতার মতই । তার কণ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে আবির্ভাব ২০১০-এ । এবং তার প্রথম রোলই ছিল কামি নোমি যো শিরু সেকাই-এর কানোন যিনি বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র ছিলেন পুরা ফ্র্যান্চাইজে ।

কণ্ঠ অভিনয়ে তার গলার স্বর ধরা সহজ, তাই অনেকের কাছেই একটা ব্যাপার অজানা হয়ে থাকে যে সে সহজেই স্বর পরিবর্তন করতে পারেন । এটা হয়তো অনেক কণ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই পারে তবে গানের মধ্যে এই দক্ষতা প্রয়োগ করতে পারে, এরকম খুব কম জনকেই দেখেছি ( https://goo.gl/uaG4xlএইটা শুনে দেখতে পারেন ) । তার কণ্ঠটা প্রথমে প্রথমে পছন্দ হত না । আমার এখনো মনে আছে ২০১৪-এর দিকে আমি আর আমার এক বন্ধু মিলে তাকে ব্যাশ করতাম, যদিও সে সাওয়াশিরো মিয়ুকির বেশ বড় ভক্ত :3 । তবে ঠিক একটা গেম খেলার পর এবং তার আগে কিছু কিছু আনিমে দেখে আমার মতামত পরিবর্তন হয়েছে ।

৪ বছরে সে এক গাদা রোল করেছেন, এবং ২০১৩-এর শেষের দিক থেকে সে স্পটলাইটে আসতে শুরু করেন । কিনিরো মোজাইকের কুজৌ কারেন, গেট-এর লালেনা, কামি নোমি-এর কানন, ট্রিনিটি সেভেন-এর শার্লক লিসেলট্টে, ওরেশুরার নাৎসুকাওয়া মানা তার এই রোলগুলা আমার বেশ পছন্দ । সুধু তাই নয় কানকোলেতে তিনি একা ৬ টা রোল করেছেন কঙ্গৌ, হিয়েই, হারুনা, কিরিশিমা, মায়া, আতাগো এবং সবগুলাই আমার বেশ ভালো লেগেছে । এছাড়া তিনি গেমে মায়া এবং চৌকাই-এর কণ্ঠও দিয়েছেন যারা এ বছরে ফ্র্যান্চাইজটির মুভিতেই আসবে ।

3

তার গানগুলো এবং লাইভ পার্ফোমেন্স গুলোর বেশ বড় ভক্ত আমি । কামি নোমিতে কানোনের হইয়ে সে বেশ কয়েকটি গান গিয়েছেন, যার মধ্যে Love Kanon (https://goo.gl/NlpjRy) এবং All for you (https://goo.gl/xyfHVn) আমার বেশ প্রিয় শুনে দেখতে পারেন । এছাড়া Gate, Ikoku Meiro no Crosiee, Nisekoi, Military, Sabagebu, Oregairu, Zettai Karen Children-Unlimited, Symphogear এবং আরও কিছু আনিমেতে তার গাওয়া গান ওপেনিং অথবা এন্ডিং হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে ।

তার জন্ম ১১ মার্চ, ১৯৯২ । তার শিক্ষিকা হওয়ারও যোগ্যতা আছে, কারণ সে ইংরেজি এবং ইতিহাশের উপর উচ্চ শিক্ষার ডিগ্রি অর্জনের খেতাব আছে । এছাড়া তিনি কিন্তু একজন জোজো ভক্ত ।

4

কিনিরো মোজাইক [রিভিউ] — ইমামুল কবির রিভু

কিনিরো মোজাইক

জনরা: স্লাইস অফ লাইফ, কমেডি

কিনিরো মোজাইক আর ১০-১২ টা অতি সাধারণ কিউট গার্ল্স ডুইং কিউট থিংস কাতারের আনিমেগুলোরই একটা । এবং এই প্রজাতির সকল আনিমের মতই কিনমোজার কাহিনী বেশ সাধারণ এবং হালকা ধাঁচের । ৫ জন মেয়ে শিনো, আলিস, কারেন, ইয়োকো এবং আয়ায়া তাদের দৈনন্দিন জীবনই এই আনিমেতে তুলে ধরা হয় ।

কাহিনী শুরু হয় ঠিক শিনো ব্রিটেইনে যায়, ওখানে কিছুদিন আলিসের বাসায় স্টে ওভার করে এবং ওর থেকেই আলিসের সাথে গভির বন্ধুত্বের সুচনা । আলিস এবং শিনো বেশ অল্প সময়েই একে অপরের বেশ ঘনিষ্ট হয়ে উঠে । কেননা শিনোর পছন্দ ক্লাসিকাল ব্রিটিশ মেয়ে এবং তার সাথে ব্লণ্ড চুল, যার বাস্তব উদাহরন আলিস এবং ঠিকই আলিসের পছন্দ শিনোর মত ইয়ামাতো নাদেশিকো । তবে কাহিনী এদের নিয়ে শুরু হলেও আস্তে আস্তে ইয়োকো এবং আয়া দুজনকে তুলে ধরে, যারা বেশ আকর্ষণীয় জুটি । এবং সবশেষে আসে সিরিজের সেরা চরিত্র কারেন । এ থেকেই তাদের দৈনন্দিন জীবনের মজার মজার কাহিনীগুলা তুলে ধরাই হল আনিমেটির মূল উদ্দেশ্য ।

কিনিরো মোজাইকের সবচেয়ে সেরা দিক হল তার চরিত্রগুলো । ৫ জন মেয়েই বেশ ইউনিক । যদিও সিরিজটা নিজের পেসে দেখতে থাকেন আস্তে আস্তে আপনার ৫ জনকেই বেশ ভালো লাগা শুরু করবে । এছাড়া কারাসুমা সেনসেই, ইয়োকোর দুই ছোট ভাই-বোন, শিনোর বড় বোন ইসামি এবং দ্বিতীয় সিজনে আসে কুযেহাশি সেনসেই আর মাৎসুবারা হোনোকা এরাও বেশ অসাধারণ সাইড ক্যারেক্টার ।

আনিমেটার সব ওপেনিং-এন্ডিং Rhodanthe-দের গাওয়া । এবং Rhodanthe হল এই আনিমেটির জন্যই বিশেষ তৈরি ব্যাণ্ড । আর এর মেম্বাররা হল তৌয়ামা নাও, তানেদা রিসা, উচিয়ামা ইয়ুমি, নিশি আসুকা এবং তানাকা মানামি যারা কারেন, আয়ায়া, ইয়োকো, শিনো এবং আলিসের সেইয়ূ । এই আনিমেতে ৫ জনই বেশ অসাধারণ ছিল । তৌয়ামা নাও এবং তানাকা মানামির ইংরেজি ছিল বেশ অসাধারণ এবং ব্রিটিশ মেয়েগুলোর কণ্ঠভুঙ্গির সাথে একেবারে মানানসই । এছাড়া আরও ছিল সাতৌ সাতোমি, ওনিশি সাওরি, মেগুমি হান, তামুরা ইয়ুকারির মত বেশ ভালো ভালো সেইয়ূরাও ।

আর্টটা বেশ সুন্দর ছিল । ব্রাইট এবং চিয়ারফুল পরিবেশ তৈরিতে ছিল সফল, যা আনিমের সাথে মানানসই । প্রথম সিজন এবং দ্বিতীয় সিজন মিলিয়ে মাত্র ২৪ পর্বের আনিমে, প্রতি সিজনে ১২টি পর্ব । আমার মতে, এক সিজন দেখে মাঝখানে কিছু ইন্টেন্স কোন সিরিজ দেখে দ্বিতীয় সিজন শুরু করা সেরা উপায় । যদি কোন হালকা ধাঁচের আনিমে দেখে মনটাকে ঠাণ্ডা করতেন, যদি বেশ সাধারণ কিছু দেখেই মন খুলে হাসতে চান তবে কিনিরো মোজাইক আপনার জন্যে সেরা সাজেশন ।

Kiniro Mosaic

Behind the Voices – 11

বছর তো প্রায় শেষ, তাই আমার কাছে এই বছরে যাদের কে সেরা সেইয়ূ মনে হয়েছে তাদের নিয়ে লেখছি

মায়েনো তোমোআকি

মায়েনো তোমোআকি সাধারণত কঠোর ব্যক্তিত্বের, মুখের ভাবলেশহীন চরিত্র অন্য কারও চেয়ে বেশ অসাধারণভাবে তুলে ধরতে পারে । তার কণ্ঠ এই রকম চরিত্রের সাথে পুরোপুরি মানানসই । তবে সে অন্য ধাঁচের চরিত্র বিশেষ করে ম্যানলি চরিত্রও খুব ভালোভাবে তুলে ধরতে পারেন ।

যেহেতু এই বছরের আমার মতে সেরা সেইয়ূদের নিয়েই লিখছি তাই প্রথমে এই বছরে তার কোন রোলগুলো আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে তাদের নিয়েই বলি প্রথমে । তার এ বছরের তিনটা রোল আমার বেশ ভালো লেগেছে ডেথ প্যারাডের ডেচিম, আকাৎসুকি নো ইয়োনার হাক এবং ইয়োমুশি পেডালের গ্র্যান্ড রোডের ফুকুতোমি । ওহ, সাথে আওহারু কিকানজুর মাৎসুওকা মাসামুনে, ওয়ারি নো সেরাফের এক মাইনর রোল কুরেতো এবং এই বছর রিলিজ হওয়া কুরোশিৎসুজির ওভিএ বুক অফ মার্ডারে আরেক মাইনোর রোল ফিলিপ্স চার্ল্স রোলগুলোও ভালো ছিল । এই বছরে তার চেয়ে বেশি রোল করেছেন এমন অনেক সেইয়ূ আছে তবে তার রোলগুলো সে অনেক ভালোভাবে করেছে বলেই তাকে এই বছরে আমার মতে সেরা মনে হয়েছে ।

এছাড়া তার আগেও অনেক ভালো ভালো রোল ছিল যা বেশ ভালোই লেগেছে । যেমন আমাগামি 卐 আনিমের তাচিবানা জুনিচি, নারুতোর পেইন ( দেব পথ ), লগ হরাইযোনের নাওয়েৎসুগু এই রোলগুলো বেশ ভালো লেগেছে ।

1

তার জন্ম ২৬ মে, ১৯৮২ এবং ২০০৮ থেকে সে কণ্ঠ-অভিনয় করেন । একজন কণ্ঠ অভিনেতা হিসেবে সে বেশ দক্ষ এবং সামনে আরও রোল থাকবে তা আশা করি ।

2

তানেদা রিসা

“সেনপাই, সেনপাই, সেনপাই” এই ডাক নানা রকম আনিমেতেই বেশ ঘনঘনই শুনা যায়, এবং আনিমে কমিউনিটিতেও এইটা এখন এবোলার মত ছড়ায় যাচ্ছে নানা রকম পোস্ট, কমেন্ট সেকশনেই এখন ভাই-আপা বাদ দিয়া পোলাপান আজকাল সেনপাই বলে বেড়ায় মানুষজন যাই হোক এ নিয়া আমার কোন অভিযোগ নাই । এইবার প্রসঙ্গে আসি এই ডাক ঠিক এক এক জন বিভিন্নভাবে ডাকে, কারোটা শুনতে বেশ বিরক্তিকর লাগে আবার কারো কারো ডাক অতিরিক্ত কিউট শুনায় । ঠিক এই সেনপাই বলাতে এক্সপার্ট এরকম যদি কাউকে নির্ধারণ করতে হয় তাইলে আমার মতে সে তানেদা রিসা । তানেদা রিসার কণ্ঠটা ঠিক অন্যরকম বেশ কিউটও শোনায় আবার সে বেশ সেডাক্টিভ কণ্ঠ করায়ও এক্সপার্ট । তার কণ্ঠের পরিসীমা তেমন ব্যাপক নয় তবে নানা রকম চরিত্র তুলে ধরায় সে পারদর্শী, চরম পর্যায়ের উদাসীন থেকে সিরিয়াস মানসিকতার চরিত্র সবারই কণ্ঠ সে আসধারণভাবে দিতে পারে ।

এই বছরের সেরা চরিত্রদের মধ্যে একজন মিয়াযোনো কাওরি । অনেকেই ভাবতেই পারে হয়তো কাওরির জন্যই আমার তাকে এই বছরের সেরা কণ্ঠ অভিনেত্রী মনে হচ্ছে তবে না । প্রথমত আনিমেটা আমার একটুও পছন্দ নয় আমার মেলোড্রামা অবশ্য পছন্দ না, চরিত্রটাকেও তেমন ভাল্লাগে নাই তবে তানেদা রিসা যে চরিত্রটাকে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই । হয়তো তার মত এত ভালো কেউ-ই আর পারতো না । এই বছরে তার যে দুইটি রোল আমার বেশ পছন্দের তা হল Gate আনিমেটির ররি মার্কারি এবং Shokugeki no Souma আনিমেটির এরিনা নাকিরি এই দুইটি চরিত্র । নাকিরির ঔদ্ধত্য এবং ররির আবেদনময়ী কণ্ঠ দুইটাই সে নির্ভুলভাবে তুলে ধরতে পেরেছে । এছাড়া এই বছর তার আরও ভালো ভালো রোল ছিল Highschool DXD-এর যেনোভিয়া, এই রোলটাও আমার বেশ পছন্দের এবং কেন জানি তাকে রিয়াস আর আকেনোর চেয়ে বেশি ভালো লাগে ।

কণ্ঠ অভিনয়ে সে নতুন মাত্র ২০১২ তে কিছু মাইনর রোল দিয়ে তার অভিষেক । তবে তার এক বছর পরেই কিছু ভালো ভালো রোল এবং আরও অনেকগুলো রোলই সে পেয়েছে এবং এই পর্যন্ত ২০১৪ তার জন্য সেরা বছর । তার বাকি যে রোলগুলা বেশ পছন্দের তা হল Kyoukai no Kanata-এর কুরিয়ামা মিরাই, Strike the Blood-এর হিমেরাগি ইয়ুকিনা, Inou-Battle wa Nichijou-kei no Naka de-এর সায়ুমি, Brynhildr in the Darkness-এর নেকো কুরোহা । এছাড়া KanColle গেমটাতেও তার কণ্ঠ দেওয়া সামিদারে এবং মিয়োকৌ ক্লাস ক্রুজার ( মিয়োকৌ, আশিগারা, নাচি এবং হাগুরো ) এই জাহাজগুলোতে দেওয়া কণ্ঠও আমার বেশ প্রিয়, যাই হোক এই পচা ফ্র্যানচাইজের কথায় আর না যাই । একজন গায়ীকা হিসেবেও সে অনেক দক্ষ । অনেক আনিমেতেই গান গেয়েছে তা আপনি শুনে নিয়েন

 

3

তার জন্ম ১২ জুলাই, ১৯৮৮ ইশ আমার চেয়ে মাত্র ৯ বছর ৩৬১ দিনের বড় TwT, আর ৫ দিন পর হইলে নিজের এই পছন্দের কণ্ঠ অভিনেত্রীর সাথে একই দিনেই জন্মদিন থাকতো । আর ইগুচি ইয়ুকার জন্মদিন তার চেয়ে মাত্র এক দিন আগে, এই মহিলাও আমার আরেকটি বেশ পছন্দের কণ্ঠ-অভিনেত্রী তাকে নিয়ে আজকে নয় তবে অন্য আরেকদিন লেখব নে । সামনের বছর যে তানেদা রিসা একগাদা রোল পাচ্ছে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই । তার পার্ফোম্যান্স সামনে আরও ভালো হবে এটাই চাই ।

4

Behind the Voices – 10

দেখতে দেখতে ১০ টা লেখে ফেল্লাম । দুই ডিজিট সম্পন্ন সংখ্যার ঘরে পৌছানোর জন্যে আজকে ঠিক সেইয়্যূ নয় বরং যারা আনিমে সুন্দর সুন্দর ওপেনিং, এন্ডিং, ইন্সার্ট সং গেয়ে আমাদের উপহার দেয় তাদের নিয়ে লেখছি । 

Abingdon Boys School

এরা একটি জাপানি alternative rock ব্যান্ড যারা আনিমের জগতে D.Gray-Man, Darker than Black, Tokyo Magnitude 8.0 এই আনিমেগুলোর ওপেনিং এবং Soul Eater-এর শেষ এন্ডিং গাওয়ার জন্য পরিচিত । এছাড়া তারা Sengoku Basara আনিমেটির প্রথম সিজনেরও ওপেনিং গেয়েছেন ।

তাদের গানগুলোর মধ্যে আমার সব Strength ( https://goo.gl/7Hc1HJ ) এই গানটি, যেটা Soul Eater-এর শেষ এন্ডিং । এই পর্যন্ত তারা দুইটি অ্যালবাম বের করেছেন, Abingdon Boys School এবং Abingdon Road । তারা তাদের প্রথম গান ‘Stay Away’ ২০০৫ সালে রিলিজ করেন যা পুরাই ইংরেজিতে গাওয়া । আমার কাছে তাদের আরও কিছু গান ভালো লেগেছে রেকমেন্ড করবো শুনে দেখতে সেগুলো হল Blade Chord ( https://goo.gl/ypcuJN ) , JAP ( https://goo.gl/GvxuLz ) । তাদের সম্পর্কে আরও জানতে এই লিঙ্কে যান http://goo.gl/kClE2D

এইবার আসি মেম্বারদের কথায়, এই ব্যান্ডের ভোকাল নিশিকাওয়া তাকানোরি যিনি T.M.Revolution হিসেবেও পরিচিত । এছাড়া গিটারে আছেন Sunao এবং শিবাসাকি হিরোশি, বেস-এ আছেন Ikuo, ড্রাম-এর দায়িত্বে আছেন হাসেগাওয়া কৌজি এবং তোশিইয়ুকি কিশি আছেন কিবোর্ড, টার্নটেবল্স এবং প্রোগ্রামিং-এর দায়িত্বে । Ikuo এবং হাসেগাওয়া কৌজি ব্যান্ডের সাপোর্ট মেম্বার । তারা ২০০৫ থেকে এখন পর্যন্ত অ্যাক্টিভ । সামনে তাদের আরও ভালো কাজ দেখতে পাবো এই আশা করি ।

Abingdon Boys School

 

ROOKiEZ is PUNK’D

ROOKiEZ is PUNK’D এই ব্যান্ডটি অসাধারণ সব আনিমের সেরা সেরা ওপেনিংগুলো গাওয়ার জন্য বেশ পরিচিত । তারা একটি রক ব্যান্ড, অনেক সময় পাঙ্ক রকও গায় । Ao no Exorcist, Durarara!!, Yowamushi Pedal এই ৩ টি আনিমের একটি করে ওপেনিং এবং Yowamushi Pedal: Grande Road আর Bleach-এর ১টি এন্ডিং তারা গেয়েছেন । এই পর্যন্ত তারা ২টি অ্যালবাম এবং ৯ টা সিঙ্গেল্স রিলিজ করেছেন ।

তাদের গাওয়া গানগুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় In My World ( https://goo.gl/1xfJNy ) এবং Realize ( https://goo.gl/JVh58z ) । Complication ( https://goo.gl/sEyK0P ) , Remind (https://goo.gl/QL0fjG ) , Fortune ( https://goo.gl/5ahz5k ) , Reclimb ( https://goo.gl/BtRgUu ) এই গানগুলোও বেশ পছন্দের ।

ব্যাণ্ডটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । এই ব্যান্ডে ৩টি মেম্বার SHiNNOSUKE (Vocal & Guitar), U (Drums), RYOTA (Bass) । 2RASH (Bass), Takumi এই দুইজন সাবেক মেম্বার । তাদের সম্পর্কে আরও জানতে চাইলে তাদের অফিশিয়াল সাইটেই যেতে পারুন, http://www.rookiez-official.com

ROOKiEZ is PUNK'D

May’n

মেই নাকাবায়াশি যে তার স্টেজ নেম May’n হিসেবেই বেশি পরিচিত একজন J-Pop গায়িকা । নানা আনিমের ওপেনিং-এন্ডিং এবং অনেক অসাধারণ গান গাওয়ার খ্যাতি আছে তার । এই পর্যন্ত ৫ টি অ্যালবাম এবং অনেকগুলো সিঙ্গেল্স বের করেছেন তিনি । Accel World, Aquarion Logos, Blood Lad, Hidan no Aria, Inari Konkon Koi Iroha, Ookami-san to Shichinin no Nakamatachi, Phi Brain: Kami no Puzzle এই আনিমেগুলোর ওপেনিং এবং Btooom!, Love get Chu এই আনিমেগুলোর এন্ডিং তার গাওয়া । Macross Frontier সিরিজটির গানগুলো মেগুমি নাকাজিমার সঙ্গে সে গেয়েছে এবং এর জন্য একটি আলাদা অ্যালবামও আছে ।

আমার কাছে তার সবচেয়ে প্রিয় গান Blood Lad-এর ওপেনিং Vivid এই গানটা, https://goo.gl/wbsxbQ। এছাড়া তার আরও অনেক গান আছে আমার ভালো লেগেছে যেমন Ookami-san to Shichinin no Nakamatachi-এর ওপেনিং Ready Go এই গানটি, https://goo.gl/7aB2d9 । সে ২০০৫ থেকে এখন পর্যন্ত মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে অ্যাক্টিভ, আশা করি সামনে আরও ভালো ভালো গান রিলিজ করবেন ।

May'n

Konomi Suzuki

কোনোমি সুযুকি আমার দেখা অনন্য কণ্ঠ সম্পন্ন গায়িকাদের মধ্যে একজন । মাত্র ১৫ বছর বয়সে সে সাকুরাসৌ নো পেট না কানোজো আনিমেটির ওপেনিং-এন্ডিংগুলি গেয়েছে এবং এই গানগুলো অসাধারণ ছিল । অল্প বয়স থেকেই অনেক ভালো ভালো গান গেয়ে আসছেন এবং তার পটেনশিয়াল এখনও অনেক, তাকে দেখে মাঝে মাঝে মনে হয় এখনও জীবনে কিসু করতে পারলাম না । যাই হোক, তার কণ্ঠটা এত সুন্দর এখন পর্যন্ত তার যে কয়টা গান শুনেছি প্রত্যেকটা বেশ ভালো লেগেছে । আনিমের মধ্যে সে Absolute Duo, Fairy Tail (2014), Freezing! Vibration, Madan no Ou to Vanadis, No Game No Life, Tasogare Otome x Amnesia, Sakurasou no Pet na Kanojo, Watemote এবং আরও দুইটি আনিমের ওপেনিং/এন্ডিং গেয়েছেন । তার সব আনিমের গানগুলোই শুনেছি এবং অসম্ভব রকমের ভালো লেগেছে ।

যাই হোক তার গাওয়া আমার মতে সেরা গান হল Days of Dash ( Sakurasou ED 1 –https://goo.gl/wRLjCt ), Choir Jail ( Tasogare Otome x Amnesia OP – https://goo.gl/rebKol ), This Game ( No game no life OP – https://goo.gl/APhPHq ), Watashi ga Motenai no wa Dou Kangaete mo Omaera ga Warui ( Watemote OP & theme song – https://goo.gl/YRgEKv ) । এছাড়া তার গাওয়া সাকুরাসৌ-এর দ্বিতীয় ওপেনিং Yume no Tsuzuki ( https://goo.gl/YRgEKv ) এবং Absolute Duo-এর ওপেনিং Absolute Soul (https://goo.gl/1P58Jo) এই গানগুলো বেশ পছন্দের ।

এছাড়া তার গাওয়া গান যে আনিমেগুলোয় আছে Fairy Tail(2014), Bubuki Buranki, Saikyou Ginga Ultimate Zero: Battle Spirits বাদে সব দেখেছি এবং যা দেখেছি প্রত্যেকটি ভালো লেগেছে । আনিমেগুলোর বাকি গানগুলো ভালো আছে তবে কোনোমি সুযুকির গানগুলোর চেয়ে নয় । তার জন্ম ৫ নভেম্বর, ১৯৯৬ আর মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে ২০১১ থেকে অ্যাক্টিভ । সামনে যে আরও অসাধারণ গান বের করবে সে এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই । আগামী বছরও তার গাওয়া কোন ওপেনিং-এন্ডিং শুনতে পাবো এর অপেক্ষায় আছি । ওহ আর আমার সবচেয়ে প্রিয় ফিমেল সিঙ্গারদের মধ্যে সে একজন।

Konomi Suzuki

Behind the Voices – 09

মোরিকুবো শৌতারো

মোরিকুবো শৌতারো একজন কণ্ঠ অভিনেতা যে সাধারণত নারুতো আনিমেটির শিকামারু চরিত্রটির কণ্ঠ দেওয়ার জন্য-ই সবচেয়ে বেশি পরিচিত । তবে সে শিকামারুর মত বিজ্ঞ চরিত্রের চেয়ে বরং তুলনামূলক ভাবে রুক্ষ চরিত্রের রোল নেয় বেশি । তার কণ্ঠ পুরুষের কণ্ঠের তুলনায় বেশ হাই পিচড এবং ডিপ ।

তার যে সুধু শিকামারু এই একটা চরিত্রই চিরচেনা তা নয় । সে আরও অনেক চেনা জানা চরিত্রের কণ্ঠ দিয়েছেন কিন্তু হয়তো সেই রোলগুলা খুব কম অ্যাপ্রিশিয়েটেড । আমার কাছে তার প্রিয় রোলগুলো হল ইয়োআমুশি পেডালের মাকিশিমা ইয়ূসকে, ম্যাজাই-এর শার্কান এবং হাকুঔকির ওকিতা সৌজি । এছাড়া নুরারিহিয়োনের আকিফুসা, পার্সোনা 4-এর হানামুরা এবং শিকামারু নারা এই রোলগুলাও আমার বেশ প্রিয় । তার সব রোলগুলো এই লিঙ্কে http://goo.gl/NA8V9k গিয়ে এক নজরে দেখে আসতে পারুন ।

একজন গায়ক হিসেবেও তার ভালো খ্যাতি আছে । তার জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৫, ১৯৭৪ । একজন ভালো কণ্ঠ অভিনেতা তিনি কিন্তু সামনে তার আর কোন রোল না পেলে মন খারাপ হবে না ।

মোরিকুবো শৌতারো

তামুরা ইয়ুকারি

তামুরা ইয়ুকারি একজন ভালো কণ্ঠ অভিনেত্রী যিনি সাধারণত তার আইডোল হিসেবে ইমেজ রাখার জন্য বেশি পরিচিত । তিনি ইয়ুকারিন এই নামেও বেশ পরিচিত যদিও এটা তার ভক্তদের মাঝেই আর ইয়ুকারিন বলতে আরেক জন কণ্ঠ অভিনেত্রীকেও বোঝায়, ফুকুই ইয়ুকারি । যাই হোক তামুরা ইয়ুকারির সম্পর্কে সাধারণত মানুষের মাঝে দুই রকম প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, এক দলের লোক তার বিশাল বড় ভক্ত আরেক দলের তাকে খুব তেমন একটা পছন্দ করে না আর তৃতীয় পক্ষ তাকে চেনেই না ।

আমি প্রথমে তার নারুতোর তেনতেন, কুরোশিতসুজির এলিযাবেথ্ এবং আকামে গা কিলের মাইন এই রোলগুলোর জন্য পছন্দ করতাম না । পরে কাতানাগাতারিতে তার তোগামে রোলটা দেখে ভক্ত হয়েছি । যদি বলতে হয় আমার কাছে তার সেরা রোল কোনটা তাহলে সেটা অবশ্যই তোগামে । এছাড়া স্টাইন্স গেটের আমানে সুযুহা, ইনফিনিট স্ট্রাটোসের শিনোনোনো তাবানে, নো গেম নো লাইফের জিব্রিল এই রোলগুলো বেশ ভালো লেগেছে । তার সব রোলগুলো এইখানে http://goo.gl/nurgVh গিয়ে এক নজরে দেখে আসতে পারুন ।

কণ্ঠ-অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি গায়িকা এবং গান লেখেনও । তার অনেক ভালো ভালো গান আছে, শোনার ইচ্ছা থাকলে নিজে বের করে নিয়ে শুনে নিয়েন । তার জন্ম 27 ফেব্রুয়ারি, 1976 । আজ কাল তার কণ্ঠ অভিনয় বেশ ভালোই লাগে তাই সে সামনে আরও রোল পেলে বেশ খুশি হব ।

তামুরা ইয়ুকারি

Behind the Voices – 08

নাকামুরা ইয়ূইচি

সাধারণত রুক্ষ এবং বড় ভাই টাইপ চরিত্র অসাধারণভাবে তুলে ধরতে পারার খ্যাতি হয়তো নাকামুরা ইয়ূইচিরই সবচেয়ে বেশি । একজন কণ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি দক্ষ এবং তার চরিত্রগুলিও ভক্তদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

তার করা রোলগুলো প্রায় সবসময় এক ধাঁচের দেখালেও কিছু ব্যতিক্রমী চরিত্রও তিনি করেছেন । এই রকম দুইটি চরিত্র হল গেক্কান শৌজো নোযাকি-কুনের নোযাকি এবং হিওকার ওরেকি হৌতারো, আর এই দুইটা চরিত্র তিনি এত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন যে হয়তো তার জায়গা অন্য কারও পক্ষেই কাজটা বেশ কঠিন হতো । তার রেগুলার ধাঁচের চরিত্রগুলোর মধ্যেও অনেক পছন্দের রোল আছে । সেগুলো হল দুরারারার দোতাচিন, ফেইরি টেইলের গ্রে ফুলবাস্টার ( পুরা সিরিজের হয়তো এই একটা চরিত্ররেই খুব বেশি ভাল্লাগসে ), ফুলমেটাল অ্যালকেমিস্ট ব্রাদারহুডের গ্রিড, মাহৌকা কৌকৌ নো রেত্তোসেই-এর শিবা তাৎসুয়া, ম্যাজাই-এর রেন কৌয়েন, ওয়ারি নো সেরাফের ইচিনোসে গুরেন এই চরিত্রগুলো । তার আরেকটি জনপ্রিয় রোল হল ক্লানাডের ওকাযাকি তোমোয়া, কিন্তু ক্লানাড না দেখার কারণে ঠিক বলতে পারছি না এই রোলটি তিনি কিভাবে তুলে ধরেছেন। আনিমের ওএসটিতে তুলনামুলকভাবে তার কাজ কম।

Yuuichi Nakamura 1

তার জন্ম ১৯৮০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি । তিনি সুগিতা তোমোকাযুর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ভয়েস এক্টিং ইন্ডাস্ট্রিতে তার অভিষেক ২০০১ সালে, তবে বড় কোন রোলের জন্য তার ২০০৭ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে । এখন হয়তো সেরা কণ্ঠ অভিনেতাদের তালিকায় তিনি একজন । এই বছরও তিনি অনেক রোল পেয়েছেন এবং সামনেও আরো পাবেন আপাতত এই আশা করা যাক।

Yuuichi Nakamura 2

 

নাকাহারা মাই

নাকাহারা মাই এমন একজন যিনি তার শ্রুতিমধুর কণ্ঠ দিয়ে যে কোন ধরণের চরিত্রের সাথে সুন্দরভাবে মানিয়ে নিতে পারেন । তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠ-অভিনেত্রী এবং তার রোলের সংখ্যাও ৮০+।

তার এত্তগুলো রোলের মধ্যে অনেকগুলো রোলই আমার ভালো লেগেছে। পছন্দের রোলগুলো হল ওরেগাইরুর ইউকিনোশিতা হারুনো, সার্ভেন্ট এক্স সার্ভিসের মিয়োশি সায়া, গেক্কান শৌজোর কাশিমা ইঊ, কাতানাগাতারির নানামি, মেকাকু সিটি এক্টর্সের তাতেয়ামা আয়ানো এবং স্পাইস এন্ড উল্ফের নোরা । তার সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি রোল হল ক্লানাডের নাগিসা এবং ফেইরি টেইলের জুভিয়া । বিভিন্ন আনিমের ওএসটিতেও তার কাজ রয়েছে ।

Mai Nakahara 1

তার জন্ম ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ । তার কণ্ঠ অভিনয় বরাবরের মতই সুন্দর এবং ২০০৩ থেকে এই পর্যন্ত কোন বছরেই ৪ টির নিচে রোল পায় নাই । আনিমে জগতে তার অভিষেক ২০০২ সালে এবং সেই বছরও ৩ টি রোল পেয়েছেন। তার দক্ষতা এবং মেধা দিয়ে বলা যায় সামনেও সে অনেক রোল পাবেন আর তার রোলের হিসাবে সেঞ্চুরি করতে আর বেশি দিন বাকি নেই । শেষে বলব তার MAL-এর ছবিটা দেখতে অনেকটা নিকি মিনাজের মত লাগে।

Mai Nakahara 2