Revi: Hey chniglish. Want a job? You get to kill a whole lot of dipshits.
Shenhua: I’ll be happy to skin you for free, slut.
Revi: Jesus, what’s with the attitude.
Black Lagoon: Roberta’s Blood Trail দেখলাম। যদিও দুইবছর আগের টাইটেল কিন্তু ইংলিশ ডাব এর জন্য ওয়েট করাতে এত দেরি হল দেখতে।
আগের সিজনের মত অস্থির ডায়ালগ বেশ কম। রক এর ক্যার্যাক্টার এ যে চেঞ্জটা এনেছে সেটাও বেশ মজাদার। এইভাবে চলতে থাকলে মনে হয় সিরিজটাকে আরো অনেকদূর নেয়া সম্ভব। আর একটা দিক, রবার্টা মনে হয় আর কখনোই আসবে না সিরিজটাতে, তার গল্পের এখানেই সমাপ্তি। অবশ্য আমি প্রথম সিজনের কিডন্যাপিকং আর্ক এর পরই এই ক্যার্যাক্টার আবার আসবে এটা আশা করলেও এভাবে আসবে ভাবি নাই।
তবে, আগের দুইটা সিজনই রোজার মধ্যে দেখার উপযোগী না (Don’t get me wrong. শুধুমাত্র গালাগালির কারনে) আর এই সিজন এসেছে ওভিএ ফরম্যাট এ। তো বুঝতেই পারছেন!! তবে টু বি অনেস্ট, FLCL এর পর একমাত্র এই ওভিএটাকেই আমি রেকমেন্ডেবল বলতে পারি (And yes, I have watched Hellsing Ultimate) কমিক রিলিফগুলো আগেরবারের মতই সুন্দর করে করা হয়েছে। এবং ফাইটিং অবশ্যই অভার দা টপ এন্ড অফ কোর্স লজিকলেস। আমি যখন প্রথম সিজন দেখেছিলা তখন অনেক লজিক খুজেছিলাম সিরিজটাতে, সেকেন্ড সিজনে এসে বাদ দিয়ে দিয়েছি আর মজা পেয়েছি +_+ তবে এই আর্কে মজাও সেই তুলনায় কম। কিন্তু চলে।
প্রথম তিন পর্বে রবার্টার হার্ডকোর পার্ফর্মেন্স এর পর পঞ্চম পর্বে আবার মেইড আউটফিটে আসা তা খুব একটা ভালো লাগে নাই। ফ্যান সার্ভিস ফ্যান সার্ভিস মনে হইসে। T_T
আর ডাবটার ব্যাপারটা বলতেই হয়। আমি বেশিরভাগ সময়ই ডাব দেখার পর সাব টা চালু করে দেখি (ডুয়াল অডিও এনকোড আরকি )। এটার জাপানিজ অডিওটাতে দেখলাম লাভলেস ফ্যামিলি এর আরেক পিচ্চি মেইড ফ্যাবিওলাকে ‘শ্রিম্প’ বলে ডাকে পুরা এনিমেতে। কিন্তু ইংলিশটা বলেছে Minimaid যা চরম হাসির, অন্যদিকে Shenhua কে জাপানিজ ভার্সনে Revi তার নাম ধরে ডাকলেও এখানে দেকেছে Chinglish (Cninese+English) হিসাবে। আর রেভির ডায়ালগ ডেলিভারি দেখলে অনেকটা টারান্টিনো আর গাই রিচি এর ফিল্মে বিভিন্ন গ্যাংস্টার এর ডায়ালগ ডেলিভারি এর কথা মনে পরে। হুইচ ইজ অসাম। আফটার অল, ইটজ অল এবাউট ডায়ালগস।
“I appreciate the help. But after all these is finished and my hunt is complete, I’ll reward you with a painless death.”
[Writers Note : With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]
Even if it’s God, I will not obey. — Chirico Cuvie
ভূমিকা
পরিচালক, স্ক্রিনরাইটার, উপন্যাসিক ও এনিমেটর ইওশিইউকি তমিনো তার গুন্দাম (Gundam) ফ্র্যানচাইজ এর মাধ্যমে আশির দশকে মেকা (Mecha) আর স্পেস অ্যাডভেঞ্চার ধারার আনিমেগুলোর মধ্যকার ব্যবধান ঘুচিয়ে ফেলেন। তার কয়েক বছর পরে আরেক পরিচালক ও লেখক রিওসুকে তাকাহাসি সেটাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান, যার ফলাফল হচ্ছে তার অনন্য সৃষ্টি আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস আনিমেটি। মেকা ধারার আনিমে হিসেবে সিরিজটি কিছুটা অদ্ভুতই। সমলোচক হিসেবে আনিমেটির মূল্যায়ন করাও কঠিন কাজ। এক দিকে আনিমেটি এর সমজাতিও অন্যান্য রোবট/মেশিন ভিত্তিক ফিকশন থেকে অত্যন্ত বাস্তবমুখী এবং এতে প্রদর্শিত মেকাগুলোর চলাফেরা ও লড়াই অত্যন্ত রিয়ালিস্টিক। অন্য দিকে পুরো সিরিজটাই একরকম যান্ত্রিক ও নির্জীব; আবেগ ও অন্যান্য মানবিক অনুভূতি বলতে গেলে অনুপস্থিত; যা আছে তাও আবার সামরিক প্রকৃতির: নিরুত্তাপ ও কঠিন বাস্তবতা, শীতল ক্রোধ এবং জীবন নিয়ে নিহিলিস্টিক (Nihilistic) ধ্যানধারণা। আনিমেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সোভিয়েত ইউনিওনের কথা মনে করিয়ে দেয়। কুকুরের মতো খেদিয়ে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র ছাড়াই সাধারণ জনগণকে সস্তা পণ্যের মতো স্টালিন যেভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে লেলিয়ে দিয়েছিলেন (Conscription) এবং সোভিয়েত সৈন্যরা যেমন অমানুষিক ক্রোধ ও ঘৃণা নিয়ে থার্ড রাইখের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল, সেই অনুভূতির সাথে আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস এর মিল আছে।
VOTOMS একটি সত্যিকারের অনন্য সিরিজ। শুধু জাপানিজ এনিমেশন নয়, পুরো ফিকশনাল জগতেই আনেমিটির কনসেপ্ট এক ও অদ্বিতীয়। কার্যত সকল মেকা তথা শোওনেন আনিমের মূল কনসেপ্ট রঙ্গিন চিত্তবিনোদন, অবাস্তব সমস্ত সুপার অ্যাটাক (Gomu Gomu no Pistoruuuuuuuuuu! :p) এবং অতি আবেগপ্রবণ চরিত্রসমূহ যাদের অর্ধেকের কাছে মানবজীবন অমূল্য, এরা হলেন আমাদের হিরো এবং তার বাহিনী আর বাকি অর্ধেকের কাছে ঠিক এর বিপরীত। না বলে দিলেও চলে এই বাকিরা ভিলেইন প্রজাতির। কিন্তু VOTOMS একটি বাস্তব দুনিয়ামুখী আনিমে, যার চরিত্রগুলো শীতল ও সুযোগসন্ধানী এবং যুদ্ধবিগ্রহ যেখানে সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক এজেন্ডার অনুষঙ্গ মাত্র। এই দিকটির জন্যই VOTOMS রিওসুকে তাকাহাসির একটি দুর্লব ম্যাচিউর সৃষ্টি হিসেবে গণ্য করা হয়। আবার একই কারণে আনিমেটি খুবই নির্দয় ও নির্মম মনে হয়, ফলে Moe দেখে অভ্যস্ত সংখ্যাগুরু আনিমে ফ্যানদের জন্য আনিমেটি পছন্দ করা কষ্টের বিষয়।
প্রোডাকশন ভ্যালু
আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস এর প্রোডাকশনাল ভ্যালুর ব্যাপারে একেক জনের মতামতের মধ্যে দুই মেরু ব্যবধানও দেখা যায়। আমার মতে এনিমেশন আর আর্টওয়ার্ক সামগ্রিক ভাবে বাস্তবমুখী এবং রিয়ালিস্টিক ফিজিক্স মেনে চলে (This is realism, this is physics, this is not.)। কিছু খুঁত থাকলেও তা হয়েছে মূলত সে যুগের সীমিত প্রযুক্তি আর বাজেটের কারণে। সেগুলো বাদ দিলে এনিমেশন যথেষ্ট উন্নত। চরিত্রগুলোর চলাফেরা বাস্তবানুগ, বিশেষ করে সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে। সাউন্ডট্র্যাক তেমন ভাল নয়, সহজেই ভুলে যাবার মতো, তবে ওপেনিং থিমটা আকর্ষণীয়। ভয়েস এক্টিং এত বেশী সিরিয়াস, আবেগহীন আর মিলিটারি-মিলিটারি ভাব আছে যে অত্যন্ত নীরস এবং যান্ত্রিক মনে হবে, পছন্দ করাটা কিছুটা কষ্টকর। যদি সামরিক বাহিনীর সাহচর্যে থাকবার সুযোগ আপনার হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাইছি।
স্টোরি এবং কাস্ট
আনিমেটির প্লট নিয়েও রয়েছে মতবিভেদ। যদিও প্লট সেটিং ভালই মনে হয় তবে কিছু অসামঞ্জস্যতাও আছে। হিরোয়িক চরিত্রগুলো প্রায়সই অস্বাভাবিক রকম দ্রুত কোন দুর্ঘটনা, ইনজুরি ইত্যাদি থেকে কামব্যাক করে। আবার কোন ঘটনা কেন ঘটল কিংবা কিভাবে ঘটল ইত্যাদি তারা তদন্ত না করেই বা কোনও উৎস থেকে তথ্য না পেয়েও জেনে বসে থাকে, অথচ কিভাবে জানল সে ব্যাপারে কোন ব্যাখ্যা দেয়া হয়না। আনিমেটির কাস্ট অনেক বড়, কিন্তু তাদের মাঝে মূল চরিত্র চিরিকো কুভিয়ে বলতে গেলে একমাত্র কৌতূহলোদ্দীপক ও স্মরণীয় চরিত্র। চিরিকো একজন নিষ্ঠুর প্রকৃতির সৈনিক। আশির দশকের খাটি পুরুষ বলতে যা বোঝায় চিরিকো তাই। মডার্ন যুগের আনিমে, যেখানে হাইস্কুল পড়ুয়া মেয়েলি (GAY) লুকিং হিরো একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে (Rin Okimura, Kirito Kirigaya, Usui Takumi anyone?), চিরিকো সে যুগের নয়। চিরিকো কুভিয়ে আশি ও নব্বইর দশকের সেইসব পৌরুষদীপ্ত আইডলদের একজন যাদের হাইস্কুল ছাত্ররা দেবতাজ্ঞান করত (Spike Spiegel, Arnold Schwarzenegger, Bruce Willis হল কিছু উদাহরণ)। তার উদ্ধত মনোভাব ও আচরণ, দৃঢ়তা, শীতলতা, শত বিপদ ও মৃত্যুর মুখ থেকে বারবার বেঁচে ফিরে আসতে দেখা খুবই উপভোগ্য। সে একজন অ্যান্টিহিরো, নিষ্ঠুর মারসেনারি, একজন স্বার্থপর সুযোগসন্ধানী যে আগে কপালের মাঝ বরাবর গুলি ছুড়ে, তারপর প্রশ্ন করে। চরিত্র হিসেবে সে দারুন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আনিমেটির অন্যান্য চরিত্রগুলো ক্ষণস্থায়ী কিংবা তার মতো দুঃসাহসী ও দৃঢ় ব্যক্তিত্বের নয়। এছাড়া, আনিমেটি পুরো মানবজাতিকেই EXPENDABLE / DISPOSABLE হিসেবে বিবেচনা করে এবং কেউ যদি নির্মমভাবে মৃত্যুবরণও করে (এবং সত্যিই এমনটা হয়) তবে দর্শকদের মাঝে কোনরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির চেষ্টাও আনিমেটিতে দেখা যায়না।
গল্পের কাহিনী গিলগামেশ কনফেডারেশন আর বালারান্ট ইউনিয়নের মধ্যে চলা শতাব্দী বছরের পুরনো, সূচনা ভুলে যাওয়া এক যুদ্ধ নিয়ে। যে যুদ্ধে আস্ত্রাগিয়াস গ্যালাক্সির প্রায় ২০০ গ্রহ ভস্মীভূত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও গল্পের নায়ক স্পেশাল আরমার্ড ফোর্সের সৈনিক চিরিকো কুভিয়েকে তার অজান্তে তার নিজ সৈন্যবাহিনীর বিরুদ্ধে এক গোপন মিশনে পাঠানো হয়। মিশনের এক পর্যায়ে তার সহযোদ্ধারা তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে এবং মহাশুন্যে মৃত্যুর মুখে ফেলে চলে যায়। কিন্তু ভাগ্যগুনে বেঁচে যাওয়া চিরিকো সেই গোপন মিশনের উদ্দেশ্য ও এর পিছনে কলকাঠি নাড়া ব্যক্তিদের পরিচয় উম্মোচনের সংকল্প করে। কিন্তু তার পিছনে লেগে আছে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স আর ষড়যন্ত্রকারিরা, যারা কোনমতেই তাদের রহস্যময় এজেন্ডা উম্মোচিত হতে দেবেনা।
শেষকথা
আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস সর্বকালের সেরা মিলিটারি অ্যাকশন আনিমেগুলোর একটি। এর মেকা রোবটগুলোর ডিজাইন ও স্টোরিলাইন স্বতন্ত্র ও অদ্বিতীয়। যেসব দর্শকেরা খুবই বাস্তবমুখী যুদ্ধ ও নিহিলিসম পছন্দ করেননা এই আনিমে তাদের জন্য নয়। মেইনস্ট্রিম আনিমে ফ্যানদের কাছে VOTOMS এর কাহিনী নিস্প্রভ ও ধরাছোঁওয়ার বাইরে মনে হবে। আমার নিজেরও যে অনেক পছন্দ হয়েছে তা নয়। আমার পরামর্শ জানতে চাইলে এই আনিমেটা বিনোদনের উৎস হিসেবে নয়, স্পেশাল ও অন্য রকম একটা আনিমে হিসেবে দেখতে সুপারিশ করবো।
মেলোরিন – এই শব্দ টি কোথা থেকে এল ?
একটি “ওয়ান পিস” গবেষণা J
ডিস্ক্লেইমার– আমি এই লেখা টা পেয়েছি ফ্যান ফিকশন ডটনেটে। মূল লেখার লিঙ্ক – http://www.fanfiction.net/s/5585768/1/Mellorine
ইহা একটি ভাবানুবাদ মাত্র ।
দৃশ্য – সানি গো জাহাজ এর ডেক ।
“সানজি -কুন।“ “জ্বী,নামি- সুওয়ান ”সোনালি চুলের রাধুনী সানজি গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে,প্রায় নাচতে নাচতে হাজির হল ডেকের শেষ প্রান্তে যেখানে কমলা চুলের নাবিক আগেই অপেক্ষমান ছিল।
যদি সানজি অই মুহূর্তে নামি ছাড়া অন্য কোন দিকে চোখ রাখত তাহলে সে দেখতে পেত অন্য সহযাত্রীদের আনন্দিত আশান্বিত মুখ । যদি তার চোখ এর আকার ধারন না করত তাহলে সে অবশ্যি দেখতে পেত নামির ক্রুদ্ধ দৃষ্টি , অথবা তার অধৈর্য পায়ের নাচন , অথবা তার হাতের আড়াআড়ি অবস্থান ,কিন্তু …
-সানজি কুন , আমাকে তুমি যে নামটা ধরে প্রায় ই ডাক …
– “অথবা , রবিন কে” উসপ যোগ করল । – “ অথবা দৃষ্টির সম্মুখে থাকা যে কোন মেয়ে কে” জোরো বাকা হাসি দিল । – “হ্যা , সেটা যেন কি ?” – “মেলোরিন~~” সানজি সুর করে গাইল । -“অইতো , আবার বলল” উসপ সানজির দিকে আঙ্গুল তুলল । -“হুম , এই বইয়ে তো এই বানান টাই দেখা যাচ্ছে” জোরো একটা মোটা বই ঘাটতে ঘাটতে বলল । -“ সানজি কুন , তুমি কি সত্যি ই মেলোরিন বলতে চেয়েছ ?” -“হ্যা , নামি সুওয়ান” – যেমন , “ আইস্ক্রীম এর একটি কম দামী বিকল্প , যা তৈরি হয় প্রানীর চর্বি এবং সবজি থেকে … “ নামি শব্দ খুজে পাচ্ছিল না -“বাস্তবিক ই , নামি সুয়ান” সানজির এই নিষ্পাপ সত্যই যথেষ্ট ছিল নামির তেলে বেগুনে জ্বলে উঠার জন্য । “তুমি বলতে চাচ্ছ এই পুরো সময় আমাকে তুমি “সস্তা” এবং “মোটা” ডেকেছ ?” “আমি আসলে …” সানজি শুধু হুপ জাতীয় একটা শব্দ করার সময় পেল নামির ঘুষিতে সমুদ্রের পানিতে হারিয়ে যাওয়ার আগে । “আর তোমাদের দুইজনের জন্য … “ নামি এবার বাকি দুই জনের দিকে দৃষ্টি দিল ,যারা পালিয়ে যাচ্ছিল । তাদের চোখ বিস্ফোরিত হয়ে গেল যখন নামির মুষ্টিবদ্ধ হাত তাদের কেও ছুড়ে দিল সাগরে , সানজির অনুকরণে ।
এই আনাহুত ঘটনার বা দুর্ঘটনার পরেও ,জোরো এবং উসপ একমত হল যে “অপারেশন- মেলোরিন-শব্দের –চারদিকে- গোল্লা –দেও- এবং -নামির -ডেস্কে -বইটা -রেখে –আস “ বিশাল সাফল্য নিয়ে এসেছে ।
লেখকের কথা – আজকে আমি হঠাত ভাবলাম “মেলোরিন” মানে কি ? এবং এই অর্থটাই আমাকে উইকিপিডীয়া জানাল J । আরলং পার্ক ফোরাম এর একটি থ্রেড বলছে – মেলোরিন সত্যিকার অর্থে হয়ত “মেরো-রিন” যার “মেরো “ মানে ভালবাসায় পতিত হওয়া (যেমন হ্যাঙ্ককের মেরোমেরো ফল) এবং অদা-san হয়ত “রিন” যোগ করেছেন একটা সুর তৈরির জন্য , যেমন জোরোর অনেক গুলো মারের নাম খাবারের সাথে সুর তৈরি করে – উদাহরণ – “ অনি-গিরি “। হয়তবা সানজি শুধুশুধুই এই শব্দ ব্যবহার করে ।
জোরো কে সাধারন দুষ্টামি করার মত মনে না হলেও , আমি মনে করি সানজির শাস্তি দেখতে সে আনন্দই পাবে J।
“I want to see the splendor of people’s souls.” – Makishima shogo.
ধরুন; কোন এক সুন্দর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন দেশ থেকে সব মারামারি কাটাকাটি সব দূর হয়ে গেসে। পাব্লিক সব “আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে” গান গাইতে গাইতে যার যার কাজে যাচ্ছে। কিভাবে? ধরুন; দেশ থেকে থানা পুলিশ কোর্ট কাচারি আদালত সব উঠে গেসে; এইগুলোর আসলে দরকারই নেই। এমন টেকনোলজি বের হয়েছে যে রাস্তার মোড়ে মোড়ে লাগানো ক্যামেরা স্ক্যান করেই বলে দিতে পারবে কে কি অপরাধ করতে যাচ্ছে; কে মনে মনে কি ভাবছে; কার ট্যালেন্ট কি; এই মুহূর্তে কার কি করা দরকার – সব। যন্ত্রের স্ক্যানে একবার ধরা খেলেই সব শেষ; সেই লেভেলের সব অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হাজির; ধুমধাম যা ব্যাবস্থা নেওয়ার নিয়ে নিবে।
মোটামুটি এইরকম একটা প্লট নিয়েই শুরু হয়েছে “psycho pass” এনিমটার কাহিনী। দূর ভবিষ্যতে জাপান এমন একটা সময়ে বাস করতেসে যেখানে সব কিছুই কন্ট্রোল করে “সিবিল সিস্টেম” নামক একটা স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম। যদিও সিস্টেমটি কিভাবে কাজ করে কিংবা আদৌ সিস্টেমের সব সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত কি না – সেটা কেউ ভেবে দেখে না; আসলে প্রয়োজন মনে করে না। কারন এই সিস্টেম সমাজে এক ধরণের কড়া “rules and order” maintain করতে সক্ষম হয়েছে। জনগন এই শান্তির বিঘ্ন কিছুতেই চায় না।
“The law doesn’t protect people. People protect the law. People have always detested evil and sought out a righteous way of living. Their feelings, the accumulation of those peoples feelings are the law. They’re neither the provisions, nor the system. They’re the fragile and irreplaceable feelings that everyone carries in their hearts.” – Tsunemori akane.
এই পর্যন্ত পরার পর প্রথম রিএকশন যেটা হওয়া স্বাভাবিক সেটা হল, “ভালই তো; প্রব্লেমটা কই? যন্ত্র সমাজ কন্ট্রোল করতেসে; শান্তি বজায় রাখতেসে; সমস্যাটা কই?” Well; দুইটা সমস্যা। এক – যন্ত্র কি আসলেই মানুষের মনের পরিমাপ করতে পারে? ভাল মন্দ অপরাধ শিল্প মানবিকতা – এই জিনিসগুলো কি আসলেই পরিমাপযোগ্য? কিছু certain criteria ধরে হয়ত একটা ঘটনাকে “অপরাধ” বলা যেতে পারে; কিন্তু অপরাধ ঘটার আগেই কি সেটা যন্ত্রের মাধ্যমে প্রেডিক্ট করা সম্ভব? কিংবা ভালর সংজ্ঞাটা আসলে কি? মন্দের সংজ্ঞাটাই বা কি? আইন কি? কোন অপরাধের কি শাস্তি হওয়া উচিত তা পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা না করে যন্ত্র কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে নাকি নেওয়া উচিত? সমাজের চলার পথে মানুষের কিছু বিশ্বাস, কিছু আশা আকাঙ্খা, কিছু তৈরি করা নিয়মই কি আইন নয়? এধরণের বেশ কিছু rhetorical প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করা হয়েছে – কিংবা বলা ভাল – প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছে এই এনিমে।
সমস্যা দুই – সিস্টেমেই সমস্যা। এনিমটা কিছু দূর আগানোর পর দেখা যায় এমন কেউ বা কিছু লোক আছে যারা দিব্যি অপরাধ করে যাচ্ছে – সিস্টেম তাদেরকে স্ক্যান করে সেখানে “অপরাধপ্রবনতা” খুজে পাচ্ছে না। কিসের জন্য? জানতে হলে দেখতে হবে এই এনিমটি।
স্টোরিলাইন নিয়ে খুব একটা গভীরে যাচ্ছি না; চরিত্র বিশ্লেষণ নিয়েও না। স্টোরিলাইন খুব একটা জটিল না; বর্ণনা করতে গেলেই প্রচুর স্পয়লার চলে আসবে। আর ক্যারেকটারের কথায় আসি – মুল ক্যারেক্টার আমার কাছে দুইজন। “Shinya Kōgami” আর “Shōgo Makishima”। যদিও দুই জনের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক এবং বুদ্ধির লড়াই পুরো সিরিজের অন্যতম মুল উপজীব্য; কিন্তু এদের মধ্যে কে যে নায়ক আর কে যে ভিলেন পুরোপুরি কখনই নিশ্চিত হওয়া যায় না। জোরাজুরি করলে মাকিশিমা কে ভিলেন আখ্যা দেওয়া যায়; তবে পুরো সিরিজে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র ছিল এই মাকিশিমাই। যদিও ভাল মন্দ হিরো ভিলেন –রোলগুলো এই এনিমের প্রেক্ষিতে একটু টাফ। যারা ডেথ নোট দেখসেন তারা ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। যদিও psycho pass কোন দিক দিয়েই death note এর ধারেকাছেও না; জাস্ট dilemma টা বোঝানোর জন্যই এখানে death note এর reference টানা।
“Everyone is alone. Everyone is empty. People no longer have need of others. You can always find a spare for any replacement. Any relationship can be replaced.” – Makishima Shogo.”
বাকি সব দিক গুলো নিয়ে এক কথায় বলতে গেলে – সুন্দর প্লট; মোটামুটি চলে টাইপ স্টোরি; adorable and likable ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট এবং interesting এন্ডিং। খুব বেশি নাড়া দেওয়ার মত ঘটনা না হলেও চরিত্র রুপায়ন আর বাকি সব দিক মিলিয়ে ভালই উৎরে গিয়েছে। গানগুলো বেশ সুন্দর; এমনকি একটা এন্ডিং সং এখন আমার মোবাইলের রিংটোন এবং আমি আমার রিংটোন এর ব্যাপারে যথেষ্টই খুতখুতে।
সুতরাং দেরি না করে আজই দেখে ফেলুন এই জম্পেশ এনিমটি; আশা করি ঠকবেন না।
এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে; ছবি আঁকতে কিংবা দেখতে চাইলে; মজার সব কুইজে অংশ নিতে চাইলে জয়েন করতে পারেন ফেসবুকে “এনিমখোর” গ্রুপে।
শেষ করব এই এনিমে আমার অন্যতম প্রিয় একটা লাইন দিয়ে – “Books are not something that you just read words in. They’re also a tool to adjust your senses.”
পটভুমিঃ সময়টা ২০২২ সাল। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমের জগত অনেক এগিয়ে গিয়েছে; বের হয়েছে sword art online. “নার্ভ গিয়ার” ব্যাবহার করে প্লেয়াররা তাদের চরিত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে; সেইসাথে ভার্চুয়াল জগত “আইনক্রাড”কে আসল জগতের মতই অনুভুত করতে পারে। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় তখনই যখন এই জগতটা একটু বেশিই আসল হয়ে যায় যখন গেমের ক্রিএটর সকল প্লেয়ারের নার্ভ গিয়ারের কন্ট্রোল হাইজ্যাক করে সবাইকে ভার্চুয়াল জগতে এই শর্তে আটকে রাখে যে কেউ যদি গেমের ভিতর মারা যায় তবে সে বাস্তব জগতেও মারা যাবে এবং গেম থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় গেমের ১০০টি লেভেল ক্লিয়ার করে আইনক্রাডের সবচেয়ে উচুতে পৌছাতে হবে কাউকে না কাউকে।
রিভিউঃ খুব সংক্ষেপে যদি বলতে হয় তবে পুরো সিরিজটা আমাকে খানিকটা হতাশই করেছে। এই সিরিজের পক্ষে যেমন প্রচুর লোক কথা বলবে; তেমনি এর বিপক্ষে কথা বলার লোকও খুজে পাওয়াটা খুব একটা দুষ্কর নয় !!! পুরো রিভিউতে ঢুকে পড়ার আগে কিছু মন্তব্য শুনে আসা যাক –
# বিপক্ষেঃ SAO was probably the only anime this year that got bashed by most MAL users for a plot that doesn’t make any sense , a geek gamer who wins every fight (only inside a virtual world) ,clichéd harem concept , the incestuous plot hint, and the season 2 epic fail ending….. The only good thing about the anime was the action scenes, nothing else…
#পক্ষেঃ Sword Art Online, definitely one of the best anime of last year, action-packed (the double blades, damn!!), Alongside Kirito and Asuna’s romantic journey in the SAO realm, followed by Kirito fighting for her in the other world, and a beautiful ending…couldn’t ask more…
#মিশ্রঃ “মিশ্র অভিজ্ঞতা। সোর্ড আর্ট অনলাইনের গেম অংশটা ভাল; রোমান্স অংশটা খুবই কিউট; ফাইটগুলা খুবই জোস। কিন্তু সেকেন্ড গেমটাতে জেইরকম ভেজাল ঢুকানো শুরু করসে তাতে আমি মহা বিরক্ত; এই পার্টটা অনেকটা “আলিফ লায়লা” টাইপ লাগসে; “দুষ্ট রাজা নায়িকাকে আটকায় রাখসে আর নায়ক বাচাইতে যাবে” টাইপ; আর আমার কাছে “oniii chan; I love you” টাইপ জিনিসপত্র অসহ্য।
#মিশ্রঃ nobody told that SAO is a great anime. But it’s special in the view of a new anime genre. Yes, romanticism flowed in various strange ways and the anime ending was less expected…but after all people goes crazy over the internet because of the plot. Maybe my answer is confusing too, but my love for the anime is special, that’s what I have to say.
গল্পঃ শুরুটা যথেষ্ট পটেনশিয়াল নিয়ে শুরু হলেও সেটা ধরে রাখতে ব্যর্থ হইসে। প্রথম কয়েকটা পর্ব খুব দ্রুত আগাইসে; মনে হইসে মাঙ্গার অনেকগুলো পর্ব একসাথে এনিমের কয়েকটা পর্বে আটকানোর চেষ্টা; এবং শেষের দিক গিয়ে আবার সেটা বেশ স্লো হয়ে গেছে। এক পর্বে দুই তিনটে ভাল ভাল ফাইট দেখাইসে আবার দেখা গেসে পরের পর্বতেই আবার একটা বিশাল অংশ রোমান্স বা এই ধরণের স্লো জিনিসে কেটে গেসে। আমার ব্যাক্তিগত অভিমত রোমান্স অংশটা আরেকটু কমায় ফাইটগুলা আরেকটু ডিটেইলস বা আরেকটু স্লো দেখাইলে ভাল হইত। তবে এইটা স্বীকার করতেই হবে; আসুনা আর কিরিতো আমার দেখা অন্যতম সুইট কাপল; এদের দুইজনকে নিয়ে আলাদা করে রোমান্টিক জেনারের কোন এনিম বানাইলেও খারাপ হইত না।
এই এনিমে স্পষ্টতো দুইটা পার্ট; দুইটা গেম। প্রথমটার তুলনায় দ্বিতীয়টাতে বেশি পটেনশিয়াল ছিল; এবং সেইখানে হতাশাও বেশি। “রাজকন্যা উদ্ধার” ব্যাতিত আর কিছুই দেখায় নাই বলতে গেলে অই অংশে।
ভিজুয়াল আর্টঃ এক কথায় স্টানিং। আইনক্রাড জগতটা আমার এত্ত পছন্দ হইসে যে মনে হইসে কোনভাবে যদি অই জগতে চলে যেতে পারতাম !!! ফাইট সিন গুলা অসাম; তবে কেউ মারা যাওয়ার ইফেক্টটা আরেকটু রিএলিস্টিক হইলে ভাল হইত; যেহেতু কেউ গেইমে মারা জাওয়া মানে বাস্তব জগতেও মারা যাওয়া; সুতরাং আরেকটু ভয়াবহতা আনলে মনে হয় বেটার হইত।
সাউন্ডঃ ভিজুয়াল আর্টের মতই; বেশ ভাল। সিম্পল এবং স্পট অন।
ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টঃ কিরিতো আর আসুনা বাদে আমি বাকি সব ক্যারেকটারের নাম ভুলে গেসি; সিরিয়াস্লি; আর আমি দেখে শেষ করলাম আজকে বিকেলে !!! কোন ক্যারেকটারের সাথেই তেমন ইমোশনাল এটাচমেন্টের সুযোগ রাখে নাই রাইটার। আসুনা এবং কিরিতো যথেষ্ট লাইকেবল ক্যারেক্টার এবং তাদের জুটিটা অন্যতম কিউট একটা জুটি হবার পরেও তাদের সাথেও তেমন ইমোশনাল এটাচমেন্ট হয় না।
সব মিলিয়েঃ “দুষ্টু প্রেমের মিষ্টি কাহিনী” জাতীয় হাল্কা ধাচের কাহিনী, বেশ আকর্ষণীয় ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট আর বেশ ভাল গ্রাফিক্সের কারণে দুর্বল প্লটের এই এনিমটা বেশ খানিকটা অভাররেটেডই বটে !!! মোটামুটি ত্রিভুজ চতুর্ভুজ এবং বহুভুজ প্রেম আর আবেগ নিয়ে বেশ ভাল একটা টাইম পাস করসে মাত্র ২৫ পর্বের এই এনিমটা !!!! তবে খুব বেশি সমালোচকের দৃষ্টিতে না দেখলে “টাইম পাস এনিম” হিসেবে বেশ ভালই লাগসে sword art online.
রিকমেন্ডেশনঃ যারা অনলাইন গেমে আসক্ত; তাদের খুব ভাল লাগার কথা এই এনিমটা। স্টোরি যেমনই হোক; গেম পার্ট; গেমের মধ্যে ফাইটিং পার্ট; গেমের জগত – অসম্ভব ভাল এবং সুন্দর। এছাড়া যারা হাল্কা ধাচের কিছু দেখার জন্য খুজছেন এবং গল্প নিয়ে খুব একটা মাথাব্যাথা নেই তারাও দেখে ফেলতে পারেন। দিনশেষে বলা যায়; “it’s a good anime, but not great”
“Where there is a city, there is a Karas to protect the city’s will.”
Karas (OVA) দেখলাম। মাত্র ৬ এপিসোডের। শুরুতেই অস্থির একটা ফাইট দিয়ে শুরু -এরকম এনিমে বোধহয় এই প্রথম দেখলাম। তাও আবার সুপার পাওয়ার্ড সোর্ড ফাইটিং।
অ্যাকশন আর অ্যানিমেশন একটু বেশিই সুপার্ব। এইজন্যে অবশ্যই 720P দেখার পরামর্শ থাকবে। যদি কিছুক্ষণের জন্য ধুন্দুমার-ঊড়াধুরা-সব ভেঙ্গেচুরে চুরমার টাইপ আনিমে দেখতে চান তাহলে Karas দেখে ফেলতে পারেন। “Where there is a city, there is a Karas to protect the city’s will.”
Karas (OVA) দেখলাম। মাত্র ৬ এপিসোডের। শুরুতেই অস্থির একটা ফাইট দিয়ে শুরু -এরকম এনিমে বোধহয় এই প্রথম দেখলাম। তাও আবার সুপার পাওয়ার্ড সোর্ড ফাইটিং।
অ্যাকশন আর অ্যানিমেশন একটু বেশিই সুপার্ব। এইজন্যে অবশ্যই 720P দেখার পরামর্শ থাকবে। যদি কিছুক্ষণের জন্য ধুন্দুমার-ঊড়াধুরা-সব ভেঙ্গেচুরে চুরমার টাইপ আনিমে দেখতে চান তাহলে Karas দেখে ফেলতে পারেন।
আসসালামুয়ালাইকুম ভাই ও বোনেরা। এটা আমার প্রথম কোন এনিমকে রিভিউ দেয়া পোস্ট, যদি ভাল লাগে আপনাদের, তাহলে ভবিষতে আরো কিছু রিভিউ লেখার জন্য অনুপ্রাণিত হব।
ভূমিকম্প!!!! কতটা বিপর্যস্ত করতে পারে জনপদ?
প্রশ্নটার উওর যদি খুঁজে পেতে চান, তবে আর দেরি না করে শীঘ্রই দেখে ফেলুন টোকিও ম্যাগনিটুড ৮.০ , মাত্র এগার পর্বের এ এনমিটি আপনার হৃদয়ে দাগ কাঁটার জন্য যথেস্ট। আমাদের দেশেই ঢাকা নগরীর যা অবস্থা, তা বিবেচনা করলে ঢাকা ও চট্রগ্রামবাসীদের জন্য এনেমিটি আবশ্যক বলাটাও ভুল হবেনা বলেই মনে হয়।
এনিমটিতে মূলত মোট তিনটা প্রধান চরিত্র – মিরাই, ইউকি ও মারি। মিরাই স্কুলে গ্রেড থ্রিতে পড়ে আর ইঊকি গ্রেড ওয়ানে। গীষ্মের আসন্ন ছুটিতে যখন মিরাইের সহপাঠীরা ব্যস্ত কে কোথায় ঘুরতে যাবে তার আলাপচারিতায় তখন নিশ্চুপ মিরাই। কারণ, গতবারের মত এবার যে তাঁর কোথাও যাওয়া হচ্ছে না। ব্যস্ত টোকিও নগরীতে বড় ব্যস্ত তাঁর বাবা-মা, এজন্য মিরাইের চাঁপা ক্ষোভ।
মিরাইের ভাই ইউকি, ইউকি মিরাইের অত্যাধিক মোবাইল প্রীতির জন্য তাঁর নাম রেখেছে মোবাইল এলিয়েন, ছেলেটা দেখতে চঞ্চল ও দুরন্ত, ভালবাসে ছবি আঁকতে ও রোবট সম্পর্কে জানতে। জাপানের আর্টিফিশিয়াল ওডাইবা আইসল্যান্ডে রোবট প্রদশনী দেখতে যাবে বলে মায়ের কাছে ওর আবদার, কিন্তু মায়ের ব্যস্ত সময় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়। উপায় না দেখে মিরাইকে সঙ্গে করে ওডাইবা সিটিতে ইউকিকে যেতে বলেন। মিরাই এ সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধী, কিন্তু উপায়ান্ত শেষ পর্যন্ত রাজি হয়।
সেদিন দুজনের মায়ের জন্মদিন, ট্রেনে মিরাই ইউকি, টোকিও টাওয়ার আর রেইবো ব্রিজে দুজনের কৌথহলী দৃষ্টি। ইউকির ইচ্ছা মায়ের জন্য একটা গিফট কিনা, সে ঊদ্দেশে তারা গিফট পছন্দ করে। কিন্তু হায়! তাঁদের পছন্দ করা গিফট যে আরেকজনের হাতে। সে আরেকজন আর কেউ না, মারি। এভাবেই আরেক প্রধান চরিত্রের মারির আগমন। মারি ওদের পছন্দের কথা বুঝে ও শুনে গিফটটা অবশ্য হাতে না রেখে ইউকির হাতে ধরিয়ে দেন, হাজার হোক মায়ের জন্মদিনের জন্য পছন্দ করা জিনিস
পরে ইউকি আর মিরাই রোবট প্রদর্শনী দেখে বের হল। মিরাই আগে বের হলেও ইউকি ওয়াশ রুমে যাওয়ার নাম করে ভিতরে আবার গেল । এরপর… হঠাৎ করেই… রিক্টার স্কেল ৮ মাত্রার ভূমিকম্প!!! বিখ্যাত ওডাবা আইসল্যান্ড ধ্বংসের মুখে!!! শপিং মলের বাইরে মিরাই… ভিতরে ইউকি… প্র্যায় ধ্বংসের মুখে পড়া শপিং মলে আবার মিরাইের প্রবেশ… মিরাই ও মারির আবার দেখা… দুজনেই খুঁজছে ইউকি কে… ইউকি কি পারবে?? মিরাই কি আজ তাঁর ভাইকে হারাবে?? তারা কি একসাথে বাসায় ফিরবে? ইউকি-মিরাইের বাবা-মা ই বা কেমন আছে? তাঁদের কি জন্য কি ভবিষৎ অপেক্ষা করছে? ওদিকে মারির জন্য অপেক্ষা করছে তাঁর মা ও মেয়ে !! মারির শহরে লেগেছে আগুন, হাজার হাজার বাড়ি পুরে ছাই… মারির মা ও মেয়ে কি ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেয়েছে? অসম্ভব রোমাঞ্চকর তাঁদের এ এডভ্যাঞ্চার দেখতে হলে অনলাইন থেকে নামিয়ে ফেলুন টোকিও ম্যাগনিটুড ৮.০ Click This Link Click This Link
আমি এ অসম্ভব সুন্দর এনেমিকে ১০ এ ৯ রেটিং দিলাম। বাকিটা আপনারা দেখেই বলেন।
রিভিউ লেখার অভ্যাস তেমন নেই।
আর Death Note অনেক বিখ্যাত একটি সিরিজ। অনেকেই হয়তো দেখেছেন। যারা এখনও দেখেননি তাদের জন্যই লেখার চেষ্টা করছি।
কার্টুন হলেই যে পোলাপানের দেখার জিনিস হবে তা ভুল প্রমান করার জন্য এই “Death Note” -ই যথেষ্ট।
৩৭ পর্বের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ এটি। Genre হিসেবে “Death Note” কে বলা যায় Thriller, Mystery আর Supernatural অপূর্ব সংমিশ্রণ।
আমার ভাষায় “Death Note” হল হালকা Mystery ও Supernatural এর সংমিশ্রণে দুর্দান্ত এক Thriller!
কার্টুনটির প্রধান দুই চরিত্র হল লাইট ইয়াগামি এবং L (এল)। মূলত এদের দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বন্ধুত্ব, শত্রুতা, প্রতিযোগিতা নিয়েই কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। এদের সবধরনের অনুভূতি এখানে খুব শক্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
লাইট ইয়াগামি হচ্ছে খুবই Smart, Talented, বুদ্ধিমান, সুদর্শন এক জাপানি ছাত্র যাকে বলা যায় one of the Japan’s Brightest!
লাইট অন্যদের চেয়ে এতই এগিয়ে থাকে যে বাকি সবাই কে তার মনে হয় Boring আর Rotten! সে চায় অনেক বড় কোন পরিবর্তন। এক সময় সে হাতে পায় এই রকম একটি Note-Book যাতে যার নামই লেখা হবে সে মারা যাবে! এখন প্রশ্ন হচ্ছে লাইটের মতো Smart – বুদ্ধিমান ছেলে সেই Note Book দিয়ে কি করে?
অপরদিকে L হল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা। কঠিন কঠিন সব কেস এর সমাধান সে করেছে কিন্তু কেউই তার আসল পরিচয় জানেনা।
L-ও চরম বুদ্ধিমান এবং সবার চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকে সবসময়। L কে মুখমুখি হতে হয় লাইটের যার কাছে রয়েছে একটি Death-Note। “জোকারের” ভাষায় একে বলা যায় “An unmovable object is on the way of an unstoppable force!”
যাই হোক রিভিউ লেখাটা মূল আকর্ষণের ধারেকাছেও যায় নি। অনেকে হয়তো রিভিউ পড়ে কার্টুনটি দেখার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হবেন। ভুলেও এই রিভিউ পড়ে “Death Note” কে ভুল ভাবে নিবেন না! আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি প্রথম দুই পর্ব দেখার পর পুরো ৩৭ পর্ব শেষ না করে উঠতে চাইবেন না। কাহিনীর Climax- Anti-climax অসাধারণ। উপস্থাপন, সংলাপ, সাস্পেন্স…
ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিঙ্কও দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু এক্ষেত্রে একেকটি পর্বের সাইজই হয়ে যাবে ২৪০ মেগা এর মতো। যেখানে টরেন্টে মাত্র ৬০-৬৫ মেগা/পর্ব! তাই টরেন্ট থেকে নামানোই উত্তম!
এরকম একটা পোস্ট দেয়ার কথা চিন্তা করছিলাম অনেকদিন থেকেই। আবার ওইদিন ব্লগার স্নিগ্ধ বললেন কিছু আনকমন এনিমে ফিল্ম এর নাম লিখে পোস্ট দিতে। তাই এই পোস্টের অবতারনা। কথা না বাড়িয়ে মূল লেখায় চলে আসি। এখান থেকে Studio Ghibli, Hayao Myazaki আর Satosi kon কে বাদ দেয়া হল। কারন এরা হলিউড এ খুব পপুলার।
#১। The Girl Who Leapt Through Time (২০০৬): ডিরেক্টর Mamoru Hosoda এর মাস্টারপিস। আমার দেখা সেরা এনিমে ফিল্ম এটা। এক মেয়ে, মাকতো হঠাৎ টাইম ট্র্যাভেল করার ক্ষমতা লাভ করে। আর এই ক্ষমতা দিয়ে সে অতীতের বিভিন্ন ঘটনা পাল্টে দিতে থাকে। এক্সময় লক্ষ্য করে এভাবে টাইম লিপ করাতে এক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।
#২। Summer Wars (২০০৯): The Girl Who Leapt Through Time এর ডিরেক্টর এর আরেকটা মুভি। সম্ভবত তাই আশা ছিল একটু বেশি। এখানে দেখা যায় এক ম্যাথস্টার পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল এনক্রিপশন কোড ভেঙ্গে ফেলে, এবং এর ফলে সারা ওয়ার্ল্ড এর যোগাযোগ ব্যাবস্থা নষ্ট হয়ে যায়। এরপর সেই ম্যাথস্টার এক বিশাল জয়েন্ট ফ্যামিলির সাথে পৃথিবী রক্ষায় নেমে পড়ে। শুনতে একটা থ্রিলার এর মত মনে হলেও আসলে এটা পুরোটাই একটা ফ্যামিলি ড্রামা/কমেডি।
#৩। The Place Promised in Our Early Days (২০০৫): এই সিনেমাতে জাপান দুই ভাগে বিভক্ত। একটা অংশ ইউনিয়ন (সোভিয়েত রাশিয়া) এর আন্ডারে আর অন্যটা আমেরিকার। ইউনিয়ন এর অংশে এক বিরাট টাওয়ার আছে যেটা ইউ এস অংশে থাকা তিন ফ্রেন্ড কে প্রচন্ড আকর্ষন করে। তারা প্রমিজ করে যে একদিন ওই টাওয়ারে যাবে।
কালের পরিক্রমায় তিনজন তিন দিকে চলে যায়। Hiroki যে এখন ছাত্রজীবন শেষ করতে পারেনি, Takuya যে ফিজিসিস্ট হিসেবে রিসার্চ করছে আর তাদের বান্ধবী Sayuri যে ন্যাক্রলেপ্সি তে আক্রান্ত হয়ে হস্পিটালাইজড। Hiroki এখনো সেই টাওয়ার এ যাওয়ার কথা চিন্তা করে, কিন্তু সে কি অন্য কারো সাহায্য পাবে? এরকম একটা গল্প নিয়েই Makoto Shinkai তার প্রথম ছবিতে এনিমে জগৎকে তাক লাগিয়ে দেন। তার ছবির প্রধান বৈশিষ্ট হল ঝকঝকে এনিমেশন। কাহিনী খুব স্লো আগায় কিন্তু তারপরেও কেন জেন ভাল লেগেছিল।
#৪। 5 Centimeters Per Second (২০০৭):
Makoto Shinkai এর দ্বিতীয় ছবি। ছবির ট্যাগলাইন ছিল, “a chain of short stories about their distance”। আগের ছবির মতই এটাও ঝকঝকে এনিমাশনে পূর্ণ। কাহিনী এটারও স্লো, কিন্তু আমার খুব ভালো লেগেছে। ছবিটা তিনটা অংশে বিভক্ত। আমার এই সিনেমার যেটা ভালো লেগেছে সেটা হল গল্প বলার ধরন। এই সিনেমার পরই Makoto Shinkai কে দ্বিতীয় মিয়াজাকি বলা হচ্ছে। আর এবছর তার তৃতীয় ছবি, Children Who Chase Lost Voices from Deep Below বের হবে। একটা জিনিশ খেয়াল করেছেন? ডিরেক্টর এর সবগুলা সিনামার নামই বিরাট বিরাট।
#৫-৬। Ghost in the Shell (১৯৯৫) ও Innocence (২০০৪): বিখ্যাত সাইবারপাঙ্ক ঘোস্ট ইন দা শেল এর Mamoru Oshii ডুয়ালোজি। ব্রেন সাইবারাইজড করার পরও মানুষের যে নিজস্বতা থাকে সেটার নাম দেয়া হয়েছে Ghost। প্রথম ছবিতে দেখা যায়, এক হ্যাকার পাপেট মাস্টার নামে বিভিন্ন মানুষের সাইবার ব্রেন হ্যাক করে তাতে বিভিন্ন আরটিফিসিয়াল মেমোরি ঢুকিয়ে দিচ্ছে। কি তার উদ্দেশ্য? ইনভেস্টিগেশন এর দায়িত্ব পড়ে সেকশন ৯ এর সাইবর্গ অফিসার মাকটো এর উপর। একসময় মাকটো নিজের অস্তিত্ব নিয়েই সন্দিহান হয়ে পড়ে। তার মেমোরি কি আসল নাকি সে একটি এ.আই.? তার মনে হয় পাপেট মাস্টার এর কাছে এর উত্তর আছে। এ ছবি সম্পর্কে James Cameron বলেছেন, “the first truly adult animation film to reach a level of literary and visual excellence.” আর দ্বিতীয় ছবির কাহিনীটা এরকম। Locus Solus রোবটিক্স এর তৈরি করা সেক্সডল গুলো হঠাৎ করে তার মালিকদের হত্যা করে নিজেরা ফেলফ ডিস্ট্রাক্ট হতে শুরু করে। এরকম কয়েকটি ঘটনা পর পর ঘটায় তা নজরে আসে সেকশন ৯ এর। দায়িত্ব দেয়া হয় আরেক সাইবর্গ বাটো এর উপর। ইনভেস্টিগেশন এর মাধ্যমে বের হয়ে আসে ভয়ঙ্কর এক তথ্য। এই মুভি দুইটার সাউন্ড ওয়ার্ক এক কথায় অসাধারন। মিউজিকের কিছু কিছু জায়গায় ত পুরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
#৭। Metropolis (২০০১): ডিটেক্টিভ বান আর তার সহকারী কেনেচি মেট্রোপলিসে এসে এক এডভেঞ্চারে জড়িয়ে পড়ার কাহিনী। স্টোরিটা ভালই, কিন্তু এনিমেশন স্টাইল আর বিশেষভাবে মিউজিকটা আমার মোটেও পছন্দ হয়নি।
#৮। Origin: Spirits of the Past (২০০৬):
অতীতে এক মহাপ্রলয় এ পৃথিবীর অধিকাংশ অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। সে সময়ের অনেক মানুষ স্লিপিং পড এর সাহায্যে ভবিষ্যতের পৃথিবীতে পদার্পণ করে। অন্যদিকে যে বিজ্ঞানীর ভুলে এ মহাপ্রলয় শুরু হয়েছিল সেই বিজ্ঞানী এক সিস্টেম দাড়া করিয়ে যান যেন পৃথিবীকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া যায়। অতীতের মানুষরা চায় সে সিস্টেম চালু করে পৃথিবীকে রিস্টর করতে। কিন্তু এই যুগের যারা অধিবাসী তারা কি এমন পরিবর্তন চায়? আমার ভালোই লেগেছিল মুভিটা, কিন্তু কেন জানি যাদেরকে আমি দেখিয়েছি তাদের বেশিরভাগেরই ভালো লাগেনাই। ফ্যান্টাসি ফিল্ম বলে হজম করাও মনে কষ্টকর।
#৯। Samurai X: Trust & Betrayal (১৯৯৯): জগদ্বিখ্যাত সিরিজ Samurai X এর প্রিকুয়্যাল। মূলত এই সিনেমটা দিয়েই আমি এনিমেশন এর ফ্যান হয়ে গিয়েছিলাম। গল্পের নায়ক Kenshin এর সামুরাই হয়ে ওঠার কাহিনী। আর কীভাবে সে তার গালের x মার্কটা পেয়েছিল তা ও জানানো হয়েছে এই সিনেমাতে। এটা প্রথমে তৈরি করা হয় চার পর্বের ডাইরেক্ট টু ভিডিও সিরিজ হিসেবে। পরে আরো আধাঘন্টার সিন যুক্ত করে ডাইরেক্টর’স কাট ফিল্ম হিসেবে মুক্তি দেয়া হয়। আমার দেখা সেরা মুভির একটা।
#১০। Sword of the Stranger (২০০৭):
জাপানের কোন এক সময়ের ইতিহাস কে উপজীব্য করে একটি ফ্যান্টাসি গল্প। বিভিন্ন ইউজার’স ভোটেড তালিকায় উপরের দিকে আছে এই মুভিটা। Kotarou নামে এক শিশু এস্যাসিনদের কাছ থেকে পেলিয়ে বেড়াচ্ছে। সে জানে না কেন তাকে এভাবে হান্ট করা হচ্ছে। পথিমধ্যে তার দেখা হয় এক সামুরাই এর সাথে, যাকে সে ভাড়া করে। এক সময় কন্ত্রাক্ট শেষ হয়ে যাওয়ার পরও, সেই সামুরাই বাচ্চাটিকে বাঁচাতে ছুটে আসে।
#১১। Tekkon Kinkreet (২০০৬):
জাপানীজ এনিমেশনের সাথে আমেরিকান এনিমেশন এর ফিউসন করে বানানো ফ্যান্টাসি। দেখার সময় আর্টওয়ার্কগুলো খুবই ভালো লাগার কথা। বিভিন্ন রিভিউতে এটাকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেয়া হয়েছে। রোটেন টমেট’স এ টপ রিভিউ তে ৯০% এর কাছাকাছি আছে। কিন্তু আফসসের বিষয় আমি আগা মাথা কিছুই বুঝি নাই। পুরা মুভিটা ভালই চলছিল। কিন্তু শেষে গিয়ে কি জানি হয়ে গেলো (ঘিবলির অনেক মুভি দেখতে গিয়েও আমার এক ই অবস্থায় পড়তে হয়েছিল)। দুই ভাই একজন ব্ল্যাক আরেকজনে হোয়াইট। দুইজন এর ই নাকি হার্টের কিছু স্ক্রু মিসিং। এই স্ক্রু গুলা নাকি আবার হোয়াইটের কাছে আছে। এমন আরো কত কি।
## এই বার কিছু সিরিজ কম্পাইলেশন মুভির কথায় আসা যাক। আমার মতে এনিমে ফিল্ম এর চেয়ে সিরিজ বেশি ভালো (যদিও আমার ফেভারি্ট এনিমে এর কথা বলতে গেলে The Girl Who Leapt Through Time এর কথাই বলব)। এই সিরিজ বেজড মুভিগুলো মুলত সিরিজটাকে কাটছাট করে বানানো হয়েছে। তাই সিরিজে যে ঘটনে ২৪-২৫ পর্বে সাজানো হয়েছে সেগুলো এখানে ২ থেকে ২.৫ ঘন্টার মধ্যে ঠিকভাবে সাজান হয়েছে কিনা তা ও চিন্তার বিষয়।
#১৩। Ghost in the Shell: Stand Alone Complex – The Laughing Man(২০০৫): Kenji Kamiyama র স্ট্যান্ড এলোন কমপ্লেক্স ট্রিলজির প্রথম মুভি এটা। ২০২৪ সালে এক হ্যাকার মাইক্রো মেশিন নামে এক কম্পানির সিইও কে কিডন্যাপ করে একটি সিরিজ কিডন্যাপিং এর সূচনা করে যার নাম হয় লাফিং ম্যান ইনসিডেন্ট। ছয় বছরেও এই ঘটনের কোন সুরাহা হয় না। ঘটনার ছয় বছর পরে ইনভেস্টিগেশন টিম এর এক মেম্বার মৃত্যর ঠিক আগ মুহুর্তে সেকশন ৯ এর ফ্রেন্ড Togusa এর কাছে সব এভিডেন্স পাঠিয়ে দেয়, কিন্তু জানাতে পারে না আসলে সে কি পেয়েছিল। Togusa এরপর শুরু করে নিজের ইনভেস্টিগেশন এবং পুলিশ বাহিনীর এক জোচ্চুরি আবিস্কার করে বসে। এরপর সেকশন ৯ লাফিং ম্যান ইনসিডেন্ট তদন্তের ভার নেয়। এই মুভির একটা খুব পছন্দের ডায়ালগ হলঃ I thought what I’d do was I’d petend I was one of those deaf mutes, or should I? আমার মতে এটা একটা মাস্টারপিস। ২৬ পর্বের সিরিজটা আমি অনেক আগ্রহ নিয়ে দেখেছি। আর মুভি ভার্সনটা ২ঘন্টা ৪০ মিনিটের।
#১৪-১৫। Ghost in the Shell: Stand Alone Complex – Individual Eleven(২০০৫) ও Solid State Society (২০০৭): স্ট্যান্ড এলোন কমপ্লেক্স সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের কম্পাইলেশন হল Individual Eleven আর Solid State Society একটা ফিল্ম। Individual Eleven এ সাইবারাইজড ওয়ার্ল্ড এ একটা রিফুজি আপরাইজিং নিয়ে গড়ে উঠেছে। আর Solid State Society এর স্টোরিটা শুরু হয় বিভিন্ন হাই প্রোফাইল ব্যাক্তিবর্গের আত্মহত্যার মাধ্যমে ও একে একে তাদের সন্তানদের হারিয়ে যাওয়া দিয়ে। Solid State Society এর একটা সিন আমার খুব পছন্দের। এখানে ডিটেক্টিভ Togusa এর সাইবারব্রেন হ্যাক এর মাধ্যমে তার মেয়েকে কীভাবে অবডাক্ট করা হয় তা দেখানো হয়েছে। নিচে আপনাদের জন্য সিনটা দিয়ে দিলামঃ
#১৬-১৭। Code Geass: Lelouch of the Rebellion : Black Rebellion(২০০৮) ও Zero Requiem (২০০৯): মূল সিরিজ ৫০ পর্বের (২০০৬-২০০৮)। প্রথম ২৫ পর্বকে ১১৭ মিনিটে কাটছাট করে Black Rebellion ও শেষ ২৫ পর্বকে আবার ১১৭মিনিটে কাটছাট করে Zero Requiem নামে ছাড়া হয়। আমার দেখা সেরা এনিমে সিরিজের একটা। ব্রিটানিয়া এর ৯৮তম রাজা চার্লস এর তৃতীয় সন্তান এবং সিংহাসনের ১৮তম দাবিদার রাজকুমার Lelouch ও তার বোন রাজকুমারী Nunnally কে তার মায়ের মৃত্যুর পর জাপানে নির্বাসন দেয়া হয়। ঘটনাক্রমে Lelouch এক অতিমানবিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ব্রিটানিয়া এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ন হয়।
এই সিরিজের দুইটা পছন্দের ডায়ালগ হলঃ If the king doesn’t lead how can you expect his sub-ordinates to follow? এবং If there is a evil so great that that It cannot be destroyed by just means, what will you do? Will you become a greater evil so as to destroy evil? Or, will you remain steadfastly just and righteous even if it means surrendering to evil? Either way, evil wins.
#১৮-১৯। Death Note – Relight: Visions of a God (২০০৭) ও L’s Successors (২০০৯):
তুখোর ছাত্র লাইট ইয়াগামি এর হাতে এসে পড়ে ডেথ গডের নোট, যেই নোটের ক্ষমতা দিয়ে কোন মানুষের চেহারা আর নাম জানা থাকলে তাকে মেরে ফেলা যায়। লাইটের মনে হতে থাকে এই পৃথিবী থেকে কিছু প্রকৃতির মানুষ না থাকলে পৃথিবীটা আরো সুন্দর হবে এবং সে এই নতুন পৃথিবী সবাইকে উপহার দিবে। তাই সে ডেথ নোটের ক্ষমতা ব্যাবহার করে একে একে বিভিন্ন খারাপ মানুষদের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে মেরে যেতে থাকে। এক সময় তা সবার নজরে আসে এবং এই খুন গুলো পরিচিতি পায় “কিরা কিলিং” নামে। পৃথিবীর এক নম্বর গোয়েন্দা এল এগিয়ে আসে এই সিরিয়াল কিলারকে থামাতে। শুরু হয় এক মেন্টাল লড়াই। লাইট যখনই এল এর আসল নাম জানবে তখনই এল পরাজিত, অন্যদিকে এল যখনই কিরার পরিচয় জানবে তখনই লাইটের ওয়ার্ল্ড রিফর্ম এর স্বপ্ন শেষ হবে। ২০০৭-২০০৮ এ চলা এই সিরিজটা মট ৩৮ পর্বের। প্রথম ২৫পর্বের কম্পাইলেশন Visions of a God আর শেষ ১২ পর্বের কম্পাইলেশন L’s Successors।
টুডি এনিমেশন মুভি নিয়ে আগের পোস্টটা দিয়েছিলাম গত বছর। এবার আরো কিছু টুডি ফিল্ম নিয়ে হাজির হলাম। আগেরবারের মতই কোন নির্দিষ্ট ক্রমে লিখলাম না। যখন যেটার নাম মনে আসে তখনই সেটা লিখলাম। এগুলোর বেশিরভাগই গত এক বছরের মধ্যে দেখা। আর শিরোনাম টুডি এনিমেশন মুভি হলেও এই পোস্টের সবগুলো শুধুই জাপানীজ এনিমে। স্বাগতম আমার পোস্টে।
#১। Colorful (2010):
মৃত্যুর পর একটি আত্মাকে সুযোগ দেয়া হয় আবার পৃথিবীতে ফেরত যাওয়ার। এই আত্মাকে মাকোতো কোবাইয়াশি নামে এক কিশোরের জায়গায় রিপ্লেস করা হয়। অন্যদিক এ মাকোতো নামের ছেলেটি আত্মহত্যা করে। তাকে বলা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাকে তার আগের জীবনের পাপকে খুঁজে বের করতে হবে। আর তাকে আরো বলে হয় ঠিক কোন ঘটনা মাকোতোকে আত্মহত্যার পথে নিয়ে গেছে তা খুঁজে বের করতে।
ডিরেক্টর Keiichi Hara এর দ্বিতীয় বিগ প্রোডাকশন। এর আগের মুভি ছিল Summer Days with Coo (২০০৭)। তারো আগে এই ডিরেক্ট কিছু টিভি সিরিজ, সেই রিলেটেড মুভি ও কিছু অল্প বাজেটের মুভি বানিয়েছেন। Colorful ছবিটি ২০১০ সালে Mainichi Film Award এ এনিমেশন গ্র্যান্ড এওয়ার্ড জিতে নেয়।
এখন আমার মন্তব্য বলতে গেলে আমি বলব খুবই unsettling মুভি। কয়েকদিন কেমন যেন খচখচ করেছে মুভিটা দেখার পর। দেখার মত।
#২। Summer Days with Coo (2007):
এটা বাচ্চাদের জন্য বানানো।
Kappa জাতের এক Yokai (ভূত) ২০০ বছর পর নিজেকে মডার্ন টোকিওতে আবিষ্কার করে। Kouichi Uehara নামের এক পিচ্চি তাকে খুঁজে বের করে। এরপর কাপ্পা চায় এই পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে।
খারাপ না।
#৩। Redline (2010):
“Sweet JP” প্রায় জিতে যাচ্ছিল ইয়েলো লাইন আর তার হাতে এসে যাচ্ছিলি রেড লাইনের টিকেট। কিন্তু শেষ মূহুর্তে প্রতিশ্রুত ম্যাচ ফিক্সিং এর কারনে বরন করে নিল সবার শেষ পজিশন। কিন্তু পপুলার ডিমান্ড আর কয়েক রেসারের রেড লাইন বর্জন করায় সে শেষ পর্যন্ত চান্স পেল রেড লাইনে। তার সারা জীবনের স্বপ্ন রেড লাইন জেতা। এখন সে কি আবার ম্যাচ ফিক্স করবে নাকি রেড লাইন জেতার চেষ্টা করবে?
মনে হচ্ছে খুবই সুন্দর একটা স্পোর্টস কাহিনী। কিন্তু ওয়েট এ মিনিট! এখানের সব রেসাররাই বিভিন্ন এলিয়েন। রেসটা একটা ইলিগ্যাল রিয়েলিটি শো। তার উপর পুরো এডাল্ট ওরিয়েন্টেড। এটা বানানো হয়েছে পুরোই Speed Racer সিরিজের ছায়ায়।
তবে একটা কথা আমি বলব, ছবির বিভিন্ন জায়গায় যতই গজগজ করি না কেন, শেষ আধা ঘন্টা স্ক্রিন থেকে চোখ সরাতে পারিনি। এটার এনিমেশন প্রশংশাযোগ্য। UK Anime Network এর রিভিউতে বলা হয়েছে “A sense of the cool and outrageous is seeped into every pore of the design” অন্যদিকে আরে রিভিউ এ বলা হয়েছে, “Speed Racer on crack”। তবে ছবি দেখা শেষ হয়ে যাওয়ার পর খুব বেশিদিন মনে থাকবে না। এটার আমেরিকান ডিস্ট্রিবিউটর ফানিমেশন এটাকে ২০১১ এর এনিমেশন বিভাগে অস্কারের জন্য সাবমিট করেছিল। আমার মতে এটার চেয়ে Colorful কে সাবমিট করলে ভালো হত। কিন্তু শুনেছি অস্কারের নিয়ম অনুযায়ী এনিমেশন বিভাগে সাবমিশনের জন্য অন্তত এক সপ্তাহের জন্য আমেরিকার কোন হলে সিনেমাটা চলতে হয়। অন্যদিক এ Colorful এখনো ইংলিশ ডাব এর জন্য লাইসেন্সই হয় নাই। :@
যাই হোক রেডলাইন খারাপ না। কিন্তু আপনার মাথা ঘুরাতে পারে এনিমেশন স্টাইলটার জন্য।
#৪। The Wings Of Honneamise (1987):
একটি দেশ স্পেস প্রোগ্রাম শুরু করেছে। এই দেশের সাথে পাশের দেশের আবার যুদ্ধ আসন্ন। প্রোগ্রামের মাঝখানে মাঝখানে অনেক সমস্যাও রয়েছে। এর মাঝেই রয়াল স্পেস ফোর্স তাদের স্পেস কার্যক্রম শেষ করতে চায়।
স্টোরিটা অনেক সিম্পল। এনিমেশন ও সিম্পল। সবকিছুই সিম্পল।
#৫। Jin-Roh the Wolf Brigade (1999):
টোকিও শহরে চলছে দাঙ্গা। এর মাঝেই টেরোরিস্ট গ্রুপ সেক্ট এই দাঙ্গায় বোমা হামলার পরিকল্পনা করে। আর এ কাজে তারা ব্যাবহার করে ছোট ছোট মেয়েদের। যাদের বলা হয় ‘লিটল রেড রাইডিং হুড’। এমনই এক মেয়ে, করপোরাল কাযুকি এর সামনে আত্মহত্যা করে। এভাবেই শুরু হয়।
ছবিটার ডিড়েক্টর Hiroyuki Okiura এবং রাইটার Mamoru Oshii (Ghost in the Shell সিনেমা দুইটার ডিরেক্টর)। পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে ১৯৫০-১৯৭০ এর জাপানকে বেছে নেয়া হয়েছে।
আমার ভালো লেগেছে সিনেমাটা। একটু পর পর লিটল রেড রাইডিং হুড থেকে কোটেশন হয়। সবচেয়ে ভালো লেগেছে এটার এন্ডিং টা। দেখতে পারেন।
#৬। K-ON! The Movie (2011):
এটা একটা টিভি সিরিজের ফিল্ম। আল গার্লস ব্যান্ড “আফটার স্কুল টি টাইম” এর সদসদের ইংল্যান্ড এ বেড়াতে যাওয়ার গল্প। ছবিটা দেখে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন এটা সেই বিখ্যাত এবে রোড। সিরিজটা আমার খুবই পছন্দের ছিল। সেই সাথে এই মুভিটাও ভালো লেগেছে। সবসময়ই ওয়ার্ম, ফাজি। কমেডি ঘরনার। এই মুভি এর আগে ৩৯ পর্বের এক সিরিজ আছে। যেখানে দেখানো হয় ভগ্নপ্রায় এক লাইট মিউজিক ক্লাব এ চারজন এসে যোগ দেয়। এরপর তাদের দুষতামি, ফাইজলামি এর মাধ্যমে একটা মেডিকোর ব্যান্ড প্রতিষ্ঠা করে। এইত।
#৭। Dante’s Inferno: An Animated Epic (2010):
Electronics Arts এর অর্থায়নে বিভিন্ন জাপানীজ স্টুডিও এ বিভিন্ন সেগ্মেন্ট বানানো। স্টোরিটা খুবই সিম্পল, দান্তে ক্রুসেড থেকে ফিরে এসে দেখে তার স্ত্রীকে হেল এর গার্ডরা নিয়ে যাচ্ছে। এরপর সে এক অভিযানে নেমে পড়ে তার স্ত্রী বিয়েট্রিসকে ফেরত আনার জন্য। এটা বানানো হয়েছে Dante’s Inferno গেম এর টাই ইন হিসেবে। গেমটা খেলা হয় নি কারন গেমটা পিসিতে রিলিজ পায় নি। গেমটা খেলার খুব ইচ্ছা ছিল। তাই গেমের স্বাদ এই এনিমেশন ফিল্ম এই নিতে হল। সিগ্নিফিকেন্ট দিক বলতে বিভিন্ন সেগ্মেন্ট এ বিভিন্ন এনিমেশন স্টাইল ইউজ করা হয়েছে যা প্রতিটা স্টুডিও এর সিগ্নেচার স্টাইল ফলো করেছে।
#৮। Batman: Gotham Knight (2008):
এটা মনে হয় অনেকেরই দেখা আছে। ডিসি কমিক্স এর অর্থায়নে বানানো। স্টাইল এর দিক দিয়ে Dante’s Inferno এর মত। তবে একটা কথা বলতে হবে। প্রথম সেগমেন্ট Have I Got a Story for You টাকে বলতে হয়, “out of this world experience.” সম্ভবত, ব্যাটম্যান নিয়ে এখন পর্যন্ত যতগুলো জিনিসপত্র দেখেছি তার মধ্যে এটা আমার সবচেয়ে পছন্দের। ডার্ক নাইট এর ফ্যানদের মধ্যে যারা এটা দেখেননি তাদের এটা দেখার অনুরোধ থাকল।
#৯। The Disappearance of Haruhi Suzumiya (2010):
এটাও আরেকটা টিভি ফিল্ম। জাপান সম্পর্কে একটা পাই চার্ট নেটে খুব পপুলার তা হলেঃ What is going on in Japan? 15% – Typical Things and 75% – Some Weird Shit. Haruhi Suzumiya সিরিজটি সম্ভবত শেষের ৭৫% এর মধ্যে পড়ে। এই মুভিটি দেখার আগে যে কারো The Melancholi of Harufi Suzumiya সিরিজের প্রথম ৬/৭ পর্ব দেখা বাধ্যতামূলক। হারুহি সুজুমিয়া নামের এক মেয়ে, ধারনা করা হচ্ছে এই মেয়ে গড। অন্যদিক এ হারুহি এর তৈরি করা ক্লাবে হারুহি জড়ো করে কয়েকজনকে। একে একে দেখা যায় এই গ্রুপের একেকজন একেক ক্ষমতা সম্পন্ন। একজন টাইম ট্রাভেলার, একজন এস্পার (মেন্টালিস্ট), একজন থট ইন্টেগ্রিটি/ডাটা এন্টিটি এর একটি নোড। এতসবের মাঝে এক সাধারন মানুষ হিসেবে সিরিজের প্রধান চরিত্র কিয়ন জড়িয়ে পড়ে। হারুহি জানে না যে তাকে গড ধারনা করে। আর অন্য তিন গ্রুপের সদস্যরা হারুহিকে অব্জার্ভ করার জন্য এ ক্লাবে যোগ দেয়। এই ক্লাব নিয়েই কাহিনী। ডিজএপেয়ারেন্স অফ হারুহি সুজুমিয়া এ দেখানো হয় সম্পুর্ণ এনভায়রন্মেন্ট চেঞ্জ হয়ে গেছে। কিন্তু কিয়ন ছাড়া আর কারো এর স্মৃতি মনে নেই। অনেক লম্বা সিনেমাটা, প্রায় ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট। কিন্তু মজা লেগেছিল দেখতে গিয়ে এবং কোন্দিক দিইয়ে পুরো সময় চলে গেল টেরই পাইনি।
#১০। Hotarubi no Mori e (2011):
সামার ভ্যাকেশনে এক ফরেস্ট স্পিরিট এর সাথে দেখা হয় পিচ্চি টাকেগাওয়ার। এরপর প্রতি সামার ভ্যাকেশনই স্পিরিটের সাথে দেখা করে এই পিচ্চি। ৫০ মিনিট এর ছোট্ট একটা মুভি।
#১১। The Sky Crawlers (2008):
সেম নামের উপন্যাস থেকে এডাপ্টেশন করেছেন লিজেন্ডারি ডিরেক্টর Mamoru Oshii। তবে এই সিনেমায় মনে হয় অনেক সিম্বলিক ব্যাপার স্যাপার ছিল। ওশি এর অন্যান্য ফিল্মের মতই বেশ কিছু অংশ মাথার উপর দিয়ে গিয়েছে। স্পেশালি শেষ দশ মিনিট যে কি দেখাল আল্লাহ জানে। যাই হোক, এটা ২০০৮ এ Mainichi Film Award এ এনিমেশন গ্র্যান্ড প্রাইজ জিতে নেয়। এবং অনেকেরই প্রিয় এনিমে এর তালিকায় আছে।
একদল এরিয়াল ফাইটারদের নিয়ে গল্প। এবং সায়েন্স ফিকশন। আর সায়েন্স ফিকশন পার্ট্টাই শেষ ১০-১৫ মিনিট এর আগে দেখা যায় না। এর আগ পরযন্ত ড্রামা মুভি হিসেবে চলতে থাকে।
আজ এ পর্যন্তই। সামনে আবার আসব আরো কিছু এনিমে ফিল্ম নিয়ে।
—-
ডাউনলোড লিঙ্কসঃ
দান্টে’স ইনফার্নো ছাড়া সবগুলো বাকাবিটি এর লিঙ্ক। সবগুলোই টরেন্ট। কম সাইজেরগুলো দিলাম। তবে পেজের কোনায় অন্যান্য ভার্সন দেখা যাবে।
Colorful:720p
Summer Days with Coo: ৪৮০পি
Redline: 480p
The Wings Of Honneamise: 480p
Jin-Roh the Wolf Brigade: 480p
Dante’s Inferno: 720p
K-ON! The Movie: ৭২০পি
Batman: Gotham Knight: 720p
Hotarubi no Mori e: 720p
The Sky Crawlers: ৪৮০পি