ডি-ফ্রয়াগ(মেন্টস) [D-Frag(ments)] অ্যানিমে প্রিভিউ/ফাহিম বিন সেলিম

ডি-ফ্রয়াগ(মেন্টস) [D-Frag(ments)]
জনরা: কমেডি, সেইনেন, স্কুল
প্রচার শুরু: ৭ জানুয়ারী, ২০১৪
পর্ব: অজানা

কাজামা কেনজি, স্কুলের ডেলিঙ্কুয়েন্ট নেতা। কিন্তু চিতোসে, সাকুরা, মিনামি, রোকি ― চারজন উদ্ভট মেয়ে তাকে বাধ্য করে তাদের ‘গেম ক্রিয়েশন ক্লাব’-এ যোগ দিতে! তার গ্যাঙ্গকে নিয়ে কাজামার সাধাসিধে স্কুল জীবন পাল্টে যায় আগাগোড়া।
১ জন ছেলে, ৪ জন মেয়ে; কিন্তু হারেম না! রোমান্স-ও সেভাবে নেই! কমেডিটাই এর মূল আকর্ষণ। কাজামা আর তার ক্লাব সদস্যদের স্কুল জীবনে ঘটা বিভিন্ন মজার, বিব্রতকর আর অদ্ভূত ঘটনা কেন্দ্র করেই এই ‘মানজাই’, যাকে বলা যায় একপ্রকার জাপানিজ স্ট্যান্ড-আপ কমেডি।

প্রত্যাশা: ৭-৮

সৌল ইটার নট![Soul Eater Not!] অ্যানিমে প্রিভিউ/ফাহিম বিন সেলিম

সৌল ইটার নট![Soul Eater Not!]

জনরা: কমেডি, শৌনেন, সুপারন্যাচারাল
প্রচার শুরু: ৬ জানুয়ারী, ২০১৪
প্রযোজক: বোনস
পর্ব: অজানা

বহুল জনপ্রিয় শৌনেন অ্যানিমে সৌল ইটারের স্পিন-অফ। যার কাহিনী গড়ে উঠেছে ফ্রেশ্মেন সুগুমি হারুদরি আর তার দুই মাইস্টার বন্ধু মেমে তাতানে ও আনিয়া হেপবার্নকে কেন্দ্র করে। যারা DWMA তে যোগ দেয় NOT(Normally Overcome Target) ক্লাসের অংশ হিসেবে। [যেখানে সৌল, মাকা, কিড রা ছিলো EAT(Especially Advanced Talent)-এর অন্তর্ভুক্ত।]

প্রত্যাশা: ৬-৭.৫

স্পেস*ড্যান্ডী [Space*Dandy] অ্যানিমে প্রিভিউ/ফাহিম বিন সেলিম

 

জনরা: সাই-ফাই, স্পেস, কমেডি, সেইনেন
প্রচার শুরু: ৪ জানুয়ারী, ২০১৪
পর্ব: ২৬
প্রযোজক: বোনস (এফ।এম।এ, সৌল ইটার)
পরিচালক: সিনিচিরো ওয়াতানাবে (কাউবয় বীবপ, সামুরাই চ্যামপ্লু, অ্যানিমেট্রিক্স)

সিরিজের প্রধান চরিত্র ড্যান্ডী হল আন্তঃমহাকাশীয় এলিয়েন শিকারী। যে কিনা মহাকাশের আনাচে কানাচে ঘুড়ে বেড়ায় এলিয়েনের খোঁজে। আর তার এই অভিযানের সহযাত্রী, রোবট কিউ।টি আর বিড়ালা কৃতির এলিয়েন মিয়াও!
নেমে পড়ুন ড্যান্ডীর সাথে এই মহাকাব্যিক যাত্রায় যেখানে আছে নাম না জানা সব এলিয়েন, বু*ইস, হৃদয় নাড়ানো মিউজিক, বু*ইস, বোনসের চোখ জুড়ানো অ্যাকশন দৃশ্য, বু*ইস, ওয়াতানাবের ব্যাড-অ্যাসারি এবং…হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন বু*ইস!

স্পেস ড্যান্ডী জাপানে প্রচারিত হবে ৫ তারিখ থেকে। কিন্তু তার আগেই ৪ তারিখ থেকে তার ইংলিশ ডাব সিমুলকাস্ট শুরু হবে অ্যাডাল্ট-সুইমের টুনামিতে!

প্রত্যাশা: ৯+
টায়ার: পোটেনশিয়াল বেস্ট অ্যানিমে অফ দ্য ইয়ার

গিন নো সাজি ২ এর অ্যানিমে প্রিভিউ/ফাহিম বিন সেলিম

 

গিন নো সাজি ২
জনরাঃ স্লাইস অফ লাইফ, শৌনেন, কমেডি,
স্কুল
প্রযোজকঃ অ্যানিপ্লেক্স
ব্যাপ্তিঃ ২৪ মিনিট/পর্ব
পর্ব সংখ্যাঃ ১১
প্রচার শুরু: ১০ জানুয়ারী, ২০১৪

এফএমএ-খ্যাত হিরুমো আরাকাওয়া-সেনসের অসাধারন এই জীবনধর্মী অ্যানিমের দ্বিতীয়(এবং শেষ?) সিজন। ৩ মাস বিরতির পর আবার ফিরে আসছে ইয়ুগো হাচিকেন আর তার ইয়েজো এগ্রিকালচারাল স্কুলের বন্ধুরা। ইকুয়েস্ট্রিয়ান ক্লাব, পোর্ক বোল, কাকডাকা ভোরের প্রাক্টিকাম, জাপানের কান্ট্রি-জীবন…হাচিকেন, মিকাগে-সান  আর অনেক, অনেক লাইফ লেসন। 

প্রত্যাশা: ৯+ 
টায়ার: পোটেনশিয়াল বেস্ট স্লাইস অফ লাইফ অফ দ্যা সিজন( ইয়ার টু মেবি?), সিকুয়াল

তোনারি নো সেকি-কুন এর অ্যানিমে প্রিভিউ/ফাহিম বিন সেলিম

তোনারি নো সেকি-কুন
প্রচার শুরু: ৬ জানুয়ারী
জনরা: সেইনেন, স্কুল, কমেডি
ব্যাপ্তি: ১০ মিনিট/পর্ব
মাঙ্গা রেটিং: ৭.৯৭ (২০১০-)
স্কুলে কোন বিরক্তিকর ক্লাস চলছে? পাশের জনের সাথে যে আলাপ করবেন সেই সুযোগও নেই। কী করতেন আপনি?
আমার নিজের কথা বলি, আমার ছোটবেলার ক্লাসে সবচেয়ে প্রিয় খেলা ছিল কলম দিয়ে রেসলিং খেলা!
আমাদের মূল চরিত্র, যার নাম সেকি-কুন, শুধুই সেকি-কুন, সে-ও এক্ষেত্রে আর যে কারো মত। বেঞ্চের উপরের কোন গর্ত কে হোল ধরে একটা ডিটেইলড গলফ কোর্স বানানো বা কাগজের শোগি পিচ দিয়ে কোন ড্রামাটিক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরী করা – সেকি-কুনের এসব খেলা তীব্র ভাবে আকর্ষন করে তার সিট-প্রতিবেশী ইয়োকোই কে। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, সেকি-কুনের এই মজার খেলা গুলোর কারণে আবার তাকেই পরতে হয় বিপদে!
এই নিয়েই তোনারি নো সেকি-কুন।

১০ মিনিটে সম্ভবত দুই-তিনটা করে কাহিনী দেখানো হবে। বলার মত কোন প্লট নাই। গ্যাগধর্মী, সম্ভবত সংলাপহীন। কাহিনীর স্বল্প পরিসরতার কারণে ক্লিশে হয়ে যেতে পারে আবার নিচিজৌ, ডি এল এইচ বি-এর মত অনেক হাসির, আকর্ষনীয় একটা অ্যানিমে ও হতে পারে।

প্রত্যাশা: ৮
টায়ার: ফিল-গুড

 

 

Kara no Kyoukai রিভিউ by Fahim bin selim

1

 

অ্যানিমে রিভিউ – কারা নো কিওকাই/ গার্ডেন অফ সিনারস/ বাউন্ডারি অফ এম্টিনেস [Kara no Kyoukai/ Garden of Sinners/ Boundary of Emptiness]
হেপ্টালজি
প্রচারকালঃ ২০০৭-২০০৯
প্রযোজকঃ ইউফোটেবল
জনরাঃ [বেস] অ্যাকশন, অতিপ্রাকৃত, রহস্য, রোমাঞ্চ [পর্বভেদে] রোমান্স, ম্যাজিক

// কাহিনী সনক্ষেপঃ হাই স্কুলের এক বরফস্নাত দিনে কিমোনো পরা এক মেয়ে, অ্যান্টিসোসাল ও রহস্যময়, শিকি রিয়োগির প্রতি আকর্ষন জন্মালো মিকিয়া কোউকোর। যতই তার কাছে আসতে থাকল, ততই সে বুঝতে পারল শহরে ঘটে যাওয়া একের পর এক হত্যাকান্ড আর অতিপ্রাকৃত জিনিসের সাথে শিকি জড়িয়ে আছে বেশ ঘনিষ্টভাবে। রহস্যের সমাধানের যখন খুব কাছে মিকিয়া তখনই আবার এক দূর্ঘটনায় মারাত্নকভাবে আহত হল শিকি।
দুই বছর পর যখন কোমার থেকে ফিরল, তখন সে হারিয়ে ফেলেছে আগের সব স্বৃতি। একত্র হল মিকিয়ার সাথে মেইজ তোউকো আওজাকির গোয়েন্দা সংস্থা, গারান নো দৌ বা হলো’ স্রাইনে। শহরে ঘটে যাওয়া সব অতিপ্রাকৃত হত্যার রহস্য সমাধান আর একই সাথে নিজের হারানো অতীত ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় নামল শিকি রিয়োগি।

// কেন ভালো লাগবেঃ কারা নো কিয়োকাই অ্যানিমের কাহিনী “নাসু কিনোকো”-র “কারা নো কিয়োকাই” উপন্যাস সিরিজ অবলম্বনে রচিত। আর উপন্যাস হওয়ার কারণে এর কাহিনী বেশ সুদৃঢ়। অ্যানিমের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে টাইপমুনের “নাসুভার্স”-এ, যাকে বলা যায় একই লেখকের “সুকিহিমে” অ্যানিমের প্যারালাল ইউনিভার্স(দুই অ্যানিমের চরিত্রদের মধ্যেও আছে অনেক মিল! বিশেষ করে কারা নো কিয়োকাইয়ের শিকি রিয়োগি এবং সুকিহিমের শিকি তোহনোর মধ্যে; শুধু নামই না, তারা একই শক্তির অধিকারীও)! জাদু ও বিভিন্ন অতিপ্রাকৃত শক্তির ক্ষেত্রে মিল খুঁজে পাওয়া যাবে টাইপ মুনের অন্যান্য অ্যানিমের সাথেও(ফেইট/স্টে নাইট, ফেইট/জিরো)।

কারা নো কিয়োকাই এর টাইমলাইন কিছুটা…না, বেশ অগোছালো। বাইরে থেকে দেখলে অসংযুক্ত কিন্তু একই সাথে সুনিপণভাবে নির্মিত[Disjointed but tightly-constructed]! আবার চরিত্রগুলোর মাঝেও এই বৈপরিত্য লক্ষনীয়। ব্যাপারটা খোলাশা করা যাক। মুল কাহিনী বিস্তৃত ১৯৯৫ সালের আগসষ্ট থেকে ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। কিন্তু প্রথম মুভি “ওভারলুকিং ভিউ”-এর কাহিনী ১৯৯৮ সালের। শেষ দুইটি মুভি বাদে কোন পরপর দুইটি মুভি-ই টাইমলাইনে ক্রনোলজিকাল না!

চারটি মুভি ভালোভাবে মুল কাহিনীর অংশ। বাকি তিনটি প্রথমে কিছুটা স্পিন-অফ ধাঁচের মনে হলেও শেষের দিকে কোন না কোন ভাবে মুল কাহিনীর সাথে যুক্ত। আর এই পর্বগুলোতে, রহস্য অ্যানিমে হিসেবে, খুব দ্রুত কালপ্রিটকে দেখিয়ে দেওয়ায় “রহস্য”-টা খুবই ক্ষনস্থায়ী হয়, যা আমার নিজের ব্যাক্তিগতভাবে কিছুটা খারাপ লেগেছে। কিন্তু মুল কাহিনীর রহস্যের ক্ষেত্রে আবার একেবারে শেষ পর্বের শেষ পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখার কাজটা অসাধারণ ভাবে করা হয়েছে।

কাহিনীর পেসিং অধিকাংশ অ্যানিমের মুভির মতই। প্রথম বিল্ড-আপ কিছুটা স্লো আর শেষের দিকে অসাধারণ সব ফাস্ট-পেসড অ্যাকশন! আর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো এই অ্যানিমের আরেকটি শক্তিশালী দিক।
এর চরিত্রগুলো বিশেষভাবে বলার মত। সুনদেরে-ইশ অ্যাকশন হিরোইন হিসেবে শিকি আর শান্ত, ধিরস্থির এবং অসাধারণ নথি সংগ্রহের ক্ষমতাসম্পন্ন মিকিয়াকে ভালো না লাগার কোন কারণ নেই। সাথে আছে তোউকো আওজাকি, ভিলেন আরায়া সৌরেন। আর “প্যারাডক্স স্পাইরাল”-এ তোমোয়ে এনজোর ক্যামিও গল্পকে আরো শক্তিশালী করেছে।

3

আর যেকোনো আধুনিক অ্যানিমে মুভির মতই এর অ্যানিমেশনের মান বেশ উচ্চস্থানীয়। বিশেষ করে দেয়াল, মেঝে, নদীর পানি অথবা পিচের রাস্তায় জমে থাকা পানির উপর বৃষ্টি পরার দৃশ্যগুলোর(এই অ্যানিমেতে অনেক বৃষ্টি হয়। অনেক।) অ্যানিমেশন প্রায় “কোতোনোহা নো নিওয়া” পর্যায়ের, প্রায়।
ভিজুয়ালাইজেশনের দিক থেকে আবার “পাপরিকা”-র সাথে তুলনা দেওয়া যায়। “প্যারাডক্স স্পাইরাল” – ফিলোসফি, সিম্বলজিমের সাথে এই ভিজুয়াইলাইজেশনের সমন্বয় চোখ জুড়ানো এক সৌন্দর্য উপহার দিবে। আলোছায়ার খেলা, রঙের পরিবর্তন, ক্যামেরার অবস্থান আর ফোকাসিং যেকোনো মাস্টারপিচ লাইভ অ্যাকশন মুভির সাথে তুলনীয়!

আর বাকি থাকল মিউজিক। সাতটি মুভির শেষে সাতটি আলাদা আলাদা এন্ডিং সং, সবগুলোই “কালাফিনা”-র গাওয়া। এবং সবগুলোই অ্যানিমের ডার্ক থিম বজায় রাখতে অবদান রেখেছে। আর অ্যানিমের অভ্যন্তরীন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, বিশেষ করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে, আলাদা ভাবে বলার মত।

// কেন ভালো নাও লাগতে পারেঃ
টাইপ মুনে ইউনিভার্স আর এর প্লট ডিভাইস সম্পর্কে একেবারেই ধারণা না থাকলে কাহিনী ভালোভাবে বুঝতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, এক্ষেত্রে উইকিপিডিয়া বা টাইপমুন উইকিয়ার সাহায্য নিতে পারেন।
কাহিনীর অগোছালোতা। একেবারে শেষ পর্যন্ত না দেখলে সম্পুর্ন কাহিনী কিছুই বুঝবেন না। তাই পুরো সাতটি মুভি ব্যাপী মনযোগ ধরে রাখা জরুরী। এটা একটা জিগস পাজলের মত। পুরোটা সাজাতে হলে মাথা খাটানো প্রয়োজন। প্যারাডক্স স্পাইরালে আবার ফিলোসফিকাল আর সিম্বোলিজমের ছড়াছড়ি।

গোর। সাইকো থ্রিলার, খুনাখুনি নিয়ে কাহিনী বলে গোর দৃশ্যের সংখ্যা অত্যাধিক। অধিকাংশ সেইনেন মুভির মতই কয়েকটি পর্বে আছে একপ্লিসিট ম্যাচুর দৃশ্য আর কাহিনী একটি জায়াগায় আপত্তিকর জিনিস আছে।
তাই ক্লান্ত দিনের শেষে, গা এলিয়ে দিয়ে, হাসিতে গড়াগড়ি খেয়ে, মন ভালো করার মত কোন অ্যানিমে দেখতে যদি চান, তবে এটি আপনার জন্য না।

// কারা নো কিয়োকাই ফ্র্যান্সাইজঃ
১। ওভারলুকিং ভিউ
২। মার্ডার স্পেকুলেশন/ এ স্টাডি ইন মার্ডার প্রথম অংশ
৩। রিমেইনিং সেন্স অফ পেইন
৪। হলো’ স্রাইন
৫। প্যারাডক্স স্পাইরাল
৬। অবলিভিওন রেকর্ডার – ফেইরী টেল
৭। মার্ডার স্পেকুলেশন/ এ স্টাডি ইন মার্ডার দ্বিতীয় অংশ
+৮। কারা নো কিয়োকাই এপিলোগ [এইটা এখনো দেখি নাই]
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং(যথাক্রমে)ঃ ৭.৯৭ । ৮.১৭ । ৮.৩৫ । ৮.১৯ । ৮.৭৫ । ৭.৯৪ । ৮.৬৬ । ৭.৩৪

// আমার রেটিংঃ
কাহিনী(যথাক্রমে)ঃ ৭ । ৮ । ৭ । ৭ । ৯ । ৭ । ১০ । n/a
মিউজিকঃ ১০
আনিমেশন/ আর্ট/ দৃশ্যায়নঃ ১০
পরিচালনাঃ ৯
চরিত্রঃ ৯
সমাপ্তিঃ ৯
ইনট্রিগঃ ৯
সর্বমোটঃ ৯.১২

2

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস। – by Fahim Bin Selim

ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কাকাশি, লাইট, হৌতারো, কিওন – আমি নিজে বুদ্ধিমান না বলেই হয়ত এদের প্রতি আকর্ষন বেশি। কাকে রাইখা কারে বলি?

প্রথম নারুতো দেখসিলাম মোটামুটি ছোট থাকতে, ৫-৬ বছর আগে, কার্টুন নেটওয়ার্কে ফার্স্ট সিজনের শেষের ১০-১৫ টা পর্ব। চুনিন এক্সাম, গারা ভি লী এর লেজেন্ডারি সীস’ ম্যাচটা দেইখাই ফ্যান হয়ে গেলাম। এরপর অপেক্ষা; ২০১০-এর দিকে ভালোভাবে অ্যানিমে দেখা শুরু করলাম, আর প্রথম শৌনেন নারুতো। মোটামুটি সবার মত নারুতোই প্রথম দিকে ফেভারিট ছিল। আবার চুনিন এক্সাম, থার্ড রাউন্ড প্রিলিমিনারী, তখন পর্যন্ত প্রায় অগুরুত্বপুর্ণ ক্যারেক্টার শিকামারু, কিন সুচিকে যেভাবে হারালো; আমি তো মুগ্ধ – wait, this guy – some genius, he is. তখনই ভালো লাগা শুরু। তারপর আবার সেমিফাইনালে তেমারির সাথে জয় এবং একমাত্র চুনিন নিবার্চিত। এবার পুরাপুরি ভাবে ফ্যান হয়ে গেলাম।
অলস, প্রতিভাবান, লেভেলহেডেড, পরিপক্ব, আবেগকে আটকে রাখা – এই শিকামারু। কিন্তু শীপুডেন-এর ৮০~ পর্বে এসে শিকামারুর সেই নাজানা দিকটাও দেখা হল। আসুমা মারা যাওয়ার সময়ের সেই তীব্র আবেগময় মুহুর্ত, অতঃপর হিদানকে মারার(আটকানোর) মুহুর্তগুলি।
ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কিন্তু শিকামারু অন্য লেভেলের প্রিয়। 

নিনজা ওয়ারের প্রক্সি কমান্ডার, আর্গুয়েবলি কোনোহার সবচেয়ে বিচক্ষন শিনোবি, হোকাগে হওয়ার যোগ্য – কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ত নারুতোই হোকাগে হবে। ভাল। শিকামারুদের আলোতে আসতে হয়না, কোনোহার “শ্যাডো নাইট” আড়াল থেকেই তার “কিং”-দের বাচিয়ে যাক, তাই ভাল।

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস।

Shikamaru