নানবা মুত্তা; বয়স ৩২।
শরতের এক সুন্দর সকালে নিজ অফিসে নিমগ্নচিত্তে কাজ করছিলেন। হটাত করেই বসের রুমে ডাক পরে উনার। কথায় কথায় বস মুত্তা সাহেবের মহাকাশচারী ছোটভাই হিবিতোকে নিয়ে বেফাঁস কথা বলে বসেন। আর যায় কোথা !! জিদান সাহেবের অনুকরণে বসকে মাথা দিয়ে ঠু মেরে বসেন মুত্তা সাহেব। ফলশ্রুতিতে ৩২ বছর বয়সে এসে শুধু চাকরিই হারালেন না; বসের কল্যাণে সকল অফিসে ব্ল্যাকলিস্টেডও হয়ে পড়লেন। এ সময় ছোট ভাই এর উপদেশে মুত্তা সাহেবের মা উনার সিভি ড্রপ করে দিলেন জাপানিজ মহাকাশচারী নির্বাচন পরীক্ষায়; আশ্চর্যজনকভাবে প্রাথমিক বাছাই পর্বও উৎরে গেলেন আমাদের মুত্তা সাহেব। তারপর কি হল? একদম ছোটবেলায় আকাশ আর চাঁদ তারা নিয়ে মাতোয়ারা দুই ভাই এর মাঝে মহাকাশচারি হবার যেই সঙ্কল্প ছিল – তা কি পূরণ হবে? দুই ভাই কি পারবে এক সাথে মহাকাশে ঘুরে বেড়াতে; এক সাথে চাঁদের বুকে পা রাখতে?
( এই এনিমটা সাজেস্ট করার জন্য মৌনতা আপুকে বিশাল বিশাল থ্যাঙ্কস। সুপার পাওয়ার কিংবা কিউট নারী ক্যারেক্টার কিংবা স্মার্ট প্রোটাগনিস্ট ছাড়া ৩২ বছর বয়স্ক বেকার এক সাধারণ মানুষকে নিয়ে যে এত্ত সহজ কিন্তু সুন্দরভাবে একটা সিরিজ করা যায়; আমার ধারনাই ছিল না !!! এবং এইরকম একটা অনগোইং সিরিজ এর কথা আমি জানতামই না !! আপাতত ৭৩ পর্ব পর্যন্ত রিলিজ পেয়েছে; সবার জন্যই হাইলি রিকমেন্ডেড !!! )
