মাঙ্গা রিভিউ: Intersection’s Pretty Boy — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

জুনজি ইতোর মাঙ্গা কালেকশনে এত অসাধারন গল্প রয়েছে তার মধ্যে আমার অন্যতম পছন্দ হলো ইন্টারসেকশন প্রিটি বয় । নরমাল ভাগ্যগণণাকে জুনজি যথারীতি নারকীয় রুপ দিয়েছেন !
কাহিনী : জাপানের এক কানাঘুপচি শহরে এক আজব খেলা চালু আছে । এই খেলার নাম হল ইন্টারসেকশন ফরচুন টেলিং বা গলির চৌমাথার ভাগ্যগননা । এই খেলার নিয়ম হল আপনি কোন গলির মাথায় দাড়িয়ে মুখ ঢেকে পথচারীর জন্য অপেক্ষা করবেন । পথে যে প্রথম পথচারীকে পাবেন , তাকে অনুরোধ করবেন আপনার ভাগ্য সম্পর্কে কিছু বলতে , সে যা বলবে আপনার ভাগ্য সে রকমেরই হবে । সবই ঠিকঠাক চলছিল যতদিন না পর্যন্ত এক গর্ভবতী নারীর লাশ পাওয়া গেলো শহরের এক রাস্তার মোড়ে । আসল ঘটনা শুরু হয় যখন রিয়ুসকে নামক এক সুদর্শন তরুন তার ছোটবেলার শহরে ফিরে আসে । নতুন স্কুলে ভর্তি হবার পর সে খুজে পায় তার ছোটবেলার বান্দ্ধবী মিডোরিকে এবং সুদর্শন এবং সদালাপী হওয়ায় সে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে , বিশেষ করে মেয়ে ম্হলে । কিন্তু হঠাত্‍ করেই তার এক মেয়ে সহপাঠীর ভয়াব্হ মৃত্যু হয় চৌরাস্তার মোড়ে এবং জানা যায় যে সে ইন্টারসেকশন ভাগ্য গণণা করতে গিয়ে সে এক কালোপোশাকধারী সুদর্শন যুবকের দেখা পায় যে তাকে বলে তার জীবনে কখোনো ভালবাসা আসবে না । এরপরই মেয়েটি আত্নহত্যা করে । এরপরই শুরু হয় রিয়ুসকের জীবনের এক নারকীয় অধ্যায় । এই কালোসুদর্শন যুবকের সাথে রিয়ুসকের সম্পর্ক কি তা জানতে হলে শুরু করে দিন মাঙ্গা পড়া !
এটার আর্টওয়ার্ক এবং কাহিনী দুটোই অস্থির । পড়তে গিয়ে আপনার একধরনের ভয় ও রহস্যের উত্তেজনা মিশানো অনুভূতি কাজ করবে । তো সময় থাকলে পড়ে ফেলুন Intersection pretty boy !
আমার রেটিং: 9/10

pretty boy

মাঙ্গা রিভিউ: Tales Of The Unusual — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

যারা রেগুলারলি হরর মাঙ্গা পড়েন বা শর্ট হরর মাঙ্গার ভক্ত তাদের কাছে The Red Book এবং Fuan no Tame মাঙ্গা পরিচিত নাম । এদুটো মাঙ্গার বৈষিট্য হচ্ছে ১-২ পৃষ্ঠার মধ্যে একেকটি হরর কাহিনী এবং প্রায় সংলাপহীন । এর মধ্যে দ্যা রেড বুক আবার কালারড । এখন দ্যা টেলস অফ দি আনইউজুয়াল এই টাইপের মাঙ্গা তবে এর কাহিনী বড় এবং সংলাপযুক্ত ।
এই মাঙ্গার কাহিনী বিভিন্ন ধরনের হরর নিয়ে । সবগুলোতেই ভূতপ্রেত নিয়ে কাহিনী না বরং এর মধ্যে সায়েন্সফিকশনাল হররও আছে । যেমন স্বপ্নে হত্যার অর্ডার দেয়া , নতুন ধরনের বিউটি লোশন যা আপনাকে সুন্দর কর তুলবে কিন্তু অতিরিক্ত ব্যাবহার আপনাকে পুরোই বদলে দেবে , ফ্রান্সিস কাফকার মেটামরফসিস গল্পের ছায়া নিয়েও একটা গল্প আছে আরও আছে স্কন্দ্ধকাঁটা যাদুকরসহ আরও অনেক কিছু ।
মাঙ্গার আর্টস্টাইলকে ঠিক সুন্দর বলা যাবে না ,কিন্তু হররমাঙ্গার আর্ট সুন্দর আশা করা কি উচিত !? কালারিং মাঙ্গা হওয়ায় পড়ে মজা আছে । এটা অনগোয়িং মাঙ্গা এবং এর সর্বশেষ ১০৭টি চ্যাপ্টার বের হয়েছে । আপনি যদি ফুয়ান নো তামে এবং রেড বুকের ভক্ত হন . তাহলে অবশ্যই এই মাঙ্গাটি ট্রাই করে দেখবেন । আশা করি কিছু হলেও ভয় লাগবে !
আমার রেটিং : 7/10

tou 1tou 2

মাঙ্গা রিভিউ: A Bride’s Story — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

আমার সাধারনত রোমান্স বা সেইনেন টাইপের মাঙ্গা বেশি ভালো লাগেনা । কিন্তু সব রোমান্স মাঙ্গাই যে একরকম নয় তা এই মাঙ্গা পড়ার পরে বুঝতে পেরেছি । হিস্টোরি , রোমান্স এবং স্লাইস অফ লাইফ এর অপূর্ব সংমিশ্রন এবং আরব বেদুঈনদের জীবন কাহিনী নিয়ে খুবই সুন্দর মাঙ্গা ।
এই মাঙ্গার কাহিনীর পটভূমি ১৮০০ শতকের শেষের দিককার । এই কাহিনীর মূল ক্যারেকটার হচ্ছে আমিরা হালগাল । সে একজন ২০ বছর বয়সী যাযাবর নারী এবং তার স্বামী কারলুক তার চেয়ে বয়সে ৮ বছরের ছোট । তখনকার যুগে এইজ ডিফারেন্স কোন ব্যাপার ছিল না । আমিরা এবং কারলুকের বিয়ের আগে কেউ কাউকে চিনতো না , এখন হয়তো অনেকে ভাবছেন তাদের মধ্যকার ঝামেলা নিয়ে কাহিনী , কিন্তু আসলে তা নয় । ২জনের কারও এইজ ডিফারেন্স নিয়ে মাথাব্যাথা নেই এবং তাদের মধ্যকার যে ভালবাসা তাতেও কোন খাদ নেই । আমির এবং কারলুক ও তাদের পরিবারের দৈনন্দিন জীবন নিয়েই এই কাহিনী । এর মধ্যে কিছু সাইড স্টোরি আছে এবং তাও যথেষ্ট সুন্দর ।

এই মাঙ্গার চোখে পড়ার মতো প্রথম জিনিস হলো আর্ট । অতিরিক্ত সুন্দর এবং ডিটেইলড আর্ট আপনার চোখকে মাঙ্গায় আঁটকে রাখবে । আরব ক্যালিগ্রাফী এবং ডিজাইন এলিমেন্টের সুন্দর ব্যাবহার মাঙ্গায় করা হয়েছে । এবং আরব বেদুঈনদের দৈনন্দিন জীবন যাপন সম্পর্কে রিয়েলস্টিক ধারনা পাবেন ।কিছু ইচি এলিমেন্ট আছে এবং ২একটা সাইড স্টোরি কিছুটা খাপ ছাড়া লেগেছে কিন্তু সবদিকদিয়ে মাঙ্গাটা আমার খুবই ভালো লেগেছে । যারা হাইস্কুল টিনএজার রোমান্স বা গতবাধা লাভস্টোরি পড়ে ক্লান্ত তারা অবশ্যই এই মাঙ্গাটা ট্রাই করে দেখবেন । তাহলে পড়তে শুরু করুন , চ্যাপ্টার ৫০টা বের হয়েছে এবং অনগোয়িং ।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে ।

আমার রেটিং : ৮/১০a bride's story

মাঙ্গা রিভিউ : Ibitsu — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

মাঙ্গা রিভিউ : Ibitsu ( ইবিতসু )

মানুষের মন বড়ই বিচিত্র । কখোনো তা কল্পানপ্রবন , শিশুতোষ এবং শিল্পমনার প্রকাশ এবং কখোনো তা অবসেসিভ এবং স্যাডিসটিক এবং তা কখোনো বাইরের রুপ দেখে বোঝা যায় না । ধরুন বাসে এক সুন্দরী মেয়ে আপনার পাশে বসল , আপনার সাথে গায়ে পড়ে আলাপ করা শুরু করল এবং একসপ্তাহ পর আপনার লাশ ছিন্ন বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ড্রেনে খুঁজে পাওয়া গেল । মানুষের মন সত্যিই বড় বিচিত্র । ইবিতসু তেমনি এক সাধারন পরস্থিতি থেকে নারকীয় পরিস্থিতিতে মোড় নেওয়া কাহিনী ।

Ibitsu 1

কাহিনী : কাজুকি একজন তরুন মাঙ্গাকা । বাবা-মা এবং ছোটবোন নিয়ে তার সুখী পরিবার । একদিন রাতে আবর্জনা ডাস্টবিন ফেলার সময় খেয়াল করে ডাস্টবিনে কসপ্লের পোশাক পড়ে এক মেয়ে বসে আছে । যথারীতি পাগল ভেবে কাজুকি ময়লা ফেলে ফিরতি পথ ধরে বসল তখন হঠাত্‍ মেয়েটা জিঙ্গাসা করল “তোমার কি ছোটবোন আছে ? .. তখন কাজুকি উত্তর না দিতে গিয়েও বলল আছে । কাজুকি কি জানে সে তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছে এই উত্তর দিয়ে এবং প্রবেশ করেছে এক স্যাডিসটিক সাইকোপ্যাথ মেয়ের ভ্রাতাশিকার তালিকায় । বাকি কাহীনি জানতে হলে শুরু করে দিন মাঙ্গা পড়া ।

আমার পড়া সাইকোপ্যাথ হররের মধ্য সেরাগুলোর একটি । মাঙ্গার আর্ট বেশ ভালো । ১৪ চ্যাপ্টারের ছোটমাঙ্গা । এবং এর মধ্য দুটো সাইডস্টোরি আছে । প্রচলিত ভৌতিক গুজব যদি সত্যি হয় তাহলে যে তার মাত্রা কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা রিয়ো হারুকা এ মাঙ্গায় দেখিয়েছেন । সময় থাকলে পড়ে ফেলুন ইবাসুকি !
আমার রেটিং : ৮/১০

Ibitsu 2

Homunculus রিভিউ — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

মাঙ্গা রিভিউ : Homunculus

Homunculus কথাটা শুনলেই প্রথমে দুটা জিনিস মনে আস । প্রথম হল এর আসল অর্থ যার মানে হল কৃত্রিমভাবে তৈরি মিনিয়েচার মানুষ , আর আমরা যারা কম বেশি এনিমে দেখসি তাদের মনে আসে ফুলমেটাল এলকেমিস্টের ৭মহাপাপের Homunculus . এখন এই মাঙ্গায় আমাদের সাইকোলজিকাল হোমানকুলাস নিয়েই কাহিনী ।
কাহিনীর কেন্দ্র হচ্ছে সুসুমু নাকাশি যাকে কাহিনীর শুরুতে দেখা যাবে একজন বেকার সহায় সম্বলহীন মানুষ হিসেবে । তার সম্বল বলতে একটা ছোট গাড়ি যেটার মধ্যেই সে থাকে । অর্থাত্‍ মাথায় ছাদ নাই কিন্তু গাড়ি আছে ! তো একদিন আরামসে ঘুমানোর আয়োজন করার সময় এক অদ্ভুত্‍ বেশধারী লোক তার সাথে দেখা করে . এবং প্রস্তাব দেয় যদি নাকাশি তার নিজের মাথায় সেই ব্যাক্তি যার নাম মানাবু ইতো কে পরীক্ষা করতে দিতে রাজি হয় তাহলে সে তাকে ৭মিলিয়ন ইয়েন দেবে । আর পরীক্ষটা হলো তার মাথার খুলিতে সে একটি ফুটো করে দেবে , এর ফলে মস্তিকে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং যার ফলে হয়তোবা সুসুমু তার ষষ্ঠইন্দ্রিয়কে আবিষ্কার করতে পারবে । হ্যাঁ , এই অদ্ভুত দেখতে মেডিকেল স্টুডেন্ড মানাবুর আগ্রহ হচ্ছে মানুষের সিক্সথ সেনস নিয়ে গবেষনা করা । যা হোক প্রথমে নাকাশি রাজি না হলেও , পড়ে পেটের দায়ে রাজি হয় । অপারেশন সফল হলেও প্রথমে তার কোন সিক্সথ সেনসই টের পায় না । তো কয়েকদিন পর রাস্তায় হঠাত্‍ করে চলার সময় তার বা চোখে বালি ঢোকে এবং বাঁ চোখ বন্দ্ধ করার সাথে সাথে দেখে যে তার চারপাশের মানুষের চেহারা বডি ফিগার অদ্ভুত হয়ে যাচ্ছে । কেউ কাগজের মত পাতলা , কেউ বালুর বডি দিয়ে তৈরি আবার কেউ নরমালই আছে । এটাই কি তার নতুন পাওয়া ক্ষমতা ? পরে মানাবু ইতোর সাথে যোগাযোগ করার পর যে হাইপোথিসিস দাড়া করানো যায় তা হলো নাকাশির চোখে তার আশেপাশের সানারন মানুষগুলো বাইরের খোলস ভেদ করে তাদের ভিতরকার বেদনা , কামনা এবং অবদমিত অনুভূতি তার চোখে মানসিক Homunculus হয়ে ধরা দিচ্ছে । এরপর কি হয় ? নাকাশির আসল কাহিনী কি ? জানতে হলে পড়া শুরু করে দিন Homunculus ।
মাঙ্গার কাহিনী খুবই ভালো এবং মাঙ্গার আর্টও উন্নত মানের । তবে এর মধ্যে যথেষ্ট ম্যাচিউর এবং বেশ কিছু ডিস্টার্বিং সিন আছে যা অনেকের কাছে খারাপ লাগতে পারে । তবে মাঙ্গাটা ধৈর্য ধরে পড়লে ভালোই লাগবে । ভলিউম সংখ্যা মাত্র ১৬টি । তা হলে সময় থাকলে পড়ে ফেলুন ইয়ামাতা হিদেওর সৃষ্ট Homunculus .
আমার রেটিং : 8/10 ।

Homunculus

রুফিয়াসের মাঙ্গা থিওরি- পর্ব ২ঃ টোকিও ঘোউল- কানেকির অভিনয়, স্মৃতিগুলো সত্যি নয়

টোকিও ঘোউল নিয়ে কিছু এলোমেলো কথা। স্পয়লার এলারট!

আমরা কানেকির সম্পর্কে টোকিও ঘোউল সিরিজ এ যা কিছু জেনে এসেছি তার অনেকটাই ছিল বলতে গেলে কানেকির অভিনয় । অথবা এক স্বপ্ন। কানেকি কখনোই কানেকি হয়ে বাঁচতে চায়নি। শান্ত শিষ্ট , ভীরু কানেকি , যাকে আমরা মানুষ থেকে ঘোউল হতে দেখেছিলাম, সেই কানেকি আসলে ছিল ট্রাজেডি নভেল এর এক চরিত্র মাত্র। সেই ট্রাজেডির নায়ক হয়ে কানেকি নিজের অতীত কে চাপা দিয়েছিল, মরতে চেয়েছিল কানেকি। ইয়ামরি (জেসন) এর কাছে মরতে চেয়েছিল কানেকি। কিন্তু তার মাথার ভেতরকার রিজে সান তাঁকে মরতে দিল না। মাকে সে কত্ত ভালবাসত, সেই মায়ের কথা মনে করিয়ে দিল, যখন কানেকি চোখের সামনে মা ঘোউল আর ছেলে ঘোউল কে ইয়ামরির হাতে খুন হতে দেখল। অতীতের কথা মনে পরে গেল কানেকির। বাস্তবতায় যেই স্বপ্নের জগত গড়ে তুলেছিল কানেকি , তা ভেঙ্গে গেল। ইয়ামরি কে কানেকি শেষ করল নিজের হাতে।

এন্টার, সাদা চুলের কানেকি। এই কানেকি নতুন এর গল্পের নায়ক এর অভিনয়ে করতে লাগল। যেই নায়ক ভীরু নয়, যেই নায়ক সবাইকে বাঁচাবে। নতুন এক স্বপ্ন। এবার সুকিয়ামা, বা তোউকা, কেউই তাঁকে থামাতে পারবে না। কিন্তু এ স্বপ্নে বাঁধ হয়ে দাঁড়াল সিসিজি আর আওগিরি। হিদে ছিল কানেকির বন্ধু, তার অতীতের সাক্ষী। একেও পথ থেকে সরিয়ে যখন কানেকি ছুটে চলল তার স্বপ্ন পূরণের পথে ( সবাইকে রক্ষা করার উদ্দ্যেশ্যে) ঠিক তখন সিসিজির রিপার আরিমা এসে বাধা হয়ে দাঁড়াল। কানেকির স্বপ্নের জগত আবার ধ্বংস হয়ে গেল। মাথার ভিতর চেকারবোর্ড আকাশের নিচে দাড়িয়ে কানেকি অতীতের সব কথা আবার মনে করল। মায়ের কথা মনে পড়ল আবার। মাকে সে কত্ত ভালোবাসত। কানেকি যা চেয়েছিল তা পেল। কানেকি আরিমার হাতে মারা গেল।

এন্টার, সাদা- কালো চুলের হাইসে সাসাকি । এই কানেকি আরেক নতুন গল্পের নায়ক। আরিমা সেই গল্পের রচয়িতা। গল্পে, সাসাকি হয়ে বাঁচতে হবে কানেকি কে, অতীতের কথা সব মুছে গেছে তার চেতনা থেকে। কিন্তু হায়! অবচেতন মনে যেই কানেকি বসত গড়েছে, তাকে মুছে ফেলা আরিমারও সাধ্য নেই। অবচেতন মনের সেই কানেকি সাসাকিকে অতীতের প্রতি কৌতূহলী করে তুললো। সাসাকি এবার জানতে চায় তার অজানা অতীত। সুকিয়ামার কাছ থেকে অতীত সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল কানেকি, কিন্তু এবার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল কানায়ে। হিস্টোরি রিপিটস ইটসেলফ। এখন সাসাকি আবার তার ভুলে যাওয়া অতীত মনে করতে পারল। তার মায়ের কথা মনে পড়ল। সে কত্ত ভালোবাসত তার মাকে… আসলেই কি তাই? কানেকি কখনোই তার মাকে ভালোবাসে নি। ওটা ছিল কানেকির অভিনয়। ( থুতনি তে হাত দিয়ে কানেকি মিথ্যে কথা বলত।) কানেকি এখন আবার মরে যেতে চায়। আর নয় কোনো অভিনয়। স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে রক্তে মাখা লাল চুলের কানেকির। এই কানেকি নয় কোনো নায়ক। বরং এক হিংস্র পিশাচ/ ঘোউল। যে কিনা মরে যেতে চেয়েছিল।

12301491_114278538940750_723212829509296951_n

রুফিয়াসের মাঙ্গা থিওরি- পর্ব ১ঃ টোকিও ঘোউল – কানেকির উপর জেসনের আসল অত্যাচার

( কন্টেইন্স এ ভেরি কন্ট্রোভারশাল টপিক )

আচ্ছা, যে বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চাই, সেটি হল, টোকিও ঘোউল মাঙ্গায় আওগিরি ইনভেশন আর্ক এ কানেকি কে ইয়ামরি/জেসন ধরে টরচার করে, কিভাবে টরচার করে সেটা অনেকেরই জানা। হাত আর পায়ের আঙ্গুল কেটে ফেলা, কানের ভেতর চাইনিজ সেন্টিপিড ঢুকিয়ে দেয়া। শারীরিক টর্চার এর পাশাপাশি মানসিক অত্যাচার ও করা হয়েছিল। মা ঘোউল আর ছেলে ঘোউল এর মাঝে কানেকি কে বেছে নিতে বলা হয়েছিল, কাকে সে রক্ষ্যা করবে, কাকে হত্যা হতে দেবে। যাই হোক, আমি সেদিকে যেতে চাচ্ছি না, শারীরিক অত্যাচার এর দিকটাই বিশ্লেষণ করতে চাই।

এমন কি হতে পারে, যে ইয়ামরি আসলে একজন সমকামী!?!?

এমন কি হতে পারে, যে ইয়ামরি কানেকি কে সেক্সুয়ালি টরচার করেছিল?

বিষয়টি বোঝাবার জন্য নিম্নোক্ত যুক্তি পেশ করা হলঃ

১। ইয়ামরি এর পার্টনার নিকো একজন হোমোসেক্সুয়াল পুরুষ।

tg 1

২। ইয়ামরি আওগিরি এর আস্তানায় কানেকি কে দেখে কেমন এক ধরনের লোভ দেখিয়েছিল। একি শুধু শারীরিক অত্যাচার করার ইচ্ছা?

tg 2

৩। কানেকি কে ইয়ামরি যখন তার টর্চার রুমে নিয়ে আসে, আমরা চেয়ারের সাথে বাঁধা একজনকে দেখতে পাই। যে কিনা ইয়ামরির আগের অত্যাচারের খেলনা ছিল। সেও একজন পুরুষ। তার গায়ে পোশাক নেই। কিন্তু সেক্সুয়ালি টর্চারের চিহ্ন পাওয়া যাবে।

tg 3

৪। কানেকি কে টর্চারের মাঝে কেউ কি লক্ষ্য করেছেন যে তার গায়ের শার্টটি বদলে দেয়া হয়েছে! কানেকির সাদা শার্টের বদলে সেখানে ইয়ামরির টিশারটটি পরানো হয়েছে।

tg 4

৫। টর্চারের পর কানেকির প্যান্টের বোতাম খোলা ছিল। শার্ট ছেড়া ছিল।

tg 5

৬। কানেকির পায়ের রগ কাটা ছিল, তাকে চেয়ার থেকে সরালে যেন পালাতে না পারে, তাই। চেয়ার থেকে কানেকি কে কেন সরানো হয়েছিল?

tg 6

 

tg 7

 

৭। কানেকির হ্যালোসিনেশানে কানেকি কে অসহায়, উলঙ্গ দেখানো হয়েছে।

tg 8

৮। কদিন আগে টোকিও ঘোউলঃরে মাঙ্গায় কানেকির এক্স রে ছবি তে দেখানো হয়েছিল অতীতে শরীরের কোথায় কোথায় কানেকি আঘাত পেয়েছিল । সেই ছবিটিও সেক্সুয়াল টর্চারের প্রমান।

tg 9

৯। মাঙ্গাকা ইশিদা সুই সেক্সুয়াল এসল্ট এর বিষয়ে চুপ থাকেন নি। জুঝোউ, টরসো, নাটক্র্যাকার তার উদাহরণ।

আমি বলছিনা কানেকি কে রেইপ করা হয়েছে। আমি বলছি কানেকি কে হয়ত সেক্সুয়ালি মিউটিলেট করা হয়েছিল। কানেকি নিজে কখনো এটা বলেনি। যেহেতু কানেকির সিলেক্টিভ মেমরি, হয়তো বা তাই।

কি জানি…

মাঙ্গা রেকমেন্ডেশনঃ Koe no Katachi, Onani Master Kurosawa ও Aku no Hana — Rezo D. Skylight

মাঙ্গা রেকমেন্ডেশনঃ Koe no Katachi, Onani Master KurosawaAku no Hana

মানুষ তার নিজেকে বদলে কিভাবে নতুন মানুষে পরিণত হতে পারে তার উজ্জ্বল উদাহরণ Koe no Katachi, Onani Master Kurosawa এবং Aku no Hana এই তিনটি মাঙ্গায় খুব ভালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই মাঙ্গাগুলো না পড়ে থাকলে পড়তে পারেন। পড়লে অবশ্যই আপনার ভালো লাগবে। এমনকি আপনার ফেভরাইট মাঙ্গাতেও পরিণত হতে পারে। যে কোন ‘স্লাইস অফ লাইফ’ জনরার ফ্যানদের জন্য এগুলো ‘Must Read’ মাঙ্গা।

3 in 1

Koe no Katachi:
প্রথমে Koe no Katachi এর কথায় আসি। Koe no Katachi তে প্রথমে কিছুটা সাইকোলজিকাল টাইপের থাকে। পরবর্তীতে অনেকটা লাইট হার্টেড হয়ে যায়। তবে এর প্রতিটি ক্যারেক্টারই ইন্টারেস্টিং, যদিও দুই একটা অত্যন্ত বিরক্তিকর ক্যারেক্টার রয়েছে। এই মাঙ্গায় বুলি করা ব্যাপারটাকে ভালো ভাবে দেখানো হয়েছে। অবশ্য পরবর্তীতে গিয়ে প্রত্যেকের মধ্যেই পরিবর্তন আসে আর সবাই সবাইকে বুঝতে শুরু করে। সবমিলিয়ে, Koe no Katachi বেশ ভালো একটা মাঙ্গা। এন্ডিংও বেশ ভালো। তাই এই মাঙ্গাটা একবার পড়ে দেখুন, অবশ্যই ভালো লাগবে। আর্টও বেশ ভালো। আর সামনে বছর Kyoani এর এনিমে মুভি অ্যাডাপশন নিয়ে আসছে, এখন তার অপেক্ষায় বসে আছি।

চ্যাপ্টারঃ ৬৪
মাইএনিমেলিস্ট রেটিংঃ ৮.৬৭
আমার রেটিংঃ ১০/১০

Onani Master Kurosawa:
Onani Master Kurosawa কিছুটা বেতিক্রমধর্মী মাঙ্গা (Doujinshi)। প্রথম চ্যাপ্টার পড়ে অনেকেই এর থিম দেখে পিছপা হতে পারে। কিন্তুু আপনারা যদি ধৈর্য নিয়ে পুরো মাঙ্গাটা পড়তে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে এই মাঙ্গা আপনার অন্যতম ফেভরাইট স্লাইস অফ লাইফ মাঙ্গায় পরিণত হবে। তবে মাঙ্গার মেইন ক্যারেক্টার কুরোসাওয়া বেশ ইন্টারেস্টিং। তার চরিত্রের সাথে অনেকটাই ‘ডেথ নোট’ এর লাইটের মিল আছে। মাঙ্গার শুরুতে কুরোসাওয়া ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হয় এবং পরবর্তীতে নানা ধরনের কুকর্ম করতে থাকে। কিন্তুু একটা সময়ে তার ভুল বুঝতে পারে এবং সে নিজেকে পরিবর্তনের চেষ্টা করে। এভাবে Onani Master Kurosawa-র কাহিনী খুব সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। এর এন্ডিং খুব চমৎকার। মাঙ্গার আর্ট কিছুটা বাজে। তবে আমার কাছে ওভারওল মাঙ্গাটা খুব ভালো লেগেছে।

চ্যাপ্টারঃ ৩১
মাইএনিমেলিস্ট রেটিংঃ ৮.৬৪
আমার রেটিংঃ ১০/১০

Aku no Hana:
উপরের দুইটি মাঙ্গা থেকে Aku no Hana সবচেয়ে বেতিক্রম। তবে এর কাহিনীর শুরুটাও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে, যা অনেকটা Onani Master Kurosawa-র মতো। তবে বাকি কাহিনী সম্পূর্ণ আলাদা। এর সাইকোলজিকাল এলিমেন্ট তুলুনামূলক অনেক বেশি। তাই সাইকোলজিকাল যাদের ভালো লাগে না তাদের না পড়াই ভালো। এই মাঙ্গা প্রথমে আমার কাছে খুব ডিস্টার্বিং মনে হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে খুব মেজাজ গরম হয়েছিল, মনে হয়েছিল ড্রপ মারি। কিন্তুু শেষ করার পর বুঝলাম মাঙ্গাটা আসলে কত ভালো। অর্থাৎ শুরুটা কিছুটা বিরক্তিকর হলেও শেষমেশ Aku no Hana খুব ভালো একটা মাঙ্গায় পরিণত হয়। কিছু ক্যারেক্টার এখানে খুব বিরক্তিকর ছিল। তারপরেও মাঙ্গার শেষ পর্যায়ে গিয়ে সবাইকে ভালো লেগেছে। এর ১৩ এপিসোডের এনিমে অ্যাডাপশনও আছে। কিন্তুু ‘Rotoscoping animation’ ব্যাবহার করার জন্যে অ্যাডাপশন খুব বাজে হয়েছে। তাই এনিমে না দেখাই ভালো। মাঙ্গার আর্ট অনেক ভালো।

চ্যাপ্টারঃ ৫৮
মাইএনিমেলিস্ট রেটিংঃ ৮.২০
আমার রেটিংঃ ১০/১০

যারা একটু বেতিক্রমধর্মী স্লাইস অফ লাইফ মাঙ্গা খুঁজছেন তারা এই তিনটি মাঙ্গা পড়ে দেখতে পারেন। আমার কাছে এই তিনটি মাঙ্গার প্রতিটিই অনেক ভালো লেগেছে। বলতে গেলে এই তিনটি মাঙ্গাই আমার পড়া সেরা স্লাইস অফ লাইফ মাঙ্গার তালিকায় থাকবে।

অনন্য মাঙ্গা আসর – ২ (Harem Lodge)

সাসাহারা মিদোরি নামের এক মেয়ের প্রবাসী বাবা মেয়ের জন্য জীবনসঙ্গী ঠিক করে রেখেছেন এবং ,মেয়েকে ভবিষ্যৎ স্বামীর কাছে প্রেরণও করেছেন। সেই ছেলেটি হল তেতসুয়া কাতাগিরি। এক্সপ্রেশনলেস সহজ সরল এক ছেলে। আর যে বাড়িতে গিয়ে তারা ঊঠল তা রেন্টাল এপার্টমেন্ট “Harem Lodge” …………………

 

আর এভাবেই শুরু হয়ে যায় মিদোরি-তেতসুয়ার গল্প নিয়ে শর্ট লেন্থের মাঙ্গা “Harem Lodge” . ৯ চাপ্টারের শৌজো রোমান্টিক মাংগাটি সর্বোপরি ভালো। ক্যারেক্টার সাজানো,চোখে লাগার মত ব্যাকস্টোরি থাকায় গল্পরস পূর্ণ।

oma 1

 

রোমান্টিক ভাইব ও এনভারোমেন্ট মাঙ্গার প্রথম চাপ্টার থেকেই পাওয়া যাবে। আর হারেম লজের বসবাসকারীরা নিতান্তই স্বাভাবিক নন,অদ্ভুত সব চরিত্রের অবতারণা করা হয়েছে এখানে।

 

আয়ুমু ওয়াকাতসুকি যাকে অনেক সময় মানুষ মেয়ে ভেবে ফেলেন,আসলে উনি ছেলে …

 

শুইচি ওডা,এনার ব্যাপারে বললে স্পয়লার হয়ে যাবে তবে  ছবি দুটো দেখলেই বুঝতে পারবেন ক্যারেক্টার টা কেমন …

oma 2

তবে মাঙ্গার প্রথমদিকে কোরিয়ান মানহয়ার মত সরলরৈখিক রোমান্স মনে হলেও পরবর্তীতে হালকা প্লট টুইস্ট আছে,ব্যাকস্টোরী আর ফ্লাশব্যাক দিয়ে পুরো মাঙ্গার ধরনকেই যেন পালটে দেওয়া হয়েছে। আর হারেম লজের অধিবাসীদের প্রতিদিনকার জীবন এর জায়াগাগুলোয় হালকা হাসির খোরাক পেতেই পারেন।

 

আর মাঙ্গার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশে এই মাঙ্গাটির ঘাটতি ব্যাপক। “””আর্টওয়ার্ক”””

 

মাংগাটির আঁকা মিশ্র,কভার ও গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যগুলোতে আঁকা নিয়ে কোন সমস্যা না থাকলেও,ফ্ল্যাশব্যাক ও ব্যাকস্টোরির সময় তেতসুয়া আর মিদোরির চেহারা দেখলে রীতিমত মেজাজ খারাপ হয়ে যেতে পারে। এত্ত সিরিয়াস অংশে এসে মাঙ্গাটির আঁকার এ বেহাল দশা কেন?? তাই আঁকা নিয়ে অতি উৎসাহী ও “দেখতেই ভালো লাগে না চেহারা তাই এটা ভালো না” এধরনের দর্শকদের ভালো লাগা সুনিশ্চিত না।

 

আর খুব তাড়াহুড়া করে মাঙ্গাটি শেষ করা হয়েছে বলে স্টোরিলাইনকে কেবল “ভালো” , আঁট ভাষায় “মোটামুটি” বললে তর্কের জায়গা নেই।

 

মাঙ্গাটি একদিন ফ্রি টাইম পেলে পড়ে ফেলতে পারেন,আশা করি ভালো লাগবে।

 

মাঙ্গাটির রচয়িতা শিজুকি ফুজিসাওয়া, মাইএনিমেলিস্টে রেটিং দেওয়া হয়েছে ৭.৬৯  ……

 

সামনে আরো একটা মাঙ্গা নিয়ে হাজির হব , সে পর্যন্ত সাইয়োনারা ^_^

 

মাঙ্গা পড়ুন,অন্যকেও পড়তে বলুন………

মাঙ্গা রিভিউ :উযুমাকি (Uzumaki) — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

মাঙ্গা রিভিউ :উযুমাকি (Uzumaki)
আমাদের যদি প্রশ্ন করা হয় যে , ছোটবেলায় কোন জেনারের বই সবচেয়ে বেশি কেনা হয়েছে? তাহলে আমার ধারনা বেশিরভাগই বলবে ভূতের । ছোটবেলায় টম সাহেবের বাংলো , সতীনাথ ভাদূড়ি ,বনফুল এর লেখা ভূতের গল্প ছোটবেলায় লেপের নিচে পড়ার অভিঙ্গতা আমাদের অনেকেরি আছে । এরপর আসে সত্যজিত্‍ রায়ের অসাধারন মাস্টারপিসগুলো যেমন ফ্রিত্‍স , খগম , ভূতো , বৃহচন্চু ইত্যাদি । এসব গল্পের বিল্ডিং এবং কাহিনী বর্ননা অসাধারন। এখন আসব মাঙ্গাকার কথায় । জুনজি ইতো জাপানের সের হরর মাঙ্গাকার মধ্যে একজন । এবং তার মাঙ্গাগুলোর স্বাদ অনেকটাই সত্যজিত্‍ রায়ের ভৌতিক ছোট গল্পের মত । উযুমাকি সেরকমের একটি গল্প । এবং এই গল্পের মেইন বিষয় হলো রহস্যময় স্পাইরাল । জ্বী এই কাহিনীর অভিশাপ কোন জীবের নয় বরং একটি জ্যামিতিক কার্ভের ।

কাহিনী : জাপানের উপকূলের একটি ছোট শহর কুরোজো । এই শহরের দুই অধিবাসী হল কিরি গোশিমা এবং তার বয়ফ্রেন্ড সুইচি সাইতো । কাহিনী শুরু হয় এই সুইচির বাবাকে নিয়েই , যে স্পাইরালে আসক্ত । সে স্পাইরালের প্যাটার্নযুক্ত কিছুই সংগ্রহ করত । এবং তার জীবনের শেষ হয় নিজেকে স্পাইরালে পরিনীত করতে গিয়ে । এবং পরে সুইচির মায়েরও মৃত্যু হয় স্পাইরাল ভীতিতে । তখন থেকে শহরে শুরু হয় স্পাইরালের কার্স ।শহরের যে কোন শবদাহ করার পর যে ধোয়া বের হয় স্পাইরাল আকৃতির । আরও শুরু হয় খুলির স্পাইরাল ভোয়েডে হারিয়ে যাওয়া , মানুষ শামুকে পরিনত হওয়া , গর্ভবতী ভ্যাম্পায়ার মায়ের দল এবং প্রেমিক সাইক্লোন যা কিরিকে নিয়ে যেতে চায় । বাকি কাহিনী মাঙ্গা পড়েই জেনে নিন ।

মাঙ্গার আর্টস্টাইল যথেষ্ট রিয়েলিস্টিক এবং ডিটেইলড , বিশেষ করে হরর পার্টগুলো । কাহিনী শেষের দিকে যথেষ্ট প্যাচালো । কিন্তু তাও না পড়ে থাকা যায় না ।
আমার রেটিং : 9/10
সুতরাং গভীর রাতে পড়া শুরু করে দিন ২০ চাপ্টারের উযুমাকি । আশা করি শৈশবের সেই গা ছমছমে অনুভূতি ফিরে আসবে ।

uzumaki