Made in Abyss Movie 3: Dawn of the Deep Soul [শর্ট রিয়েকশন] — Shifat Mohiuddin

মেইড ইন অ্যাবিস বের হয়েছিল সেই তিন বছর আগে, ২০১৭ সালে। দেখেছিলাম সেই বছরেই, তিন বছর পরে যখন এই সিকুয়েল মুভিটা দেখতে বসলাম তখন দেখা গেল এনিমের ভেতরকার অনেক তথ্যই ভুলে বসে আছি।
তবে এতদিন পরে সিরিজটার সংস্পর্শে যাওয়ার পরেও বুঝতে সমস্যা হয় নি তেমন। মুভিটাতে ফিফথ লেয়ারে পৌছানোর পর রিকো আর তার গ্যাংয়ের ফিফথ লেয়ারের sovereign ব্নড্রেডের সাথে কাহিনী দেখানো হয়েছে, যে জিনিসটাকে সিরিজের শেষ পর্বগুলাতে দারুণভাবে বিল্ডআপ করা হয়েছিল।
তো তিন বছর অপেক্ষার পর এই বিল্ডআপ বৃথা যায় নি। মুভিটা সিরিজের নান্দনিকতাকে ধরে রাখতে পেরেছে পুরোপুরি। অ্যানিমেশন খুবই ভাল ছিল, সিরিজে প্রথম দিকের লেয়ারগুলায় তাদের অ্যাডভেঞ্চার দেখানোতে সবুজের অনেক অস্তিত্ব ছিল। কিন্তু এই ফিফথ লেয়ার মারাত্মক কর্কশ একটা জায়গা, প্রাণের ছিটেফোঁটা সেখানে অল্পই আছে। তো পরিবেশ এভাবে বদলে যাওয়ার পরেও Kinema Citrus তাদের মুন্সিয়ানা ঠিকই দেখিয়েছে।
সাউন্ডট্র্যাক আগের মতই সেরা ছিল। কেভিন পেনকিনের জাদু আবার টের পাওয়া গেছে, শিল্ড হিরোতে জিনিসটা পাই নি তেমনভাবে। সিরিজের আগের ওএসটি Hanezeve কে আরো এপিকভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। আর যে মুহূর্তে ট্র্যাকটা বাজানো হয়েছে সেটার আর কথা আর নাই বললাম।
সবশেষে আসি কাহিনীতে। এখানে কিছু বললেই স্পয়লার হয়ে যাবে। তবে এটুকু আশ্বাস দিতে পারি দর্শকরা সিরিজ দেখে যে অনুভূতিগুলার ছোঁয়া পেয়েছিলেন সেই অনুভূতিগুলো মুভিটাও আপনাদের সরবরাহ করবে। MIA এর ট্রেডমার্ক কাহিনীর হুট করে ডার্ক টার্ন নেয়াটা এখানে একেবারেই শুরু থেকে আছে। রিকো-রেগু-নানাচিদের সাথে আপনিও হাসবেন আর কাঁদবেন মুভি দেখার সময়।
১০ এ সলিড ৮.৫ দিলাম মুভিটাকে ব্যক্তিগত জায়গা থেকে। ৯ দিতাম যদি কাহিনীটা আরেকটু কম প্রেডিক্টেবল হতো।
দারুণ ব্যাপার হলো ১০৪ মিনিটের এত দারুণ একটা সিকুয়েলের পরেও সিরিজটার সাসপেন্স একটুও কমে নি। অ্যাবিসের রহস্য যেন শেষ হওয়ার নয়, মুভি শেষ হওয়ার পর আপনার মনে প্রশ্নের সংখ্যা না কমে বরং বাড়বে। এত এত রহস্য রেখে যায় বলেই সিরিজটার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করা স্বার্থক।
 

Comments

Leave a Reply