মুশিশি রিভিউ; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

2_mushishi

আচ্ছা, আপনাদের কি সেই বজ্রাহত অভিমানী ছেলেটার সাথে পরিচয় আছে? সেই ছেলেটা, যে অভিমান করে বজ্রপাতের আওয়াজ পেলেই ছুটে গিয়ে বাড়ির সামনের লম্বা গাছটাতে উঠে বসে থাকে? অথবা সেই হতভাগ্য সন্তানের সাথে, নিতান্তই কৌতুহলের বশে রাতের বেলা শিস বাজিয়ে পাখি ডাকতে গিয়ে যে দুর্ভাগ্য টেনে আনে নিজ পরিবারের ওপর। অথবা সেই পরিশ্রমী লোকটির কথা কি জানেন, যে শীত-গ্রীস্ম কোন কিছুর পরোয়া না করে পাহাড়ের ঢালে কাজ করে যেত দিনরাত, যে কারণে তুষার ঝড়ের মাঝেও সেই পাহাড়ে দেখা যেত সোনালি ফসলের হাসি। কিংবা সেই অদ্ভুত পাহাড়ের কথাই ধরুন। বসন্তের ছোঁয়া লাগতে মাসখানেক দেরি হয়ে যায় যে পাহাড়ে, শীতকাল চলে যেতে যেতেও বারবার ফিরে আসে সেখানে, এখনও কাজ শেষ হয়নি যে তার এখানে!!

মুশিশি অ্যানিমেটির ব্যাপারে কেউ আমাকে প্রশ্ন করলে বিপদে পড়ে যাই। ছোট ছোট এমন অসংখ্য কাহিনী একসাথে মনের আয়নাতে যেন ভেসে ওঠে। আর উঠবেই বা না কেন, মুশিশির কাহিনীটাই যে অমন! কোন ধারাবাহিকতা নেই এই অ্যানিমেটির, আপনি যেকোন পর্ব থেকে অ্যানিমেটি দেখা শুরু করতে পারেন, কাহিনীর তাতে কোনই ক্ষতি হবে না। একেকটি পর্ব একেকটি পরিপূর্ণ ছোট গল্প। এই অসংখ্য ছোটগল্পগুলোর মাঝে যোগসূত্র একটিই, আর তা হল এক আত্মিক ফেরিওয়ালা, যার নাম গিনকো।

21368_mushishi

গিনকোর ব্যাপারে সবচেয়ে সুন্দর বর্ণনাটা বোধহয় মুশিশির প্রথম ওপেনিং এই বলা হয়েছে। “I walk a thousand miles to see you.” না, প্রেয়সীকে দেখার জন্য সহস্র মাইল দূরত্ব পাড়ি দেয়না গিনকো। গিনকো এক যাযাবর, যে দেশ-বিদেশে ঘুরে ঘুরে মুশি দেখে, মুশির ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করে, তার নিজের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সাহায্য করে পীড়িত মানুষদেরকে।

কিন্তু এই মুশি জিনিসটা কি? সোজা বাংলায় বলতে গেলে, মুশির শাব্দিক অর্থ পোকা। কিন্তু অ্যানিমেতে মুশি জিনিসটা সাধারণ পোকার চেয়ে একটু আলাদা। সবাই তাদের দেখতে পায় না, কিন্তু তারা বাস করে মানুষের আশেপাশেই। কিছু মুশি মানুষের উপকার করে। কিছু আবার ডেকে আনে ভয়ানক দুর্ভাগ্য। গিনকো এই সমস্ত মুশি সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করে বেড়ায় ঘুরে ঘুরে।

মুশিশি অ্যানিমেটা আমি দেখা শুরু করি ৩৬০ পি ফাইলে, বন-জঙ্গল আর মানুষ মিলেমিশে বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা হয়েছিল, কিছুই আলাদা করে চেনার উপায় ছিল না। তার ওপর প্রথম পর্বে বেশ গা শিরশির করা একটা মুশির কাহিনী বর্ণনা করা হয়, যেটা দেখে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছিলাম। তাই ১০ পর্ব দেখে অনেকদিন ফেলে রেখেছিলাম। কিন্তু মাথায় সবসময় এর ওএসটিগুলো ঘুরত। তাই একদিন আবার মুশিশি দেখা শুরু করি, এবার ভাল কোয়ালিটির ফাইলে। এবং একটা পর্ব দেখেই আমি চমকে যাই! সম্ভবত আমার দেখা সেরা বন-জঙ্গলের আর্ট আছে মুশিশিতে- এবং কথাটা মোটেই বাড়িয়ে বলা নয়।

517747

এতকিছু বলার কারণ হল, প্রথম কথা, মুশিশি দেখতে গেলে অবশ্যই ভাল কোয়ালিটির ফাইল জোগাড় করবেন। তা না হলে এর সৌন্দর্য আপনি ধরতেই পারবেন না। দ্বিতীয়ত, মুশিগুলোকে দেখে প্রথম প্রথম ক্রিপি লাগতে পারে অনেকের। কিন্তু কয়েক পর্ব দেখে ফেলুন, এরপর আবিষ্কার করবেন, কেমন যেন একটা নেশার মত ধরে গেছে, একের পর এক এপিসোড দেখেই যাচ্ছেন অন্যকিছু চিন্তা না করে। মনে হবে যেন গিনকোর সাথে সাথে আপনিও হেটে চলেছেন পাহাড়ি রাস্তা ধরে, মাথায় খড়ের হ্যাট আর পিঠে জীর্ণ বোঝাটা নিয়ে!

মুশিশি আপনাকে মানব জীবনের মূল্য নতুন করে বুঝতে শেখাবে, আশেপাশের পরিচিত জগৎটাকে নতুন করে চিনতে শেখাবে। সেই সাথে আপনার সারাদিনের ক্লান্তিকে দূর করে দেবে এক নিমিষেই। তাই মনকে প্রশান্তি দেয়া কোন অ্যানিমে দেখতে চাইলে দেখা শুরু করুন মুশিশি। পুরো ফ্র্যাঞ্চাইজ দেখার সিক্যুয়াল হল-

Mushishi
Mushishi Special: Hihamukage
Mushishi Zoku Shou
Mushishi Zoku Shou: Odoro no Michi
Mushishi Zoku Shou: 2nd Season
Mushishi Zoku Shou: Suzu no Shizuku

1184100-2016-mushishi-hdq-wallpaper

ERASED – প্রজাপতিকথন, স্মৃতিকথন, কমপ্লেক্স হিউম্যান সাইকোলজি — অনন্য রায়হান

Erased

[জানালা খোলা,হঠাৎ নীল প্রজাপতি] ……
আর্ট প্রতিযোগিতার ডেট কি আর বাড়ানো হবে না ভাইয়া? আমার বোনের ছবিটা এখনো স্ক্যান করা হয়নি
……
এই মুরগিটায় আরেকটু তেল লাগবে মাহি ভাই,ব্রাশটা এদিকে……
……
ওয়ান পাঞ্চ ম্যান সেরা এনিমেশন – এজন্যই গণতন্ত্র ভাল্লাগে না ……
………
[জানালা খোলা,হঠাৎ নীল প্রজাপতি] ……
………
ব্যাপারটা কি বারবার অতীতে ফিরে যাচ্ছি কেন?
সপ্তাহ করে করে তো প্রায় গত বছর চলে গেলাম ……
টাইমলাইন আর মানুষের স্মৃতি নিয়ে আগ্রহ-গবেষনার অন্ত নেই – আপেক্ষিকতার তত্ত্ব পড়ে অনেকে আলোর বেগে গতিশীল হলে সময় তার জন্য ধীরে ধীরে আগাবে এমন Hypothesis এ অনেকে আস্থা রাখেন ……
তবে এর পেছনে সায়েন্টিফিক কারণ ছাড়াও সাইকোলজিক্যাল একটা প্রণোদনা আছে।অতীতে ফিরে গিয়ে আবার নতুন করে আগের কাজটা করা – ভবিষ্যতে গিয়ে পরিণাম সম্পর্কে জানা – এ দুটি কাজ করার স্বপ্ন আমরা জানতে অজান্তে দেখি – Sub Consciously হলেও দেখি । এর মধ্যে ভবিষ্যতে যাওয়ার চেয়ে অতীতে যাওয়ার কামনা টাই বোধহয় প্রকট।আর সেই দুর্বলতার সুযোগ নিতে ছাড়েনি লেখক,গল্পকার,কমিক আর্টিস্ট কেউই ………
বলছি ERASED এর কথা –
প্রথমত দীর্ঘ জাপানি নাম হল Boku Dake ga Inai Machi যা মাঙ্গা টির অরিজিনাল পাবলিশিং নেইম – যেখানে সাতোরু নামের এক চরিত্র [বছরের সেরা চরিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম] কিভাবে সময়ের সাথে লড়াই করে পুরো টাইমলাইনের চাল উলটে দেয় সেটাই দেখানো হয়েছে……
প্রথমত রিভাইভাল বা টাইম রিওয়াইন্ডিং এর কথায় আসি – সিরিজটিতে প্রোটাগোনিস্ট সাতোরুর একটি Sub Conscious এবিলিটি – [এবিলিটি কি? সে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না] – এর মাধ্যমে সে জাম্প করে চলে যেতে পারে অতীতের কোন টাইমে – ব্যাপারটা ঠিক জাম্পকৃত টাইম কেটে ফেলা না – যে টাইম টা জাম্প করা হয়েছে সে টাইম টাও তাকে অতিবাহিত করতে হবে যদি নেক্সট কোন রিভাইভাল না হয় এর মাঝে –
অর্থাৎ এটা King Crimson এর স্ট্যান্ডের মত নয় [রেফারেন্স : Vento Aureo]
এই এবিলিটি তার হাতে কেন আর এটা কি হুটহাট ই এক্টিভেট হয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে?
না সেটা হলে কোন Stable গল্প বানানো সম্ভব না – কারণ কারণে অকারণে রিভাইভাল হলে সেটা Meaningless আর সাতোরুর বয়স এ জীবনে বাড়বে না ……
টপ টু বটম সিরিজটি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই –
প্রথমত সিরিজটিতে সাতোরু ও হিনাজুকি – দুটি চরিত্রকে নিয়ে বিতর্ক
এ বিতর্ক হাস্যকর তো বটে Childish – গল্প যেখানে হালকা সাসপেন্স ভাইব [সাসপেন্স হিসেবে ব্যর্থ],টাইম ট্রাভেলিং আর সাইকোলজিক্যাল সেখানে রোমান্স নিয়ে ভাবলে মুশকিল! – বাঙ্গালিরা ছোটবেলার খেলার বান্ধবী বা বন্ধু মানেই ভবিষ্যতের স্ত্রী বা প্রেমিকা এটা মনে করার একটা ট্রেন্ড বাংলা সিনেমার মাধ্যমে আমাদের শিরায় Push করে দিয়েছে – তাই Realistic শব্দটা কথায় কথায় উচ্চারণ করলেও আমাদের চিন্তাভাবনা অনেক্ষেত্রেই Realistic না ……

গেলো প্রথম বিতর্ক – দ্বিতীয় টি হল এটা নট স্যাটিসফেক্টরি
হুম গল্প যে পরিমাণ রহস্য ডিমান্ড করেছে প্লট সাপেক্ষে সে পরিমাণ ঘটনার ধূম্রজাল ছিল না , Predictibility অনেক বেশি ……
তবে সাইকোলজিক্যাল সিরিজ হিসেবে আমার কাছে অন্তত এটা মাস্টারপিস না হলেও কাছাকাছি ……
আমরা অতীতে ফিরে যেতে চাই , সাতোরুও চেয়েছে – অতীতে গিয়ে সহপাঠীর প্রান বাঁচাতে চেয়েছে – সেখান থেকে কিছু “ইন্টারেস্টিং” চরিত্র এসেছে যাদের মানসিক অবস্থা ছিল জটিল কমপ্লেক্সিটিতে ভরা ……
উদাহরণ স্বরূপ হিনাজুকির মায়ের কথাই ধরুন [আর কিছু বলা যাচ্ছে না স্পয়লারের কারণে]
[জানালা খোলা,হঠাৎ নীল প্রজাপতি] ……
আমি রক্তের স্বাদ ভালোবাসি – তোমার চিৎকার আমার প্রাণ জুড়িয়ে দেয় – এরকম Psycho টাইপ চরিত্র ভালো না লেগে পারে [যদি আপনি অতিমাত্রায় Conservative না হন]
কিন্ত বেশ অন্যরকম একটা ভিলেইন আছে এ গল্পে –
একটা চড়ুই কে বেঁধে রাখুন –
চড়ুইটির সাথে কি করা যেতে পারে –
চড়ুইটিকে মেরে ফেলুন [Void]
চড়ুইটিকে মেরে মরা চড়ুইএর ব্যবচ্ছেদ করুন [Violent]
চড়ুইটির পা দুটো কিছু একটার সাথে বেঁধে চোখের সামনে এমন দূরত্বে খাবার রাখুন যাতে হাজার চেষ্টা করলেও সে খাবারের নাগাল না পায় [Villain of ERASED]
একটা গল্পের শুরুটা যতটা ভালো হলে তা দর্শকদের এক পায়ে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে তার পুরোটাই ছিল সিরিজটির শুরুতে যদিও গল্পের আগানোর সাথে সাথে ঠিক আশানুরুপ অগ্রসরতা দেখা যায়নি ……
তবে Realistic বিশেষণ টা থেকে ERASED কে বঞ্চিত করা যাবে না –
১৫ বছর কোমায় থাকলে কি কি হতে পারে ভাবাই দুষ্কর
রেস্কিউ রিভাইভালে কোন সমস্যা না হওয়া [প্রাপ্তবয়স্ক কোন লোকের পক্ষে যেটা স্বাভাবিক]
পরিচ্ছন্ন ও পারফেক্ট এন্ডিং …
এ এনিমে এক রোলার কোস্টার –
প্রথম দিকে দেবে রহস্য আর সাই ফাই এর সুবাস কিন্ত ফুল ঘেটে এনিমখোরগণ সাইকোলজি আর হালকা ড্রামা ছাড়া রহস্য তেমন একটা পাবেন না আবার শেষে এসে আরেকটু রহস্যের গন্ধ আর তারপর ……
[জানালা খোলা,হঠাৎ নীল প্রজাপতি] ……
বছরের অন্যতম সেরা দুটি গান আর সাইকোলজিক্যাল এনিমের প্রধান অস্ত্র ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক নিয়ে তর্ক করার কিছুই নেই ………
বছরের সেরা এন্ডিং বিচার করলে ERASED এর এন্ডিং টা মোটেও পিছিয়ে থাকবে না ……
গানের কথা গুলো সিম্পল অথচ অর্থবহ – মিউজিক টপ নচ
https://www.youtube.com/watch?v=4WwsLGf-vGI
Sore wa Chiisana Hikari no Youna – গেয়েছে সায়ুরি
আর এশিয়ান কুংফু জেনারেশন তাদের নামের মর্যাদা রেখেছে Re:Re দিয়ে
https://www.youtube.com/watch?v=vyM4h4iVeFo
ভয়েস এক্টিং ও খুব ভালো হয়েছে – যদিও বিজনেস সেন্স কম মনে হয়েছে – পপুলারিটি বাড়ানোর জন্য আইরিকে কোন MOE কন্ঠে পারদর্শী সেইয়ু দিলে ওটার জন্যই পসরা বেড়ে যেত :-p
সাতোরু কন্ঠ অভিনেতা শিনোসুকে আর সুচিয়া কে না চিনলেও – সাতোরুর কন্ঠ বিশেষ করে ছোটবেলার কন্ঠ দারুন লেগেছে!
আর আওয়ি ইউকি বরাবরের মত পারফেক্ট! তার কন্ঠ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই! “বাকা নানো?” কথাটা এনিমের মাঝখানে যে কতবার রিপিট করে শুনেছি ইয়ত্তা নেই …
একটা পর্যায়ক্রমিক ডিফারেনশিয়েশন কল্পনা করুন –
যেখানে ফাংশনের অন্তরীকরণে এক জায়গায় একটা প্লাস মাইনাস চিহ্নের ভুল পুর অঙ্কটাকেই গুবলেট করে দিতে পারে ……
টাইম লাইন তার চেয়েও সেন্সিটিভ –
আমি যদি এটা করি = তাহলে ওটা হবে
সুতরাং , আমি যদি এটা না করি = তাহলে ওটা হবে না

দুঃখিত কিন্ত সময় ও পরিণতির হিসাব টা যে ঢের জটিল- এত সহজে কাজ করে না । আপনাকে ছুরি দিয়ে ফল কাটা অবস্থায় কেউ ডাক দিলে রুমে আপনি ছুরি হাতে গেলে তার কেটে যাবে কিন্ত তার মানে এই না যে না নিয়ে গেলে সব ঠিক থাকবে । দেখা যাবে আপনার যাওয়ার আগেই সে ডাক দিতে দিতে এসে আপনার ছুড়ির ওপর অসাবধানতাবশত হাত রেখে ………
আর ঠিক এখানেই ERASED এর সার্থকতা – অতীতে ফিরে যাওয়া তো কেবল শিরোনাম – এর মাঝে গল্পে সময়ের সামনে আগানো – ঘটনার প্রবাহ ও সাতোরু-ভিলেইনের নিজ নিজ লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টার পদ্ধতি পরিবর্তন – খুব বেশি সোজা ক্যালকুলেশন ফলাফল শূন্য করে দিতে পারে [সাতোরুর ১ম রিভাইভালে ব্যর্থতা]
[জানালা খোলা,হঠাৎ নীল প্রজাপতি] ……
মা হিসেবে একজন মা কি করতে পারেন – তার রেফারেন্স ও দেখা যাবে এখানে
এব্যাপারে ফুজিনুমা সাচিকো বেশ Inspirational চরিত্র! (y)
যখন কেউ জীবন এর স্বাভাবিক যাত্রাটাকে একটা চিরাচরিত যাত্রা মনে করতে শুরু করে – লাইফ টা এতটাই বোরিং – তখন কিন্ত ঘটতে পারে সাইকোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার – কোন কারণ ছাড়াই কাউকে খুন করে আনন্দ পেতে পারেন – একটা পিঁপড়ার কামড় খেয়েও হিংস্র জানোয়ারের মত রেগে যেতে পারেন – পুরো জীবনটাকে একটা গেমের মত করে ভাবতে পারেন
কিন্ত যদি এই গেম খেলার প্রতিযোগীই না থাকে তখন?
তখন কি করবেন আপনি?
সাইক্রিয়াটিস্টের ওষুধ খেয়ে সুস্থ্য হয়ে যাবেন?
নাকি? …………
[জানালা খোলা,হঠাৎ নীল প্রজাপতি] ……
এ এনিমে এক রোলার কোস্টার –
প্রথম দিকে দেবে রহস্য আর সাই ফাই এর সুবাস কিন্ত ফুল ঘেটে এনিমখোরগণ সাইকোলজি আর হালকা ড্রামা ছাড়া রহস্য তেমন একটা পাবেন না আবার শেষে এসে আরেকটু রহস্যের গন্ধ আর তারপর ……
আচ্ছা এই লেখাগুলো লিখছি কিন্ত খুব চেনা চেনা লাগছে, কেন বলুন তো?
যা হোক যা বলছিলাম –
বছরের অন্যতম সেরা দুটি গান আর সাইকোলজিক্যাল এনিমের প্রধান অস্ত্র ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক নিয়ে তর্ক করার কিছুই নেই ………
এক মিনিট! কি হচ্ছে – I’m repeating the Same thing!

Anime : Boku Dake ga Inai Machi [ERASED]
Genre : Mystery,Seinen,Psychological,Mystery
Studio : A-1 Pictures
Best Character : Fujinuma Satoru
MAL Score : 8.71
My Score : 7.8
যদি কোন প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে থাকেন তবে তা এনিমেতেই আছে,দেখে ফেলবেন

Welcome to the NHK [রিভিউ] — Prottoy Rahman

স্বাগতম এক অতি সাধারন বাস্তবতার উপর নির্মিত এক সাধারন গল্পের অসাধারন উপস্থাপনায়। জাপানের হিকিকুমোরি অর্থ্যাৎ কর্মবিমুখী shut-in জনগণ, বিষয়টি খুব সাধারনই বটে। কিন্তু স্বাভাবিক না। এরা দেশের বোঝাবৃদ্ধির পাশাপাশি নিজেদেরও যে ক্ষতি করে, তা একটি ভালো রকমের সমস্যা।

এই এনিমটি এরকমই এক NEET shut-in সাতৌ তাতসুহিরো কে অনুসরণ করে একটি গল্প তুলে ধরে। তো, কেমন কাজ করে এই এনিম, তারই একটু ছোট বর্ণনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই পোস্ট।

প্রথমেই যা চোখে পড়ার মতো, তা হলো সাতৌর জীবনযাপনের পরিবেশন। মাত্র কয়েক মিনিটে তার মানসিক, আচরণগত এবং জীবনযাপনমূলক বৈশিষ্ট পরিষ্কার হয়ে ওঠে। এক সামাজিক সমস্যার উপর তৈরি, সমস্যাটি তুলে না ধরলে কেমন দেখায়? হ্যা, এনিমটি এই hikikumori-র আগা, গোড়া, কান্ড, চূড়া, সব চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছে। সমস্যার উৎপত্তি, কারণ, প্রভাব, উত্তরণের উপায়, কোনো কিছুই বাদ দেওয়া হয় নি। তবে শুধু এই বিষয়টি তুলে ধরেছে, তা বললে আমার জীবনে বলা অন্যতম বিশাল ভুল হবে। এই এনিমকে সামাজিক সমস্যার অ্যালবাম বললেও কম হবে। সাতৌর হিকিকুমরি অবস্থার উন্নতির প্রচেষ্টায় সে মুখোমুখী হয় সমাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আরো অনেক সমস্যার। যদিও এটি বেশ repetitive, তবুও এর গল্পলিখনে মোটামুটি সামঞ্জস্য আছে। প্রতিটি ঘটনার অবতারনা করতে পূর্বের ঘটনাবলী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে যা এটিকে ভালোই উপভোগ্য করে তোলে।

এর মূল গল্পের সাথে সাথে চলে চরিত্রায়ন। ঘটনার স্রোতে আমরা দেখতে পাই চরিত্রদের জীবনের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে। তাদের মধ্যবর্তী খুঁতগুলোকে পুঁজি করে চমৎকারভাবে একে অপরের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা এবং চরিত্রের ডেভলপমেন্ট দেখানো হয়েছে। একে অনায়াসে অন্যতম সাইকোলজিকাল এনিম এর কাতারে ফেলা যায়। এটি শুধু যে চরিত্রগুলোর মানসিক অবস্থা ফুটে তোলে তা নয়, এই এনিম বিভিন্ন mental phenomena ও পরিবেশন করে।

এই এনিমের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর বাস্তবতা। বেশ কিছু জায়গায় অবিশ্বাস্য আচরণ দেখা গেলেও সর্বোপরি এটি বাস্তবতাকে তুলে ধরে। এটি দেখায় মনপ্রাণ ঢেলে দিয়ে চমৎকার কাজ করলেও নিয়তির কাছে মাঝেমাঝে হার মানতে হয়। তবে তার থেকেও বেশি এই এনিমের আকর্ষণীয় দিক হলো মন্তব্য দেওয়ার সাহসিকতা। Welcome to the NHK বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য প্রদান করে যার মধ্যে ধর্মীয় চিন্তাধারাও পড়ে।

এই এনিমটির আর্ট বেশ চমৎকার। এর এনিমেশনও উল্লেখযোগ্য। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক গুলো অতি চমৎকার এবং এনিমটিকে উপভোগ্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ওপেনিং সং একদিকে বেশ এন্জয়েবল্ এবং দৃশ্যগুলো দেখতে অসাধারণ, অপরদিকে অনেক অর্থবহ। YouTuber “Mother’s basement” এর চ্যানেলে এটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা সহ একটি ভিডিও আছে।

যাই হোক, বাংলা টাইপ করার খুব একটা অভ্যাস নেই বলে আর বেশিকিছু বলব না। এটা অত্যন্ত ভালো একটি এনিম এবং আমার দেখা সেরাদের মধ্যে একটি। স্কোর দেব ১০ এর মধ্যে দৃঢ় ৯।

ওহ হ্যা, এতকিছুর মধ্যে প্রশ্ন জাগতে পারে যে NHK জিনিসটা কি? খায় না মাথায় মাখে? NHK তেমন বিশেষ কিছু না, তবে একই সাথে এটি অনেক কিছু। এটা খেতে পারেন, মাথায় মাখতে পারেন, উপাসনা করতে পারেন, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যা, এর দ্বারা মনের ভার কমাতে পারেন। যেমন এই পোস্ট আমার এন এইচ কে।

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-2); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-2
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

হান্টার এ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড মিটিং চলছে। চেয়ারম্যান আইজ্যাক নেতেরো ছাড়া বাকি উপস্থিত ১২ জন হল জোডিয়াক। বিশেষ বিশেষ প্রয়োজনে জরুরী কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে তখন এমন বোর্ড মিটিং এর ডাক দেয় নেতেরো। আজ তেমন একটি বিশেষ প্রয়োজন। প্রয়োজন জরুরী এক সিদ্ধান্ত নেবার। হুম, ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করার ব্যপারে সিদ্ধান্ত।
বোর্ড মিটিং এর শুরু থেকেই বেশিরভাগ সময়ই Dog, Pig আর Monkey (জোডিয়াক) তর্ক করে চলেছে। Dog আর Pig এর বক্তব্য মোটামোটি এমন যে- যেহেতু ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করার জন্য না গেলে সরকার হান্টার এ্যাসোসিয়েশন বিলুপ্তির প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছ, কাজেই এছাড়া তাদের হাতে খুব একটা উপায়ও যে আছে এমন কিন্তু না। তার থেকে ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করে সরকার কেও সন্তুষ্ট করা সম্ভব আবার তা থেকে কিছুটা বেনিফিট হান্টার এসোসিয়েশনও পাচ্ছে।
কিন্তু, Monkey বাধা দিয়ে বলে ওঠে, .”নিনজা ভিলেজগুলো কে এটাক করা মানে শুধু শুধু প্রাণহানি”
Pig অধৈর্যসুরে বলে, “আহা, ওদেরকে আক্রমণ করতে হবে কেন? ওদের কে একটা প্রপোজাল দিতে যাচ্ছি আমরা শুনলেই তো”
-“কিন্তু নিনজা ভিলেইজ গুলো তা হতে দেবে কেন? ওয়েস্টারন এন…. ”
–“যদি ওরা কিছুতেই আপোষে না আসে,ওয়েল….” কথা শেষ না করে কাধ ঝাঁকায় Dog. Pig ওর অসমাপ্ত কথাটা শেষ করলো যেন, “আসলে, কথা হচ্ছে গিয়ে- আমাদের হাত বাঁধা, কাজেই অন্য কোন উপায়ও খোলা নেই আমাদের কাছে।”
বাকিদের দিকে তাকাতেই দেখলো সবাই সম্মতি জানাচ্ছে, আসলেই আর কোন উপায় নেই ওদের সামনে খোলা। মাথা ঘুরিয়ে টেবিলের একেবারে শেষের আর মাঝখানের চেয়ারে বসে থাকা নেতেরোর দিকে তাকায় সবাই, কিছু শুনবার আশায়। মিটিং এর শুরু থেকে একটা কথাও বলে নি, চেয়ারম্যান।
কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর, নিস্তব্ধতা ভাংলো Rabbit, “তুমি যেহেতু তোমার ডিসিশান আগেই নিয়ে রেখেছো, সেক্ষেত্রে শুধু শুধু এই বোর্ড মিটিঙ এর কি কোন প্রয়োজন ছিল?”
উত্তরে নেতেরো এবারেও নিশ্চুপ। স্মিত একটা হাসি স্বভাবসুলভ ভাবে এটে রয়েছে তার মুখে। মিটিং শুরু হবার আগেই, হাশিরামার কাছে চিঠিটা পাঠিয়ে দিয়ে এসেছে সে। কি বলবে সে?

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-1); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-1
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

লেকের শান্ত পানিতে নীল আর সাদা আকাশের প্রতিবিম্ব ভাসছে। ছোট ছোট ঢেউ একটা আরেকটার গায়ে ভাংতেই তাতে আকাশের প্রতিচ্ছবি কাঁপতে থাকে। থেকে থেকে টুপ করে শব্দ হচ্ছে একটু পর পর এখানে সেখানে। লেকের পাশেই একসারি ওক গাছের সবুজ পাতা ডালপালা মেলে বাতাসের তালে নাচছে যেন। মাথার ওপর পরিষ্কার আকাশ থাকলেও মেঘের সাদা ছোটোখাটো স্তুপ এখানে সেখানে ছুটে যেতে থাকে ধীরে। অদ্ভুত সুন্দর একটা পরিবেশ, সবকিছুই যেন কেমন গোছানো আর পরিপাটি করে রাখা।
লেকের ধারে পাটাতনে পা মেলে বসে আছে হাশিরমা সেঞ্জু। একটু ব্যবধানেই ছালতোলা এক গাছের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওর প্রানপ্রিয় বন্ধু মাদারা উচিহা। কেউ কিছু বলছে না-চুপ করে আছে বহুক্ষণ। পাটাতনে মর্মর শব্দ হতেই পিছনে ফিরে ছোট ভাই টোবিরামাকে দেখতে পায় হাশিরামা। কিছু না বললেও বড় ভাই-হাশিরামার দিকে তাকিয়ে একটু মাথা ঝাঁকাল সে। উঠে দাঁড়িয়ে মাদারার দিকে একবার তাকাল কি মনে করে। তারপর ধির পায়ে নিজের অফিসকক্ষের দিকে ফিরতে উদ্যত হয়। সেখানেই বাকি ৪ গ্রামের কাগেরা উপস্থিত হয়েছেন।
হাশিরামা ভেতরে ঢুকে নিজের হ্যাটটা খুলে টেবিলে রাখল। তারপর চেয়ারে বসে বাকি ৪ কাগের দিকে তাকায় শান্ত চোখে। সবার চোখেই কিছুটা উৎকণ্ঠা দেখতে পেল। কাঁধের পাশেই টোবিরামা দাড়িয়ে।
প্রথমেই সুচিকাগে কথা বলে ওঠে,”আমাদের আজকের এই মিটিংএর বিষয়ের সাথে যেহেতু পুরো নিনজা ওয়ার্ল্ডের স্বার্থ জড়িত, আমার মনে হয় না এ বিষয়ে আমাদের কোন বিভেদ থাকতে পারে।”
হাশিরামার মুখের স্বভাবসুলভ হাসি মুছে গিয়ে অস্বাভাবিক গম্ভিরতা ভর করেছে। কি বলতে গিয়েও বলল না, মিজুকাগে কথা বলতে শুরু করায়। “আমরা মূল প্রসংগে যাই। আমি আমার গুপ্তচরের কাছে খবর পেয়েছি হান্টার এ্যাসোসিয়েশন ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করতে চায়। আর আমার মনে হয় আমরা সবাই জানি তার অর্থ কি।”
এবারে কাজেকাগে কথার যোগান দেয় তার সাথে “তার অর্থ ডার্ক কন্টিনেন্টের ওয়েস্টার্ন সাইড ওপেন করলে ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে নিনজা ওয়ার্ল্ড তথা আমাদের গ্রাম গুলোর ওপর”, এর আগে ডার্ক কন্টিনেন্টের ইস্টার্ন সাইড দিয়ে এক্সপ্লোর করতে চাইলে যে নারকীয় তাণ্ডবলীলার সূচনা হয় তার দিকেই ইঙ্গিত করল বুঝি।
এবারে হাশিরামা কথা বলতে শুরু করে,”আমার মনে হয় না নেতেরো থাকাবস্থায় ‘তেমন কিছু’ হবে নিনজা ওয়ার্ল্ডে নেতেরোকে আমি চিনি ও……।”
থামিয়ে দিয়ে রাইকাগে বলতে থাকে, “তখনো কিন্তু নেতেরো হান্টার এ্যাসোসিয়েশনেই ছিল।”
“‘তেমন কিছু’ যদি হয় তবে বিষয়টা আমি হ্যান্ডেল করবো”,কথা শেষ করতে পারে না হাশিরামা- তার আগেই টোবিরামা হাতে এক কাগজ নিয়ে আসে ওর কাছে। চিঠি পাঠিয়েছে নেতেরো। হান্টার এ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে একটা প্রপোজাল পাঠিয়ে চিঠি। শিনোবি ভিলেজ গুলো যদি তাদের পাশের ডার্ক কন্টিনেন্টের ওয়েস্টার্ন সাইড ওপেন করতে বাধা না দেয়, সেক্ষেত্রে তাদেরকে প্রযুক্তিগত ভাবে ‘ব্যাপক উন্নতি’র ব্যবস্থা করবে হান্টার এ্যাসোসিয়েশন।
তাছাড়াও ছোট্ট আরেকটা চিরকুটে নেতেরো তার হিডেন লিফ সফরের আগ্রহের কথা জানিয়েছে।

Basilisk: Kouga Ninpou Chou [রিভিউ] — Mobashirul Haque

Basilisk 1

Anime: Basilisk:kouga ninpou chou
Episodes: 24
Genre: action, historical, romance, ninja
Studio:Gonzo

সময় ১৬১৪। জাপানে Tokugawa Shouganate প্রতিষ্ঠিত। জাপানের ২ নিনজা clan; Kouga clan আর Iga clan এর মধ্যে বিদ্যমান হয়ে আছে ৪০০ বছরের দ্বন্দ্ব সংঘাত।Shouganate দের প্রধান নিনজা clan, Hanzo দের হস্তক্ষেপে এই ২ clan এর মধ্যে শান্তিচুক্তি হয়েছে।কিন্তু ২ clan এর লোকজনের মনে এখনও একে অপরের উপর বিদ্বেষ জমা হয়ে আছে।শান্তি আরও স্থায়ী করার লক্ষে ২ clan এর প্রধান clan এর পরবর্তী প্রধান Kouga Gennousuke আর Iga Oboro এর বিয়ে ঠিক করে। কিন্তু পরবর্তীতে retired Shogun Ieyasu, Shouganate এর তৃতীয় উত্তরাধিকার নির্বাচনের জন্য ঠিক করে Kouga আর Iga দের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী প্রতিযোগিতার।চাপা পড়া ঘৃণা-বিদ্বেষ আবার জেগে উঠে।নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্য আর পুরনো ঘৃণা ২ clan কেই রক্তপিপাসু করে তোলে।ভাগ্যের পরিহাসে Gennousuke আর Oboro কেও নিজের ভালবাসার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হয়।
২৪ পর্বের Anime তে কাহিনী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল খুব সুন্দর ও গুছানো, কখনই খাপছাড়া মনে হয় নি।কাহিনীর pacing ঠিকভাবেই আগিয়েছে। ছিল কাহিনী বুঝার সুবিধার্থে প্রয়োজনমত backstory. আর পরবর্তী পর্বে কি হবে সেই suspense।
Anime এর প্রত্যেকটা চরিত্র কে ভালো লেগেছে। প্রত্যেক চরিত্রেই নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল।Gennousuke আর Oboro এর অন্তঃদ্বন্দ্ব, বাকি চরিত্রদের নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আর তার ফলে কাহিনীর পরিবর্তন ভালো লেগেছে।
Anime তে action বেশ ভালো, সাথে সাথে নিনজা দের যুদ্ধকৌশল এর পরিচয়। প্রত্যেক চরিত্রের power ছিল interesting।

Basilisk 2

Anime এর ending song“Hime Murasaki” আমার personal favourite.
Myanimelist এই anime এর ranking আর popularity দেখে হতাশ হয়েছি। এই anime আরও প্রশংসার যোগ্য।

https://www.youtube.com/watch?v=5UxNJWMPvlw

Special A [রিভিউ] — Arafin Shanto

Special A 1

Anime:- Special A / S.A
Genre:- Romance ; Comedy
Format:- 24 episodes
Mal rating(anime):- 7.8
Personal rating:- 8.3

জীবনে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে কে না আরোহণ করতে চায়!প্রায় সব মানুষের ই ইচ্ছা থাকে যেকোন ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পজিশন টা তার হোক। সবাই যেন তাকে সময়ের সেরা মানুষ বলে বিবেচনা করে বা চেনে। খুব সহজভাবে বললে; কোন ক্লাসের দ্বিতীয় স্থানে থাকা ছাত্র যেমন চায় সে প্রথম স্থান অধিকারী ছাত্রকে টপকে ক্লাসের সর্বোচ্চ স্থান দখল করবে; তেমনি ক্লাসের সবচাইতে অমনোযোগী ছাত্রের মনের মাঝেও কি কখনো উঁকিঝুঁকি দেয় না ক্লাস সেরা হওয়ার স্বপ্ন? অবশ্যই দেয়…. কিন্তু সবার ট্যালেন্ট কি এক! সবাই কি একইরকম পরিশ্রম করতে পারদর্শী! হয়ত না।

কিছুটা এ ধরণের সিচ্যুয়েশন থেকে শুরু হয় স্পেশাল এ এনিমেটি।

এনিমের শুরুতেই আপনি দেখতে পাবেন এনিমের প্রধান মেয়ে চরিত্র হানাজোনা হিকারির বাল্যকাল। সেখানে দেখা যায়; ছোটকাল থেকেই সে তার বাবার কাছে আত্মরক্ষার কৌশল শেখে।মূলত হিকারি তার বাবার ইচ্ছেতেই শেখে যেন সে
নিজেকে যেকোন পরিস্থিতিতে রক্ষা করতে পারে। আরো দেখা যায় হিকারির বাবা তার আত্মরক্ষার কৌশল যাচাই করার জন্য অনেক শক্তিশালী মানুষের সাথেও হিকারিকে
মোকাবিলা করতে বলে। হিকারি প্রায় অনায়াসেই তাদের পরাজিত করে। মূলত তখন থেকেই সে নিজেকে সবার চেয়ে সেরা হিসেবে দেখতে চায় কিংবা মনে করে।কিন্তু
একদিন হিকারির বাবা একটি ছেলেকে হিকারির সামনে দাড় করিয়ে দেন।সে
হিকারির বয়সের ই।কিন্তু তিনি শুনেছেন ছেলেটি শক্তিশালী এবং স্কিলফুল।সেই
আমাদের প্রধান ছেলে চরিত্র তাকাশিমা কেই।

গল্পের মূল শুরুটা এখানেই।

হিকারি ছেলেটির সাথে চ্যালঞ্জে পরাজিত হয়। তখন থেকেই হিকারির দ্বিতীয় স্থান অর্জিত জীবনের শুরু। হিকারি ;; যতবার যে জায়গাতেই তাকাশিমাকে চ্যালেঞ্জ করুক
না কেন প্রতিবার ই তার অবস্থান দ্বিতীয়। সেটা হোক পড়ালেখায় বা রেসলিং এ……
সে তাকাশিমাকে পরাজিত করার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ভর্তি হয় তাকাশিমার
স্কুলে। স্কুল থেকে মনে পড়ল ; হিকারির ক্লাসের ছাত্র সংখ্যা মাত্র সাতজন।কিন্তু কেন?
মূলত ক্লাসের সর্বোচ্চ লেভেলের প্রথম সাতজন ছাত্র নিয়ে গঠিত এই বিশেষ
ক্লাস। এই বিশেষ ক্লাস এর সবকিছুই বিশেষ। তাদের ক্লাসরুম থেকে শুরু করে পোশাক পর্যন্ত যেন তাদের বিশেষত্বকেই তুলে ধরে…..আসলেই সেই ছাত্ররা মোটামুটি এক একজন অলরাউন্ডার।
তাই
সেই ক্লাসের এক নম্বর ছাত্রকে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।সেখানে আরো
আছে; বিশিষ্ট সংগীত পরিচালকের দুই সন্তান-জুন ইয়ামামতো ও মেগুমি
ইয়ামামতো….এমনকি স্কুল ডাইরেক্টর এর ছেলে এবং গাড়ির কোম্পানির সিইও ছেলের মত উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরা।সেখানে হিকারির
অবস্থান সেই দুই নম্বর। যার কারণে তাকাশিমা তাকে মোটামুটি রেগুলারলি
টিজ করে। কিন্তু তারা পরস্পরের রাইভাল হলে কি হবে তাদের এই রাইভারির মধ্যে
রয়েছে অসাধারণ সুন্দর কিছু না বলা রোমান্টিক মুহূর্ত। সেদিকটা আপনারাই
এনিমে দেখে অনুভব করুন…. নিজের রাইভালের প্রেমে পড়া কিন্তু নতুন কিছু নয়
এনিমেতে ; তারপর ও এনিমেটির কমেডি- রোমান্স এই দুটো জন্রার অসাধারণ মিক্সাপ আপনাকে এনিমেটি পছন্দ করতে
বাধ্য করবে।এনিমেটির বেশ কিছু অসাধারণ হার্ট টাচিং দৃশ্য রয়েছে; যেগুলো আপনার
হৃদয়ে গেথে থাকবে।

এটি একটি টিপিক্যাল শৌজো এনিমে। কিন্তু এর রোমান্টিক -কমেডির ধরণ
স্বতন্ত্র।এটাকে ট্রেডিশনাল শৌজোর দিকে ফেলবেন কি-না সেটা আপনার উপর
ডিপেন্ড করে।এনিমের ক্যারেক্টার ডিজাইন; আর্টওয়ার্ক খুবই সাধারণ।

মিউজিক নিয়ে বলব;ওপেনিং/ইন্ডিং ডিসেন্ট… আমার ভালই লেগেছে।বলার মত
বিশেষ কিছু নেই কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকগুলো আপনার মন ছুয়ে যাবে।এতটুকু গ্যারান্টি দেয়া যায়……

আমি বলব না এটা মাস্টারপিস জাতীয় কিছু।খুব অন্য লেভেলেরও কিছু না।কিন্তু
কিছু এনিমে থাকে না; যেগুলো অত্যাধিক লেভেলের কিছু না হলেও মন ভরিয়ে দিয়ে
যায়।আপনি দেখতে বসলে বুঝবেন এনিমেটা আপনাকে কিভাবে টানছে।একবার চেষ্টা
করতে দোষ কি!

সাধারণ লাভ স্টোরি কিন্তু অনেকক্ষেত্রে রোমিও-জুলিয়েট টাইপের লাভ স্টোরি থেকেও বেশি মন ছুঁয়ে যায়………..
ধন্যবাদ।

Special A 2

Bakemono no Ko/ The Boy And The Beast [মুভি রিভিউ] — Iftekhar Rashed

Bakemono no Ko 2

Bakemono no Ko/ The Boy And The Beast
Studio : Studio Chizu
Other Works: Wolf Children, The girl who leapt Through the time
MAL Score: 8.61

আমারা রুপ কথার গল্প সবাই পছন্দ করি কম বেশি। এটা আসলে আমাদের বেড়ে উঠার সময়টার সাথের অংশীদার। সমাজের গতানুগতিক জীবন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার একটা বিদ্রহীভাব আমাদের শেকড়ে গাড়া। এমনি কিছু সাধারন ব্যাপারগুলো বিদ্যমান থাকে আমাদের কল্পনারাজ্যের গল্পের জগতে।

রেন নামের ছেলেটির বাবা মাকে হারিয়ে বসে মাত্র নয় বছর বয়সেই একটা সড়ক দুর্ঘটনায়। এতিম রেনের দেখাশুনা করার দায়িত্ব তার যৌথ পরিবারের অনান্য সদস্যরা নিতে চাইল ঠিকই কিন্তু একটা দুরের ভাব থেকেই যায় যা রেন বুঝতে পেরে বিদ্রোহী হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। অসহায় রেন বুকের মাঝে বিশাল একটা খালী জাগা নিয়ে বেচে থাকার লড়াইয়ের সামনাসামনি হয়ে পড়ে। খাবার নেই থাকার জাগা নেই বড়ই অসহায় অবস্থায় পড়ে যায়। কিন্তু রেনর ভিতর আছে বেচে থাকার একটা অসম্ভব অদম্য ইচ্ছা সেই সাথে তার একরোখা ভাব।

Bakemono no Ko 3

কুমাতেসু একটা ভাল্লুক যার বাসস্থান বিষ্ট রিআর্লম। প্যারালাল ভাবে চলতে থাকা আরেকটা দুনিয়া যা একটা সুরঙ্গ পথা দ্বারা মানুষের দুনিয়ার সাথে যুক্ত। কুমাতেতসু স্বভাব চরিত্রের দিক থেকে একদম রেন। একরোখা কারো কথা শুনার নয়, ভদ্রতা শিষ্টাচার বলতে কোন শব্দ বা এর ব্যবহার সে জানে না। তার জীবনের একটাই লক্ষ শক্তিশালী হওয়া এবং ইওজেনকে হারানো। ইওজেন(সোনালী শুকর) সমাজের বেশ সম্মানিত এবং দক্ষ যোদ্ধা। ইওজেন আর কুমাতেসুর মধ্যে একটা লড়াই হবে যা কিনা বিজয়ীকে দিবে গ্রান্ড মাস্টার খেতাব কারন বর্তমান যিনি আছেন উনি আবার এই পদ ছেড়ে নতুন করে পুনর্জনম নেয়ার চিন্তায় আছে। ঊনি হলেন বিষ্ট রিআর্লমের হত্তা কর্তা বা মহাজগতিক নেতা শৌশি (একটা খরগোশ)। কিন্তু ইওজেন যতটাই সমাজে সম্মানীত কুমাতেসু তার স্বভাবের কারন বসত পুরো উল্টোটাই, তাকে দেখলে সবাই তাকে ভয় করে এবং যার কারন বশত এখন পর্যন্ত কোন শীষ্য তার কপালে জোটেনি। কিন্তু মাস্টার শৌশী আবার বলে দিয়েছে কামাতেসু লড়াইয়ে নামবে তখনি যখন সে একটা শিষ্য জোগাড়্র কতে পারবে।

এভাবে শিষ্য খুজতে খুজতে কামাতেতসু মানুষের রিআর্লমে প্রবেশ করে রেনের দেখা পায়।

বাকিটা দেখে নিবেন। গল্পটা খুব সুন্দর এবং তার সাথে আর্ট ওয়ার্কটাও।
কিছু মুর্হুত আছে যা মনের গভীরে গেথে যাওয়ার মত।

Bakemono no Ko 1

Hatsukoi Zombie [মাঙ্গা সাজেশন] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Hatsukoi Zombie

সবসময় সিরিয়াস কিছু পড়তে ভালো না লাগতেও পারে, তো টেস্ট চেইন্জ করার জন্য হালকা ইচ্চি, চাট্টিখানি ভালবাসা ভাব আর অনেকখানি হাসিযুক্ত কিছু খুজছিলাম তো পেয়ে গেলাম প্রথম প্রেমের জিন্দমড়া বা ফার্স্ট লাভ জম্বি! তো জানা যাক এই অনগোয়িং মাঙ্গার বিষয়বস্তু।
গল্পের নায়কের নাম তারো। সে হল এনার্জি সেভিং মানব, যে কাজ কোন ফল দেয় না, সেই কাজ সে করবে না। প্রেম পিরিতিও তার কাছে সময়ের অপচয়। আর এমন না যে সে অনেক পপুলার বা চেহারা সুরত ভালো। তার জীবন নরমাল ছকবাধা। তো একদিন মাঠে কিছু অন্যমনস্ক হইয়া যাওয়াতো তার দানবীনি বাল্যবন্দ্ধু এবিনোর হিট করা বেসবলের বাড়িতে ফিউজ আউট হয়ে যায়। তো ফিউজ অন হবার পরে সে মনে করে যে সে এক হিটে স্বর্গে চইলা গেছে, তার ধারণা আরও বদ্ধমূল হয় যখন একখানা সুন্দরী হুর টাইপের মেয়ে তার উপর ভাসতে ভাসতে আসে। তো হুর দেইখা চমক না কাটতেই নার্স আইসা আরও চমকায়া দেয় যে বাইচা আছে। আর পাশের হুররে ভূত মনে কইরা যেই না ছুটে বাইরে আসে। তখনই দেখে যে প্রত্যেক পোলার মাথার উপর একটা করে মেয়ে উড়তাছে এবং মেয়েগুলা তার চেনা। এবং মেয়েগুলো জ্বলজ্যান্ত তো পেত্নী হবার চান্সও নাই। এই ফাঁকে তারো আবার নিজের মাথার মেয়েটার দিকে তাকায়া দেখে যে, সে তার ছোটবেলার একমাত্র ক্রাশ ইভের মত দেখতে। কি হচ্ছে এসব! এই হুর/পেত্নীরা আসলে কি!? জানতে হলে পড়া শুরু করে দিন!
ইচ্চি বা হারেম ট্যাগ দেখে এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ। প্রচুর মজাদার একখানা মাঙ্গা এইটা। আর্ট ফ্রেশ এবং সুন্দর। কাহিনী অতি প্যাচ বা অতি গতবাধাও না এবং সর্বশেষ, নায়ক ভাবমার লুইচ্চা সাধুও না! যা ইচ্চিতে বিরল। মজাদার এই মাঙ্গা এখনই পড়া শুরু করে দিন।

আমার নম্বর: সাড়ে ৭

Sword of the Stranger [মুভি রিভিউ] — Amor Asad

Sword of the Stranger 2

Sword of the Stranger সামুরাই গল্প, আনুমানিক ১৩৬৮ হতে ১৬৪৪ সালের কোন এক সময়ে।
সোর্ড অফ দ্য স্ট্রেঞ্জার একই সাথে টানাপোড়েন ছিন্ন সামুরাই, রক্তলোলুপতা আর অমরত্বের পেছনে ছোঁটার গল্প। —
প্রোটাগনিস্ট নামহীন সামুরাই Nanashi পোড়ো মন্দিরে কুলহীন ছোট্ট Kotaru আর তাঁর কুকুরের সাথে পরিচিত হয়। পরবর্তীতে Kotaru’কে নির্দিষ্ট এক মন্দিরে পৌঁছে দিতে সফরসঙ্গী এবং বডিগার্ড হিসেবে যাত্রা শুরু করলে ঘটনাক্রমে মিং-ডাইনাস্টি এবং তৎকালীন কোন এক জাপানিজ প্রদেশের মাঝে বিদ্যমান অস্থিতিশীল এক পরিবেশে আঁটকে পড়ে। জানতে পারি, পিচ্চি Kotaru ব্যপারটার সাথে ভালোভাবে জড়িত।

মুভির গল্প আহামরি নতুন না— তবে গল্পের রুপায়ন প্রশংসার দাবী রাখে। বিশেষ করে সোর্ড ফাইটগুলো নান্দনিক; সচরাচর এমন সোর্ড ফাইট এবং অন্যান্য সামুরাই অস্ত্রের প্রদর্শনীর দেখা মিলে না। সিনেমার নাম অনেকটা ভিতরের বিষয়বস্তুকে প্রকাশ করে দেয়, তাই দেখতে বসে সোর্ড ফাইট আশা করবেন এ লিখে দেয়া সম্ভব। কথা হচ্ছে, হতাশ হবেন না। তাছাড়া মুভির প্রথম কয়েক মিনিটের ধাওয়া, হত্যা তথা নির্বিচারে রক্তারক্তি গোটা সিনেমার ভাষারীতির জানান দিয়ে দেয়। আপনার পছন্দের সাথে যাচ্ছে কিনা তা শুরুতেই বুঝে ফেলবেন।
অ্যানিমেশন পরিষ্কার এবং ডিটেইল্ড। মাকোতো শিনকাই লেভেলের না হলেও আর্টস্টাইল চমৎকার।

মুভির শর্টকামিং হচ্ছে কিছুটা প্রেডিক্টেবল এবং অ্যামবিয়েন্ট মিউজিকের অতিব্যবহার বা ভুল ব্যবহার। আবহকে দর্শকের মনে গেথে দিতে এপিক কোন চোখ ধাঁধানো দৃশ্যে এ-ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ভালো মানায়, কিন্তু থেকে থেকেই একটুক্ষণ পরপর সাধারণ দৃশ্যে ব্যবহার করলে ভার কমে যায়, বেমানান লাগে। এছাড়া, প্রোটাগনিস্টকে নির্দিষ্ট প্রোফাইলে না ফেলে দিলে ভালো হত।
আমার রেটিং ৭.৫/১০

Sword of the Stranger 1