Black Joke [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

black-joke

ডার্ক, গোর, নুইডিটি আর সেইনেনের সাথে রসিকতার মিক্সে যে মাফিয়া নিয়ে এমন মাঙ্গা আছে কেই বা জানতো!? আন্দাজে উড়াধুরা মাঙ্গা সিলেক্ট করে পড়ার সময় পাইলাম এই কালো হীরা! মাসুদ রানার চাই ঐশ্চর্যর কথা মনে পড়ছিল এই মাঙ্গা পড়ার সময়।

এই মাঙ্গার কাহিনী হল জাপান U.S.A এর ৫১নাম্বার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এবং সেখানের চলে মাফিয়াদের রাজত্ব। এই শহরে ড্রাগ চালান, দেহব্যাবসা সব লিগাল। জুয়াবাজি তো ডালভাত! তো এইখানে মূল ২ চরিত্র হল কিরা আর কোডামা, তারা এক ক্যাসিনোর ব্যাবস্থাপনায় যুক্ত। কিরা লম্বা, অতি সুদর্শন, চার্মিং, প্লেবয়, বহু ভাষায় পারদর্শী এবং শার্লকের মত অবজারভেশন ক্ষমতা। তার সহযোগী কোডামা। এর বডি যেন গ্রীক গড অফ ওয়ারের মত। শ্রীকান্তের ইন্দ্রের মত এর হাতের দৈর্ঘ এর হাটু পর্যন্ত। এবং তার মাথার চাইতে তার হাতের মুষ্টি বড়। তাদের বিভিন্ন মিশন নিয়েই কাহিনী।

আরও আছে স্যাডিস্টিক এসাসিন ললিতা আর পঙ্গু খুনে মাফিয়া বস আরও অনেক।
এই মাঙ্গাতে একটা ভালো বা সত্‍ ক্যারেক্টার নাই। সবাই শয়তান এবং সবাই ব্যাডাস! এইটার কাহিনী খুবই ইন্টারেস্টিং, কিরার বুদ্ধি আর কোডামার শক্তি দেখার মত জিনিস!!! তবে একটা কথা বলতে হচ্ছে এইটা প্রচুর ডির্স্টাবিং। এর আর্ট কাহিনীর সাথে পুরোপুরি মানায় । আর্ট ফ্রেশ এবং ডিটেইলড। এই মাঙ্গাতে অনেক রেফারেন্সও আছে যেমন পাল্প ফিকশান এবং ওল্ড বয়। নগ্নতা আর গোরে ভরা ফলে অনেকেরই ঘেন্না লাগতে পারে। তবে এর একশান এবং কিলিং সিনগুলা অস্থির। শিরদাঁড়া বের করে ফেলা, গুলি লেগে ধীরে ধীরে মগজ চোখ বের হয়ে যাওয়া, আইসক্রিমের চামচ দিয়ে চোখ তুলে ফেলা এইসব। এই মাঙ্গা পড়ার জন্য ১৬ প্লাস হওয়া উচিত এবং সবার হজম হবে না এটা আগেই বলে দিলাম, পরে বকতে পারবেন না কিন্তু! যার গোর, মাফিয়া এবং ইচ্চি ভক্ত তারা অবশ্যই পড়বেন। কমপ্লিট না। তবে আপডেট অনেক দেরীতে আসে। তবে এক বা ২ চ্যাপ্টারে এক একটা কাহিনী তাই পড়ে শান্তি আছে। আশা করি ভালো লাগবে পড়ে!

Hatsukoi Zombie [মাঙ্গা সাজেশন] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Hatsukoi Zombie

সবসময় সিরিয়াস কিছু পড়তে ভালো না লাগতেও পারে, তো টেস্ট চেইন্জ করার জন্য হালকা ইচ্চি, চাট্টিখানি ভালবাসা ভাব আর অনেকখানি হাসিযুক্ত কিছু খুজছিলাম তো পেয়ে গেলাম প্রথম প্রেমের জিন্দমড়া বা ফার্স্ট লাভ জম্বি! তো জানা যাক এই অনগোয়িং মাঙ্গার বিষয়বস্তু।
গল্পের নায়কের নাম তারো। সে হল এনার্জি সেভিং মানব, যে কাজ কোন ফল দেয় না, সেই কাজ সে করবে না। প্রেম পিরিতিও তার কাছে সময়ের অপচয়। আর এমন না যে সে অনেক পপুলার বা চেহারা সুরত ভালো। তার জীবন নরমাল ছকবাধা। তো একদিন মাঠে কিছু অন্যমনস্ক হইয়া যাওয়াতো তার দানবীনি বাল্যবন্দ্ধু এবিনোর হিট করা বেসবলের বাড়িতে ফিউজ আউট হয়ে যায়। তো ফিউজ অন হবার পরে সে মনে করে যে সে এক হিটে স্বর্গে চইলা গেছে, তার ধারণা আরও বদ্ধমূল হয় যখন একখানা সুন্দরী হুর টাইপের মেয়ে তার উপর ভাসতে ভাসতে আসে। তো হুর দেইখা চমক না কাটতেই নার্স আইসা আরও চমকায়া দেয় যে বাইচা আছে। আর পাশের হুররে ভূত মনে কইরা যেই না ছুটে বাইরে আসে। তখনই দেখে যে প্রত্যেক পোলার মাথার উপর একটা করে মেয়ে উড়তাছে এবং মেয়েগুলা তার চেনা। এবং মেয়েগুলো জ্বলজ্যান্ত তো পেত্নী হবার চান্সও নাই। এই ফাঁকে তারো আবার নিজের মাথার মেয়েটার দিকে তাকায়া দেখে যে, সে তার ছোটবেলার একমাত্র ক্রাশ ইভের মত দেখতে। কি হচ্ছে এসব! এই হুর/পেত্নীরা আসলে কি!? জানতে হলে পড়া শুরু করে দিন!
ইচ্চি বা হারেম ট্যাগ দেখে এড়িয়ে যাবেন না প্লিজ। প্রচুর মজাদার একখানা মাঙ্গা এইটা। আর্ট ফ্রেশ এবং সুন্দর। কাহিনী অতি প্যাচ বা অতি গতবাধাও না এবং সর্বশেষ, নায়ক ভাবমার লুইচ্চা সাধুও না! যা ইচ্চিতে বিরল। মজাদার এই মাঙ্গা এখনই পড়া শুরু করে দিন।

আমার নম্বর: সাড়ে ৭

জুনজি ইতো হরর [মাঙ্গা সাজেশন] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

junji ito

ঈদ স্পেশাল সাজেশন

জুনজি ইতো হরর
বর্তমানে ভূতের গল্প বা মাঙ্গা পড়ে এখন অনেকেই আর ভয় পায় না :'( ! পাবে ক্যামনে !? দুপুর বেলাতে বা লাইট ফ্যান শহরে বইসা ভয়ের ঠিক আমেজ আসে না ! এবার ঈদে গ্রামে যারা গেছেন বা যাচ্ছেন তাদের বলি ! মোবাইলে করে জুনজি ইতো সমগ্র নিয়ে যাবেন । দুপুরে ঘোরাঘুরি , রাতে ফিরলেন । কুপির আলো জ্বলছে , বাইরে ঝিঝি পোঁকা , শেয়াল বা খাটাশ ডাকছে !অসাধারণ পরিবেশ । তখন মোবাইল খুলে শুরু করবেন ইতো পড়া । এই ইতো আবার কে অনেকেই ভাবছেন । ইতো হল হরর কমিকসের রাজাপুত্র । কত যে ফোবিয়া মানুষের আছে ! গর্তভীতি, পানিভীতি , পোকাভীতি , চুলের ভীতি আরও অনেক ।সেই ফোবিয়া নিয়ে ইউনিক আর্টের সাহায্যে ইউনিক সব হরর গল্প ফেদে বসেন । যার নমুনা দেখলে রক্ত ডিপফ্রিজের পানি মার্কা ঠান্ডা হতে বাধ্য ! স্পাইরাল নিয়ে উযুমাকি , জীবন্ত গ্রহ নিয়ে হেলস্টার রেমিনা , মাকড়সার মত পা বিশিষ্ট জম্বি মাছের আক্রমণ নিয়ে গিয়ো , ছলনাময়ী , লাস্যময়ী কামিনী ডাইনী মত তোমিয়ে এবং আরো অনেক ছোট ছোট চমকপ্রদ গল্প । তার কাহিনী হঠাত্‍ শুরু এবং হঠাত্‍ শেষ ! এবং আপনার দুঃস্বপ্নে কিছু একস্ট্রা এলিমেন্ট যোগ করবে ! তার মাঙ্গা পড়ার তার কাহিনী এবং হরর আর্টের এক ভয়ঙ্কর মোহ আপনাকে ঘিরে ধরবে 😀 পুকুড়ে সাতার কাটতে গিয়ে দেখবেন কিলবিলে পাযুক্ত মাছ সাতার কেঁটে চলে গেল , জানালার পাশে তোমিয়ের রিনরিনে হাঁসি , গাছের গুড়িতে স্পাইরাল গর্ত যা আপনাকে টেনে আধারে মিলিয়ে দেবে 😀 এক কথায় আপনার গ্রামে ভ্রমণকে থ্রিলিং ও আনন্দময় করে তুলবে 😀 !
বোনাস সাজেশন : সাথে বিভূতিভূষণের গল্পসমগ্র এবং হূমায়ুন আহমেদের সংকলিত ভৌতিক গল্পসমগ্রও পড়তে পারেন 😀
আপনার ঈদ আনন্দময় হোক ।

Hellsing Ultimate [রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Hellsing Ultimate 1

ভ্যাম্পায়র বললেই আমাদের আমাদের মাথায় ভেসে ওঠে রক্তপিপাসু একদল অমর মানুষদের কথা। যদিও ভ্যাম্পায়র বলতে প্রথমে নিকটআত্নীয়দের দুষ্ট ভূতদের বোঝাত কিন্তু পরে তা বর্তমানে রক্তপিপাসু রাক্ষসদের বোঝায়। সব লোক কথায় ভ্যাম্পায়ারের রেফারেন্স আছে যেমন ভূত ঘাড় মটকে রক্তচুষে নিল। ভ্যাম্পায়ার নিয়ে বাংলা সাহিত্যের সেরা গল্প মনে হয় কামিনী ডাইনির গল্প। তো আনিমে মাঙ্গাতেও প্রচুর ভ্যাম্পায়ার রয়েছে তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হেলসিং।

ইংল্যান্ডকে রক্তচোষা ঘুউলদের থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করছে আব্রাহাম ভ্যানের হেলসিংএর কন্যা ইনটেগ্রা হেলসিং। এক কালের লাজুক এই মেয়ে এখন একজন রগচটা যোদ্ধা ও কমান্ডার (অবশ্যই তার পিতার মৃত্যু এবং টার চাচার বেঈমানির ফলে)। এবং তার আন্ডারে চুক্তিতে আছে ভ্যাম্পায়ারদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অস্ত্র। অতিরিক্ত শক্তিশালী এক ভ্যাম্পায়ার যার নাম আলুকার্ড। সে আর ১০টা ভ্যাম্পায়ারের মত ম্যান্দা মারা না বরং আরো ভয়ঙ্কর ।কাজের প্রয়োজনে নিরীহকে খুন করতে তার বাধে না, অতি আবেগের কোন দরকার নাই। তাকে সঙ্গ দেবার জন্য আছে ব্যাডাছ আলফ্রেড ওরফে ওয়াল্টার সি ডরনেয এবং সদ্য ভ্যাম্পায়ারে পরিণত হওয়া সেরাস ভিক্টোরিয়া, যে এখোনো তার নতুন জীবনের সাথে খাপ খেতে পারছে না। এর মধ্যে আবার একদল ভ্যাম্পায়ার নাজি উপস্থিত ইংল্যান্ড দখল করতে এবং তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে এক সাইকো মেজর! তার ডায়লগ এবং কূটবুদ্ধিগুলো বেশ চমৎকার!!!

Hellsing Ultimate 2

এই এনিমেতে খ্রিস্টান একস্ট্রিমিস্ট এবং নাযিদের ভিলেন বানিয়ে ব্যাপারটা উপভোগ্য করে তোলা হয়েছে। আলুকার্ডের ৩২পাটি শ্বদন্ত বের কইরা কোলগেট মার্কা হাসি বেশ চিলিং এবং সাথে হাসিখুশি সেরাসের ভয়ঙ্কর মুড চালু, এক কথায় এপিক!!!!!! ন্যাকামি বেশি নাই। সব ক্যারেকটারই মোটমুটি ভালো স্পটলাইট পেয়েছে। একশান , গোরে ভর্তি , রক্তের ছড়াছড়ি ,হালকা কমেডিও আছে। না দেখার কোন কারণ নাই। মোটে ১০টা এপিসোড। যার হরর ফ্যান তারা অবশ্যই দেখবেন! কাহিনী, একশন, সাউন্ডট্রাক সবই চরম। পর্ব সংখ্যা মোটে ১০। এটা ডাবে না দেখলে দেখা বৃথা।

আমার রেটিং: ৮/১০

Hellsing Ultimate 3

The Devil is a Part timer! [রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Devil is a Part Timer 1

এনিমে রিভিউ :The Devil is a Part timer! (আরে শয়তান তো দেখি খুচরা চাকরি করে !)

শয়তান, দেবদূত এদের বিষয়গুলো বেশ ভাবওয়ালা। এদের নিয়ে সিনেমা, গল্পও বা এনিমে বানালেও তা সিরিয়াস হয়। তো দ্যা ডেভিল ইজ আ পার্টটাইমারকে সেই টাইপের কিছু ভাবছিলাম। কিন্তু তা নয়।

কাহিনী শুরু রুপকথার মধ্যে। এন্টে ইসলা নামক এক স্থানে মানুষ, দেবতা ও শয়তানের বাস। তো শয়তান পুরো এন্টে ইসলা দখল করার জন্য যুদ্ধ শুরু কইরা দেয়। যথারীতি নাইট ইন আ শাইনিং আর্মর এসে শয়তানকে হারাইয়া দেয়। তো শয়তান ও তার এক জেনারেল এলসিয়েল কোনক্রমে পৃথিবীতে পালিয়ে এসে বাঁচে। কিন্তু এখানে এসে তারা তাদের জাদুর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তো কি দিয়ে তারা জীবন চালাবে? শয়তান সাহেব সাডাও মাও নাম নেয় এবং তার জেনারেল এলসিয়েল নেয় শিরো আশিয়া নাম। শয়তান ম্যাকরোনাল্ডস এ চাকরি নিয়ে টার্গেট করে সেরা সেলস ম্যানেজার হবে। অন্য দশজনের মত তারাও হিসাব কষে জীবন চালাতে থাকে। কিন্তু এরই মধ্যে শয়তানের খোজে হাজির হয় নাইট সাহেব। কোথায় যাচ্ছে কাহিনী! এইটা কি রকম ব্যাপার? তো অদ্ভূত এই প্লটের কাহিনী জানতে দেখে ফেলুন দ্যা ডেভিল ইজ আ পার্ট টাইমার।

Devil is a Part Timer 3

এর প্রথম এপিসোডের প্রথম ১০মিনিট দেখে ভাবতাসি এতো সিরিয়াস একশন আর ইনটেন্স জিনিসের গায়ে কমেডি ট্যাগ কেন?! পরে গিয়ে দেখি এইটা পুরাই কমেডি এবং সাথে হালকা একশন। প্লট উড়াধুরা এবং মজাদার। গ্রাফিক্স এবং আর্ট যথেষ্ট ভাল। সাউন্ডট্র্যাক তো অস্থির!! এইটা দেখলে ডাবে দেখাই বেস্ট হবে!! শয়তান রাজা সাহেবের “খাইয়া ফেলুম” থেকে “শুভ সকাল ভাল আছেন?” এ যাওয়া মোডটা কেমন জানি খাঁপছাড়া লাগসে আর এপিসোডও আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল। পর্ব সংখ্যা মোটে তেরো। সময় থাকলে দেখতে পারেন।

Devil is a Part Timer 4

আমার রেটিং: ৭/১০

Devil is a Part Timer 7

Tomo chan wa onnanoko! [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Tomo chan wa onnanoko!

মাঙ্গা রিভিউ: তোমো চান তো দেখি মেয়ে ! (Tomo chan wa onnanoko!)

যাদের বাসায় প্রথমআলো রাখা হয় তাদের প্রত্যেকদিন সকালে উঠিয়া একটা কমন কাজ হল তাড়াতাড়ি মধ্যের পৃষ্ঠায় গিয়ে বেসিক আলী আর ন্যান্সি চেক করা। তো এই মাঙ্গা ডেইলি এক পৃষ্ঠা করে আপডেট হয় এবং সকালে উঠেই চেক করি যে এই মাঙ্গার আপডেট এসেছে কিনা! প্রাত্যহিক বিনোদোনের জন্য এক অসাধারণ মাঙ্গা।

এই মাঙ্গার মেইন চরিত্র হল তোমো আওয়িযাওয়া। সে হাইস্কুলে উঠে তার ছোটবেলার বন্দ্ধু এবং ক্রাশ জুনচিরোর কাছে প্রেম নিবেদন করে এবং উত্তর পায় ” কি যে বলিস দোস্ত! আমিও তোকে অনেক ভালোবাসি, আমরা বেস্ট ফ্রেন্ড! ,, ! এই উত্তরের রহস্য কি!? তোমো চান পুরোদস্তর টমবয়। ভয়ানক শক্তি, ভয়ের ছিটেফোটা নাই এবং সবধরণের ন্যাকামি বিবর্জিত। জনচিরো কেবল মিডলস্কুলে উঠে আবিষ্কার করে যে তোমো মেয়ে কিন্তু তোমোকে অন্য সব ছেলেদের মত জিগরী দোস্ত হিসিবে দেখে। তোমো নানা উপায়ে জুনচিরোর মন গলাতে চায়। তাদের এই খেলা উপভোগ করে মিচকি পিচকি ডেভিল ইন নারীরুপ গান্ডোও এবং তাদের সাথে পরে যুক্ত হয় হাওয়াই মিঠাই, ননীর পুতুল গুল্লু ক্যারল। তাদের কথাবার্তা কাজকর্ম দেখে হাসবে না এমন লোক পাওয়া দুষ্কর।
আর্ট বেশ পরিষ্কার। চেহারার ভঙ্গীগুলো সেইই!! এবং এই মাঙ্গার সবচেয়ে ভালো জিনিস ডেইলী এক চ্যাপ্টার বা কখোনো ২ চ্যাপ্টার করে আপডেট হয়। চ্যাপ্টার ৩৩৯+ এবং অনগোয়িং। এইরকম হাইস্কুল রোমান্স কমেডি মাঙ্গা পাওয়া দুষ্কর। সকালটা তাই এক পশলা হাসি দিয়ে শুরু হোক 😀 !!! তো পড়া শুরু করে দিন তোমো চান তো দেখি মেয়ে!

আমার রেটিং: 9/10

Read Here: http://kissmanga.com/Manga/Tomo-chan-wa-Onnanoko

Download Cbr file: https://drive.google.com/folderview?id=0B6WGbrzJ5FC3UnU2Mk10LWVPdTg&usp=sharing

 

Densha Otoko [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Densha Otoko

ওটাকু বলতে জাপানে সাধারণত সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন , আনিমে , মাঙ্গা , ভিডিও গেমস নিয়ে দিনরাত ২৪ঘন্টা ডুবে থাকা লোককে বোঝায় । এরা সাধারণ লোকদের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারে না । কিন্তু যদি কোন ওটাকু তার অবসেশন বিসর্জন দিয়ে বাস্তবতা ও সাধারণ জীবনে ফিরে আসে একটি ছোট্ট পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ? এইরকম এক বাস্তব কাহিনীকে কেন্দ্র করে আঁকা মাঙ্গা হল ডেনশা ওটোকো ।
এই মাঙ্গার কেন্দ্রীয় চরিত্র হল এক ওটাকু । মাঙ্গা , ফিগারিন তার দুনিয়া । চাকরি করে এসেই ডুব দেয় তার ভার্চুয়াল দুনিয়ায় । পরণে অতিরিক্ত ঝোলা শার্ট , উস্কোখুশকো চুল , চোখে হালকা পাওয়ারের চশমা । তো একদিন পছন্দের ফিগারিন কিনে ট্রেনে ওঠে সে । যে সিটে বসে সে সেখানেই সুন্দরী এক তরুণী বসা ছিল । তো সে অত মনোযোগ দেয়নি । কিন্তু কিছুক্ষন পরে এক মাতাল এসে ঐখানের যাত্রীদের হয়রানি করতে থাকে বিশেষ করে ওই তরুণীকে । আমাদের নায়ক প্রথমে স্বভাবমতো চুপ করে থাকলেও একসময় প্রতিবাদ করে ওঠে ! মাতাল তাকে এই মারে তো সেই মারে কিন্তু তার আগেই কালেক্টর মাতালকে ধরে বের করে দেয় । তো ওই তরুণীসহ যাত্রীরা তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ যায় এবং যোগাযোগ নম্বর ও ঠিকানাও টুকে নেয় কয়েকজন । তো একদিন হঠাত্‍ করে তার বাসায় ওই তরুণী যার নাম হার্মিস কিছু কাপ উপহার পাঠায় ধন্যবাদ স্বরুপ । ন নায়কও সাহস করে তাকে ধন্যবাদ স্বরুপ ট্রিটে নিমন্ত্রণ করে । একে অপরের সাথে তাদের ভালো করে পরিচয় হয় এবং ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে । আর আমাদের নায়কও ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে থাকে । এবং তার এই দৈনন্দিন ঘটনা সে একটি অনলাইন থ্রেডে শেয়ার করে এবং ওই থ্রেডের সবাই তাকে উত্‍সাহ দিতে থাকে । আমাদের নায়ক কি পারবে এই সম্পর্ককে ফল প্রদান করতে ? আর তার নিজেরসহ আশেপাশে সকলের কি পরিবর্তন হবে ?!
সাধারণ একটি রোমান্স মাঙ্গা তবে খুবই ভালো লেগেছে । কাহিনী সিম্পল ভাবে এগিয়েছে ,কোন অপ্রয়োজনীয় টুইস্ট নেই । বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে বলে বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক । একজন অবসেসড ওটাকু থেকে সাধারণ জীবনে ফিরে আসার ঘটনার অসাধারণ এক মাঙ্গা । আর্টস্টাইল সুন্দর! খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে , আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে । সময় থাকলে পড়ে ফেলুন ২৭চ্যাপ্টারের মাঙ্গা ডেনশা ওতোকো ।
আমার রেটিং : ৭/১০

Read Online: http://kissmanga.com/Manga/Densha-Otoko-Net-Hatsu-Kakueki-Teisha-no-Love-Story

 

The Cat Returns [মুভি রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

The Cat Returns 1

ছোটবেলায় সুকুমার রায়ের একটা অসাধারণ চীনা লোকগাথার অনুবাদ পড়সিলাম । গল্পটার নাম লোলির পাহারা । গল্পটার কেন্দ্রীয় চরিত্র হল লোলি নামক এক কুড়ের হদ্দ ছেলে ।তো লোলির বাবা তাদের একমাত্র শুয়োরটাকে বিক্রি করবে এবং সেইটা পাহাড়ার দায়িত্ব দিয়ে যায় লোলিকে । তো লোলি ওই পাহারার ধার না ধেরে সোজা দিল ঘুম । ঘুম থেকে উঠে দেখে শুয়োর হাওয়া । তো শুয়োর খুজতে গিয়ে দুর্ভাগ্যক্রমে নিজেই শুয়োর হয়ে যায় । তো কল্পনা করুন আপনি যদি একদিন হঠাত্‍ করে বিলাই হয়ে যান !!?

The Cat Returns 6
তো দ্যা ক্যাট রিটার্নস এর কাহিনী হল হারুকে নিয়ে । হারু স্কুলপড়ুয়া এক মেয়ে ।সে কিছুটা আলসে , অনেকখানি ছটফটে এক মেয়ে । তো একদিন স্কুল থেকে ঝাড়ি বকা খেয়ে বাসায় ফেরার পথে দেখে একটা অদ্ভুত দেখতে বিলাই প্রায় ট্রাকচাপা পড়তে যাচ্ছে । তো হারু অসম্ভব ক্ষিপ্রতার সাথে বিড়ালটাকে বাচায় । তো বিড়ালটাকে বাঁচানোর পর যখন হারু ধাতস্থ হতে থাকে তখন দেখে বিড়ালটা দুই পায়ের উপর দাড়িয়ে গা ঝাড়ছে । এরপর চমক আরও বাকি । বিড়ালটা মানুষের ভাষায় হারুকে কৃতঙ্গতা প্রকাশ করে । হারুর তো মাথা খারাপ হবার যোগাড় । কেউ বিশ্বাস করে না হারুকে । তো হারুর দেখে যে সে বিলাইয়ের সাথে কথা বলতে পারে । তো একদিন রাতে বাদনা-বাজ্য বাজিয়ে হারুর বাসার সামনে উপস্থিত হয় একদল বিড়াল ।হেই বিড়ালদের মধ্যে থাকে একটা বিশাল ধুমসো বুড়ো হুলো । সে হল বিলাইদের রাজা ।সে হারুকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছে কারণ হারু যে বিড়ালকে বাচিয়েছে সে হল স্বয়ং বিড়াল রাজ্যের রাজপুত্র । এবং চমকের আরও কথা হচ্ছে তারা হারুকে চায় রাজপুত্রের কনে হিসেবে নিতে ! তো এখন কি করবে হারু !? নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে যায় হারু । পরিচিত হয় মুটকো বিড়াল নাম মুটো এবং হৃদয়ের স্বরের সেই ব্যারন বিড়াল । উপস্থিত হয় বিড়ালের রাজ্যে এবং ঘটতে থাকে নানা মজার ঘটনা ।

The Cat Returns 2
মুভি স্টুডিও গিবলির । এর আর্টওয়ার্ক মানে ক্যারেকটার ডিজাইন নরমাল জিবলীর আর্ট থেকে বেশ আলাদা , যা সুন্দরই লেগেছে । এর আছে খুব সুন্দর এবং মজার সাউন্ডট্র্যাক এবং এর কাহিনীও সেরকমই । এর ব্যাকগ্রাউন্ড আর্ট জিবলীর মতই অর্থাত্‍ অসাধারণ । এই মুভি হল মনে শান্তিদায়ক মুভি । মনের স্ট্রেস নামক জিনিস ধুয়মুছে নিয়ে যায় ।কাহিনী ,ক্যারেকটার সবই সুন্দর । ব্যারন বিলাইয়ের উপস্থিতি ( হ্যা Whisper of the hearts এর সেই ব্যারন বিড়াল ) ! যারা বিলাই প্রেমিক তাদের জন্য এই মুভি দেখা সুন্নত 🙂 ! যারা দেখেননি তারা তাড়াতাড়ি দেখে ফেলুন । তবে একটা কথা । এটাকে গিবলির মাস্টারপিস ভেবে দেখতে বসলে হতাশ হতে পারেন । তাই আশার পারদ বেশি না রেখে শুধু উপভোগ করুন । বিলুই প্রেমিকদের জন্য এটা স্পেশাল ট্রিট ।

The Cat Returns 3

ডাউনলোড করুন: https://torcache.net/torrent/CC6F9B40B0FC173EC3774F4C68EC7E68C6D8B6C4.torrent?title=%5Bkat.cr%5Dthe.cat.returns.2002.dual.audio.1080p.hevc.x265

অনলাইনে দেখুন: https://kissanime.to/Anime/The-Cat-Returns-Dub
আমার রেটিং: ৮/১০

The Cat Returns 4

The Cat Returns 5

Vinland Saga [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Vinland Saga 1কল্পনা করুন আপনি ১১শতকের দিকে নদীর পারে একটি ছোট্ট শহরের বাসিন্দা । সকালে উঠে নদীর পাড়ে ঘুরতে গেছেন । শীতের সকাল , কুয়াশায় মোড়া সবকিছু । সেই কুয়াশা ভেদ করে এগিয়ে আসছে কিছু জাহাজ । দম দম করে দামামা বাজছে । কিছুক্ষনের মধ্যেই বোঝা গেল যে তারা আর কেউ নয় , তারা হল ডেনিশ জলদস্যু অর্থাত্‍ ভাইকিং । অসুরের মত শক্তি , হাতে কারুকাজ খচিত অস্ত্র , মাথার শিংযুক্ত শিরস্ত্রাণ যেন তাদেরকে আরও অসুরীয় করে তুলছে । তারা এগিয়ে আসছে রক্তলোলুপ নেকড়ের দলের মত । যেন হিমদল চিরশীতের দেশ থেকে তার বাহিনী নিয়ে এগিয়ে আসছে । চোখের পলকে তারা হত্যা করছে , নারী ,পুরুষ , শিশু , বৃদ্ধ কারো রেহাই নেই । পুরুষদের দাস , নারীদের যৌনদাসী হিসেবে বিক্রি করে দিচ্ছে । ভাইকিংদের লক্ষ্য তিনটি : মদ , নারী ও যুদ্ধ । এই ভয়াল জাতটিকে নিয়ে বহু কাহিনীর প্রচলন আছে , বহু গান গাওয়া হয়েছে । আরে এদের নিয়ে মাঙ্গা হবে না তা কি হয় !? এই ভয়ডরহীন রক্তলোলুপ যোদ্ধাদের নিয়েই মাঙ্গা ভিনল্যান্ড সাগা ।

Vinland Saga 4এর কাহিনী ১১শতকের ইংল্যান্ডে ডেনিশ রাজা Sweyn Forkbeard এর আক্রমন এবং তার ২পুত্র Harlard আর Canute মধ্যে চলা সিংহাসনের খেল নিয়ে । এবং এর প্রধান চরিত্র বলা যায় থরফিনকে । ভাইকিং বীর আসকাল্যাড এর অধীনে এক কিশোর হিংস্র যোদ্ধা । তার লক্ষ্য একটাই আসকাল্যাডকে সম্মুখযুদ্ধে হত্যা করা , কেননা এই আসকাল্যাডই থরফিনের পিতার ঘাতক । জ্বী , থরফিন কাজ করছে তার পিতার ঘাতকের আন্ডারে । কাহিনী তো সবে শুরু । রাজপুত্র Canute এর মসনদে বসার অভিপ্রায় । থরকেল এর মত চরিত্র যার নিষ্ঠুরতা সীমাছাড়া কিন্তু তাকে ভাল না লেগে পারবে না । এক অসাধারণ কাহিনীর জন্য যে অসাধারণ চরিত্রের দরকার তা সবই আছে ।
প্রথম কথা হল মাঙ্গার আর্ট । এর আর্ট সেরা পাঁচে থাকার যোগ্য । প্রতিটা ক্যারেকটারের অভিব্যাক্তি , এক্সপ্রেশন নিঁখুত ভাবে দেখানো হয়েছে । প্রতিটা দৃশ্য ডিটেইলড । অস্ত্র , পোষাক , জাহাজ সবকিছুর ডিজাইন ডিটেইলড যেন বইয়ের মেইন কভারের আর্টের মত । বার্সাক এর কথা বারবার মনে পড়ে যায় কিছু জায়গায় এর আর্ট দেখলে ।
ভাইকিং ইতিহাস , তাদের জীবনযাত্রা , তাদের মানসিকতা ,সে সময়কার সমাজের জীবনধারার উপর একটা কোর্সই হয়ে যাবে এই মাঙ্গা পড়লে । এরকম নিঁখুত ইতিহাস ভিত্তিক মাঙ্গা আর পড়েছি কেবল কিংডম । যুদ্ধের স্ট্র্যাটেজি , Game of thrones অর্থাত্‍ মসনদে বসার খেল সবই আছে এই মাঙ্গায় ।

Vinland Saga 2
এই মাঙ্গার প্রত্যেকটা ক্যারেকটারের ডেভলপমেন্ট চোখে পড়ার মতো । সবচেয়ে নির্মম যে তারও অতীত ছিল হৃদয় বিদারক । এবং সবই রুঢ় বাস্তবতার আলোকে ।তবে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেকটার আসকাল্যাড ।
এই মাঙ্গা পড়ার সময় একরকম ঘোরে চলে যাবেন । যেন টাইম মেশিনে করে ভ্রমণ । খুবই কম মাঙ্গা এটা করতে পারে । তো এই মাঙ্গা না পড়ার কোন কারণ আমি দেখি না । পড়ে ভাল না লাগার কোন চান্স নেই ।
মাঙ্গার চ্যাপ্টার 127 টি এবং অনগোয়িং । রেগুলারলি আপডেট হয় ।
পড়তে পারেন এখানে :http://kissmanga.com/Manga/Vinland-Saga

পড়ার সময় Ensiferum বা Equilibrium এর যে কোন এলবাম ছেড়ে নিলে তো সোনায় সোহাগা ।
Ensiferum :https://www.youtube.com/watch…
Equlibrium:https://www.youtube.com/watch…

তো সময় থাকতে পড়ে ফেলুন অসাধারণ এক মাঙ্গা Vinland Saga!

Vinland Saga 5

Vinland Saga 3

Ichi the killer [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Ichi the Killer

বিশ্বের অনেক দেশেই সরকারের পর সবচেয়ে শক্তিশালী অঙ্গ হল সে দেশের মাফিয়া, কোন কোন ক্ষেত্র মাফিয়াই শক্তিশালি। তো বিভিন্ন গ্যাংয়ের সহবস্থানে চলে এই মাফিয়া ইন্ডাস্ট্রি। এই অন্দ্ধকারে ঢাকা এবং সকলের অগোচরে থাকা এই ইন্ডাস্ট্রির একটি ছোট্ট ঘটনা নিয়েই মাঙ্গা ইচি দ্যা কিলার।
ইচিকে প্রথম দেখায় মনে হবে চোখ টলটলে এক সদ্য কৈশোর পেরোনো যুবক। ভীত হচকিত ভাব, যেন ভাজামাছ উল্টে খেতে জানে না। আসলে তাই, ছোটবেলা থেকে বুলিয়িং এর শিকার হয়ে তার মাথার স্ক্রু ২ একটা আলগা হয়ে গেছে। বড়ধরনের মানসিক সমস্যাতে ভুগছে সে। কিন্তু সে মার্শাল আর্টে দক্ষ এবং তার পায়ে অসুরের জোর। তো এই ইচিকে কাজে লাগিয়ে জিন সান নামক এক বুড়ো লোক। ভুল বুঝিয়ে, ম্যানুপলেশনের মাধ্যমে ইচিকে কাজে লাগিয়ে সে বেশ কয়েকটা খুন করায় এবং ইচি এই খুনগুলো করে ঘোরের মধ্যে, এই ইচির শিকারের হয় যারা তাদের আর এক খন্ডে পাওয়া যায় না। তো এক গ্যাং লিডারকে খুন করে টাকার জন্য এবং সেই খুনের সূত্রে তারা এক পাগলা সাইকো গ্যাং লিডার কাকিহারার সামনে পরে যায় যাকে দেখলে মনে হবে কোন দুঃস্বপ্নের দানব এবং তাদের মধ্যে চলতে থাকে ইদুর বেড়াল খেলা।
প্রথমেই এই মাঙ্গা পড়তে হলে মানসিকতা যথেষ্ট শক্ত থাকতে হবে। নুইড্যিটি, ভায়োলেন্স, গোর টর্চার আরও প্রচুর এডাল্ট আর অবসেন্স দৃশ্য আছে যা সকলের কাছে হজম নাও হতে পারে। আর্টও বেশ ডিস্টার্বিং। এই মাঙ্গার উপর ভিত্তি করে ২০০১ সালে একটি মুভিও বানানো হয়। এর ক্যারেকটারগুলো ইন্টারেস্টিং এবং চালবাজিগুলো অসাধারণ। যারা গোর এবং একশানের ভক্ত তারা পড়ে দেখতে পারেন এই ১০ভলিউমের মাঙ্গা ইচি দ্যা কিলার।