Kokou no Hito [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Kokou no Hito 9

কল্পনা করুন, দুর্ভেদ্য তুষারঝড় ভেদ করে বেয়ে চলছেন এক দুর্গম পাহাড়ের খাজ। আপনি পুরোই একলা , তাপামাত্রা মাইনাসের ডিগ্রি চল্লিশেরও নিচে । অসহ্য অমানুষিক পরিশ্রম করে আপনি অবশেষে পৌছালেন পাহাড়ের চূড়ায় । ভোর হয়েছে , হাইপোর্থামিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আপনার হাত পায়ের আঙ্গুল অবশ হয়ে গিয়েছে কিন্তু আপনার সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই । আপনার চোখের সামনে সূর্য উঠছে এবং তার আলো পাহাড়ের তুষারে প্রতিফলিত হয়ে চারিদিকে এক মুগ্দ্ধকর আবহ তৈরী করছে । আপনি যেন সারা পৃথিবীর রাজা , আরোহন করেছেন আপনার সিংহাসন । এই অনুভূতির সাথে পরিচিত একমাত্র পাহাড় বাহকরা যাদের আমারা ক্লাইম্বার বলে চিনি । এটাকে একধরণের স্পোর্টসও বলা যায় , কিন্তু এ খেলা হল জীবণ মরনের খেলা , একটি সুতোর ডগায় আপনার জীবন ঝুলছে । কিন্তু যাদের শরীরে এই ভয়ঙ্কর খেলার নেশা ঢুকে যায় তখন তাকে আর কিছুতেই থামানো যায় না । এইরকম অসাধারণ এক স্পোর্টস নিয়ে Shinichi Sakamoto এবং Yoshirō Nabeda এর লেখা আর সাকামতোর আঁকা সেইরকমই এক অসাধারণ মাঙ্গার কথা বলব যার নাম কোকু নো হিতো মানে THE CLIMBER ।

Kokou no Hito 7 Kokou no Hito 12
মাঙ্গার কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম মোরি বুনটারো । রিসেন্টলি সে এক নতুন স্কুলে ট্রান্সফার হয়ে এসেছে । প্রথম দেখায় তাকে মনে হবে এন্টিসোশ্যাল টাইপের কিন্তু ভাল করে লক্ষ্য করে দেখা গেলে বোঝা যায় যে সে আসলে নিসঃঙ্গ নেঁকড়ে মানে লোন উলফ । তো প্রথম দিনই ক্লাসের বুলি প্লাস ক্লাইম্বার মিয়ামটো এর সাথে ঝামেলা পাকিয়ে বসে এবং তার ছুড়ে দেওয়া চ্যালেন্জ নিয়ে খালি ড্রেনেজ পাইপ বেয়ে স্কুলের ছাদে উঠতে যায় , তীরে এসে তরী ডুবতে বসে যখন ছাদের কাছে এসে তার শক্তি ফুড়িয়ে যায় , কিন্তু কেউ তাকে সাহায্য করার আগেই সব শক্তি জড়ো করে দেয় এক লাফ এবং লাফ দিয়েই ছাদের কার্নিশ ধরে ফেলে । তার এই সহজাত ক্লাইম্বিং ক্ষমতা চোখে পড়ে এক শিক্ষক যোগ ক্লাইম্বার ওনিশি সেন্সের এর চোখে । তখন সে মোরিকে বলে এক ক্লাইম্বিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে । ক্লাইম্বিং এর খুটিনাটি শিখায় । এখন আপনার ভাবছেন ” এই আবার এল , আরেকটা নরমাল গতবাধা স্পোর্টস মাঙ্গা ,, কিন্তু আপনি বিশ্বাস করবেন না এর কিছু চ্যাপ্টার পরই কাহিনীর অসাধারণ ৩৬০ ডিগ্রি টার্ণ । সাইড ক্যারেকটারগুলোর ইউনিক ডেভলপমেন্ট এবং বিস্ময়কর পরিণতি । মোরির ধীরে ধীরে হওয়া বিবর্তন । ওর ডে টু ডে লাইফ । বাকি কাহিনীর টুইস্ট মাঙ্গা পড়ে জানতে হবে ।
এই মাঙ্গাকে খালি স্লাইস অফ লাইফ মাঙ্গা হিসেবে পড়া যয় । জীবনের নির্মম বাস্তবতাকে বেশ নিখুত ভাবেই মাঙ্গাকা দেখিয়েছেন ! কাহিনীর পেসিং , ক্যারেকটার ডেভলপমেন্ট , বব মার্লির উপস্থিতি সব মিলিয়ে এক কথায় অসাধারণ একটি মাঙ্গা । মাঙ্গার আর্ট বলতে গেলে বার্সাক , ভ্যাগাবন্ডের কাছাকাছি লেভেলের। অতিরিক্ত ডিটেইলড , চেহারার ইম্প্রেশন গুলো এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দগুলোকে প্রতীকি আর্টের মধ্য দিয়ে দেখিয়েছেন যা এক কথায় অসাধারণ । কাহিনীর মধ্যে একবার ডুবে গেলে সহজে বের হতে পারবেন না । ১৭০ চ্যাপ্টারের এই অসাধারণ মাঙ্গাটি একবার একটু ট্রাই করে দেখুন । আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে ।
এই মাঙ্গাকে আমি ১০ এ ১০ দেব ।

Kokou no Hito 1 Kokou no Hito 2 Kokou no Hito 3 Kokou no Hito 4 Kokou no Hito 5

মাঙ্গা এবং আনিমে সাজেশন: Ajin — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Ajinঅমরত্ব! মানুষের জীবধনের সবচেয়ে আকাঙ্খিত জিনিস। প্রাচীনকালে নরবলি, রক্তপান, দেবতার পূজা, শয়তানের পূজা, আলকেমি কত কিছুর না মানুষ আশ্রয় নিয়েছে অমরত্ব পাবার জন্য। কিন্তু একদল লোক দুনিয়াতে জন্ম নিল যারা অমর। রোলার দিয়া চাপা দিন, বড় ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন, পুড়িয়ে দিন। লাভ নেই, আবার বেচে উঠবে। এদের আর্সেনালে আরেক অস্ত্র আছে। কালো ভূত যা সাধারণ মানুষের কাছে অদৃশ্য। তো এই আজিনদের অমরত্বের কারণে তাদের মানুষ বলে বিবেচনা করা হয় না। এদের ধরে টর্চার চালানো হয় যা সবচেয়ে স্যাডিস্ট সাইকোও ভেবে বের করতে পারবে না। তো এইরকম একজন আজিন কেই কে নিয়েই কাহিনী যে সদ্য ট্রাকচাপা পড়ে আবিষ্কার করে সে আজিন।
তো এসব বকর বকর বাদ দিয়ে আসল কথায় আসি। আপনি আজিন দেখবেন বা পড়বেন কেন!? পড়বেন সাতোউয়েয় জন্য। দেখতে নিরীহ বুড়ো ভালমানুষ। যেন এইমাত্র মর্নিংওয়াক করে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরবে। কিন্তু এই ভালো মানুষ সাউতো একজন স্যাডিস্ট সাইকো যার হাতে ইমারটলিটির গিফট এবং ক্ষুরধার বুদ্ধি আছে। কেই কে রিসার্চ সেন্টার থেকে বের করে আনা, ভালো মানুষ মার্কা অভিনয়, এবং রক্তপিপাসা আপনার কাছে ভালো লাগতে বাধ্য। মাঙ্গায় তার প্লেন নিয়ে তেলেসভাতি কখোনো ভুলবো না। সাউতোর লক্ষ্য কি?! আসলে কোন লক্ষ্য নাই। নোলানের ডার্ক নাইটে আলফ্রেডের এক বিখ্যাত উক্তি “কিছু লোক দুনিয়াতে খালি জ্বলতে দেখেতে চায়, আর কিছু না,,। সাইতো আর জোকার একই ঘরের মানুষ। ভায়োলেন্স এদের প্রেরণা।

এনিমেটা CGI বলে অনেকে পছন্দ করছে না কিন্তু এই ইফেক্টই আজিনের উপযোগি। বিশেষ করে এনিমের হরর বা গোথিক টাইপের সাউন্ডট্র্যাক। বিষেষ করে আজিন প্রাণ ফিরে পাবার সময় যে কড় কড় শব্দ হয়। এই এনিমের মেইন ক্যারেকটার কেই আর অন্যগুলোও অস্থির। মাঙ্গাটা অবশ্যই ফলো করবেন। আর্ট কাহিনী অনেক ভালো। টোকিও ঘুউল রে এর পরে সবচেয়ে অস্থির সাইকো হরর মাঙ্গা পড়ছি আজিন!
মাঙ্গা অনগোয়িং, আনিমে কমপ্লিট তবে এন্ডিং চেইন্জ কর দিসে। ফলো করার মত জিনিস এটা।
দশে এটা নয় সহজেই পাবে। আশা করি সবার ভালো লাগবে!

HEADS [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

 

মাঙ্গা রিভিউ : HEADS
মাঙ্গাকা : হিগাশিনো কেইগো
“তোমার ঘরে বাস করে কারা ও মন জানোনা
,তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা ,,
মানুষের মন ডেডেলাসের তৈরি ল্যাবিরিন্থের চেয়েও জটিল । যেই মন একটা প্রজাপতিকে দেখে মুগ্দ্ধ হয় আবার সেই মনই ফ্রিজের ভেতর মানুষের কাঁটা অঙ্গ সংগ্রহ করে । এখন এই মন মানে মগজে যদি আরেকজন ভাগ বসায় তাহলে ব্যাপারটা ভেজালের উপর আরো ভেজাল । তো এই মাঙ্গার কাহিনী মানুষের মনের বিচিত্রতা নিয়েই ।
এই গল্পের নায়ক লাজুক এবং বিনয়ী চরিত্রের অধিকারী জুন নারুসে । সত্‍ ,হাসিখুশি এবং ভীতু , এককথায় ভালোমানুষ । ইলেকট্রিকাল কোম্পানিতে চাকরি এবং ছবি আকার শখ নিয়ে শান্তিতেই জীবন কাটছিল তার । এরমধ্যে মেগুমি নামক এক হাসিখুশি মেয়ের সাথে সে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে পরে ।সব মিলিয়ে সুখেই ছিল । কিন্তু একদিন ব্যাংকে গিয়ে সে পরে ডাকাতের কবলে । ডাকাতের কবল থেকে ছোট এক মেয়েকে বাচাতে গিয়ে সে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় এবং কোমায় চলে যায় । কয়েকসপ্তাহ পর কোমা থেকে উঠে সে জানতে পারে , সেই বিশ্বের প্রথম ব্যাক্তি যার আংশিক ব্রেইন ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে । সে সুস্থও হয়ে ওঠে । কিন্তু ধীরে ধীরে সে বদলে যেতে থাকে । যে ফ্যান্টাসি মুভি দেখে সে রাতে ঘুমাতে যেত তা এখন বিরক্ত লাগে ,হঠাত্‍ খেপে যাওয়া আর যে মেগুমিকে সে প্রাণের চেয়ে বেশি ভালবাসত তাকেও আগের মত ভাল লাগছে না । কি হচ্ছে তার । কে হানা দিচ্ছে তার মনোজগতে ?বাকি কাহিনী মাঙ্গাতে ।
মাঙ্গার আর্টওয়ার্ক খুবই ভালো এবং ডিটেইলড । কাহিনীর টুইস্ট এবং টার্ণগুলো অস্থির লেগেছে । কাহিনী কোন জায়গাতেই স্লো হয়ে যায়নি । আকর্ষন পুরোদমে ধরে রাখতে পেরেছে । তো অপেক্ষা কেন , পড়ে ফেলুন ৩৬চ্যাপ্টারের মাঙ্গাটি । আশা করি ভালো লাগবে !
Reading link :http://kissmanga.com/Manga/Heads
আমার রেটিং :৮.৫/১০

Heads 1 Heads 2

এনিমে রিভিউ: Barakamon — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Barakamon 1

একজন সাধারন মানুষের জীবনে লক্ষ্য কি !? ছাত্রবস্থায় পরীক্ষায় ভালো করা , এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটে ভালো করা , ভালো কলেজে চান্স পাওয়া , ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়া , মানে সবমিলিয়ে খ্যাতিমান হওয়া , অনেকের মাঝে স্ট্যান্ড আউট করা । কিন্তু এই অসংখ্য কিছু করার তাগিদে আপনার জীবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হারিয়ে যাচ্ছে না তো ?! হঠাত্‍ করে যদি কোন এক কারণে আপনি যদি উপলদ্ধি করেন যে আপনি কি হারাচ্ছেন , আপনি আপনার আশেপাশে লুকিয়ে থাকা রত্নগুলো , জীবনকে উপভোগ করার আসল রহস্য আপনার সামনে এসে পরে তাহলে কেমন হবে ? তেমনি এক যুবক হানদার হাসিখুশি জীবনের আসল মানে খুঁজে পাবার যাত্রা নিয়ে এনিমে বারাকামন ।
হানদা এক ২২বছর বয়সী বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার । বেশ কম বয়সেই সে ক্যালিগ্রাফির জন্য সুপরিচিত । বাপকা বেটা অর্থাত্‍ হানদা বাবার মতই ক্যালিগ্রাফার । তো একদিন এক প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বাধলো বিপত্তি । প্রদর্শনীর পরিচালক হানদার ক্যালিগ্রাফী দেখে বলে যে হানাদা তার বাবার স্টাইল কপি করে সাফল্য পাচ্ছে , তাতে নেই কোন নতুনত্ত্ব । তো হানদা বেশ রগচটা বা একটু রিএকশান বেশিই করে । বলা নেই কওয়া নেই , হানদা বুড়া পরিচালকের গালে বসিয়ে দিল বিরাশি সিক্কির ঘুষি । যথারিতী তার বাবা তাকে এক নির্জন দ্বীপে বনবাসে পাঠিয়ে দিল মাথাটা ঠান্ডা করার জন্য এবং আরও একটা গোপন কারনে যেটা হানদা জানেনা । তো শহুরে ছেলে হানাদা গ্রামে এসে ঠিক সুবিধে করে নিতে পারছিল না । কিন্তু নতুন বাড়িতে উঠতে গিয়ে পরিচয় হল গ্রামের দস্যি মেয়ে নারুর সাথে , মিষ্টি এই দস্যি মেয়ে অপরিচিত এই শহুরে শাট ইনকে কয়েকঘন্টার মধ্যেই আপন করে নেয় । এবং সাথে গ্রামের সকলে তার সাথে পরিচিত হতে আসে । প্রথমে হানাদা মন খারাপ করলেও পরে সে বলে “দিনগুলো মনে হয় খারাপ কাটবে না ,, । ডাকাতসর্দারের মেয়ে মিওয়া , অতিবুঝা শখের মাঙ্গাকা তামা , অতি কিউট হিনা আর গ্রামের চ্যাংড়া পিচ্চির দলের জ্বালাতনে কখোনো বিরক্ত , কখোনোবা নিজেই তাদের সাথে বাদরামিতে নেমে পরা । যেই হানদার জীবনে এক কাওয়াফুজি ছাড়া আর কোন বন্দ্ধু ছিল না আজে তার জীবন যেন এই দস্যিদের ছাড়া ফাঁকা হয়ে যাবে । নারুর কাছ থেকে , এই গ্রামের কাছ থেকেই সে ক্যালিগ্রাফিকে নিজের স্টাইলে করার চেষ্টা করে । হানাদা সেনসে কি পারবে তার জীবনের খারাপ মুহূর্তগুলোকে ভুলে নতুন একজন হয়ে উঠতে !?
বারাকামন আমার দেখা সেরা স্লাইস অফ লাইফ এনিমে । এই এনিমেতে রোমান্সের র ও নেই যা বিরল । এর আর্ট স্টাইল খুবই সুন্দর .আছে দম ফাটানো কমেডি এবং ক্যারেকটারগুলোও অস্থির । এর ওপেনিং গানটা একবারও স্কিপ করার না । এই এনিমে দেখার পর একটা কথাই মনে হবে
“দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া , ঘরের বাইরে দু পা ফেলিয়া ,,
হানাদার অবস্থা অনেকটা আরণ্যক গল্পের নায়কের মত , প্রথমে গ্রামে এসে ভাবছিল কেমন করে শহরে পালাবে আর ২বছর পর ভাবছে শহরের গন্ডগোল থেকে পালিয়ে কেমন করে গ্রামে ফিরে যাবে । হয়ত এই এনিমে দেখার পর আপনারও মনে হবে আমি কি কিছু হারাচ্ছি !?
তো এই এনিমে দেখুন এবং অসাধারন এক যাত্রায় সওয়ার হন এবং নারু নামক এক দস্যি মেয়ের ভক্ত হয়ে যান ।
রেটিং :১০/১০ ।

Barakamon 2

মাঙ্গা রিভিউ: Kouishou Rajio, Fuan No Tane এবং Fuan No Tane plus — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

3

আমাদের প্রত্যেকের ছোটবেলার একটা চেনা চিত্র, চিত্রটা হল আম্মু বা বড়বোনের কাছে ভূতের গল্প শোনার আবদার করা এবং তাদের শত ওয়ার্নিং দেওয়া সত্ত্বেও ভূতের গল্প শোনা এবং সবশেষে গুটিশুটি মেরে অতি গরমেও চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়া। ভূতের গল্প না পড়লে রাতে ঘুম আসতেই চাইতো না এবং পড়ার পর ঘুম যে বেশ আরামের হত তা বলা যায় না। ভৌতিক গল্প বিশ্বের প্রতিটি লোকগাথার অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমাদের বাংলাদেশেও কম ভূত থুক্কু ভৌতিক সাহিত্য বা লোকগাথার অভাব নেই। নিশি ডাকা, জ্বীন, কল্লা কাটা, ভুলা ভুত, বোবায় ধরা গল্প প্রচুর চালু রয়েছে এবং এগুলো অনেকে এখোনো বিশ্বাস করে। এসব ভৌতিক অভিঙ্গতা গুলো শুনলেই গা ছমছম করে তো ইলাস্ট্রেটেড দেখলে কি হবে ভাবুন। ধরুন রাত একটায় ঘুম ভেঙ্গে গেল, হঠাত্‍ চোখ গেল জানালায়, একটি সুন্দরী মেয়ে আপনার জানালায় নক করছে কিন্তু আপনি থাকেন বিল্ডিংয়ের পাঁচ তালায়। তো এরকম ছোট ছোট লোকগাথা নিয়েই মাঙ্গাকা নাকাইয়ামি মাসাকির তিনখানা অসাধারন মাঙ্গা।

1
এ মাঙ্গাগুলোর বৈশিষ্ট্য হল এগুলোর সুনির্দিষ্ট কোন কাহিনী নেই, আমাদের আশেপাশে ঘটে যাওয়া আধিভৌতিক ঘটনা, কোন এলাকায় প্রচলিত ভৌতিক কাহিনী অথবা বিভিন্ন লোকের জীবনে ঘটে যাওয়া ভৌতিক ঘটনাগুলোই এ মাঙ্গাতে তিনি একে দেখিয়েছে। প্রত্যেকটা চ্যাপ্টারের সাইজ বহুত ছোট। মিনি গল্পের মতো মিনি মাঙ্গা। কোন কোনটার তো কাহিনী এক পৃষ্ঠাতেও শেষ। কিন্তু তা বলে এর মজা কিন্তু কমেনি। মাঙ্গাগুলোর কাহিনী জাপানের লৌকিক ভৌতিক গল্পের উপর বেস করে।
এই মাঙ্গার আর্ট খুবই ভালো এবং এর কভারগুলোও সেই ইন্টারেস্টিং। আর এ মাঙ্গাগুলো ভরদুপুরে অলস সময়ে পড়লে হবে না কিন্তু!! রাতে বেশ একটা ভালো রকমের হরর মুভি দেখে বেশ করে ঘুমটা চটকাবেন, এরপর সবাই ঘুমিয়ে গেলে, চারিদিক সুনসান। আপনার রুম অন্দ্ধকার, ঘড়িতে বিরক্তিকর টিক টিক শব্দ এবং আপনি পড়ছেন ফুয়ান নো তানে, তাহলেই এ মাঙ্গার ভাইব ভালো ভাবে পাওয়া যাবে!! বলা যায় না, রাতে হঠাত্‍ ঘুম ভেঙ্গে চোখ মেলে দেখলেন যে আপনার মুখের উপর একজোড়া নিষ্প্রাণ চোখ মেলে রয়েছে। তাহলে পড়ুন এবং ভয় পান।

রেটিং: ৩টাই ৭করে পাবে।

2
শেষটা বিশ্বের ছোট হররগল্প দিয়েই করি, গল্পটি স্টিফেন কিংয়ের।” বিশ্বের শেষ জীবিত মানব ঘরে বসে আছে, এমন সময় তার দরজায় কেউ নক করলো ,, ।

4

Holyland [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Holyland 1

বক্সিং বা মার্শাল আর্ট ভিত্তিক মাঙ্গা অনেক আছে । কিন্তু পুরোপুরি স্ট্রিট ফাইট অর্থাৎ রাস্তার মাস্তান মার্কা মারামারি ভিত্তিক অস্থির মাঙ্গা ও আছে এবং তার নাম হল Holyland.
মাঙ্গার স্টার্টিং প্লট খুবই কমন । কামিশিরো ইয়ু এক হাইস্কুল বালক যে মধ্যস্কুলে থাকতে প্রচুর বুলিইং এর শিকার হতো । এই অত্যাচারের জ্বালায় সে স্কুলে যাওয়াও বন্দ্ধ করে দেয় ।এবং আত্নহত্যার কথাও ভাবে , কিন্তু পারে না । পরে একটি মিক্স মার্শাল আর্টের বই দেখে ঘরে বসে সে স্ট্রেইট জ্যাব কম্বো প্র্যাকটিস করা শুরু করে এবং এই অল্পবিদ্যা নিয়ে রাতের রাস্তায় চলে কিছু মাস্তান পিটিয়ে থাগ হান্টার তকমা পায় । পরে সে ধীরে ধীরে আরো শক্তশালী প্রতিপক্ষ পায় এবং তাদের বিরুদ্ধে মারামারি করতে করতে সে নিজেও শক্তশালী হয়ে ওঠে এবং একসময়কার প্রতিপক্ষদের বন্ধু বানিয়ে ফেলে ।

Holyland 2
তো এই কমন প্লট দেখে কেউ এড়িয়ে যাবেন না । হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটের ক্ষেত্রে ইপ্পোর পরে দেখা বেস্ট রিয়েলিস্টিক আর্ট আমার কাছে এই মাঙ্গায় । এবং মারামারি শিখার জন্য এই মাঙ্গাটাকে টেক্সটবুকের মতও ব্যাবহার করা যাবে , কেননা প্রত্যেকটি ফাইটের মুভমেন্ট বিস্তৃত ভাবে সচিত্র ব্যাখ্যা করা হয়েছে ।আর এই মাঙ্গায় পাড়ার মাস্তানদের ভিতরকার জীবনচিত্রও ভালোভাবে দেখিয়েছে । কাহিনী ,আর্ট সবমিলিয়ে বেশ ভালো একখানা মাঙ্গা ।আর এর ভেতরকার কিছু ক্যারেকটারও আছে অস্থির । আপনি যদি রিয়েলিস্টিক একশানের ভক্ত হন তাহলে পড়া শুরু করে দিন হলি ল্যান্ড ।
চ্যাপ্টার : ১৮৮
এখানে পড়তে পারেন : http://kissmanga.com/Manga/Holyland

Holyland 3

মাঙ্গা রিএকশান: The Flowers Of Evil — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

এ মাঙ্গা নিয়ে আগে বেশ কয়েকটা পোস্ট দেখে আমি আগ্রহী হয়ে পড়তে শুরু করলাম আকু নো হানা। পড়া শেষ করার পর আমার মনে হলো অসাধারণ কিছু পড়া শুরু করেছি এবং তা ছিলোও কিন্তু শেষে গিয়ে ভাবলাম যে আরো অস্থির কিছু হতে পারত ।

The Flowers Of Evil 1
মাঙ্গার মেইন ক্যারেকটার তাকাও কাসুগা , এক মাধ্যমিক পড়ুয়া বইপোকা । ছেলে সবদিক দিয়ে ভালো এবং ক্লাসের এক সুন্দরী সহপাঠী নানাকো সায়েকির উপর ক্রাশ খাওয়া । তো একদিন ক্লাস থেকে বের হবার সময় দেখে যে নানাকোর জিমের পোশাক নিচে পরে আছে এবং কেমন করে জানি এই ভালো ছেলে তাকাও সেই পোশাক অনিচ্ছাকৃত ভাবে চুরি করে ফেলে । তো ভালো ছেলে হওয়ায় আত্নগ্লানিতে সে প্যারনয়েড হয়ে ওঠে এবং মড়ার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে সে নজরে পরে যায় ক্লাসের পাগলী স্যাডিস্ট মেয়ে সাওয়া নাকামুরার খপ্পরে যে তাকে পোশাক চুরি করতে দেখেছে এবং তাকে সেটা নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে গিয়েও না করে একধরনের মানসিক টর্চার শুরু করে !তাকাও পাগলপ্রায় হয়ে উড়াধুরা কাজ শুরু করে এবং অবস্থা আরও খারাপ হয় যখন নানাকো তাকাওর কাছে আসতে চায় ।

The Flowers Of Evil 2
মাঙ্গার ফেস্টিভালের ইনসিডেন্ট পর্যন্ত আমার অস্থির লেগেছে । কিন্তু তাকাও এর চেইন্জ আর ভালো লাগেনি । আর লাস্ট পর্যন্ত সবশেষে ওই হ্যাপি এন্ডিং । আমি ভাবছিলাম পরে নাকামুরা আরও অস্থির বা ডেন্জারাস কিছু হবে । তবে স্বপ্নের ব্যাপারটা অস্থির ছিল । আর নাকামুরাকে ভাল লাগসে কারন সে ছিল ট্রু স্যাডিস্ট । আমি যখন জ্বলবো তখন আশেপাশের সবাইকে নিয়ে জ্বলবো । এরকম সোসাইটি থেকে বিচ্ছিন্ন স্যাডিস্টদের মানসিকতা নাকামুরার মধ্য দিয়ে দেখেছি ।
সবশেষে মাঙ্গাটা সত্যি খুবই ভালো লেগেছে । এরকম থ্রিলিং জিনিস পড়তে খুবই ভালো লাগে । আর্ট কোয়ালিটিও যথেষ্ট ভালো ! এবং ক্যারেক্টার গুলো যে মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে গেছে ,তা মাঙ্গায় ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ।যারা পড়েননি তারা পড়ে ফেলুন , আপনার সময়টা নষ্ট হবে না বলতে পারি!!

The Flowers Of Evil 3

মাঙ্গা সাজেশন: The Climber — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

বারসার্ক পড়ে এবং এর আর্ট এবং কাহিনী দ্বারা স্পেলবাউন্ড হবার পরে এর মতো আরো কিছু মাঙ্গার খোঁজ করসিলাম । তো রেজো গোটা বিশেক সাজেশন দিসে এর মধ্যে Vagabond আর দ্যা ক্লাইম্বার ২টা একেবারে জ্যাকপট ! অসাধারন আর্টের সাথে অতিঅসাধারণ কাহিনী! একজন সাহিত্য প্রেমিকের কাছে আর কি চাই !!
তো দ্যা ক্লাইম্বার মাঙ্গা নিয়ে প্রথম কথা হল এটার জানরা হল স্পোর্টস আর সেইনেন । স্পোর্টস মাঙ্গা পড়ার সমস্যা হল একশন গুলা বা টেনশনটা এনিমের মত ঠিক আসে না , কিন্তু ক্লাইম্বার এমন একখানা মাঙ্গা ,যেখানে ক্লাইম্বিং নামক ভয়ঙ্কর খেলাখানাকে আপনার চোখের সামনে চলচ্চিত্রের মতো তুলে ধরবে । এই মাঙ্গার কাহিনী একখানা উপন্যাস হিসেবে লেখলেও সেই অসাধারণ হতো । ব্যাক্তি এবং বন্দ্ধুর উথাধ পতন , মনস্তাত্বিক দ্বন্দ এককথায় আপনি যা চান তাই আছে এই মাঙ্গায়া । কিন্তু অলক্ষ্যে থাকা রত্নের মত এই মাঙ্গা রুপি রত্ন অনেকে পড়েনি । আমি এটা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলছি না কেননা রেজো ডি আকাশআলো XD ! এটা নিয়ে ইন্টারের পর এক তথ্যবহুল রিভিউ দেবে , আমি শুধু বলছি যারা , অসাধারন কিছু পড়তে চান তো ক্লাইম্বার মাঙ্গাটি পড়া শুরু করুন ।

tc 1 tc 2

মাঙ্গা রিভিউ: Hyouryuu Kyoushitsu (The Drifting Classroom) — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

জাপানে হরর মাঙ্গার রাজপুত্র বলা হয় জুনজি ইতোকে । তার প্রত্যেকটি মাঙ্গাই তার এই উপাধির পক্ষে সাক্ষ্য দেয় । জুনজির পরে আরেকজন মাঙ্গাকার কথা আসে নাকাইয়ামা মাসাকি যিনি ফুয়ান নো তানেসহ আরও অসাধারন কিছু মাঙ্গা লিখেছেন । কিন্তু জাপানে হরর মাঙ্গার দিকপাল বা শক্ত ভিত দাঁড় করাতে যে সাহায্য করেছে এবং স্বয়ং জুনজি ইতো যার কর্ম দ্বারা অনুপ্রাণীত ,অনেকের অলক্ষ্যে থাকা এক মাঙ্গাকা কাজুও উমেযু এর মাস্টারপিস ড্রিফটিং ক্লাসরুম নিয়ে কথা বলবো ।
কাহিনী :তাকামাতসু ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া এক চঞ্চল চিত্তের বালক । কোন দুষ্ট ছেলে এবং তার মায়ের মধ্যকার এক কমন বাক্য হচ্ছে ” আম্মু আমি ঘর ছেলে চলে যাব ,এবং মায়ের কথা “যখন ক্ষুধা লাগলে তখন দেখা যাবে ,, । তো এরকম কিছু কথা বলে রাগ করে তাকামাতসু তার স্কুলে চলে যায় , কিন্তু তাকামাতসু কি জানতো এটাই তার স্নেহময়ী মায়ের সাথে শেষ কথা !?।এই নিরবিলি শহরে হঠাত্‍ করে এক বিশাল বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে । স্কুলের সবাই অবাক নয়নে দেখে তাদের আশেপাশের পুরো দুনিয়া উড়ে গিয়েছে এবং এলাকার লোকজন খেয়াল করে তাদের স্কুলখানা পুরো অদৃশ্য হয়ে গিয়েছে । স্কুলের ছাত্র এবং শিক্ষকরা প্রাথমিক শক কাঁটিয়ে তাদের অবস্থা অনুধাবন করার সাথে সাথে পুরো জাহান্নাম ভেঙ্গে পড়ে । কিছু শিক্ষক পাগল হয়ে যায় , কেউবা হয়ে যায় সাইকো । বড়রা নিজেরাই শেষ হয়ে যাবার পর ছাত্রদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় । তখন ক্লাসের সবচেয়ে চঞ্চল বালক তাকামাতসু লিডারশিপ নিয়ে এগিয়ে আসে নিজের এবং অন্য সকলের জীবন রক্ষার জন্য এবং তাকে সঙ্গ দেয় নিশি , সাকিকো , ওতোমো প্রমুখ । এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে শান্ত করতে এবং সবার জীবন রক্ষা করতে গিয়ে যে টানাপোড়েন এবং যে ইনস্যানিটির বীজ অনেকের মন গেথে গিয়েছে তা মোকাবেলা কি করতে পারবে তাকামাতসু ও তার দল !!?

Drifting Classroom 1
টাইম ট্রাভেলিং , সাইকোলজি , মাস ইনস্যানিটি , সারভাইবেল এবং সর্বোপরি হরর ও গোরের মিক্সচার এই অসাধারন মাঙ্গা । এটা এমন এক মাঙ্গা যা একবার পড়া শুরু করলে আর না পড়ে থাকা যাবে না । এই মাঙ্গায় শিশুমৃত্যু এবং তাদের মধ্যকার হিংস্রতাকে বেশ নরমাল ভাবেই অনেকবার দেখানো হয়েছে তাই এটা অনেকের কাছে খারাপ লাগতে পারে । দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষের পরিবর্তন যে কত তাড়াতাড়ি হয় তা এই মাঙ্গা না পড়লে বোঝা যাবে না । তো সময় থাকলে পড়া শুরু করুন এই অসাধারন মাঙ্গা ড্রিফটিং ক্লাসরুম ।
আমার রেটিং : ৯/১০

Read online : http://kissmanga.com/Manga/Hyouryuu-Kyoushitsu

Drifting Classroom 2

মাঙ্গা রিভিউ: Emerging — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

মাঙ্গা রিভিউ : Emerging
মাঙ্গাকা : হোকাজোনো মাসাইয়া

দুনিয়াতে যে কত ধরনের হররের ক্ষেত্র আছে তা আর হিসাব করা যায় না । ভূত পেত্নী, সাইকো, নানা ফোবিয়া এমন অনেক কিছু । মাঝখানে বিভিন্ন হরর মুভি বা গল্পের জন্য একটি কমন প্লট ছিল মহামারী রোগ। কোয়ারেনটিন, ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি মুভি বা বিখ্যাত প্লেগ উপন্যাসের বিষয় বস্তু ছিল এই মহামারী এবং সত্যি কথা বলতে এটাই সব হরর জেনারের মধ্য সবচেয়ে বাস্তবসম্মত । তো এই মহামারী নিয়ে যে কয়টি ভালো মাঙ্গা লেখা হয়েছে , তার মধ্যে এমার্জিং অন্যতম ।

Emerging 1
কাহিনী: একদিন সুন্দর সকাল দেখে প্রত্যেকদিনের মতোই আপনি কলেজের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়লেন । বন্দ্ধুদের সাথে আড্ডা , প্রিয়জনের সাথে দেখা করে আপনার একটা ভালই দিন কাটলো । আপনি বাসায় যাবেন বলে রাস্তার ওপারে দাড়িয়ে আছেন ,হঠাত্‍ করে একজন লোক আপনার পাশে রাস্তায় ছটফট করতে করতে পড় গেলো এবং তার শরীর ফেটে চারিদিকে রক্ত ছড়িয়ে পড়লো । দিনটা আপনার বেশ খারাপভাবে শেষ হলো কিন্তু আপনি কি জানেন আপনার ভাগ্যে আরো ভয়াবহ কি অপেক্ষা করছে ।আপনি কি জানতেন সে ব্যাক্তি শরীরে বহন করছে প্রাণঘাতী এবং শরীরে পঁচিয়ে দেওয়া এক ভাইরাস !? ৩দিন যেতে না যেতেই সব হাসপাতালে প্রচুর রোগী ভিড় করতে লাগলো যাদের সবার উপসর্গ একই , এবং তা হলো প্রচন্ড জ্বর , রক্তক্ষরন এবং শরীরের আর্টারী ফুলে যাওয়া ইত্যাদি । তখন তরুন ডাক্তার ওনতেরা ও সেকুগিচি একে প্রথমে ইবোলা ধরে নিয়ে আগাতে থাকে , কিন্তু আসলে কি তাই ? এশিয়ার চিকিত্‍সা ক্ষেত্রে অন্যতম সেরা দেশ আসলে কিসের সম্মুখীন হচ্ছে !? মহামারীর সময় একটি দেশের জনগণ ও সরকার কি পরিস্থিতি হয় ,সে সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা এই মাঙ্গা দিতে পারবে ।

Emerging 2
মাঙ্গার প্লট খুবই কমন হলেও প্রথম দিককার চ্যাপটার গুলো খুবই সাসপেন্স যুক্ত । কিন্তু সবচেয়ে হতাশাজনক হচ্ছে এর এন্ডিং যা খুবই তাড়াহুরা করে শেষ করা হয়েছে । এর কাহিনী আরও ভালো করা যেত এবং এ মাঙ্গা পড়ার সময় অনেকেই হয়তো এর শেষে কি হবে তা আগেই ধরে ফেলতে পারবো । কিন্তু যারা ঠিক বেশি হরর বা ট্র্যাজিক এন্ডিং পছন্দ করে না কিন্তু হরর বা সাসপেন্সের স্বাদ নিতে চায় , তারা মাঙ্গাটি ট্রাই করে দেখলে মন্দ লাগবে না আশা করি !
আমার রেটিং : 7/10

Emerging 3