Movie Time With Yami – 05

distantstar

Name- Voices of a Distant Star / Hoshi No Koe
Duration- 25 minutes
MAL Score- 7.71
Ranked- 947
Genres- Drama, Mecha, Romance, Sci-Fi

এটি আসলে একটি ওভিয়ে, যার ডিরেক্টর এবং ভয়েস অ্যাক্টর মাকোতো শিনকাই। যারা এ নামটির সাথে পরিচিত তারা জানেন, মাকোতো শিনকাই মানেই সম্পূর্ণ অন্যরকম কিছু।

এটির কাহিনী ভবিষ্যতে, তখন টেকনোলজি অনেক উন্নত হয়েছে। মানুষ মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেছে এবং সেটাকে পরিদর্শন করার জন্যে স্পেসশিপ পাঠাচ্ছে। এমনই এক যুগের দুই স্কুলপড়ুয়া বন্ধু মিকাকো নাগামিনে ও তেরাও নোবোরু। তাদের যখন সিনিয়র হাইস্কুলে ওঠার সময় হয়, তখন নাগামিনে তার যোগ্যতার কারণে স্পেসশিপে করে পৃথিবীর বাইরে যাওয়ার জন্যে নির্বাচিত হয়। সে স্পেসশিপে চলে যাওয়ার পর দুই বন্ধুর যোগাযোগের একমাত্র উপায় হিসেবে থাকে সেলফোনের টেক্সট মেসেজ, যা একে অপরের কাছে পৌছতে মাস পার করে দেয়। পৃথিবীর সাথে স্পেসশিপের দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, মেসেজ পৌঁছানোর সময়কালও বাড়তে থাকে। তাদের ভবিষ্যৎও পূর্ণ হয়ে উঠতে থাকে অনিশ্চয়তায়।

নাগামিনে ও নোবারু দুইজনই স্বপ্ন দেখে, একদিন নাগামিনে ফিরে আসবে স্পেস থেকে, তখন তাদের আর এভাবে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে না একটা টেক্সটের জন্য। এবং তারা একসাথে সেই সব করতে পারবে, যা নরম্যাল হাইস্কুল স্টুডেন্টরা করে।

আমার মতামত, একটু ধীরগতিতে আগায় কাহিনী, কিন্তু কিছু একটা আছে এর মাঝে, শেষ পর্যন্ত দেখলে ভাল লাগে । শেষ হওয়ার পরেও কিছুক্ষণ থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে হয়।

২০০২ সালে রিলিজ হওয়া এই ওভিয়েটির একটা বিশেষত্ব হল, শুধুমাত্র এর ডিরেক্টর মাকোতো শিনকাই এবং তার মেয়েবন্ধু ছাড়া এটি বানাতে আর কেউ কাজ করেনি। মাত্র দুজন মানুষ মিলে এরকম একটা কাজ দাড়া করিয়ে ফেলেছে, ভাবতেই অবাক লাগে।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন এই ওভিয়েটি।

Download Link –

http://kissanime.com/Anime/Voices-of-a-Distant-Star

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

এফ এ সি ৪৯

রান্ডম টপিক

 কাগজের ঘর

 

আগের এফেসিতে বলেছিলাম যে জাপান একটা ভয়াবহ ভূমিকম্পপ্রবণ। তাই কিছু জায়গায় তারা কাগজের বাড়ি বানায়, যেগুলো ভূমিকম্পের বিরুদ্ধে তুলনামুলকভাবে বেশি টেকসই। তবে বাড়িটা যে পুরোপুরি কাগজের তা না, এর সাথে থাকে কাঠ, বাঁশ, টাইল ইত্যাদি। ঘরের মাঝের পার্টিশনগুলো কাগজ দিয়ে তৈরী করে অনেক লাভ, যে কোনো সময় পার্টিশনগুলো সরিয়ে বেশ বড় এক স্পেস পাওয়া যায়, যেটা মিটিং এর সময় কাজে লাগে.

 

আনিমে সাজেশন

সিটি হান্টার[City Hunter]

 

আপাতদৃষ্টিতে সায়বা রিওকে দেখলে মনে হয় মহা এক পারভারট, সারাক্ষণই সুন্দরী মহিলাদের পিছনে লেগে আছে, তার এপ্রোচও যে মহা শালীন তা না। তার আসল পরিচয়? নিপুণ টিপের সাথে রিভল্ভার হাঁকানো সবচেয়ে বিখ্যাত বাউন্টি হান্টারদের একজন, যে পরিচিত সিটি হান্টার নামে।

 

কেন দেখবেনঃ ক্লাসিক এক আনিমে, আশির দশকের আনিমে বলে মনেই হয় না। এখনো দেখে শেষ করিনি, যা দেখছি, ওয়ান ম্যান শো। বেশ ভালো অ্যাকশান আর গ্যাগ সিন। কাউবয় বিবপের সাথে মিল আছে.

কেন দেখবেন নাঃ যতদূর দেখেছি, এপিসোডিক, কাজেই কন্টিনিউ করা কষ্টকর হতে পারে। রিওর “মক্করি” এপ্রোচগুলো মাঝে মাঝে ভয়াবহ। একা দেখবেন।

 

ম্যাল রেটিং- একগাদা সিকুয়েল আছে, চাইলে নিজেই ম্যাল চেক করুন। গড়ে ৮.

আমার রেটিং নেই, কারণ দেখা শেষ হয়নি।

 

মাঙ্গা সাজেশন

 কোইসোমে মমিজি[Koisome Momiji]

 

 

এক মেয়ের ছবি তুলল সৌতা। পরে সে জানতে পারল, এই মেয়ে আর কেউ নয়, স্বয়ং উঠতি আইডল সানা! টিভি নাটকে অভিনয় করবে সে, তাই চরিত্রের গভীরতা বোঝার জন্য সানা সৌতাকে বলল তার সাথে প্রেম বিষয়ক প্র্যাকটিস করার জন্য। প্র্যাকটিস কি আসলেই পারফেকশনে রূপ নেবে, নাকি পিলার অব সাকসেস হয়েই থাকবে?

 

কেন পড়বেনঃ মোটামুটি ভালো টাইম পাস, আঁকা ভালো, আকর্ষণীয় ফ্যান্সারভিস।

কেন পড়বেন নাঃ ক্লিশে, দুর্বল কাহিনীকে সুন্দর মেয়েদের দিয়ে ঢাকার চেষ্টা[আমার এতে তেমন আপত্তি নেই, ফেয়ারি টেইল তো এখনো দেখে যাচ্ছি, হেহে, কিন্তু সবার ভাল্লাগবে সেই নিশ্চয়তা নেই।]

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯৪

আমার রেটিং ৭

এফ এ সি ৪৮

রান্ডম টপিক

 প্রাকৃতিক দুর্যোগ

 

 

যারা “নিপ্পন-সামার” সবকিছুতেই মুগ্ধ, আর ভবিষ্যতে ঐ দেশে বসত গাড়ার চিন্তা করছেন, আগে এক এফেসিতে বলেছিলাম, জাপানীরা বিদেশী[গাইজিন]দের পছন্দ করে না। এছাড়া জাপান ভয়াবহ ধরনের দুর্যোগ কবলিত দেশ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভূমিকম্প, টাইফুন, অগ্ন্যুৎপাত সেখানে নিয়মিত। রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প তো রীতিমত ডালভাত। সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আছে প্রচুর, সুপ্ত তো আছেই। ওদিকে দ্বীপদেশ হবার কারনে সাগরের উৎপাতেরও অভাব নেই। বুঝুন তবে?

 

 

আনিমে সাজেশন

টোকিও ম্যাগনিচিউড ৮.০[Tokyo Magnitude 8.0]

চমৎকার সকালটা ভয়াবহ হয়ে গেলো তখনই, যখন ৮.০ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানল। পরিবারের সদস্যরা হয়ে গেলো আলাদা, সম্পূর্ণ অপরিচিত লোকজন বারিয়ে দিল সাহায্যের হাত। অবশ্য সবার হাতই কি অমন সরল বিশ্বাসে ধরা যায়?

 

কেন দেখবেনঃ দুর্যোগের প্রেক্ষিতে মানবিক সম্পর্কের আখ্যান, সেই সাথে প্রয়োজনীয় সাসপেন্স, একটানে শেষ করে ফেলার মতো একটা আনিমে।

কেন দেখবেন নাঃ এন্ডিঙটা দেখলে খানিকক্ষণ ট্রমাটাইজড হয়ে থাকলেও থাকতে পারেন।  আমি নিজে বেশ কয়েকবার রিপিট করেছি জায়গাটা, ঠিক দেখছি নাকি বোঝার জন্য।

 

ম্যাল রেটিং ৮.২২

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 হেভেন’স ডোর[Heaven’s Door]

মৃত্যুপথযাত্রী দুই তরুণ-তরুণী পালিয়ে গেলো হাসপাতাল থেকে। লক্ষ্য? সাগরের অসীমতা!

 

কেন পড়বেনঃ দ্য ফলট ইন আউয়ার স্টারস ধাঁচের কিছু হলেও হতে পারে, আমি ঐ বইও পড়িনি, মুভিও দেখিনি, শুধু খানিকটা সিনপ্সিস পড়েছিলাম, তা থেকে তুলনা করছি। কাহিনী, আঁকা বেশ ভালো।

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮৮

আমার রেটিং ৭

এফ এ সি ৪৭

রান্ডম টপিক

 রসনাবিলাস ২: ভাত

 

 

জাপানীরা যে ভাত খায়, সেটা আমাদের দেশের ভাতের মতো না, তুলনামুলকভাবে আঠালো আর মিষ্টি, অবশ্য এটাই স্বাভাবিক, আঠালো না হলে চপস্টিক এর মতো ভয়াবহ জিনিস ব্যবহার করবে কিভাবে? চালের বিশেষ প্রকরন চাষ করে তারা, সেই সাথে জিনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং তো আছেই। এই বিশেষ প্রকরণ দুই রকমের, একটার কথা তো আগেই বললাম, এটাকে বলে উরুচিমাই, আরেকটা হলো আরো আঠালো, নাম মচিগোমে। নাম থেকে বোঝা যাচ্ছে, মচি বানাতে এই ভাত ব্যবহার করা হয়.

 

 

আনিমে সাজেশন

 কিমি তো বকু[Kimi to Boku]

 

কয়েকজন বন্ধুর সম্পর্ক নিয়ে কাহিনী, তাদের বন্ধুত্ব, ভাললাগা, ভালবাসা, প্রত্যাখ্যাত হওয়া, সবকিছু নিয়েই এই কাহিনী। অবশ্যই ভিটামিন-টি গোছের কিছু না, অনেক বেশি ক্লাসি।

 

কেন দেখবেনঃ মানবিক সম্পর্কের স্লাইস অব লাইফগুলোর কথা বিবেচনা করলে সম্ভবত হানি অ্যান্ড ক্লোভারের পর এটাই আমার দেখা সেরা।

কেন দেখবেন নাঃ কড়া অ্যাকশানপ্রেমীদের জন্য অবশ্যই নয়। স্লাইস অব লাইফের ব্যাপারে আগ্রহ না থাকলে না দেখতে বলা যাচ্ছে। এটা মুশি-শির মতো সুপারন্যাচারাল না, বাকুমানের মতো শউনেন না, আবার নন নন বিয়রির মতো মোয়ে ফ্লেভারের না। কাজেই সাবধান।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯১+৮.১৯

আমার রেটিং ৮+৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 দেঙ্গেকি ডেইজি[Dengeki Daisy]

 

 

তেরুর ভাই মারা যাবার আগে তার হাতে দিয়ে গিয়েছিল একটা সেলফোন, যাতে সেভ করা ছিল ডেইজির ইমেইল অ্যাড্রেস। কে এই ডেইজি? সে কি পুরুষ, নাকি মহিলা? তার বয়স কত? সে দেখতে কেমন? কিছুই জানে না তেরু, শুধু জানে এই, ডেইজি তার গার্জিয়ান এঞ্জেল, সারাক্ষণ মাথার উপর ছায়া দিয়ে আছে। আহারে বেচারী, সে যদি জানত, তাদের স্কুলের জ্যানিটর, একগাদা অগোছালো চুলওয়ালা, পাঁড় ধূমপায়ী, সারাক্ষন তেরুর সাথে বাজে ব্যবহার করা কুরোসাকিই আসলে ডেইজি!

 

কেন পড়বেনঃ ক্লাসি শউজো, খামোখা মানঅভিমান নেই, নায়ক-নায়িকা, সাইড ক্যারেক্টার, সবাই খুব ইন্টারেস্টিং। মূল দুই চরিত্রের কেমিস্ট্রি অসাধারণ। সেই সাথে রহস্য। দারুন আর্ট।

কেন পড়বেন নাঃ  এই মাঙ্গা না পড়া বোকামি। শউজো হলেও অ্যাকশান ফ্যানরাও ট্রাই করতে পারেন।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৬

আমার রেটিং নেই, কারণ পড়া শেষ হয়নি।

এফ এ সি ৪৬

রান্ডম টপিক

 শিরিতোরি[Shiritori]

 

গ্রুপে মাঝে মাঝে দেখা যায় এক ধরনের খেলা হয়, যেখানে একজন একটা আনিমে/চরিত্রের নাম বলবে, তার শেষ বর্ণ ধরে আরেকজনকে পরের নাম বলতে হবে। এই খেলার জাপানী ভার্শন হল শিরিতোরি, তবে এমনিতে খেলাটাকে অসীম গোছের কিছু মনে হলেও আসলে তা নয়, শিরিতোরিতে হার-জিত নির্ধারণ করার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে, সেটা হল, যার উচ্চারিত শব্দের শেষ বর্ণ “ন[ん]” হবে, সে খেলায় হারবে, কারণ জাপানী ভাষায় “ন[ん]” দিয়ে কোন শব্দ শুরু হয় না।

 

 

আনিমে সাজেশন

 গোলগো থার্টিন[Golgo 13]

 

পেশীবহুল লোকটাকে দেখলেই বোঝা যায় চিতার ক্ষিপ্রতা তার শরীরে। অন্তর্ভেদী দৃষ্টি গায়ে জাগায় কাঁপুনি। নাম তার ডিউক তোগো, কিন্তু এটা স্রেফ বাইরের চেহারা। তার আসল পরিচয়? সে সবার সেরা হিটম্যান, কোন লক্ষ্যই যার অভেদ্য নয়। সে হল গোলগো থার্টিন!

 

কেন দেখবেনঃ অভারপাওয়ারড মেইন ক্যারেক্টারকে নিয়ে আনিমে দেখার একটা অন্য রকম মজা আছে, আপনি জানেন সে পরিষ্কার ব্যবধান রেখেই জিতবে, কিন্তু এই ব্যবধানটা সে কিভাবে গড়ে তুলছে, এটা আনিমেতে দারুণভাবে দেখানো হয়েছে।

 

কেন দেখবেন নাঃ স্ট্রিক্টলি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, নারীদের “রমণীয়তা” দেখানো হয়েছে খুব বেশি পরিমাণে[বাংলায় মোটামুটি ভালো দখল থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন আমি কি বুঝিয়েছি।]। আর গোলগোর ভয়েস আমার বেশি ভাল্লাগেনি, আরও আকর্ষণীয় হতে পারত।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৫৮

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 তোমি[Tomie]

 

অপূর্ব সুন্দরী মেয়েটাকে দেখলেই প্রায় সবাই মুগ্ধ হয়ে যায়। “প্রায়” কেন বলছি? আপনারা মুগ্ধ হবে না, যখন জানবেন এই মেয়ে মরলেও ফিরে আসে বারবার, আরও ভয়ঙ্কর হয়ে!

 

কেন পড়বেনঃ ইতো জুঞ্জির মাঙ্গা, হরর আবহের কমতি নেই। ছোটগল্পগুলো ভারী আকর্ষণীয়।

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই। মাঝে মাঝে পেটের মধ্যে গুলাতে পারে অবশ্য।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭২

আমার রেটিং ৮

যেতসুয়েন নো টেম্পেস্ট রিভিউ; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

394399

Genres: Action, Mystery, Drama, Fantasy, Magic, Shounen, Psychological
Score: 8.24
Ranked: 255
Episodes: 24

Yoshino_Takigawa

কাহিনীটা অদ্ভুত। ইওশিনো তাকিগাওয়া, একজন হাইস্কুল ছাত্র। একা একা ঘুরে বেড়ায় সব জায়গায়। কারো সাথেই যেন তার সম্পর্ক নেই। তার একমাত্র বন্ধু মাহিরো, যে কিছুদিন আগে নিখোঁজ হয়েছে, তার এবং তার বোন আইকার সাথে কাটানো বিভিন্ন সময়ের কথা সে বারবার মনে করতে থাকে। এমন সময় একদিন সে যখন গ্রেভইয়ার্ড ভিজিট করতে যায়, তখন হঠাত আক্রমণের শিকার হয় সে। তাকে রক্ষা করতে হঠাতই এসে হাজির হয় মাহিরো। এবং জাদুর সাহায্যে সে রক্ষা করে ইওশিনোকে।

625612-zetsuen_no_tempest___14___large_16

সমুদ্র। একটা ব্যারেল ভেসে ভেসে গিয়ে ঠেকল একটা জনমানবহীন দ্বীপে। তার ভেতর থেকে বেরোল রাজকন্যা হাকাজে, যাকে তার ক্লানেরই এক সদস্য এভাবে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। “Tree of Exodus” এর উত্থানের সময় হয়েছে, রাজকন্যা উপস্থিত থাকলে তা সম্ভব হবে না।

মাহিরো ইওশিনোকে বাঁচায়, ঠিক তখনি হঠাত কোত্থেকে হাজির হয় অনেকগুলো প্রজাপতি। তারপরেই তারা দেখতে পায় এক বিশাল আজব ফল সমুদ্রের ভেতর থেকে উঠে চোখ মেলে তাকায়। আর সাথে সাথে শহরের সব মানুষ আস্তে আস্তে ধাতুতে রূপান্তরিত হয়ে যেতে থাকে। ইওশিনো মাহিরোর কাছে জানতে চায় কি হচ্ছে সেই ব্যাপারে। ইওশিনো তাকে জানায় নির্বাসিত রাজকন্যার কথা। যার সাথে চুক্তি করেছে মাহিরো। মাহিরো তাকে সাহায্য করবে “Tree of Exodus” এর উত্থান ঠেকাতে এবং দ্বীপ থেকে ফিরে আসতে। এর বদলে রাজকন্যা মাহিরোকে সাহায্য করবে প্রতিশোধ নিতে।

Zetsuen no Tempest 01

“Tree of Genesis”. এই পৃথিবীর লজিক রক্ষা করে চলা এক শক্তি। যাকে ব্যাবহার করা হয় পৃথিবীর উপকারের জন্যে। এই ট্রিকে রক্ষা করার দায়িত্ব কুসারিবে ক্লানের। এই ক্লানেরই রাজকন্যা হাকাজে। তাকে Tree of Genesis সবসময় রক্ষা করে এবং ট্রির ক্ষমতার প্রতি হাকাজের রয়েছে অগাধ বিশ্বাস। আর তাই তার উপস্থিতিতে এর বিরুদ্ধ শক্তি “Tree of Exodus” এর উত্থান সম্ভব নয়। এজন্যেই হাকাজেকে নির্বাসনে পাঠায় “সামোন কুসারিবে”। ট্রির ক্ষমতায় আর বিশ্বাস নেই তার।

এতসব জটিলতার মাঝে কিভাবে জড়িয়ে যায় ইওশিনো? মাহিরো কিসের প্রতিশোধ নিতে চায়? শহরের মানুষ কেন ধাতুতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে? রাজকন্যা কি পারবে দ্বীপ থেকে শহরে ফিরে আসতে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে দেখে ফেলতে হবে এই চমৎকার আনিমেটা।

আনিমেটার একটা স্পেশাল দিক হল, নামের প্রতি সুবিচার করে আনিমেটায় শেকসপীয়ারের হ্যামলেট এবং দ্য টেম্পেস্ট থেকে অনেক quote ব্যাবহার করা হয়, যা আনিমেটার মূল চরিত্রদের ব্যাক্তিগত অনুভুতি এবং দুঃখ, কষ্ট, হতাশা (যা আনিমেটার একটা গুরুত্বপূর্ণ এলিমেন্ট) খুব কাব্যিকভাবে ফুটিয়ে তোলে।

একশন, রহস্য এবং তাদের লজিকাল ব্যাখ্যাই যথেষ্ট ছিল, সেই সাথে ইমোশন এবং ব্যাক্তিগত মূল্যবোধের সাথে নিজেদের লড়াই আনিমেটাকে আরও পরিপূর্ণ করেছে। প্রায় প্রতিটি পর্বেই কোন না কোন চমক, সহজেই আপন করে নেয়ার মত ক্যারেক্টার এবং একটি সুন্দর এন্ডিং … ভালো আনিমের জন্যে আর কি চাই!! সেই সাথে সুন্দর OST তো আছেই!! 

কাজেই, আশা করব যারা দেখেননি এখনো আনিমেটা, তারা সময় করে দেখে ফেলবেন। ভালো লাগবেই। আর যারা দেখেছেন তারা তো জানেনই আনিমেটা কত ভালো!

caption_753759_20121001050313

Yama no Susume anime review and ongoing-anime suggestion by Fuad Hassan

 

Yama no Susume (English name: Encouragement of Climb):

Yama no Susume মাত্র ৩ মিনিট এর ছোট একটা অ্যানিমেই সিরিস। এই অ্যানিমেই এর কাহিনি হচ্ছে ৪ টা মেয়েকে নিয়ে যারা পাহাড়ে উঠতে ভালবাসে। কাহিনি প্রথমে Aoi নামের এর মেয়েকে দিয়ে শুরু হয়। Aoi উঁচু জায়গায় উঠতে ভয় পায় কিন্তু তার বন্ধু Hinata পাহাড়ে উঠতে বেশ ভালবাসে। ছোটবেলায় Aoi এর acrophobia (extreme or irrational fear of heights) হওয়ার আগে আওই আর হিনাতা দুইজন একসাথে পাহাড়ে উঠে সূর্যোদয় দেখেছিল যা তাদের খুব ভালো লেগেছিল। হিনাতা আবার আওই কে সাথে করে পাহাড়ে উঠতে চায়, কিন্তু আওই তার ভয় কাটিয়ে উঠতে চায় না। পরে আওই এর ভয়ের কারণ দূর করার পর হিনাতা আওই কে রাজি করাতে সক্ষম হয়। হিনাতা আর আওই এর পাহাড়ে উঠার এই প্রস্তুতির মধ্যে তাদের সাথে আরও দুইটা মেয়ে, Kokona আর Kaede এর দেখা হয়, কোকোনা আর কায়েদে ও পাহাড়ে উঠতে ভালবাসে। শুরু হয় তাদের চারজনের তাদের অঞ্চলের বিভিন্ন ছোটোখাটো আর বড় পাহাড়ে উঠা। শু্ধু কি পাহাড়ে উঠা, পাহাড়ে উঠতে যে বিভিন্ন প্রতিকূলতা আছে যেমনঃ মাউন্টেইনিং গিয়ার কেনা থেকে রান্না করা সব কিছুই তারা একসাথে মোকাবেলা করার চেষ্টা করে। কষ্ট করে পাহাড়ে উঠার পর পাহাড়ের উপর থেকে সুন্দর দৃশ্য দেখে যেই আনন্দ লাগে আর মনে যে একটা কিছু অর্জন করার ভাব আসে সেই অভিজ্ঞতা বার বার নিতেই তারা পাহাড়ে উঠে।

যারা অ্যানিমেই তে সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পছন্দ করেন তারা দেখতে পারেন। স্লাইস অফ লাইফ জনরা এর এই অ্যানিমে টাতে একটু হলেও Non Non Biyori এর মতো ভাব পেতে পারেন। জাপানের বিভিন্ন পাহাড়ে উঠতে না পারলেও এই চারজনের পাহাড়ে উঠা এখানে দেখতে পারবেন। বেশ রিফ্রেশিং একটা অ্যানিমেই। অ্যানিমেই টা দেখলে পাহাড়ে উঠার কিছু টিপস তো পাবেন ই এত সুন্দর সুন্দর পাহাড়ের সুন্দর সুন্দর দৃশ্য দেখলে মন ভরে জেতে বাধ্য। পাহাড়ে উঠতে যে আসলেই কত মজা তা এই অ্যানিমেই টা দেখলে বুঝতে পারবেন। আমি নিজেও এই অ্যানিমেই টা দেখে বেশ মোটিভেটেড হয়েছিলাম মাউন্টেইন ক্লাইম্বিং এর জন্য। অ্যানিমেই টার এন্ডিং সং টাও বেশ রিফ্রেশিং (https://www.youtube.com/watch?v=kbhKw8mtIWA)

MAL rating: 6.80
আমার রেটিং : 7
Genre: Slice of Life
Total episode: 12

Ongoing-anime suggestion:

14

 

Yama no Susume: Second Season:

Yama no Susume অ্যানিমে টার ই সেকেন্ড সিসন এই অ্যানিমেই টা। এই সিসন এও মেয়ে ৪ টা বিভিন্ন পাহাড় এ উঠে আর পাহাড়ে উঠার আরও অনেক সহজ উপায় শিখে। এইদিকে আওই এর ফুজি পাহাড় দেখার খুবই বেশি ইচ্ছা তাই অন্যরা সবাই মিলে ঠিক করে আওই কে সারপ্রাইস দেয়ার। এই সিসনের ওপেনিং আর এন্ডিং সং ও বেশ ভালোই। আর এই সিসনের প্রত্যেকটা এপিসোড ১৫ মিনিট করে। ১৫ মিনিট এর একটা রিফ্রেশিং এপিসোড একবার দেখেই ভালো লাগবে। তাই দেরি না করে এখনি দেখে ফেলুন।

MAL rating:7.08
আমার রেটিং : 8

মাঙ্গা রিভিউ – Watashitachi no Shiawase na Jikan – Syed Tawsifuzzaman

Volumes: 1

Chapters: 8
Genres: Drama, Romance, Slice of Life, Psychological, Seinen
Authors: Yumeka, Sumomo (Art)
MAL Rating: 9.8
MAL Ranking: 4th

কেউ কি কখনো ভেবে দেখেছেন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিতদের মানসিক অবস্থা কেমন হয়? বা সকলেই কি মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য? তারা কি আরেকটা সুযোগ পেতে পারেনা?

এও কি আপনাদের মাথায় কখনো উদয় হয়েছে যে বিত্তবানরাই কি প্রকৃত সুখী? তাদের জীবনও তো হতে পারে বিষাদময়।

আজকাল দেখি অনেকেই তুচ্ছ কারণে আত্মহত্যা করছে। আত্মহত্যাই কি ঝামেলামুক্ত হওয়ার একমাত্র উপায়? এত সুন্দর পৃথিবী কি এত সহজেই ছেড়ে যাওয়া যায়, বা উচিত?

সকল মা ই কি মমতাময়ী?

এরকম আরও অনেক প্রশ্নই আপনার মাথায় উকি দেবে আর ঘোরাফেরা করবে এই মাঙ্গাটা পড়ার পর।

এর মুল কাহিনী একজন মেধাবী পিয়ানিস্ট কে নিয়ে যার নাম জুরি। যে জীবনের ওপর অতিষ্ঠ হয়ে তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং ব্যর্থ হয়। তার এই অবস্থায় তার এক খালা, যে একজন চার্চ এর সিস্টার, তাকে নিয়ে যায় একটি কারাগারে, যেখানে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামীদের রাখা হয়। সেখানে তার দেখা হয় এক আসামির সাথে, যে ৩ খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত। ওই আসামির নাম হল ইউ। সে অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। সে যেই খুনগুলো করেছে তার জন্য সে প্রায়াশ্চিত্ত করতে চায় এবং সেও বহুবার আত্মহত্যা করতে চেষ্টা করে। দেখা করার পর তারা তাদের মনের ভেতরের পুরনো কষ্টগুলো মনে করে এবং তা নিয়ে ভাবতে থাকে। এভাবেই কাহিনী এগিয়ে যায় এবং একজনের প্রভাবে অন্যজনের জীবনও খানিকটা পালটে যায়।

কিভাবে পালটে যায় তা জানতে আপনাদের পড়তে হবে ওয়াতাশিতাচি নো শিওয়াসে না জিকান মাঙ্গাটি।

এই মাঙ্গাটির ভলিউম মাত্র একটি, সুতরাং একটু সময় খরচ করে মাঙ্গাটি পড়লে আপানার খারাপ লাগবে বলে মনে হয় না বরং অনেক ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।

Movie Time With Yami – 04

Grave-of-the-Fireflies_background_wallpaper

 

Name- Grave of the Fireflies/Hotaru no Haka 
Duration- 1 hour 28 minutes 
MAL Score- 8.60 
Ranked- 65 

আমরা সবাই সাধারণত আনিমে দেখি মজা পাওয়ার জন্যে, মন ভালো করার জন্যে অথবা রুঢ় বাস্তবতাকে ভোলার জন্যে। কিন্তু আনিমেও মাঝে মাঝে আমাদের আরও কঠিন বাস্তবতার সামনে দাড়া করিয়ে দিতে পারে। রিয়ালিটি চেক যাকে বলে আরকি। এমনই একটা মুভি এটি। 

কাহিনীর পটভূমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাপানে, মানবতার অবক্ষয় ঘটেছে যেখানে। যখন তখন বম্বার প্লেন এসে বোমা ফেলে যাচ্ছে এখানে সেখানে, আর প্রাণহানি ঘটছে অসংখ্য মানুষের, স্বজনহারা হচ্ছে মানুষ। তেমনি এক বালক সেইটা। সে তার মা ও ছোট বোন সেতসুকোকে নিয়ে থাকত। তার বাবা একজন সৈনিক এবং তিনি তার কাজের জন্যে দূরে থাকেন। বোমার আঘাত থেকে বাঁচতে ছোট বোনকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সেইটা। শারীরিক অসুবিধার কারণে তাদের মা বের হতে পারেনা এবং বোমার আঘাতে খুব বাজেভাবে আহত হয়ে তিনি মারা যান। এরপর আশ্রয়হীন সেইটা ও তার ছোট বোনের ঠাই হয় একজন আত্মীয়ের বাড়িতে। এরপর অভাব, অবহেলা এবং অসহায়তার মাঝে দিন কেটে যেতে থাকে তাদের। বেঁচে থাকার এবং নিজেদের আত্মসম্মান রক্ষার কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয় দুই ভাইবোন। 

আমার কাছে মুভিটার যা সবচেয়ে ভালো লেগেছে, মানুষের জীবনে হঠাত করে কখন কি বিপর্যয় আসতে পারে এবং বাস্তবতা মাঝে মাঝে কতটা কঠিন হতে পারে, এটা খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে। কিছুক্ষণের জন্যে থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে বাধ্য হয়েছিলাম। 

১৯৮৮ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি জাপানে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার জিতেছে। স্টুডিও জীবলির অন্যতম সেরা মুভিগুলোর একটি এটি। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Grave-of-the-Fireflies 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Perfect Blue (movie) suggestion by Monirul Islam Munna

Genre: Drama, Psychological

‘মিমা কিরিগোয়ে’ খুব পপুলার একটা পপ আইডল গ্রুপ ‘ চাম’ এর অন্যতম জনপ্রিয় মেম্বার। অন্যতম বলার চেয়ে সব চেয়ে পপুলার বলাটাই মনে হয় ঠিক হবে।, কারণ জনপ্রিয়তার অন্যতম বিড়ম্বনা বিশাল ফ্যান বেইস, স্টকার, ইন্টারনেট বিভিন্ন রকমের ফেন ওয়েবসাইট ( মিমা কি করছে না করছে, তার ফ্যান মেইড ডাইরি) সব জুড়ে গিয়েছিল তার জীবনের সাথে!!
তবে পপ আইডলের খ্যাতি ছেড়ে, অভিনেত্রী হওয়ার নতুন স্বপ্নের পথে পারি দিলো মিমা। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারে নি, মিমার পাগলা ফ্যান বেইস। ইন্টারনেটের তার সেই পেইজে কখনও কখনও উদ্ভট সব তথ্য, আবার কখনও মিমাকে হুমকি! আর স্বপ্নের পথে যতই এগিয়ে যেতে সাথে মিমা, একে একে খুন হতে থাকে কাছের মানুষগুলো!! আর বাস্তবতা এমন কঠোরতার কাছে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে থাকে মিমা। বাস্তব আর কল্পনিক জগতের এক মিশ্রণে হারিয়ে সে নিজেকে!!!

মুভি নিয়ে আর কিছু বলছি না। স্পয়লার হয়ে যাবে। তবে এই টুকু বলতে পারি, এটা একটা মাইন্ড ফ** এনিমে
চরিত্র, কাহিনী, মিউজিক সবই ভালো। এটা ১৯৯৮ সালের এনিমে,তাই আর্ট একটু পুরনো। তবে মুল চরিত্র ‘মিমা কিরিগোয়ে’ কাওাই
আর এনিমেতে নিউডিটি আছে, তাই সাবধানে দেখবেন
MAL rating: 8.1
আমার রেটিংঃ ৯.০